রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে রিজভী, শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্লাবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর অবস্থান করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আমন্ত্রণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও ক্লাবের সভাপতি ওবায়দুল ইসলাম। ইতিমধ্যে ক্লাব কর্তৃপক্ষ বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সাদা দলের এ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।

জানা যায়, এ ঘটনায় ক্লাবের সদস্য ও ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছারকে আহ্বায়ক করে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত রোববার রাতে রিজভী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে যান। সেখানে তিনি অবস্থান করেন রাত ১টা পর্যন্ত। সঙ্গে তার স্ত্রী ও বন্ধুরাও ছিলেন।

‘রাজনৈতিক একজন নেতার সঙ্গে ক্লাবে বৈঠক করার বিষয়ে’ জানতে চেয়ে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সরকারে থাকা আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দলের সিনেট সদস্য অধ্যাপক আব্দুর রহীম।

এ বিষয়ে ওবায়দুল ইসলাম সাংবাদিক বলেন, রাতে ক্লাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অতিথিরা আসেন। খাওয়া-দাওয়া করেন। এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ক্লাবের সভাপতি। আমার আমন্ত্রণেও রিজভীসহ কিছু অতিথি এসেছিলেন। কেউ গোপন বৈঠক করতে কি ক্লাবে আসবে? কোনো বৈঠক করা হয়নি। সাধারণ আড্ডা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ আছে এবং অতিথিরা তাদের স্ত্রীদের নিয়ে এসেছিলেন। কেউ যদি গোপন বৈঠকের পরিকল্পনা নিয়ে আসে তাহলে কি স্ত্রীদের নিয়ে আসবেন? আমরা যখন ক্লাবে আড্ডা দিচ্ছিলাম তখন অন্য রুমে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরাও ছিলেন। রাতে ক্লাবে এ রকম অতিথি সব শিক্ষকেরই আসে। আমরা তো কখনো এ নিয়ে প্রশ্ন তুলিনি? কেন তুলবো? এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। মূলত হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ক্লাবের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, রাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রিজভীকে গত রোববার রাত ১১টা ১৭ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবে প্রবেশ করছেন। তিনি সেখানে রাত একটা পর্যন্ত অবস্থান করেন।

ওই সময় ক্লাবে তার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক ও ক্লাবের বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলামসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেছেন, অনেক প্রশ্ন। যেখানে রাত ১০টার সময় সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায় সেখানে এভাবে রাত ১টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে বৈঠক কেন? এমনিতেই দেশে নাশকতামূলক নানা আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার মধ্যে এ বৈঠক স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। একই সঙ্গে ক্লাব কর্তৃপক্ষের দায় দায়িত্ব অবস্থান নিয়ে আমার প্রশ্ন, তারা ঠিক কাজ করছে কিনা।

এদিকে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ। তিনি বলেছেন, ঘটনার জানার পরই আমি প্রক্টরকে বলেছি ঘটনা খতিয়ে দেখতে, ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে একটা পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে। আমার এখতিয়ারের মধ্যে যা আছে সেভাবে আমি দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এদিকে রিজভীর সঙ্গে সাদা দলের সাবেক আহ্বায়কের বৈঠককে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ আখ্যায়িত করে গত মঙ্গলবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। সমাবেশ থেকে রিজভী ও অধ্যাপাক ওবায়দুলকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্যে প্রথম যারা



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৯১ দশমিক ৪২ শতাংশ। ভর্তির যোগ্য বিবেচিত ৬ হাজার ১১১ জনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত এক হাজার ৩৩৬ জন মেধাক্রম অনুযায়ী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রকাশিত ফলে ঢাবির 'ঘ' ইউনিটের বিজ্ঞান শাখায় প্রথম হয়েছেন অনন্য গাঙ্গুলী। তিনি সরকারি কে এম এইচ কলেজের শিক্ষার্থী। লিখিত ও এম.সি.কিউতে তিনি সর্বমোট ৮৩.৯৫ নম্বর পেয়েছেন। এর মধ্যে এম.সি.কিউতে পেয়েছেন ৫০.২৫ এবং লিখিততে পেয়েছেন ৩৩.৭০। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরসহ মোট প্রাপ্ত নাম্বার ১০৩.৯৫। ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকার ইডেন সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি।

মানবিক বিভাগে প্রথম হয়েছেন তানজিদ হাসান আকাশ। তিনি নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী। লিখিত ও এম.সি.কিউতে তিনি সর্বমোট ৮৪ নম্বর পেয়েছেন। এর মধ্যে এম.সি.কিউতে পেয়েছেন ৫০.৫০ এবং লিখিততে পেয়েছেন ৩৩.৫০। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরসহ মোট প্রাপ্ত নাম্বার ১০৩.৪৪। ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি।

বাণিজ্য শাখায় ১ম হয়েছেন আয়েশা জাহান সামিয়া। তিনিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। তিনি রাজধানীর মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষার্থী। লিখিত ও এম.সি.কিউতে তিনি সর্বমোট ৭৩.১ নম্বর পেয়েছেন। এর মধ্যে এম.সি.কিউতে পেয়েছেন ৩৭.৫০ এবং লিখিততে পেয়েছেন ৩৫.৬০। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরসহ মোট প্রাপ্ত নাম্বার ৯৩.১।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, ‘ঘ’ ইউনিটে এক হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৭৮ হাজার ২৯ জন। সেই হিসাবে প্রতি আসনের জন্য লড়ছিল ৫৮ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের অধীন সামাজিক বিজ্ঞান, কলা, বিজ্ঞান, ব্যবসা শিক্ষা, আইন, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস এবং জীববিজ্ঞান অনুষদ। সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনিস্টিটিউট, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধীনে ৫৫টি বিভাগ রয়েছে।

;

ঢাবিতে পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল বেলায়েত শেখের



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেলায়েত শেখ

বেলায়েত শেখ

  • Font increase
  • Font Decrease

সন্তানদের ব্যর্থতা নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৫৫ বছর বয়সী বেলায়েত শেখ। জীবন যুদ্ধে জয়ী হতে চাওয়া ও স্বপ্নের পানে ছুটতে চাওয়া বেলায়েত শেখের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ করেন।

এতে দেখা যায়, ৫৫ বছর বয়সী বেলায়েত শেখ অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। তার রোল নম্বর ৫১২১২২৩। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় বেলায়েত শেখ বাংলাতে পেয়েছেন ২.০০, ইংরেজিতে ২.৭৫ ও সাধারণ জ্ঞানে ৩.২৫। পরীক্ষায় সর্বমোট পেয়েছেন ৮। এ দিকে উচ্চ মাধ্যমিকে ও মাধ্যমিকে প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৯.১৬ ও ৮.৮৬। সব মিলিয়ে তার প্রাপ্ত নম্বর ২৬.০২।

তার পরবর্তী পরিকল্পনার ব্যাপারে জানতে চাইলে বেলায়েত শেখ বার্তা২৪.কম-কে জানান, তার চেষ্টা অব্যহৃত থাকবে। সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। তিনি আশাবাদী, দেশের যেকোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুযোগ পাবেন।

জানা যায়, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিমখণ্ড এলাকার মৃত হাসেন আলী শেখ ও জয়গন বিবির চার সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান বেলায়েত সন্তানদের নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়বেন, ক্যাম্পাসে আসবেন অভিভাবক হয়ে। নানান প্রতিবন্ধকতা এবং সন্তানদের সদিচ্ছার অভাবে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি তার।

তিন সন্তানের জনক বেলায়েত শেখের সকল অপ্রাপ্তি, অপূর্ণতা সন্তানদের কাঁধ থেকে নামিয়ে নিজের কাঁধেই তুলে দেন। শুরু করেন পড়াশোনা; শেষমেশ গত ১১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ভবনের ৮০২ নম্বর কক্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বসেন তিনি।

;

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ভর্তির যোগ্য ৮.৫৮%



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন।

এ বছর ‘ঘ’ ইউনিটে আবেদন করেছিলেন ৭৮ হাজার ২৯ জন। যেখানে ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৯১ দশমিক ৪২ শতাংশ। ভর্তির যোগ্য বিবেচিত ৬ হাজার ১১১ জনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত এক হাজার ৩৩৬ জন মেধাক্রম অনুযায়ী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফল জানা যাবে যেভাবে- ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারবে। এছাড়া রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক অথবা টেলিটক নম্বর থেকে DU GHA <roll no> টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানা যাবে।

উল্লেখ্য, ‘ঘ’ ইউনিটে এক হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৭৮ হাজার ২৯ জন। সেই হিসাবে প্রতি আসনের জন্য লড়ছিল ৫৮ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের অধীন সামাজিক বিজ্ঞান, কলা, বিজ্ঞান, ব্যবসা শিক্ষা, আইন, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস এবং জীববিজ্ঞান অনুষদ। সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনিস্টিটিউট, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধীনে ৫৫টি বিভাগ রয়েছে।

;

ঢাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে!



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের সেকশন অফিসার পদে রাজধানীর এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়াতে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, তারা ‘বেস্ট প্রার্থী’কে নিয়োগ দিয়েছেন।

প্রার্থীদের অভিযোগ এ নিয়োগে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। যাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে তিনি প্রয়াত কবি শামসুর রহমানের নাতনি। কবি শামসুর রহমানের নাতনি হওয়াতে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে একাধিক প্রার্থী প্রশ্ন তুলেছেন। সম্প্রতি সিলেকশন বোর্ডের সুপারিশের প্রেক্ষিতে ওই নারী শিক্ষার্থীকে নিয়োগের বিষয়টি গত ২৯ জুন সিন্ডিকেট সভায় পাশ হয়েছে।

জানা যায়, এ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ-ইন্সটিটিউটে কর্মরত ২৫ জন কর্মকর্তা ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রার্থী বলেন, এই পদে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই আবেদন করেছেন। যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ তাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষার্থীদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল।

এই শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৪৫ জন প্রার্থী ভাইভাতে অংশ নিয়েছে। এদের মধ্যে যাদের নেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে রেফারেন্স এসেছে তাদেরকে ছাড়া আর কাউকেই স্যারেরা প্রশ্ন করেনি। তাদের সাথে কুশল বিনিময় করে বলেছে, তোমার বয়স আছে এখানে এসেছো কেন? অন্য কোথাও দেখো, বিসিএস দাও। সেখানে এরকম কথা বলার মাধ্যমে বুঝা যায় স্যারদের প্রার্থী ঠিক করা ছিল।

ভাইভা বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ- উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ। অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক হারুনর রশীদ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এস এম বাহালুল মজনু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

এ বিষয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও সিনেট সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বলেন, এখানে সর্ব সম্মতিক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সবার ভাইভা নিয়েছি। যার ভাইভা ভালো হয়েছে তাকে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ভাইভা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, সবচেয়ে বেস্ট ক্যান্ডিডেট যিনি তাকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর উপরে আর কোন কথা নেই। বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ছিল জানালে তিনি বলেন, আমি এই প্রার্থীর চেয়ে ভালো কাউকে পাইনি।

;