ঢাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে!



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের সেকশন অফিসার পদে রাজধানীর এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়াতে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, তারা ‘বেস্ট প্রার্থী’কে নিয়োগ দিয়েছেন।

প্রার্থীদের অভিযোগ এ নিয়োগে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। যাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে তিনি প্রয়াত কবি শামসুর রহমানের নাতনি। কবি শামসুর রহমানের নাতনি হওয়াতে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে একাধিক প্রার্থী প্রশ্ন তুলেছেন। সম্প্রতি সিলেকশন বোর্ডের সুপারিশের প্রেক্ষিতে ওই নারী শিক্ষার্থীকে নিয়োগের বিষয়টি গত ২৯ জুন সিন্ডিকেট সভায় পাশ হয়েছে।

জানা যায়, এ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ-ইন্সটিটিউটে কর্মরত ২৫ জন কর্মকর্তা ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রার্থী বলেন, এই পদে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই আবেদন করেছেন। যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ তাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষার্থীদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল।

এই শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৪৫ জন প্রার্থী ভাইভাতে অংশ নিয়েছে। এদের মধ্যে যাদের নেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে রেফারেন্স এসেছে তাদেরকে ছাড়া আর কাউকেই স্যারেরা প্রশ্ন করেনি। তাদের সাথে কুশল বিনিময় করে বলেছে, তোমার বয়স আছে এখানে এসেছো কেন? অন্য কোথাও দেখো, বিসিএস দাও। সেখানে এরকম কথা বলার মাধ্যমে বুঝা যায় স্যারদের প্রার্থী ঠিক করা ছিল।

ভাইভা বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ- উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ। অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক হারুনর রশীদ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এস এম বাহালুল মজনু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

এ বিষয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও সিনেট সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বলেন, এখানে সর্ব সম্মতিক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সবার ভাইভা নিয়েছি। যার ভাইভা ভালো হয়েছে তাকে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ভাইভা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, সবচেয়ে বেস্ট ক্যান্ডিডেট যিনি তাকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর উপরে আর কোন কথা নেই। বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ছিল জানালে তিনি বলেন, আমি এই প্রার্থীর চেয়ে ভালো কাউকে পাইনি।

বুয়েটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাল ছাত্রলীগ নেতারা



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বুয়েটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাল ছাত্রলীগ নেতারা

বুয়েটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাল ছাত্রলীগ নেতারা

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় শোক দিবস, ১৫ আগস্টে রাজনীতি নিষিদ্ধ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। এ সময় তাঁরা “জয় বাংলা” স্লোগান দিতে থাকেন। স্লোগানের এক পর্যায়ে বলতে থাকেন, “হই-হই রই, জামাত-শিবির গেলি কই, জামাত-শিবিরের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও”।

বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিব আহমেদ মুরাদ দাবি করেন, গত শনিবার সাবেক শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে উত্তেজনা তৈরি করে জঙ্গিবাদীরা। অভিযেগ করেন ক্যাম্পাসে জামাত-শিবিরের বীজ বপন করা হচ্ছে। চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানান, তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাহসান আহমেদ রাসেল বলেন, আমাদের ফুল দেওয়ার কর্মসূচি ছিল। প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এ কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও ছাত্রলীগ বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় থাকবে, বলে জানান ওই ছাত্রনেতা।

কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক বরিকুল ইসলাম বাধন, মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গতকাল (শনিবার) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বুয়েট ক্যাফেটেরিয়ায় ছাত্রলীগের ব্যানারে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে বুয়েট ছাত্রলীগের একদল সাবেক নেতৃবৃন্দ। আবরার ফাহাদ হত্যার পর বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ৷ হয়। সেই সূত্র ধরে ছাত্রলীগের এই কর্মসূচির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসময় বিক্ষোভকারীরা ‘আবরারের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না, আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না, রাজনীতির ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়। ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে কর্তৃপক্ষের নিরবতার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সুষ্ঠু ব্যখ্যা চেয়ে তারা বুয়েট উপাচার্য বরাবর একটি দরখাস্ত পেশ করেন তাঁরা।

‘ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ’ ব্যানারে অনুষ্ঠিত শোক সভার প্রতিবাদে হওয়া শিক্ষার্থীদের কর্মসূচীকে ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার জোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে দাবি করে উদ্বেগ প্রকাশ করে রোববার (১৪ আগস্ট) দুপুরে রবিবার দুপুরে বুয়েটের ক্যাফেটেরিয়ার সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে শিক্ষার্থীরা।

;

শোক দিবস না, রাজনৈতিক ব্যানারই বুয়েট শিক্ষার্থীদের আপত্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শোক দিবস না, রাজনৈতিক ব্যানারই বুয়েট শিক্ষার্থীদের আপত্তি

শোক দিবস না, রাজনৈতিক ব্যানারই বুয়েট শিক্ষার্থীদের আপত্তি

  • Font increase
  • Font Decrease

শোক দিবসের বিরোধিতা কিংবা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ক্যাম্পাসে শোক দিবস পালন করা যাবে না- এমন কোনো আপত্তি নয় বরং ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্র রাজনীতির দলীয় ব্যানারে সভা নিয়ে আপত্তি ছিল।

রোববার (১৪ আগস্ট) দুপুরে রবিবার দুপুরে বুয়েটের ক্যাফেটেরিয়ার সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এমন মন্তবা করেন শিক্ষার্থীরা। ‘ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ’ ব্যানারে অনুষ্ঠিত শোক সভার প্রতিবাদে হওয়া শিক্ষার্থীদের কর্মসূচীকে ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার জোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে দাবি করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বজনীন। তার চেতনা ধারণ করতে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের পরিচয় ধারণের প্রয়োজন পড়ে না বলে মন্তব্য করেছেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, ধর্ম, বর্ণ, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে। তার চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আমরা সমৃদ্ধিময় সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সদা প্রস্তুত।

শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের ব্যানার দেখে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাননীয় ছাত্রকল্যাণ পরিচালককে অবহিত করে এবং কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামের সামনে অবস্থান গ্রহণ করে। সেমিনার কক্ষে ছাত্রলীগের সাবেকদের অনুষ্ঠান যথারীতি সমাপ্ত হয় এবং শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনোরূপ বাধা প্রদান করেনি। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের ব্যানার ব্যবহার করার অনুমতি প্রদান করায় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জবাবদিহিতা আদায় করাই ছিল আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে তাদের কর্মসূচিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপপ্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে তারা বলেন, এসব অপপ্রচার শিক্ষার্থীদেক ভীত, সন্ত্রস্ত এবং একই সাথে ব্যথিত করছে। আজকে আমরা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করতে চাই, আমাদের গতকালকের কর্মসূচি কোনভাবেই ক্যাম্পাসে আয়োজিত শোক দিবসের অনুষ্ঠানবিরোধী ছিল না। বরং বিশ্ববিদ্যালয় কেন এরকম অনুষ্ঠানের অনুমতি দিলো আমরা সেটার জবাবদিহিতা চেয়েছি প্রশাসনের কাছে।

বুয়েট ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে জাতীয় দিবস সমূহের অনুষ্ঠান নিয়মিত আয়োজিত হয়ে আসছে উল্লেখ করে তারা বলেন, আগামীকাল, ১৫ আগস্ট বিকাল পাঁচটায় বুয়েট ক্যাফেটেরিয়ায় বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেইসাথে গতকাল উপাচার্য মহোদয় বরাবর লিখিত আবেদনপত্রে বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া-মাহফিল আয়োজনের অনুমতি প্রার্থনা করা হয়েছে। অত্র অনুষ্ঠানে বুয়েটের সকল প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ, বুয়েটের সকল সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ ছাড়াও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাদর আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তারা এই আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় বুয়েটের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে গতকাল (শনিবার) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বুয়েট ক্যাফেটেরিয়ায় ছাত্রলীগের ব্যানারে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে বুয়েট ছাত্রলীগের একদল সাবেক নেতৃবৃন্দ। আবরার ফাহাদ হত্যার পর বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ৷ হয়। সেই সূত্র ধরে ছাত্রলীগের এই কর্মসূচির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসময় বিক্ষোভকারীরা ‘আবরারের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না, আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না, রাজনীতির ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়। ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে কর্তৃপক্ষের নিরবতার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সুষ্ঠু ব্যখ্যা চেয়ে তারা বুয়েট উপাচার্য বরাবর একটি দরখাস্ত পেশ করেন তাঁরা।

;

ঢাবিতে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনার দাবিতে মানববন্ধন



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সন্ত্রাস রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ ও পার্শ্ববর্তী সড়কে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

রোববার (১৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চলনায় ও ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যায় খুনিদের দায় মুক্তির করার জন্য ইনডেমনিটি এ্যাক্ট জারি করা হয়েছিল। পৃথিবীতে এমন কোন দেশ পাওয়া যাবে না যেখানে খুনিদের এভাবে দায় মুক্তি দেয়া হয়। ১৯৯৬ সালে এসে বঙ্গবন্ধুর তনয়া শেখ হাসিনা সেই এ্যাক্ট বাতিলে করে খুনিদের বিচারের রুদ্ধ পথ উন্মুক্ত করেন।

যেসব দেশে বঙ্গবন্ধুর খুনিরা পলাতক রয়েছে অনতিবিলম্বে সেসব দেশকে অনতিবিলম্বে দেশে ফিরয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের রায় কার্যকর করার সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়াও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত, এম্বাসেডরদের সহযোগিতা কামনা করেন ছাত্রলীগের এ নেতা।

সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রলীগের ঢাবি শাখা সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেখানে মা, শিশুসহ নিরীহ মানুষকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে সেখানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিশ্চুপ থাকে আর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের সময় এই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জেগে ওঠে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারে নি কখনোও এ সম্প্রদায়। বিশ্বের তথাকথিত মোড়ল দেশগুলোর প্রতি আহ্বান থাকবে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরে দিয়ে এ দেশের মানুষকে কলঙ্ক মুক্ত করতল সহয়তা করুন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, বঙ্গবন্ধুকে খুনের মধ্য দিয়ে দেশকে উল্টো পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়া বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছিল, খুনি জিয়া তাঁদেরকে বিভিন্ন ভাবে পুরষ্কৃত করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ মন থেকে কখনোই ভাল থাকবে না, যদি না বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের বিচার না হয়। এজন্যও পলাতক খুনিদের বিচারের অওতায় এনে তা কার্যকরের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন এ ছাত্রনেতা।

;

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন



ববি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) গুচ্ছ পদ্ধতিতে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিতির হার ছিল ৯৫.৬৭ শতাংশ। দ্বিতীয়বারের মতো ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা গুচ্ছ পদ্ধতিতে একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৩ আগস্ট শনিবার দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ‘খ’ ইউনিট সমাজবিজ্ঞান, কলা ও মানবিক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪২৪ জন হলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩ হাজার ২৭৬ জন শিক্ষার্থী। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪৮ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা পরীক্ষার্থীদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, ‌‌‘শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কষ্ট লাঘবের জন্য একটি গুচ্ছে দ্বিতীয়বারের মতো ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিচ্ছি আমরা। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নিয়েছি।’

‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছেন। সবার সহযোগিতায় সুন্দরভাবে পরীক্ষা নিতে পেরেছি। ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একসঙ্গে হওয়ায় এবং পছন্দের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারায় ভর্তীচ্ছুদের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হয়েছে। ভর্তীচ্ছু ও অভিভাবকদের মধ্যে তাই বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।’

২২টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ইমতিয়াজ নামে একজন পরীক্ষার্থী বলেন, ‘গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা হওয়ায় আমাদের অর্থ ও সময় কম লাগছে। একটি কেন্দ্রে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা দিতে পারায় দুর্ভোগও কমেছে।’ নওরিন নামে আরেক ভর্তি পরীক্ষার্থী বলেন, ‘ভিন্ন ভিন্নভাবে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষা দিতে পারতাম না। গুচ্ছের মাধ্যমে হওয়ায় এটি সম্ভব হয়েছে।’

;