জাবিতে করোনা আক্রান্তের হার বৃদ্ধি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা সংক্রমণ ও আক্রান্তের হার বেড়ে যাওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নুরুল আলম বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অধ্যাপক নুরুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে আপাতত এক সপ্তাহের জন্য সশরীরে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রোববার থেকে বৃহস্পতিবার (১৬-২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত থাকবে। তবে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব কী করা যায়।

আমরা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্র এবং সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ রাখছি। সেখানের পাওয়া তথ্য মতে, করোনা আক্রান্তের হার বেড়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিনিয়ত সব কিছু পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে সশরীরে ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সশরীরে ক্লাস বন্ধের কথা বলা হলেও চালু রাখা হয় পূর্ব নির্ধারিত পরীক্ষা ও ব্যবহারিক ক্লাস সমূহ। এদিকে নতুন করে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক সপ্তাহের জন্য সশরীরে পরীক্ষাও বন্ধ করা হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান শামসুর রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আক্রান্তের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা নিয়মিত অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক হলের গণরুমের শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। অনেক শিক্ষার্থী একসঙ্গে থাকার ফলে গণরুমে স্বাস্থ্যবিধি মানা অসম্ভব হয়ে পড়ছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আইসোলেশন কক্ষ রাখা হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের প্রাধ্যক্ষ আ স ম ফিরোজ উল হাসান। তিনি বলেন, আমার হলের এক শিক্ষার্থীর করোনা আক্রান্তের খবর জেনেছি। সে মিনি গণরুমে থাকে। আপাতত তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে যারা থাকত তাদেরও আলাদা রাখা হয়েছে। আক্রান্ত শিক্ষার্থী চাইলে বাড়িতে যেতে পারেন অথবা আইসোলেশন কক্ষে থাকতে পারবেন।

শাবিপ্রবি ভিসির পদত্যাগের দাবিতে মশাল মিছিল



শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শাবিপ্রবি ভিসির পদত্যাগের দাবিতে মশাল মিছিল

শাবিপ্রবি ভিসির পদত্যাগের দাবিতে মশাল মিছিল

  • Font increase
  • Font Decrease

ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে এক ঘণ্টা মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মশাল মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ।

এতে শিক্ষার্থীরা বলেন, এই মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের সিলেট আসার আহবান মিছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা- 'সব সাস্টিয়ান সিলেট আয়, বোমা ফরিদ ভয় পায়', 'এক দুই তিন চার, ভিসির ঘর অন্ধকার', 'এক দুই তিন চার, এই মুহূর্তে গদি ছাড়' ইত্যাদি নতুন স্লোগান দিতে থাকে।

এদিকে সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রক্টর ড. আলমগীর কবিরসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ভিসির বাস ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেন কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশ করতে দেয়নি। এ সময় প্রক্টর বলেন, ভিসি স্যার হার্টের রোগী। উনার জন্য আমরা কিছু ঔষধ নিয়ে আসছিলাম। এছাড়া শিক্ষকদের ডর্মে একজন অসুস্থ শিক্ষককে দেখতে চাচ্ছিলাম। আমরা অনশনরত শিক্ষার্থীদের জন্যও খাবার নিয়ে আসছিলাম কিন্তু ভেতরে যেতে পারিনি।

এদিকে অনশনরত ২৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অসুস্থ ১৭ জনকে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে ও ১১ জন ক্যাম্পাসে রয়েছে এবং তারা সবাই এখনো অনশন করছে।

উল্লেখ্য, রোববার সন্ধ্যায় ভিসির বাস ভবনের বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয় শিক্ষার্থীরা।

;

শাবিপ্রবি আন্দোলনকারীদের অর্থ সংগ্রহের ৬ অ্যাকাউন্ট বন্ধ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আন্দোলনকারীদের আর্থিক সহায়তা আসা ৬টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) থেকে সবগুলো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যলয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা ব্যাংক, বিকাশ, নগদ ও রকেটের মোট ৬টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সহায়তার অর্থ পাঠান। এসব অর্থ দিয়ে প্রায় ৩ হাজার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর খাবার ও আনুসাঙ্গিক খরচ চলে।

আন্দোলনকারীদের ফেসবুক পেজ থেকেও এমন তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়- সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আন্দোলনকারীদের খাবার ও চিকিৎসার জন্য যেসব ভাই-আপুরা অর্থ সহায়তা পাঠাচ্ছিলেন সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এসব অ্যাকাউন্টে কেউ টাকা পাঠাবেন না।

আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের খাবার-দাবারসহ কিছু আনুসাঙ্গিক খরচের জন্য শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থীরা আর্থিক সহযোগিতা করেন। ইস্টার্ন ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট, তিনটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট, একটি রকেট ও একটি নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ অর্থ সহায়তা আসতো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু'জন শিক্ষার্থী জানান, প্রতিদিন অ্যাকাউন্টগুলোতে লাখ দুয়েক টাকার মতো আসতো। তবে আজ থেকে এ অ্যাকাউন্টগুলোতে আমরা কোনো লেনদেন করতে পারছি না। ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ সবগুলো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার ব্যাপারে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। আমার স্থানীয়ভাবে বিকাশ অফিসে যোগাযোগ করেও কোনো সদুত্তর পাইনি।

এ ব্যাপারে বিকাশের সিলেটের ডিস্ট্রিবিউটর নাসিম হোসাইন বলেন, অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে বিকাশে লেনদেনের কিছু নিয়ম আছে। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা ও ব্যাবসয়িক অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা যায়। এর বেশি হলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

;

শাবিপ্রবির আন্দোলন সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপান্তরের চেষ্টা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত করার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতি।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

এতে বলা হয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ঢাবি শিক্ষক সমিতি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে আন্দোলনের গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে যে ধরনের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপিত হয়েছে তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বাইরে তৃতীয় একটি পক্ষ এই আন্দোলনে ফায়দা হাসিল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে। একটি বিশেষ মহল এই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপান্তরের অপচেষ্টা করছে বলে প্রতীয়মান হয়।

আরও বলা হয়, গত ১৩ জানুয়ারি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের বিভিন্ন ইস্যুতে প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্রীরা আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলন চলাকালে পুলিশের বলপ্রয়োগের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে উক্ত হলের প্রভোস্ট পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের মূল দাবি পূরণ হওয়া সত্ত্বেও উপাচার্যের পদত্যাগের আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের এই রূপান্তরের বিষয়টি অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং উদ্বেগের। যা খতিয়ে দেখার দাবি রাখে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান পরিস্থিতিতে গতকাল আন্দোলনকারীরা হঠাৎ করেই উপাচার্যের বাসার পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে, যা অমানবিক এবং শিক্ষাঙ্গনের আন্দোলনে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত মাত্রা যুক্ত করেছে। শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে কোনো সমস্যা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করাই বাঞ্ছনীয়।

শিক্ষক সমিতি শাবিপ্রবিতে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় এবং পুলিশি হামলায় কারো উস্কানি আছে কি না তা তদন্তের দাবি জানায়।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি উঠে।

;

উপাচার্যের খাবার ও ওষুধ ফিরিয়ে দিলেন আন্দোলনকারীরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের জন্য নিয়ে যাওয়া খাবার ও ওষুধ ফিরিয়ে দিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধিরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও অবরুদ্ধ উপাচার্যের জন্য খাবার ও জরুরি ওষুধ নিয়ে যান। তবে শিক্ষার্থীরা খাবারগুলো ফিরিয়ে দেন।

এসময় শাবিপ্রবি প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক আলমগীর কবির, সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক আবু হেনা পহিল, ছাত্র উপদেষ্টা ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদসহ উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সাথে দেখা করতে চাইলে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে বাসভবনের ফটকে আটকে দেন। পরে তারা খাবার নিয়ে ফিরে যান।

এর আগে, দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের দুই কাউন্সিলরের নিয়ে আসা খাবারও ফিরিয়ে দেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলনকারীরা জানান, উপাচার্য পদত্যাগ না করলে আন্দোলনরত সকল শিক্ষার্থী একযোগে গণঅনশনে যোগ দেবেন।

এর আগে, গতকাল রোববার বিকাল থেকে উপাচর্যের বাসভবনের সামনের রাস্তায় শিক্ষার্থীরা মানবপ্রাচীর তৈরি করে রাখেন। রাত ৮টার দিকে উপাচার্য বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বিক্ষুব্ধরা। এরপর থেকে উপাচার্য অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন। পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মী ছাড়া কাউকেই উপাচর্যের বাসভবনের ভেতরে যেতে দিচ্ছে না তারা।

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে গত বুধবার দুপুর আড়াইটা থেকে আমরণ অনশনে বসেন শাবিপ্রবির ২৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে একজনের বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি অনশন শুরুর পরের দিনই বাড়ি চলে যান। শনিবার রাতে গণঅনশনের অংশ হিসেবে নতুন করে যোগ দেন আরও ৪ জন। সবমিলে এখন অনশনে আছেন ২৭ জন।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি উঠে।

;