ঘোষণার পরও ফি আদায়, সমন্বয় করার আশ্বাস উপাচার্যের



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রম। গেল বছরের ৫ অক্টোবর খুলে বিশ্ববিদ্যালয়। এ সময় বন্ধ ছিল শিক্ষার্থীদের বহনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ও আবাসিক হল। বন্ধ থাকাকালীন শিক্ষার্থীরা পরিবহন সেবা ও আবাসন সুবিধা না নেওয়ার পরেও এসবের ফি দিতে বাধ্য করা হয় শিক্ষার্থীদের।

মওকুফের ঘোষণা দিয়ে কর্তৃপক্ষ ১ জুলাই বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে। এতো কিছুর পরও বিভাগ ও ইন্সটিটিউটগুলো আবাসান ও পরিবহন ফি আদায় করছে।

জানা যায়, পরিবহন ফি ১০৮০ টাকা নেওয়ার পাশাপাশি হল ভেদে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত আবাসন ফি নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক দফতর সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীপ্রতি পরিবহন ফি ১ হাজার ৮০ টাকা এবং আবাসন ফি হলভেদে ৩০০-৬০০ টাকা। এসব ফি আদায় হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয় দাঁড়াত ৪ কোটি ২৪ লাখ ৪৪ হাজার ৮৮ টাকা। যার মধ্যে পরিবহন ফি ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং সিট ভাড়া ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৮৮ টাকা। উপাচার্যের নির্দেশে এ অর্থ মওকুফ করা হয়। যারা ফি পরিশোধ করেছেন, পরেরবার ভর্তির সময় তাদের এ টাকা সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়েছিল হিসাব পরিচালক দফতর।

নানা জটিলতার কারণে এ টাকা সমন্বয় করতে বিলম্ব হচ্ছে বলে স্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিভাগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে এ টাকা পোঁছে দেওয়া হবে। এই সংক্রান্ত একটি ফাইল উপাচার্যের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বরখেলাপ বলে আমরা মনে করি। এটি যদি সমন্বয় না করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় যদি পুনর্বিবেচনা না করে, সেক্ষেত্রে আমরা নতুন করে ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে প্রশাসনকে বিবেচনা করতে বাধ্য করবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, সব মিলিয়ে ১৯ হাজার শিক্ষার্থী এ টাকা পাবেন। কেউ অফলাইনে টাকা জমা দিয়েছেন, কেউবা অনলাইনে জমা দিয়েছেন। আবার কারো রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই। একটা একটা করে খুঁজে বের করতে হচ্ছে। সব মিলে বেশ কিছু জটিলতা থাকায় বিলম্ব হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা এ টাকা বিভাগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেব। শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত পাবে এটা নিশ্চিত।

এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কিছু জটিলতা থাকায় বিলম্ব হচ্ছে বলে হিসাব পরিচালকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আমি আবারও এর অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ নেব। খুব দ্রুত এসব সমন্বয় করা হবে, বলে জানান উপাচার্য।

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল সোমবার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের অধীনে প্রথম বর্ষে (স্নাতক সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার ফল আগামীকাল সোমবার (৪ জুলাই) প্রকাশ করা হবে।

দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

রোববার (৩ জুলাই) দুপুরে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ফল প্রকাশ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গত ১১ জুন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিজ্ঞান অনুষদের জন্য নির্ধারিত এই ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ১৮৫১টি। এর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৮ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

;

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় সেরাদের সেরা তিন



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় সেরাদের সেরা তিন

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় সেরাদের সেরা তিন

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসা শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় ৯৩০টি আসনের বিপরীতে ৪ হাজার ২৮৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

রোববার (৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন।

এবার ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলে প্রথম হয়েছেন নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী সারোয়ার হোসাইন খান। তার প্রাপ্ত নম্বর ৯৬ দশমিক ৭৫। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরসহ মোট প্রাপ্ত নম্বর ১১৬ দশমিক ৭৫। তিনি ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন।

দ্বিতীয় হয়েছেন আনিমা পারভেজ ইলমা। তিনি দাউদ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৯০ দশমিক ০০। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরসহ মোট প্রাপ্ত নম্বর ১১০ দশমিক ১০। তিনি ভর্তি পরীক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন।

তৃতীয় হয়েছেন সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের মো. আব্দুল্লাহ খান। তার প্রাপ্ত নম্বর ৮৭ দশমিক ৭৫। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরসহ মোট প্রাপ্ত নম্বর ১০৭ দশমিক ৭৫। তিনি ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে মেধাক্রম ১ থেকে ১১০০ স্থান অর্জনকারীদের আগামী ৬ জুলাই বিকাল ৩টা থেকে ২১ জুলাই বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ফরম ও বিষয়ের পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীদের ৬ জুলাই থেকে ২১ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম কলা অনুষদের ডিন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে এবং যথাযথভাবে পূরণ করে উক্ত সময়ের মধ্যে ডিন অফিসে জমা দিতে হবে।

ফলাফল নিরীক্ষণের জন্য নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে আগামী ৬ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত বিজনেস অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাবে।

;

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ১৪.৩০ শতাংশ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসা শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন।

‘এ বছর ‘গ’ ইউনিটে আবেদন করেছিলেন ৩০ হাজার ৬৯৩ জন। এরমধ্যে অংশগ্রহণ করেছেন ২৯ হাজার ৯৯৭ জন। যেখানে ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ পরীক্ষার্থী এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৮৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। ভর্তির যোগ্য বিবেচিত এই ৪ হাজার ২৮৯ জনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ৯৪০ জন মেধাক্রম অনুযায়ী কলা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফল জানা যাবে যেভাবে- ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারবে। এছাড়া রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক অথবা টেলিটক নম্বর থেকে DU GA <roll no> টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানা যাবে।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুন সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত (দেড় ঘণ্টা) এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলে। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

৯৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৩৩ হাজার ৬৯৩ জন ভর্তিচ্ছু৷ সে হিসাবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছে ৩৬ জন শিক্ষার্থী৷ গত বছর আসনপ্রতি গড়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২১ জন। তবে গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটে আসন সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৫০টি। এবার ৩২০টি আসন কমিয়ে ৯৩০টি রাখা হয়েছে।

;

জবিতে শেক্সপিয়রের ‘এ মিড সামার নাইট ড্রিম’ মঞ্চায়িত



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জবিতে শেক্সপিয়রের ‘এ মিড সামার নাইট ড্রিম’ মঞ্চায়িত

জবিতে শেক্সপিয়রের ‘এ মিড সামার নাইট ড্রিম’ মঞ্চায়িত

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্চায়িত হলো উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি নাটক ‘এ মিড সামার নাইট ড্রিম’।

শনিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে নাটকটির প্রথম মঞ্চায়ন হয়। নাট্যকলা বিভাগের ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের এ পরীক্ষা প্রযোজনার নির্দেশনায় ছিলেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জীব কুমার দে।

ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের রচিত অন্যতম জনপ্রিয় ও সারা বিশ্বে অভিনীত কমেডি নাটক এটি। এথেন্সের ডিউক থিসিয়াস ও আমাজনের রানি হিপ্পোলিটার বিবাহের পারিপার্শ্বিক ঘটনা অবলম্বনে এই নাটক রচিত। নাটকে দুই প্রণয়ীযুগল ও একদল শখের অভিনেতার অ্যাডভেঞ্চার প্রদর্শিত হয়েছে।

নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় ছিলেন বিভাগীয় চেয়ারম্যান শামস শাহরিয়ার কবি। পোশাক পরিকল্পনা ও অঙ্গরচনা তত্ত্বাবধান করেন বিভাগীয় শিক্ষক আফরিন হুদা তোড়া।দেহবিন্যাস তত্ত্বাবধানে বিভাগীয় শিক্ষক রুবাইয়া জাবিন প্রিয়তা ও কৃপাকণা তালুকদার। নাটকটিতে অভিনয় করেন- শফিকুল, আরিফ, মৌমিতা, সাবরিনা, পরমা, অনামিকা, মৃত্তিকা, বৃষ্টি, সাবিহা, প্রিয়া, শাকিল, নিবিড়, জিন্নাত, নাফিস, মিল্টন, রিয়াজ, জান্নাতুল, লামিয়া, স্বর্ণা, উম্মেহানি, রিমি, বিথী, ফারজানা, সায়লা, সুজানা, আশরাফুল, উচ্ছ্বাস, হৃদয়, ইব্রাহিম, আলিমুল, আবেশ ও এলিন। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা নেপথ্য কুশীলব হিসেবে কাজ করেন।

উল্লেখ্য, রোববার (৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে নাটকটির দ্বিতীয় মঞ্চায়ন হবে।

;