ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা ৩ জুন থেকে, আবেদন ফি ১০০০ টাকা



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩ জুন থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।এবার সব ইউনিটেই আবেদন ফি এক হাজার টাকা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানা যায়, গত বছরের মত এবারের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি আবেদন ও ফি জমা নেওয়া শুরু হবে ২০ এপ্রিল থেকে এবং শেষ হবে ১০ মে। ১৬ মে থেকে পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বাড়ার সঙ্গে কমেছে ভর্তির যোগ্যতা। ভর্তির আবেদনের জন্য এ বছর ১০০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৬৫০ টাকা। প্রথমবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ৯৫৬ টাকা ৫০ পয়সা, অনলাইন সার্ভিস চার্জ ৩০ টাকা ও ব্যাংক পেমেন্ট সার্ভিস চার্জ ১৩ টাকা ৫০ পয়সাসহ মোট ১০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের (সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রূপালী) যেকোনো শাখায় ফি জমা দেওয়া যাবে।

এবার ক ইউনিটে আবেদন করতে হলে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫সহ মোট ৮ (আগে ছিল ৮.৫); খ ইউনিটে আলাদাভাবে জিপিএ-৩সহ মোট ৭.৫ (আগে ছিল ৮); গ ইউনিটে আলাদাভাবে জিপিএ-৩.৫-সহ মোট ৭.৫ থাকতে হবে (আগে ছিল ৮)। বিভাগ পরিবর্তনের ঘ ইউনিটে নিজ নিজ ইউনিটে যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করা যাবে। এ ছাড়া চ ইউনিটে আবেদন করতে হলে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ-৩-সহ মোট ৬.৫ থাকতে হবে (আগে ছিল ৭)।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩ জুন ব্যবসা শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে, ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিট, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিট এবং ১১ জুন ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের (সাধারণ জ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ এবং ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) সকাল ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সন পর্যন্ত মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০২১ সনের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ‘ক’ ইউনিটের জন্য মোট জিপিএ ৮ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫, ‘খ’ ইউনিটের জন্য মোট জিপিএ ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০, ‘গ’ ইউনিটের জন্য মোট জিপিএ ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫, ‘ঘ’ ইউনিটের জন্য মোট জিপিএ ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ (তবে বিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখা থেকে আগত প্রার্থীদের জন্য মোট জিপিএ ৮ এবং আলাদাভাবে ৩.৫ থাকতে হবে) এবং ‘চ’ ইউনিটের জন্য মোট জিপিএ ৬.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে।

নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ও তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটের (https://admission.eis.du.ac.bd) পাওয়া যাবে।

কুবিতে গবেষণায় বরাদ্দ বেড়েছে



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬৪ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ রেখে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের বাজেট থেকে ৩ কোটি ৩ লাখ টাকা বেশি। একই সাথে গবেষণা খাতে বরাদ্দ প্রায় ৭৯ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৪তম সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সভাপতিত্বে এ বাজেট পেশ করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান।

২০২২-২৩ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত ৬৪ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার ৩৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা বাবদ, ১৩ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা পণ্য ও সেবা সহায়তা বাবদ, গবেষণা বাবদ ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা, পেনশন ও অবসর সুবিধা বাবদ ৮০ লাখ টাকা, অন্যান্য অনুদান বাবদ রাখা হয়েছে ১৪ লাখ টাকা ও মূলধন অনুদান ৯ কোটি ১ লাখ টাকা রাজস্ব বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বাজেটে আয়ের এই উৎস হলো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুদান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয়। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন হতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ৫৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় রির্জাভ হতে ঋণ ৬৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা। যা মূলত ঘাটতি বাজেট।

এই অর্থবছরে মোট বাজেটে ঘাটতি আছে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

;

বুয়েটে চান্স পেলেন আবরার ফাহাদের ছোট ভাই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বুয়েটে চান্স পেলেন আবরার ফাহাদের ছোট ভাই

বুয়েটে চান্স পেলেন আবরার ফাহাদের ছোট ভাই

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ২০২১-২২ সেশনে চান্স পেয়েছেন ছাত্রলীগের হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়া আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ২০২১-২২ সেশনের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়। এতে দেখা যায় আবরার ফাইয়াজ ৪৫০তম হয়ে যন্ত্রকৌশল বিভাগে চান্স পেয়েছেন।

ফলাফলে খুশি আবরার ফাইয়াজ ও তার পরিবার। তবে এখানে ভর্তি হবেন কিনা তা এখনো নিশ্চিত করেননি তিনি।

আবরার ফাইয়াজ বলেন, ‘ইচ্ছে আছে ভর্তি হওয়ার। তারপরও পরিবারের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।’

;

জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসলাম-সুজন



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসলাম-সুজন

জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসলাম-সুজন

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান আসলামকে সভাপতি ও একই বর্ষের সুজন মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ ছাড়া কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে ইব্রাহিম কবির (মিঠু), সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মেহেদী হাসান হিমেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আরেফিনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জবি শাখা ছাত্রদলের কমিটি হয়। এতে রফিকুল ইসলাম রফিককে সভাপতি ও আসিফ রহমান বিপ্লবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। গত বছরের ১৫ অক্টোবর জবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

;

১০১ পেরিয়ে ১০২-এ পদার্পণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
১০১ পেরিয়ে ১০২-এ পদার্পণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের

১০১ পেরিয়ে ১০২-এ পদার্পণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নানা সংগ্রাম ও গৌরবময় কণ্টকাকীর্ণ ১০১ বছর পাড়ি দিয়ে আজকের এদিনে (১ জুলাই) ১০২তম বর্ষে পদার্পণ করল। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্তি ঝুলি অপ্রাপ্তি তুলনায় ঢের বেশি। যেখানে রয়েছে গৌরব গাঁথা ফেলে আসা নানা গল্প। জাতির ক্লান্তি লগ্নে সর্বদাই এ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল একমাত্র নিশানা।

দেশ ভাগের পর ৪৮ থেকে ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭১’র স্বাধীনতা সংগ্রাম, ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে এই নাম জড়িয়ে আছে দেশের এ বিদ্যাপিঠ। পৃথিবীর হয়তো অনেক নামী বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে, তবে তো একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি এবং রক্ষায় কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেখানে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত এ বিশ্ববিদ্যালয় এক বিরল ইতিহাস স্থাপন করেছে।

বঙ্গভঙ্গ রদের অল্প কিছুদিন পরেই ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা আসে। তারই অংশ হিসেবে ওই বছরের ২৭ মে নাথান কমিশন গঠিত হয়। ১৯১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে কমিশন ইতিবাচক রিপোর্ট দিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পথ আরো এক ধাপ এগিয়ে যায়। তবে এর পরই বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে উঠলে সেই কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে যায়। ১৯১৭ সালে স্যাডলার কমিশন পুনরায় ইতিবাচক রিপোর্ট দিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা চূড়ান্ত হয়। অবশেষে ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইনসভায় দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট ১৯২০ পাস হয়। ২৩ মার্চ গভর্নর জেনারেল এই বিলে সম্মতি প্রদান করেন। এর ফলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিষ্ঠাকালীন তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু হয়। প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল ৬০ জন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৬০টি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র এবং ছাত্রছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল, ৪টি হোস্টেল ও ১৩৮টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ১৫০ জন। পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৮ শিক্ষক।

 

বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্র গঠন কিংবা স্বার্থ আদায়ে সংগ্রামের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট গর্ব করার মত হলেও। বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাল মিলিয়ে চলতে অনেকাংশেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। গবেষণা শিক্ষকদের অনীহা, গবেষণাতে চৌর্যবৃত্তি, রাজনীতির নামে শিক্ষকদের মাঝে নোংরা সংস্কৃতি, নোংরা লেজুড়বৃত্তি ছাত্র রাজনীতি সহ নানা অভিযোগ হরহামেশাই গণমাধ্যমে উঠে আসে।

শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের প্রত্যাশা হয়তো লড়াই-সংগ্রাম ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি বির্নিমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। হয়তো বিশ্বের অন্যতম প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ বছর গবেষণা-উদ্ভাবনেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বেশ জোর দেবে। যা দেশের এ সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, প্রিয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোভিড-১৯ মহামারিসহ বৈশ্বিক নানামুখী অভিঘাত মোকাবিলা করে আমরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণের পথে এগিয়ে চলেছি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। যুগ ও সমাজের চাহিদা অনুযায়ী গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, নতুন নতুন উদ্ভাবন, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মুক্তচিন্তার উন্মেষ ও বিকাশ, সৃজনশীলতার চর্চা এবং নতুন ও মৌলিক জ্ঞান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে। কারিকুলাম ও পাঠক্রমের আধুনিকায়ন এবং মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণার প্রতি আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ‘গবেষণা-প্রকাশনা মেলা’ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের যোগসূত্র স্থাপিত হবে বলে আশা করছি। অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন এবং বিশ্বমানের গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে আমি শিক্ষক, গবেষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সদয় সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করি। প্রকৃতি ও পরিবেশের উন্নয়ন ঘটিয়ে অবারিত জ্ঞান চর্চা এবং নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত হবে- এ আমার বিশ্বাস। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সকাল ১০টায় শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা সহকারে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে সমবেত হবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পায়রা উড়ানো, কেক কাটা এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে থিম সং পরিবেশিত হবে।

সকাল ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন : ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ।

;