ঢাবিতে র‌্যাগ ডে’র পরিবর্তে শিক্ষা সমাপনী উৎসব, মানতে হবে ৮ নিয়ম



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাবিতে র‌্যাগ ডে’র পরিবর্তে শিক্ষা সমাপনী উৎসব

ঢাবিতে র‌্যাগ ডে’র পরিবর্তে শিক্ষা সমাপনী উৎসব

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) গেল বছরের সেপ্টেম্বরে একাডেমিক কাউন্সিলে র‌্যাগ ডে অনুষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করে। এবার এ অনুষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‌‘শিক্ষা সমাপনী উৎসব’। স্নাতক শেষে শিক্ষা সমাপনী উৎসবের জন্য নতুন ৮টি নিয়ম চূড়ান্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেট সিন্ডিকেট।

বুধবার (২৯ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক হুমায়ূন কবীর।

তিনি বলেন, র‌্যাগ ডে নিষিদ্ধ করে একটি নীতিমালা করা হয়েছিল সেটি আজ চূড়ান্ত হয়েছে। এখন থেকে এটি ‘শিক্ষা সমাপনী উৎসব’ নামে চলবে এবং এ ক্ষেত্রে ৮টি নিয়মও মানতে হবে।

নিয়মগুলো হলো- র‌্যাগ ডের পরিবর্তে একদিনের এ অনুষ্ঠানটির নামকরণ হবে ‘শিক্ষা সমাপনী উৎসব’, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান বা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও ছাত্র উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সভা করে অনুষ্ঠানসূচি চূড়ান্ত করবে, নিজ নিজ বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের ভবন চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করা যাবে, টিএসসিতে সমবেত হয়ে পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রেখে র‍্যালি করা যাবে এবং ক্লাস চলাকালীন উচ্চস্বরে বাদ্য-বাজনা পরিহার করতে হবে।

এছাড়াও বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্টতায় দুপুরে অথবা রাতে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা যাবে, শিক্ষা সমাপনী উৎসবের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ১০টার মধ্যে শেষ করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, র‌্যাগ ডে নয়, শিক্ষা সমাপনী উৎসব হবে। সবকিছু নিয়মের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৯ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একজন কর্মকর্তাকে পদাবনতি করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে র‌্যাগ ডে অনুষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করে। পরে উপ-উপাচার্যকে (প্রশাসন) প্রধান করে গঠিত কমিটি নয়টি নীতিমালা তৈরি করে সিন্ডিকেটে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করে।

জাবির উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনে জয়ী আমির-নূরুল-অজিত



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনে ৪৮ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আমির হোসেন, ৪৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নূরুল আলম এবং ৩২ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে নির্বাচন শুরু হয়। ভোট গণনা শেষে একাধিক সিনেট সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভোট কার্যক্রমের সব কাজ শেষ হলে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক রেজিস্ট্রার আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করবেন।

এবারের নির্বাচনে মোট তিনটি প্যানেল থেকে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য প্রার্থীদের মধ্যে অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমান ২৩ ভোট, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হেল কাফী ২০ ভোট, অধ্যাপক লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ ১৯ ভোট, অধ্যাপক পৃথ্বিলা নাজনীন নিলীমা ১৫ ভোট ও অধ্যাপক তপন কুমার সাহা ৭ ভোট পেয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশের ১১(১) ধারা অনুযায়ী, নির্বাচিত এই তিন জনের মধ্যে একজনকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে সিনেট। এরপর রাষ্ট্রপতি একজনকে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ আট বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে ৮১ জন সিনেট সদস্যের মধ্যে ৭৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বাকি ৬ জন অসুস্থ্যতার জনিত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

;

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ‘বিজ্ঞান ইউনিটের’ ১ম বর্ষ স্নতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ঢাকা কলেজের ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে অধ্যাপক আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্রের মান এবং পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে পরীক্ষায় উপস্থিতির হারও সন্তোষজনক।

তিনি আরো বলেন, আমি দুটো কক্ষ পরিদর্শন করে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিশেষ করে প্রশ্নপত্রের মান কেমন হয়েছে এবং কোনো ভুল-ভ্রান্তি আছে কি না, তা পরীক্ষার্থীদের কাছে জানতে চেয়েছি। প্রশ্নের মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছেলে-মেয়েরা সন্তোষ প্রকাশ করেছে, তাদের পরীক্ষা ভালো হচ্ছে। ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং ঢাবি অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস ছামাদ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ পৃথকভাবে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, সরকারি সাত কলেজে ‘বিজ্ঞান ইউনিটের’ মোট ৬,৫০০টি আসনের বিপরীতে ৩৯,৫২১ জন ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ভর্তি পরীক্ষা ঢাকার ১৪টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

;

‘তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত’



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়

  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত ৷ হঠাৎ করে তারা হারিকেন নিয়ে খুব উদগ্রীব। টাকা পয়সা এত ইনকাম করেছে যে, তারা হারিকেন ব্যবসা ছাড়ছে না।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহিদ স্মরণে ‘তোমার স্বপ্নে পথচলি আজো চেতনায় মহীয়ান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, তারা আজ হারিকেন নিয়ে মিথ্যা নাটক করছে। ফ্যানের বাতাস খেয়ে সভা-সেমিনারে বলছে, ‘লোডশেডিং’। আন্তর্জাতিক অঙ্গণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এটার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের কিছুটা ছাড় দিতে হচ্ছে। এটা সাময়িক সমস্যা। এটি উত্তরণ হবে। তাদের সময়ে তো বিদ্যুৎ ১৩/১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকত।

ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, খালেদা জিয়া, তারেক রহমানও জিয়াউর রহমানের পথে হেঁটেছিল। যার দৃষ্টান্ত ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। নেত্রী চাইলে তার প্রতিশোধ নিতে পারতেন না? পারতেন। তিনি (শেখ হাসিনা) মনে করেন যারা খারাপ কাজ করে, অন্যায় করে তাদের শাস্তি প্রাকৃতিকভাবেই হবে। তা হচ্ছেও। ১৫ আগস্ট যারা মিথ্যা জন্মদিন পালন করবে, তাদের দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে এবং শক্ত হাতে তাদের দমন করা হবে, বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলে ফাহিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহান, সাবেক মাস্টার দা’ সূর্য হল সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন বক্তব্য রাখেন।

;

১৫ আগস্ট স্মরণে ঢাবি সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের আলোচনা সভা



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহিদ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টার দা’ সূর্য হলে ‘তোমার স্বপ্নে পথচলি আজো চেতনায় মহীয়ান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের আয়োজনে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই শোক স্মরণেই মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। তারই অংশ হিসেবে পালিত হয় এই আলোচনা সভা।

মাস্টার দা’ সূর্য হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিয়াম রহমানের সঞ্চালনায় ও হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ। শুরুতে শোকাবহ আগস্টের কথা স্মরণে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেন, জিয়াউর রহমান সেই সময় শিক্ষার্থীদের বই-খাতার পরিবর্তে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। সেই সময় জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আর ছাত্রদলের দখলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কলুষিত করেছিলেন তারা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এমন বর্বরোচিত ঘটনার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করতে চাইলে সেই সময় বের করতে দেওয়া হয়নি। ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছেন জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, যে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশ নামে একটি দেশ উপহার দিল তাকে বাঁচতে দিল না ঘাতকরা। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘৃণ্য ঘটনা হয়তো দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়েছিল কিন্তু তারপরেও নানান চড়াই-উৎরাই দেরি হলেও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, শুধু জিয়াউর রহমান নয়, খন্দকার মোশতাক সময় মত তার কাজ করার জন্য অনেক আগেই আমাদের দলে প্রবেশ করেছিল। ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা ছিল ৯৬ সাল পর্যন্ত। এ হত্যার বিচার বাতিলের জন্য ইনডেমনিটি অ্যাক্ট জারি করা হয়। পরবর্তীতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলে যুদ্ধ অপরাধীর বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করতে চাওয়াতে ২০০৮ সালে যারা হেসেছিল। তারা সেই হাসার উত্তর পেয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধুর রোপন করা বীজ, দেরিতে হলেও বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকত, যদি প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় বাস্তবায়ন করতে পারত, তাহলে ৮০ দশকেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হত, বলে মনে করেন শেখ ফজলে ফাহিম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহান, সাবেক মাস্টার দা’ সূর্য হল সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন বক্তব্য রাখেন।

;