শিক্ষিকাকে হেনস্তার অভিযোগে রাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
শিক্ষিকাকে হেনস্তার অভিযোগে রাবি শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

শিক্ষিকাকে হেনস্তার অভিযোগে রাবি শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের এক শিক্ষিকাকে হেনস্তা করার অভিযোগে একই বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর নাম আশিক উল্লাহ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। এর আগেও তার বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আশিক উল্লাহ দীর্ঘদিন যাবৎ একাধিকবার শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের সাথে অশোভন আচরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে সে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হত্যার হুমকি দিয়েছে। আজ আইন বিভাগের ক্লাসরুমে শ্রদ্ধেয় একজন শিক্ষিকা বেগম আসমা সিদ্দীকাকে হেনস্থা করার প্রেক্ষিতে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন ও দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে, তাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শৃঙ্খলা কমিটি ও সিন্ডিকেটে রিপোর্ট সাপেক্ষে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার নির্দেশ প্রদান করা হলো।

এর আগে, বুধবার সকালে অধ্যাপক বেগম আসমা সিদ্দিকা ৪র্থ বর্ষের ক্লাস নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময়, তাকে বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন ও হেনস্তা করে অভিযুক্ত আশিক উল্লাহ। এক পর্যায়ে ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে তার বহিষ্কারের দাবিতে বিভাগের অফিসের সামনে অবস্থান নেন। এসময় অভিযুক্ত আশিক উল্লাহ অফিসের ভিতরে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন।

পরে ঘটনাস্থলে প্রক্টর গিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রশাসন ভবনে নিয়ে আসতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বাধা দেয় এবং তাকে ক্ষমা চেয়ে যেতে হবে বলে দাবি জানায়। এরপরে আবার তাকে বিভাগীয় অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় ক্ষমা চাওয়ার প্রেক্ষিতে তাকে ক্ষমার ঘোষণা দেন ভুক্তভোগী অধ্যাপক বেগম আসমা সিদ্দিকা।

এরপর প্রক্টরের তত্ত্বাবধানে তাকে প্রশাসন ভবনে নিয়ে আসা হয়। এসময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নেয় এবং আশিক উল্লাহর বহিষ্কারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে দুপুরের দিকে প্রক্টর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হলে শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন থেকে সরে যায়।

বুয়েটে ছাত্রলীগের আলোচনা সভা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজনীতি নিষিদ্ধ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সেমিনার হলে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের ব্যানারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়াতে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৬টার দিকে এ সভায় শুরু হলে, সভা শুরুর পরপরই এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা।

প্রোগ্রাম শেষে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাল মাহমুদ বিক্ষু্ব্ধ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, এটা কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম নয়। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্য দোয়ার প্রোগ্রাম। এসময় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সমস্বরে বলে উঠেন, তাহলে ছাত্রলীগের ব্যানারে কেন? আপনারা বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবেও করতে পারতেন!

আবরার ফাহাদ হত্যার পর বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ। সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা রাজনৈতিক সভা নয় বরং বঙ্গবন্ধুর জন্য দোয়ার সভা বলে দাবি করলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানতে চান, ছাত্রলীগের ব্যানারে কেন। এটা নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয় এবং কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়। শিক্ষার্থীদের দাবি, শোক দিবসের কোনো অনুষ্ঠান করলে সেটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ করবে। কোনো রাজনৈতিক ব্যানারে প্রোগ্রাম করতে দেওয়া হবে না।

রাত ৯টায় প্রেস ব্রিফিং করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই মাসের ১৫ তারিখ বাঙালি হারায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তার আদর্শ অনুসরণ করেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে গড়ে তুলতে আমরা নিরন্তর কাজ করে চলেছি। তারই ধারাবাহিকতায় নিরাপদ এবং সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করা সকল শিক্ষার্থীর মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, যেই ছাত্ররাজনীতি একসময় দেশের ক্রান্তিলগ্নে অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখেছিল, পরাধীনতার হাত থেকে মুক্ত করে জন্ম দিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের, সেই ছাত্ররাজনীতি আজ ক্ষমতার অপব্যবহারে কলুষিত।

তারা আরও বলেন, বুয়েট ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে নিরীহ শিক্ষার্থীদের বারবার প্রাণ ঝরেছে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠনগুলোর অপকর্মে। সবশেষ ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নৃশংস অত্যাচারে আবরার ফাহাদ নিহত হন। এর প্রতিবাদে বুয়েটের সকল সাধারণ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রম কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে নিষিদ্ধ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও আজ ১৩ আগস্ট সেমিনার হল বুয়েট অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বুয়েটের সাবেক নেতৃবৃন্দদের আয়োজনে একটি ব্যানার দেখা যায়।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, গত ২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হলে আরিফ রায়হান দিপের স্মৃতিফলকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ৮ জুন সাবেকুন নাহার সনি’র স্মৃতিফলকে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে ব্যানার টানানো হয়। ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠনের বারবার নিজেদের উপস্থিতি জানিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি পাওয়ায় বুয়েট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এমন কার্যক্রমের ব্যাপারে বুয়েটের সকল সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্তৃপক্ষের অবস্থান এবং সুস্পষ্ট জবাব আশা করছি।

বুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বলা যায় তারা আমাদের থেকে অনুমতি নিয়েছে, আবার নেয়নি। অনুমতি নেওয়ার সময় জানিয়েছে, তারা সাবেক শিক্ষার্থী, পুনর্মিলনী করবে ক্যাম্পাসে। সে কারণে আমরা অনুমতি দেই। আমরা যদি জানতাম তারা বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতা তাহলে অনুমতিই দিতাম না। তাই শিক্ষার্থীদের বিক্ষুব্ধ হওয়ার অধিকার আছে।

;

ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ওলামা লীগ নেতার ছেলে আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় সনদ জালিয়াতির অভিযোগে আটক হয়েছেন মাহবুব হাসান নামের এক যুবক।

তার বাড়ি শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার ছোট মালিঝিকান্দা গ্রামে। তিনি কেন্দ্রীয় ওলামা লীগের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম পীরের ছেলে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টায় সামজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৬০১ নং কক্ষ থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিয়ে গেলে অভিযোগ এবং অপরাধের ব্যাপ্তি বেশি হওয়ায় তদন্তের প্রয়োজনে তা সাধারণ মামলা হিসেবে পরিচালনা করতে পরামর্শ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই অভিযোগ দায়ের করে ত্রিশাল মডেল থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অর্ধডজনের অধিক জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ভুয়া সনদ, সিভি, রেজিস্ট্রেশন কার্ড আটক হওয়া শিক্ষার্থীর থেকে উদ্ধার করে প্রশাসন। সনদ জালিয়াতির অভিযোগ স্বীকার করেছেন আটক হওয়া শিক্ষার্থী ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে স্নাতক পাসের সন হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ২০১৯ সাল। অন্যদিকে এইচএসসি পাশের সনের জায়গায় একটিতে ২০১৯ এবং অন্য একটিতে ২০২০ সাল উল্লেখ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, জালিয়াতির কিংবা অনৈতিকতার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় অধিকতর তদন্তের জন্যে সাধারণ মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার অপরাধের আওতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ ডায়েরি করা হচ্ছে।জব্দকৃত ভুয়া দলিলাদি সহ জিনিসপত্র থানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। পাশাপাশি মামলা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

অসদুপায়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, ভর্তি পরীক্ষা সুন্দর গোছালো ভাবে হয়েছে। আমরা হ্যাপি। একজন আটক হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।

;

‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি

‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

 

সম্প্রতি ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপন জারি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নৃগোষ্ঠীর মানুষের ভূমি, ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আদিবাসী ইউনিয়ন।

শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।

মানববন্ধনে আদিবাসী ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রাখী মং বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৬ (২) ধারায় উল্লেখিত আছে ‘এ দেশে বসবাসকারী সব আদিবাসী বাঙালি বলিয়া বিবেচিত হবে।’ এ ধারা অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বাংলাদেশে বিভিন্ন আদিবাসী জাতিসত্ত্বা বসবাস করেন। তাদের সাংবিধানিক অধিকার চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। আদিবাসীদের সাংবিধানিক অধিকার স্বীকৃত হতে হবে।

আদিবাসী ইউনিয়নের উপদেষ্টা আসলাম খান বলেন, “মধুপুর, শেরপুর, মহাদেবপুর, দিনাজপুর, নওগা, সিরাজগঞ্জসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের উপর যে নির্যাতন চলছে, তা বন্ধের দাবি জানাই। মধুপুরে সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেখানে আাদিবাসীদের উচ্ছেদ করে, বন উচ্ছেদ করে ইকোপার্ক ও লেক করবেন। সরকারকে বলতে চাই, আপনারা মধুপুরের ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন। এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে বাংলাদেশ আদিবাসী ইউনিয়ন সারা দেশের আদিবাসীদের নিয়ে মধুপুরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।”

এ সময় তারা বেশকিছু দাবি পেশ করেন। তাদের উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো– এই জনগোষ্ঠীর লোকেদের ‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে; তাদের ভূমি, ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং উচ্ছেদকৃতদের আদিভিটায় পুনর্বাসিত করতে হবে।

;

র‌্যাংকিংয়ে বুয়েটকে পেছনে ফেলে দেশসেরা ঢাবি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
র‌্যাংকিংয়ে বুয়েটকে পেছনে ফেলে দেশসেরা ঢাবি

র‌্যাংকিংয়ে বুয়েটকে পেছনে ফেলে দেশসেরা ঢাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

 

মাদ্রিদভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবোমেট্রিক্সের র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) পেছনে ফেলে দেশসেরা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। ২০২২ এর দ্বিতীয় সংস্করণে (জুলাই) এ তথ্য উঠে এসেছে।

এছাড়া দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অবস্থান তৃতীয়। ওয়েবমেট্রিক্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে ঢাবির অবস্থান ১ হাজার ৪৬৮। দ্বিতীয় থাকা শাবিপ্রবির অবস্থান ১ হাজার ৪৭৬ এবং বুয়েটের অবস্থান ১৪৮৩। এর আগে ২০২২ সালের প্রথম সংস্করণে এ তালিকায় শীর্ষে ছিল বুয়েট।

তালিকায় দেশসেরা শীর্ষ ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্য ৭টি হলো যথাক্রমে- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‍্যাংকিং ১৫৯৩), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‍্যাংকিং ১৭৫০), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‍্যাংকিং ২১৪৬), ব্রাক ইউনিভার্সিটি (বিশ্ব র‍্যাংকিং ২২১৮ ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‍্যাংকিং ২৩১৯), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‍্যাংকিং ২৪৮১) এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (র‍্যাংকিং ২৪৮১)।

এদিকে শীর্ষ ১০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাবলিক ও প্রাইভেট কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও ৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজের স্থান হয়েছে। মেডিকেলগুলো হলো- ৫১তম স্থানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ৭৬তম স্থানে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ৮২ ও ৮৩তম স্থানে যথাক্রমে ময়মনসিংহ ও বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ, ৮৫তম বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ এবং ৯৫তম অবস্থানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ।

উল্লেখ্য, স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ ভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠান বিশ্বের দুই শতাধিকেরও বেশি দেশের ৩১ হাজার উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে এই তালিকা প্রকাশ। তার মধ্যে এশিয়ার ১৫ হাজার ৯১৩টি এবং বাংলাদেশের ১৭১টি পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থান পেয়েছে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং তৈরিতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষণ পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রভাব, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা, সাম্প্রদায়িক সন্নিবেশ অর্থাৎ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত ভূমিকা বিবেচনা করে ওয়েবোমেট্রিক্স। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ছাড়াও তাদের গবেষক এবং তাদের প্রবন্ধ বিবেচনায় নিয়ে এটি তৈরি করে সংস্থাটি। সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ৫০ শতাংশ, টপ সাইটেড গবেষকদের ১০ শতাংশ এবং টপ সাইটেড প্রবন্ধ ৪০ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে র‍্যাংকিং তৈরি করে এ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।

;