শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় রাবিতে শিক্ষকদের প্রতীকী অনশন



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রতীকী অনশন

প্রতীকী অনশন

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার রক্ষায়, নিপীড়ন এবং দখলদারিত্ব মুক্ত শিক্ষাঙ্গনের দাবিতে প্রতীকী অনশন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষকরা।

রোববার (২৬ জুন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে অবস্থান করেন তারা।

অনশনে অংশগ্রহণ করে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীরা নিপীড়ন ও লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকরী কোন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মুক্ত চিন্তার বিকাশ ঘটে, কিন্তু একশ্রেণির শিক্ষার্থী দ্বারা সেটা সম্ভব হচ্ছে না। স্বাধীনতার এতো বছর পরে এসে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কার্যক্রম চলতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, আবাসিক হলগুলোতে ছাত্রলীগের একক আধিপত্য ও দখলদারিত্বের ফলে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। শিক্ষার্থীকে মারধর- লাঞ্ছনা, সিট বাণিজ্য ও দখলদারি মনোভাবের ফলে প্রতিনিয়ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও মর্যাদার হানি হচ্ছে। এটা কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় এমন ঘটনার কার্যকরী কোন পদক্ষেপে না নেওয়ায় আমরা অনশনে বসেছি।

অনশনে সংহতি জানিয়ে অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন বন্ধু আরেকজন বন্ধুকে, একজন ছাত্র আরেকজন ছাত্রকে হল থেকে বের করার ঘটনা ঘটছে। এটা শুধু একটা কালচারের পরিবর্তনই নয় বরং মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়। এটা এক প্রকার জঙ্গি আচরণ। এই কালচারের পরিবর্তন না হলে পরবর্তীতে এই সন্ত্রাসীরা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে গিলে খাবে।

অনশনে বীর মক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করা নৈতিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব নিয়েই আমরা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। সেই চেতনা থেকে যেখানেই কোনো অন্যায়-অত্যাচার হয় সেখানেই তার প্রতিবাদে সামিল হই। এছাড়া শিক্ষপ্রতিষ্ঠানে চলমান এমন নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদগুলো সারা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। সবাই প্রতিবাদ করলে এমন অচলায়তন ভাঙবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত নির্যাতন করে চলেছে বৈধভাবে হলে সিট পেলেও সেখান উঠতে দিচ্ছে না ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেই সিটগুলো দখল করে সিট বাণিজ্য করছেন তারা। প্রতিনিয়ত ছাত্রদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ পেয়ে আমরা প্রশাসনের বরাবর জানাচ্ছি কিন্তু কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। তারই প্রতিবাদে আমরা প্রতীকী অনশন করছি।

এসময় অনশনে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব এবং অভিভাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষমতাসীন দল ছাত্রলীগের একক আধিপত্য, হলে সিট বাণিজ্য, আবাসিক শিক্ষার্থীকে হলে নির্যাতন ও নামিয়ে দেওয়ার ঘটনা আলোচনার শীর্ষে। আবাসিক হলে ছাত্রলীগের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ এবং কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রাধ্যক্ষ পরিষদ ও মুক্তিযোদ্ধা।

জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবি, বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি!



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবি, বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি!

জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবি, বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি!

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীর’ ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

সোমবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে কয়েকজন জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও অবস্থান শুরু করেন। দাবিগুলো হলো:

১. ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বৃদ্ধিকৃত জ্বালানি তেলের দাম কমানো, ২. এক পয়সাও গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি না করা, ৩. গণপরিবহনে ভাড়ার নামে নৈরাজ্যতা বন্ধ করতে হবে, সাথে সাথে সকল শিক্ষার্থীর হার পাস নিশ্চিত করা।

কর্মসূচিতে অনুষ্ঠানের সভাপতি, ও সাত কলেজ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল সম্রাট বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ১১ টায়। কিন্তু তখন আমাদেরকে বড় মাইক আনতে দেয়া হয়নি। বলা হয়েছে এখানে আমাদের অবস্থান করতে দেয়া হবে না। আমাদের অনেকেই আসতে পারেনি। সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের কেন ভয় পায়? ছাত্র ও যুবদের যৌক্তিক সভা-সমাবেশ করতে না দেয়া হলে তারা জঙ্গিবাদসহ নানা অপরাধেক দিকে ধেয়ে পড়বে।’

তিনি আরো বলেন, ‘একেবারে হঠাৎ করেই তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না। ১০টায় ঘোষণা দিয়ে ১২ টায় কার্যকর করা জনগণের সাথে প্রহসন ছাড়া আর কিছুই না। তেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে সবকিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে। যেগুলোর সাথে তেলের কোনো সম্পর্ক নেই সেগুলোরও দাম বেড়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীরা সাধারণ মানুষের জীবন-যাপন স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে দাঁড়িয়েছি। আজকে এই দামবৃদ্ধি পরিবহন সমিতি ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সংঘর্ষ তৈরী করে দিচ্ছে। অবিলম্বে এসবের সমাধান করা চাই।’

শাহরিয়ার নামে এক চিকিৎসক অভিভাবকদের মধ্যে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বলেন, আমরা সরকারকে তিনদিন সময় দিচ্ছি। আপনারা আগের জায়গায় ফিরে আসুন। জনগণ যখন মাঠে নেমে আসবে তখন বুঝবেন জনগণের শক্তি কি। সময় থাকতে সচেতন হোন। অন্যথায় আপনাদের মতো অবস্থা রাজাপক্ষের মতো হবে।

কর্মসূচি শেষে তারা বামজোটের ডাকা মিছিলে যোগদানের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা করে। এসময় আন্দোলনরতরা, ‘তেলের দাম কমিয়ে দাও, কমাতে হবে কমাতে হবে, তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়ে আমলা পোষা বন্ধ করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

;

ঢাবির বিশেষ সমাবর্তনে ‘বক্তা’ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক-কে আমন্ত্রণ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবির বিশেষ সমাবর্তনে ‘বক্তা’ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক-কে আমন্ত্রণ

ঢাবির বিশেষ সমাবর্তনে ‘বক্তা’ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক-কে আমন্ত্রণ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-কে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি (মরণোত্তর) প্রদানের জন্য ২০২২ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে ‘সমাবর্তন বক্তা’ হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস-কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সোমবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র প্রতিনিধি ড. বর্ধন জং রান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়। মর্যাদাপূর্ণ এই বিশেষ অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালকের অংশগ্রহণের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

;

কুবির সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ 



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
কুবির সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ 

কুবির সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ 

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন কর্মচারীকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহেরের বিরুদ্ধে।

রোববার (৭ আগস্ট) দুপুরে তিনি তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের সভাপতি দীপক চন্দ্র মজুমদার ও চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জসিমকে ধমক দেন এবং দেখে নেয়ার হুমকি দেন বলে জানায় ভুক্তভোগীরা।

তারা বলেন, উনি আজ আমাদের ফোন দিয়ে হুমকি দিয়েছেন। উনার আচরণে আমরা দুঃখ পেয়েছি। এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এমন কেন ঘটেছে জানতে চাইলে তারা বলেন, উনি রেজিস্ট্রার থাকাকালীন সময়ে নানা দুর্নীতির অভিযোগে উনার বিরুদ্ধে যে আন্দোলন হয়েছিল সেখানে উনার পক্ষ নিয়ে কয়েকজন কর্মচারী মিথ্যা স্বাক্ষর দিয়েছে। যাদের নামে মিথ্যা স্বাক্ষর দিয়েছে, তারা আমাদের কর্মচারী সমিতির কাছে অভিযোগ করেছে যে তাদের না জানিয়ে স্বাক্ষর দেয়া হয়েছে। এখন এসব অভিযোগ কেন আসতেছে এসব বিষয় নিয়ে আবু তাহের স্যার আমাদের সাথে এমন আচরণ করলেন।

জানা যায়, অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের তাদের বলেন, 'চাকরিটা আমরা দিছি, এই জায়গার মধ্যে কারা সিগনেচার দিছে না দিছে এগুলোতে তোমরা কথা বলো। এই ক্যাম্পাসে আমি বেঁচে আছি। আমি তাহের ক্যাম্পাসে আছি, থাকবো। বেশি বাড়াবাড়ি করতেছো, এটার নাটের গুরু তুমি। আমি শুধু এটুকু বললাম। এগুলো আমার অনেকদিন ধরে কানে আসতেছে। আমি প্রফেসর ড. আবু তাহের এই ক্যাম্পাসে আমি আছি এটা বলে দিলাম। এটা মনে রাইখো।'

এর আগেও আবু তাহেরের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিনকে হুমকি দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে মহসিন বলেন, উনার মত একজন সিনিয়র শিক্ষকের কাছ থেকে আমরা এই ধরনের আচরণ প্রত্যাশা করি না। উনি আমদের হুমকি দিচ্ছে আমাদের চাকরি খেয়ে ফেলবে, আমাদের চাকরি চলে যাবে এসব কথা বলে। এটা আমরা প্রত্যাশা করি না।

অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, আমি কাউকে হুমকি দেইনি। তারা কর্মচারীরা নিজেদের মধ্যে গোলযোগ করছিলো, সমস্যা করছিলো। আমি শুধু বলেছি আমরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেক হোল্ডার, একটা পরিবার। নিজেদের মধ্যে এরকম সমস্যা করা যৌক্তিক না।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র নন্দী বলেন, কেউ কর্মচারী-কর্মকর্তা বা শিক্ষক কারো সাথে অশালীন আচরণ করবে এটা তো প্রত্যাশিত না। সবার সাথেই শালীনতার সাথে আচরণ করবে এটাই তো স্বাভাবিক।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টা আমি মাত্র শুনলাম। সত্যিই যদি উনি কর্মচারীদের হুমকি প্রদান করে থাকেন, তবে আমি বলবো এ কাজটা শিক্ষকের মর্যাদার সাথে যায় না। বিষয়টা খুবই অপ্রত্যাশিত।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, আমার কাছে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তাই বিষয়টি আমি জানিনা। তবে কেউ তো কাউকে ধমকানোর আইনত অধিকার নেই। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তো এরকম করা কোনোভাবেই উচিত না। এটা কাজের আদর্শের বহির্ভূত।

;

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের 'রেকর্ড' মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর অভিযোগ পুলিশের লাঠিচার্জে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

সমাবেশে অংশ নেওয়া ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অনিক রায় বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠন’গুলোর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল শাহবাগে পৌঁছলে পুলিশের পক্ষ থেকে তাড়াতাড়ি সমাবেশ শেষ করতে বলা হয়। আমরা তাদের বলি, আমাদের সভাপতির বক্তব্য বাকি। তার বক্তব্যের পর আমরা চলে যাব। ঠিক সে সময় একজন পুলিশ আমাদের এক কর্মীকে আক্রমণ করে বসে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে চতুর্দিকে থাকা পুলিশ আমাদের ওপর অতর্কিত লাঠিপেটাসহ হামলা করে। বিনা উসকানিতেই তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের লাঠিপেটায় তাদের আহত ২০ নেতাকর্মী এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হামলা করে আমাদের আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।

এই হামলার প্রতিবাদে সোমবার (৮ আগস্ট) বেলা ১২টায় মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হবে। মিছিল-পরবর্তী সমাবেশ থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

পুলিশের হামলার পর শাহবাগ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা সমাবেশ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদূত হাওলাদারকে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

এর আগে, বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল পৌনে ৬টার দিকে ‘প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠন’গুলোর ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে বাম সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শাহবাগ ও কাঁটাবন মোড় ঘুরে ফের শাহবাগ মোড়ে ফিরে এসে মূল সড়ক সংলগ্ন ফুটপাতে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশের শেষ পর্যায়ে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পুলিশ বাম সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হঠাৎ লাঠিচার্জ শুরু করে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় সরকার। ওই দিনই রাত ১২টার পর নতুন এই দাম কার্যকর করা হয়েছে। ডিজেল ও কেরোসিন লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা, পেট্রোলের দাম ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। অকটেন বিক্রি করা হচ্ছে ১৩৫ টাকা করে যা আগের তুলনায় ৪৬ টাকা বেশি।

;