কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বই বিনিময় উৎসব



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বই বিনিময় উৎসব

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বই বিনিময় উৎসব

  • Font increase
  • Font Decrease

বই বিনিময়ের মাধ্যমে রাজধানীর জাতীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে স্মরণ করা হয়েছে বইয়ের ফেরিওয়ালা খ্যাত পলান সরকারকে। এসময় উৎসবে আগতরা একে অন্যকে সঙ্গে নিয়ে আসা বই বিনিময় করেন।

সোমবার (১ আগস্ট) ‘মেঘের ধাক্কা’-র আয়োজনে ওই বই বিনিময় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বই বিনিময়ে উৎসবের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই মেঘের ধাক্কার পরিচালক জহির রায়হান বলেন, বর্তমান সময়ে আমাদের যে সামাজিক অবক্ষয়, নীতি নৈতিকতার পঁচন, এই সমস্ত কিছুর হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করতে পারে বই। পলান সরকার সেই কাজটি আজীবন করে গেছেন। পলান সরকার এমন একজন ব্যক্তি, যিনি তার জীবনের সমস্ত সহায় সম্বল বিকিয়ে দিয়ে নিজের জীবনটা শিক্ষার জন্য উৎসর্গ করেছেন।

এমন আয়োজনে পলান সরকারের পুত্র হায়দার আলী সরকার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আব্বা সবার মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে মানুষের মাঝে বই বিলি করতেন। শিক্ষার্থীদের বই পড়ার বিষয়ে অনেক উৎসাহ দিতেন। আব্বার ডায়াবেটিস ধরা পড়লে তখন থেকে তিনি হেঁটে হেঁটে বই বিলি বিনিময় করতে লাগলেন।

তিনি আরও বলেন, বই পড়ব চাকরির জন্য না, বই পড়ার অনুরোধ জানায় বাস্তবকে জানার মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নের অনুরোধ জানায়। আমাদের সমাজটা অনেক পঁচন ধরেছে। যারা এ সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাদের দিকে দৃষ্টি দিলে হয়তো দেশটা অনেক এগিয়ে যাবে।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, পড়াশোনা পলান সরকার বেশিদূর করতে পারেন নি। তবে তিনি পড়াশোনার মর্মটি বুঝতে পেরেছিলেন। একটি সমাজকে যদি আলোকিত করতে হয়, মানুষকে যদি সত্য সুন্দরের পথে তৈরি করতে হয়, তাহলে পাঠ্যাভাসের কোন বিকল্প নাই। বই হল জ্ঞানের আঁধার। যুগের পর যুগ ধরে জ্ঞানী, মনীষী, বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদদের ভাবনা গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে। যত বেশি পড়তে পারব তত বেশি আলোকিত হতে পারব। সেই আলোর ছিটে-ফোঁটাও যদি সমাজে পড়ে, সমাজ একটু হলেও পরিবর্তন হবে।

৯০ বছর বয়সেও তিনি প্রতিদিন দশ-বারো কিলোমিটার পায়ে হেঁটে মানুষের হাতে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দিয়েছেন। আজ এই সময়ে যখন শিক্ষকের গলায় জুতার মালা দেওয়া হচ্ছে, ছাত্রের হাতে শিক্ষক খুন হচ্ছে, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের ঘর বাড়ি পোড়ানো হচ্ছে তখন বুঝতে হবে আমাদের সমাজের পঁচন কোন মাত্রায় গিয়ে পৌঁছেছে। তাই এই সময়ে, এই দেশে একজন পলান সরকার খুবই জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে, বলে জানান আগতরা।

উৎসবে অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন নারী, পুরুষ, কিশোর, কিশোরী বই হাতে নিয়ে শহিদ মিনারে উপস্থিত হয়। অনেকেই তাদের শিশু সন্তানকে সঙ্গে করে আনেন। আলোচনা শেষে শহিদ মিনার চত্ত্বরে সবাই জড়ো হয়ে একে অন্যের সাথে তাদের নিজ নিজ বইটি বিনিময় করেন।

কে এই পলান সরকার: গ্রামে গ্রামে ঘুরে ছোট-বড় সবার দোরগোড়ায় বই হাতে পৌঁছে যেতেন পলান সরকার। নিজের টাকায় বই কিনে পাঠকের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিয়ে বই পড়ার একটি আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য পলান সরকার ২০১১ সালে একুশে পদক পান।

১৯২১ সালে জন্ম পলান সরকারের আসল নাম হারেজ উদ্দিন। তবে পলান সরকার নামেই তাকে চেনে দশগ্রামের মানুষ। জন্মের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় তার বাবা মারা যান। টাকা-পয়সার টানাটানির কারণে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়ই লেখাপড়ায় ইতি টানতে হয় তাকে। তবে নিজের চেষ্টাতেই চালিয়ে যান পড়ালেখা। স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ছিলেন পলান সরকার। প্রতিবছর স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যারা ১ থেকে ১০-এর মধ্যে মেধা তালিকায় স্থান পাওয়াদের একটি করে বই উপহার দিতেন বই পাগল এ মানুষটি।

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার নূরপুর মালঞ্চী গ্রামে জন্ম নেওয়া পলান সরকার ২০১৯ সালের ১ মার্চ না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

সাত কলেজের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি’র ফল প্রকাশ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকালে প্রকাশিত হয়েছে।

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের স্নাতক অনার্স পর্যায়ের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দেখতে সাত কলজের ওয়েবসাইট www.7collegedu.com এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর লগ-ইন বাটন দেখতে পারবেন উক্ত login লিংকে প্রবেশ করুন। এরপর ভর্তি পরীক্ষার Application ID, Applicant`s Mobile Number এবং লিংকে উল্লেখিত Captcha Code এন্ট্রি দিন। এরপর লগ-ইন করে ফলাফল দেখা যাবে।

এর আগে, গত শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ১৪টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষা কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার বিজ্ঞান ইউনিটে ৬ হাজার ৫০০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৩৯ হাজার ৫১৭টি। পরীক্ষায় আবেদনকারী ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।

কলেজ অনুযায়ী আসন-

ঢাকা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১০৯০টি। কবি নজরুল সরকারি কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৬৩০টি। সরকারি বাঙলা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৭১৫টি।

সরকারি তিতুমীর কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১৫১০টি। সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৭৪০টি। ইডেন মহিলা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১২২৫টি। এবং বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৫৯০টি।

;

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাস উপহার পেল ঢাবি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাস উপহার পেল ঢাবি

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাস উপহার পেল ঢাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ১টি এসি বাস উপহার দিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৭ আগাস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়টির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের কাছে বাসের চাবি হস্তান্তর করা হয়। এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল উপাচার্যের কাছে বাসের এই চাবি হস্তান্তর করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য এনআরবিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই উপহার শিক্ষার্থীদের জীবনমানের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এধরণের উদ্যোগ ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদার, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া, এনআরবিসি ব্যাংকের ডিএমডি এন্ড সিএফও হারুনুর রশিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি মো. সাদ্দাম হোসেন বক্তব্য রাখেন। রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

;

ঢাবির শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ আহত ১০



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবির শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ আহত ১০

ঢাবির শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ আহত ১০

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী বহনকারী মৈত্রী বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীরা এবং চালক ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় চাকা ফেটে ডিভাইডারে উঠে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল মহিমা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের আরিফুর রহমান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিশির চন্দ্র দাস, চাইনিজ অ্যান্ড কালচার বিভাগের মাহবুব আলম, টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের আমির হোসেন, চালক ইউনুস প্রধান প্রমুখ।

এ দুর্ঘটনায় বাসটির চালক ইউনুস প্রধান সবচেয়ে বেশি আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীরা তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসে।

চালক ইউনুস প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, চাকা কখন পাংচার হয়ে যায়, তার তো আসলে নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আমারও তো জীবনের ভয় আছে। আমার কোনো ভুল ছিল না। এটা দুর্ঘটনা, তাতে আমার কোনো অবহেলা ছিল না। তবে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, তাই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

আহত শিক্ষার্থী আমির হোসেন বলেন, বাসটির চাকা ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। চাকা পরিবর্তনের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তা পরিবর্তন করা হয়নি। আজ ফ্লাইওভারের ওপর যদি এ ঘটনা ঘটত, তাহলে বাসটি নিচে পড়ে যেত। তেমন হলে হয়তো আরও ভয়াবহ কিছু হতো। বাসটির চাকা ফেটে রাস্তার ডিভাইডারের ওপর উঠে যায় এবং প্রায় ১০ জন আহত হন।

মেয়াদোত্তীর্ণ চাকা পরিবর্তন করা না করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ম্যানেজার (২) কামরুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কাছে আবেদন জানালে সেটা আমরা টেকনিক্যাল অফিসারকে জানাই। টেকনিক্যাল অফিসার বিষয়টি দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেন। আমাদের কাছে যথেষ্ট চাকা মজুত আছে। চাকা লাগানোর সময় সামনের চাকা পেছনে আর পেছনের চাকা সামনে লাগানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন কামরুল হাসান।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৈত্রী বাসটি নারায়ণগঞ্জের আইইটি থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার হয়ে ঢাবি ক্যাম্পাসে আসে।

;

‘বাকশাল প্রতিষ্ঠা উদযাপন করেন না কেন?’- প্রধানমন্ত্রীকে রাবি অধ্যাপক



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
‘বাকশাল প্রতিষ্ঠা উদযাপন করেন না কেন?’- প্রধানমন্ত্রীকে রাবি অধ্যাপক

‘বাকশাল প্রতিষ্ঠা উদযাপন করেন না কেন?’- প্রধানমন্ত্রীকে রাবি অধ্যাপক

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফজলুল হক বলেছেন, 'আমরা নতুন প্রজন্ম জানতে চাই, বাংলাদেশের সমস্ত দিবস আপনারা উদযাপন করেন, প্রত্যেকের জন্মদিন আপনার পালন করেন, সকল শোক আপনারা পালন করেন। আমরা সম্মতি জানাই। কিন্তু মেহেরবানী করে বাকশাল প্রতিষ্ঠার উদযাপন কেন করেন না? এটা জাতি জানতে চায়।'

বুধবার (১৭ আগস্ট) বেলা সোয়া ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই আহ্বান জানান তিনি। জ্বালানী তেলের নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের অস্বাভাবিক লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অসহনীয় মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে নূরে আলম ও আব্দুর রহিম'র নির্ঘুম হত্যাকাণ্ডর প্রতিবাদে 'জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের' ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে অধ্যাপক ফজলুল হক বলেন, বাকশাল প্রতিষ্ঠা কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, 'আমরা সবাই জানি। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ সেটাও আপনারা উদযাপন করুন। দেখেন সেখানে কতো লোক উপস্থিত হয়।'

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাসুদুল হাসান খানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে রাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কুদরত-ই-জাহান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের চাপে রাডারে পিষ্ট হয়ে দেশের মানুষ মারা যায়, উন্নয়নের চাপে জ্বালানী তেল ডিমের দাম বৃদ্ধি পায়। প্রধানমন্ত্রী তাঁকায় দেখুক বর্তমানে তার জনগণ কি খায়। আমরা চাইনা আমাদের দেশ শ্রীলঙ্কার দিকে যাক। আমরা উপরের দিকে তাঁকাতে চাই। আমরা ইউরোপ আমেরিকার মতো হতে চাই।

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি এফ নজরুল ইসলাম বলেন, একটা জাতির ধ্বংস অনিবার্য তখন, যখন সে জাতির শিক্ষাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বর্তমান প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম প্রণয়ন কমিটিগুলোতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী সম্পৃক্ত। তারা বর্তমানে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমরা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারছি করোনার পূর্বে জ্বালানি তেল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যে পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছিল। সেটা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি না করে অন্তত ছয়মাস স্বাভাবিক মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে পারত।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি গণতান্ত্রিক সরকার হতো, তাহলে জনগনকে বিপদের মুখে ফেলতেন না। সরকারের কাছে আমার দাবি, তেলের দাম অনতিবিলম্বে কমিয়ে মানুষকে দূর্দশার হাত থেকে রক্ষা করার। এসময় তিনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য অধ্যাপক আবুল হাসান বকুল, অধ্যাপক হাছানাত আলী, সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক এনামুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমজাদ হোসেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অন্তত ২৫জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

;