জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসলাম-সুজন



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসলাম-সুজন

জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসলাম-সুজন

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান আসলামকে সভাপতি ও একই বর্ষের সুজন মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ ছাড়া কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে ইব্রাহিম কবির (মিঠু), সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মেহেদী হাসান হিমেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আরেফিনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জবি শাখা ছাত্রদলের কমিটি হয়। এতে রফিকুল ইসলাম রফিককে সভাপতি ও আসিফ রহমান বিপ্লবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। গত বছরের ১৫ অক্টোবর জবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী, জাবিতে পাঁচদিনব্যাপী নাট্যোৎসব



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জাবিতে পাঁচদিনব্যাপী নাট্যোৎসব

সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জাবিতে পাঁচদিনব্যাপী নাট্যোৎসব

  • Font increase
  • Font Decrease

রবীন্দ্রত্তোর কালের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৩তম জন্মতিথিতে পাঁচ দিনব্যাপী নাট্যোৎসব আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় জন্মলগ্নকাল উদযাপন নিমিত্ত পুষ্প অভিযাত্রা বের করে জাবি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।

পুষ্প অভিযাত্রায় অংশ নেন জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম, নাট্যব্যক্তিত্ব ও ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, জাবি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ইস্রাফিল আহমেদ সহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

পুষ্প অভিযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃৎ মঞ্চ থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সেলিম আল দীনের সমাধিস্থলে এসে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শেষ হয়।

এরপর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নাট্যদল জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার, ঢাকা থিয়েটার, নাট্যস্নাতক মঞ্চ, স্বপ্নদল, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার, বাংলদেশের পুতুল নাট্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র, থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, তালুকনগর থিয়েটারসহ বিভিন্ন নাট্য সংগঠন।

সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ইস্রাফিল আহমেদ বলেন, ‘সেলিম আল দীনের ৭৩ তম জন্মজয়ন্তীতে আমরা তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। পাঁচ দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের এ আয়োজনে আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। এ নাট্যোৎসবের মাধ্যমে সেলিম আল দীনের নাট্যদর্শন আরো বেশি মানুষের মাঝে পৌছে দিতে পারবো বলে আমাদের বিশ্বাস।’

নাট্যব্যক্তিত্ব ও ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, ‘সেলিম আল দীন শুধু একজন নাট্যকার নন, সেলিম একটি ঘটনা। ভারতবর্ষে হাজার বছরের শাসনের পরও সংস্কৃতি কিন্তু হারিয়ে যায়নি। নতুন ধর্মপ্রচার হলেও ভাষা-সংস্কৃতি হারিয়ে যায়নি। এখানকার জাতিগোষ্ঠীর ধর্মের ভাষা আর সংস্কৃতির ভাষা এক ছিল না। এজন্যেই ইংরেজরা সব কিছু ইংরেজিতে চালু করলেও বাংলার আধিপত্য নষ্ট হয়ে যায়নি। আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পেরেছি। আমাদের এ চেতনা ধরে রাখতে পেরেছি।’

পাশ্চাত্য শিল্পের সব বিভাজনকে বাঙালির সহস্র বছরের নন্দনতত্ত্বের আলোকে অস্বীকার করে এক নবতর শিল্পরীতি প্রবর্তন করেন সেলিম আল দীন, যার নাম দেন 'দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব'। দ্বৈতাদ্বৈতবাদী রীতিতে লেখা তার নাটকগুলোতে নিচুতলার মানুষের সামাজিক নৃতাত্ত্বিক পটে তাদের বহুস্তরিক বাস্তবতাই উঠে আসে।

পাঁচ দিনব্যাপী "সেলিম আল দীন নাট্যোৎসব ২০২২"এর প্রথমদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় জহির রায়হান মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে নাটক ‘প্রাচ্য’। এরপর ১৯ আগস্ট থেকে ২২ আগস্ট প্রদর্শিত হবে নাটক ‘কিত্তনখোলা’, ‘বনপাংশুল’, ‘কেরামতমঙ্গল’ ও ‘পুত্র’।

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ সালে, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায়। ১৯৯৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।বাংলার মাটিতে, বাংলার জলহাওয়ায় বাংলার প্রাণের ভাষাতেই জন্ম নেওয়া তার নাটকগুলো বাংলা নাটকের সব উপাদানকে ছুঁয়ে যায় আধুনিকের মন নিয়ে।নাট্য-সাহিত্য অঙ্গনে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার(১৯৮৪), একুশে পদক (২০০৭), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩,১৯৯৪) সহ বিভিন্ন পুরস্কারে তাকে ভূষিত করা হয়।

;

নানা আয়োজনে জবিতে জন্মাষ্টমী পালন



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নানা আয়োজনে জবিতে জন্মাষ্টমী পালন

নানা আয়োজনে জবিতে জন্মাষ্টমী পালন

  • Font increase
  • Font Decrease

শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও নাম কীর্তনসহ নানা আয়োজনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জন্মষ্টমী উৎসব পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিন সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার হয়ে মেইন গেইটে এসে শেষ হয়। বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের নিচতলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতে গীতাপাঠ করেন অনামিকা মল্লিক নামের এক শিক্ষার্থী।

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী দেবানন্দ মন্ডল ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী দেবাশীষ চন্দ্র শীল সূচনা বক্তব্য রাখেন। এসময় তারা সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি উপাসনালয় স্থাপনের দাবি জানান।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. পরিমল বালা।

এসময় তিনি বলেন, আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব দিবস। কারণ ভগবান বা সৃষ্টিকর্তার জন্ম বা মৃত্যু হয়না। এই দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আসলে পৃথিবীতে যখন পাপ বেড়ে গিয়েছিল তখনই শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল।

আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অনির্বাণ সরকার।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, প্রত্যেক ধর্মের মূল বার্তা একটিই। সেটি হচ্ছে শান্তি। আজ এখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বী অনেকে উপস্থিত হয়েছেন। যার মাধ্যমে সংহতি প্রকাশ পেয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব স্থান মথুরায় আমি দুইবার গিয়েছি৷ সেখানকার বাস্তব চিত্র দেখার সুযোগ হয়েছিল আমার। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে প্রতিটি ধর্মাবলম্বীদের জন্যই আলাদা আলাদা উপাসনালয় থাকবে।

সমাপনী বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আজকের উৎসব যথাযথভাবে উদযাপন সম্ভব হচ্ছে। এটিই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত।

আলোচনা সভা শেষে হরিনাম কীর্তন করা হয়। কীর্তন শেষে সবার মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. একেএম লুৎফর রহমান, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ড. কাজী নাসিরউদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

;

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে’



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে’

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে’

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে। সেটাই আমাদের আক্ষেপ! আমরা দোষী না, আমরা অপরাধী না। আমাদের আর্থিক সংকটের বৈশ্বিক পরিস্থিতির মূল্য দিতে হচ্ছে। শেখ হাসিনাকে মূল্য দিতে হচ্ছে। রাত জেগে জেগে দেশের মানুষের কথা ভাবতে হচ্ছে। ধৈর্যহারা হবেন না কেউ, ইনশা আল্লাহ এই দিন থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত ‘পিতার শোক, কন্যার শক্তি বাংলার অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এমন মন্তব্য করেন সড়ক, পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি আরও বলেন, ১৩ বছর ধরে কত শুনলাম, রোজার ঈদের পরে, কোরবানির ঈদের পরে, দেখতে দেখতে ১৩ বছর। দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায়, পদ্মা-মেঘনা নদীতে কত পানি গড়িয়ে যায়। কিন্তু, ফখরুল সাহেবদের আকাঙ্ক্ষিত আন্দোলনের সোনার হরিণ দেখা যায় না। ক্ষমতার ময়ূর সিংহাসন দিল্লি দূর অস্ত।

ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা সম্পর্কে বলেন, ফখরুল সাহেব, কষ্ট প্রকাশ করে কি করবেন? শেখ হাসিনাকে আল্লাহ ক্ষমতা দিয়েছেন। তিনি ভাগ্যবতী। এদেশে একজনকে (শেখ মুজিবুর রহমান) আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন স্বাধীনতার জন্য, আরেকজনকে (শেখ হাসিনা) সৃষ্টি করেছেন মুক্তির জন্য।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইলেকশন আসছে। যতই মুখে বলেন, বাস্তবে তো আমরা বুঝি। ইলেকশনের পূর্বে বিশাল একটা মনোনয়ন ব্যবসা আছে। এই লোভ আপনারা সামলাতে পারবেন না। তখন কি পদ্মা নদীতে লঞ্চে যাবেন? নৌকায় যাবেন? নৌকাও তো আমাদের। আগামী বছরের প্রথমদিন অনেকগুলো মেগা প্রজেক্ট উদ্বোধন করা হবে। তখন আপনাদের কষ্টের দরিয়ায় ঢেউ আসবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য প্রমুখ।

;

রাবি ছাত্রলীগ নেতাকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাকে ডেকে নিয়ে লাঠি ও রড দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই সংগঠনের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজোয়ান গাজি মহারাজ।

বুধবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যেন্দ্রনাথ বসু এবং ড. মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা একাডেমিক ভবনের মধ্যবর্তী স্থানে এই মারধরের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মহারাজ।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মুশফিকুর রহমান প্রান্ত, মতিহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজ আলম সাকিব, শাহ মখদুম হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শামীম শিকদার, সৈয়দ আমীর আলী হল ও শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হোসেন ও মিম মো. মাজেদ মিয়া।

জানা গেছে, অভিযুক্তরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্তর অনুসারী। অপরদিকে ভুক্তভোগী রেজোয়ান গাজী মহারাজ ছাত্রলীগ থেকে সম্প্রতি বহিষ্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিক তাহমিদ তন্ময়ের অনুসারী ছিলেন।

মারধরের ঘটনায় ভুক্তভোগী মহারাজ বলেন, 'বুধবার রাত সাড়ে ৮টায়, পরিবহনে বসে ছিলাম। এমন সময় অভিযুক্ত জুয়েল আসে। এসে বসে কথা বলার এক পর্যায়ে হাটার কথা বলে পাশে ডেকে নিয়ে যায়। পরে প্রথম বিজ্ঞান ভবনের পেছনে পৌছালে, জুয়েল আমাকে ধরে ফেলে, এবং পেছন থেকে ৪-৫ জন এসে রড ও লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে। মারার এক পর্যায়ে মাটিতে পরে গেলে তাদের কয়েকজন বলে মেশিনটা বের কর। মেরে দে। পরে তারা কিছু বের করেনি। অভিযুক্তদের হাতে ছুরি ছিল৷ তবে ছুরি দিয়ে তারা আমাকে আঘাত করেনি।'

ভুক্তভোগী জানান, মারধরের ঘটনায় তার শরীর বিভিন্ন অংশ গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। তিনি রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন এবং মারধরের ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি এ ঘটনায় তিনি নগরীর মতিহার থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে জুয়েল হোসেনকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

নিজের অনুসারীদের দ্বারা মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্ত বলেন, 'আমাদের এরকম কেউ ছিলোনা। আমি তো বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক এরকম কিছুই না।'

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, 'আমি মারধরের বিষয়টি শুনেছি। আমরা বিষয়টি দেখছি।'

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, 'গতকাল রাতে মারধরের বিষয়টি মুঠোফোনে ভুক্তভোগী নিজেই আমাকে জানায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে বলেও জেনেছি। আমি সেই শিক্ষার্থীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছিলাম। এবং চিকিৎসা কেন্দ্রে দুজন সহকারী প্রক্টরকেও পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু এর পূর্বেই সেই শিক্ষার্থী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যায়। পরে সে আর কোনো যোগাযোগ করেনি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

;