যবিপ্রবির প্রথম বর্ষে ভর্তির মেধাতালিকা প্রকাশ



যবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি অনুষদের ডিনগণ মেধা তালিকা প্রস্তুত করে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের হাতে তুলে দেওয়ার পর তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

শনিবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকেলে যবিপ্রবির ডিনস কমিটির আহ্বায়ক স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তি পরীক্ষায় ফলাফলপ্রাপ্ত বিভিন্ন ইউনিট হতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহে ভর্তির জন্য আবেদনকারীগণের মধ্যে হতে ন্যূনতম শর্ত পূরণকারীদের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হলো।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে https://admission.just.edu.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে সংশ্লিষ্ট লিংকের মাধ্যমে বিভাগ নির্বাচনের জন্য ‘চয়েস ফর্ম’ পূরণ করতে হবে। ভর্তির সময়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ভর্তি ফি সংক্রান্ত সংক্রান্ত সকল তথ্য www.just.edu.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এ বছর সাতটি অনুষদের অধীনে ২৬টি বিভাগে মোট ৯৩০টি আসনের বিপরীতে ৫২ হাজার ৬৪০ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন। এরমধ্যে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের সাতটি বিভাগের ২৫০টি আসনের বিপরীতে ৯ হাজার ৫৬৬ জন, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের চারটি বিভাগের ১৬০টি আসনের বিপরীতে ১৩ হাজার ৪৮৭ জন, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের চারটি বিভাগের ১৫০টি আসনের বিপরীতে ৮ হাজার ৯৫৮ জন, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের দুটি বিভাগের ৪০টি আসনের বিপরীতে ২ হাজার ৪ জন, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের একটি বিভাগের ৪০টি আসনের বিপরীতে ৫ হাজার ৩৬২ জন, বিজ্ঞান অনুষদের তিনটি বিভাগের ১২০টি আসনের বিপরীতে ৬ হাজার ৩৩২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের চারটি ১৭০টি আসনের বিপরীতে ৬ হাজার ৯৩১ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন।

এ ছাড়াও মোট আসনের মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী এবং যবিপ্রবিতে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য পোষ্য কোটা সংরক্ষিত থাকবে। যবিপ্রবিতে বিদেশি নাগরিকদের ভর্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে আবেদনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। আর আগামী ২৫ জানুয়ারি একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টশন ও ক্লাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভিসির পদত্যাগ অমীমাংসিত, অনশন চলবে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ইস্যুতে আন্দোলরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে শুরু হওয়া এ বৈঠক শেষ হয় রাত আড়াইটায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনের ১২৯ নম্বর কক্ষে জুম প্ল্যাটফর্মে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবির বিষয়ে আলোচনায় কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

ঢাকা থেকে বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো লিখিতভাবে জমা দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। আশ্বস্ত করেন, লিখিত দাবি পেলে সেগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেবে সরকার।

শনিবার রাতে ঢাকায় নিজ বাসভবনে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষামন্ত্রী।

জানান, প্রয়োজনে তার প্রতিনিধিদল শাবিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত। শিক্ষার্থীরা যখন কথা বলতে রাজি হবে তখনই প্রতিনিধি যেতে পারবে। পারিবারিক কারণে এখন তিনি নিজে সিলেটে যেতে পারছেন না।

প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ জানিয়েছিলেন, আমরা আলোচনায় প্রস্তুত। আজ রাতে যদি সম্ভব হয়, যদি এই মুহূর্তেও সম্ভব হয়, আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। হয় তারা প্রতিনিধি দল পাঠাক অথবা অনলাইনে হোক, আমরা দ্রুত আলোচনা চাই। এই স্বৈরাচারি ভিসির পদত্যাগ চাই।

এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মন্ত্রীর পক্ষে আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ কয়েকজন নেতা। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এতে যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

;

গণ-অনশনে যাচ্ছেন শাবি শিক্ষার্থীরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উপাচার্য ইস্যুতে এবার গণঅনশনে যাচ্ছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীর। শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয় গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইয়াসের সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের ২৩ জন শিক্ষার্থী অনশনের ৭৫ ঘণ্টা অতিবাহিত করলেও ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এখনো পদত্যাগ না করে স্বপদে বহাল থেকেছেন। তাই আমরা সব শিক্ষার্থী সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ভিসির পদত্যাগের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত গণঅনশন চালিয়ে যাবো।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে গত বুধবার বিকাল থেকে ২৪ জন শিক্ষার্থী আমরণ অনশনে বসেন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে অনশন চালিয়ে যাওয়ায় অনশনকারীদের মধ্যে অসুস্থের সংখ্যা বাড়ছে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাত পৌণে ৮টায় এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত ১৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও তাঁরা অনশন ভাঙেননি। চিকিৎসকরা বলছেন অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মুখ দিয়ে খাবার না খাওয়ালে অবস্থার আরও অবনতি হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার দাবি আদায়ে ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশি সংঘর্ষ হয়। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগেরও নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে এ ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

;

দেশব্যাপী উত্তাল শাবি ভিসি পদত্যাগের আন্দোলন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দেশব্যপী উত্তাল শাবি ভিসি পদত্যাগের আন্দোলন

দেশব্যপী উত্তাল শাবি ভিসি পদত্যাগের আন্দোলন

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে। দাবি আদায়ে আমরণ অনশন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীদের একাংশ। শাবি শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে দেশের প্রগতিশীল ৯ ছাত্র সংগঠন।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সকাল ১০টা থেকে অবস্থান করছে তারা। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে শাবিপ্রবির আন্দোলনের দশম দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে দেশের একাধিক ছাত্র ও নাগরিক সংগঠনসমূহ। এতে আন্দোলন আরও জোরালো হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ঢাবি শাখার সভাপতি রাজীব কান্তি বলেন, শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন, ধৈর্য্য এবং ত্যাগ; তার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সমর্থন রেখে আমরা সারাদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পদত্যাগ না করায় ওই দিন দুপুরের পর উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশন শুরু করেন ২৪ জন ছাত্রছাত্রী।

এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়ায় সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় একাধিক শিক্ষার্থী। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করেন কয়েক শ শিক্ষার্থী।

শাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তীব্র ঠান্ডায় অনশন চালিয়ে যাওয়া অনেকের জ্বর দেখা দেওয়ার পাশাপাশি রক্তচাপ কমে অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে অংশগ্রহণকারীদের। অসুস্থ হয়ে পড়ায় নয়জনের শরীরে স্যালাইন পুশ করেছেন চিকিৎসকেরা। তবে তারা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে এ অনশন।

রাজুতে প্রগতিশীল ৯ সংগঠনের অবস্থান

বিগত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার সিলেটসহ সারাদেশে বিভিন্ন ব্যানারে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে একাধিক নাগরিক সংগঠন। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে জজকোর্টের সামনে শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী ও আইনজীবীদের উদ্যোগে এবং সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন হয়েছে। একই দিন বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে সংহতি প্রকাশ করে সিলেট মহানগর বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।

একই দিন শুক্রবার রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংহতি সমাবেশ আয়োজন করেন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমূহ। এতে উপস্থিত থেকে সংহতি জানান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছেন দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ২৫ বিশিষ্ট নাগরিক। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী তবারক হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম, স্থপতি জেরিনা হোসেন, আইনজীবী ইরফানুজ্জামান চৌধুরী ও এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম, নাগরিক সংগঠক ফারুক মাহমুদ চৌধুরী ও আবদুল করিম চৌধুরী (কিম), নাট্যব্যক্তিত্ব মিশফাক আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১৩ তারিখ রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ওই হলের অন্তত কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালায় ছাত্রলীগ।

পরদিন বিকেলে বিশাল জমায়েতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনের সামনে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। তখন শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা ও তাঁদের লক্ষ্য করে শটগান নিয়ে গুলিবর্ষণ এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে পুলিশ। ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, খুলনা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

;

কুবিতে অনলাইনে চলবে ক্লাস, খোলা থাকবে হল



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রশাসন।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় ৬৯ তম জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সূত্রানুসারে, ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্লাস কার্যক্রমগুলো অনলাইনে হবে। আর পরীক্ষার বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এছাড়া অফিস কার্যক্রম চলবে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এক্ষেত্রে যাদের অফিস কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন শুধু তারাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিসে আসবেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোও খোলা থাকবে।

;