ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ওলামা লীগ নেতার ছেলে আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় সনদ জালিয়াতির অভিযোগে আটক হয়েছেন মাহবুব হাসান নামের এক যুবক।

তার বাড়ি শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার ছোট মালিঝিকান্দা গ্রামে। তিনি কেন্দ্রীয় ওলামা লীগের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম পীরের ছেলে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টায় সামজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৬০১ নং কক্ষ থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিয়ে গেলে অভিযোগ এবং অপরাধের ব্যাপ্তি বেশি হওয়ায় তদন্তের প্রয়োজনে তা সাধারণ মামলা হিসেবে পরিচালনা করতে পরামর্শ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই অভিযোগ দায়ের করে ত্রিশাল মডেল থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অর্ধডজনের অধিক জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ভুয়া সনদ, সিভি, রেজিস্ট্রেশন কার্ড আটক হওয়া শিক্ষার্থীর থেকে উদ্ধার করে প্রশাসন। সনদ জালিয়াতির অভিযোগ স্বীকার করেছেন আটক হওয়া শিক্ষার্থী ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে স্নাতক পাসের সন হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ২০১৯ সাল। অন্যদিকে এইচএসসি পাশের সনের জায়গায় একটিতে ২০১৯ এবং অন্য একটিতে ২০২০ সাল উল্লেখ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, জালিয়াতির কিংবা অনৈতিকতার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় অধিকতর তদন্তের জন্যে সাধারণ মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার অপরাধের আওতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ ডায়েরি করা হচ্ছে।জব্দকৃত ভুয়া দলিলাদি সহ জিনিসপত্র থানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। পাশাপাশি মামলা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

অসদুপায়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, ভর্তি পরীক্ষা সুন্দর গোছালো ভাবে হয়েছে। আমরা হ্যাপি। একজন আটক হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ওয়াটার পোলোতে চ্যাম্পিয়ন ঢাবি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ওয়াটার পোলোতে চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ওয়াটার পোলোতে চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়াঙ্গণে বন্ধুত্ব’ স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ২ দিনব্যাপী ওয়াটার পোলো ও সাঁতার প্রতিযোগিতা ২০২২-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২ দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ও সাঁতার প্রতিযোগিতায় রানার আপ হয়েছে।

প্রতিযোগিতা শেষে গত শুক্রবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার ও ওয়াটার পোলো কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাইখ ইমতিয়াজের সভাপতিত্বে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. অসীম সরকার স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক মো. শাহজাহান আলীসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলসহ অংশগ্রহণকারী দলসমূহকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

উল্লেখ্য, এই প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল অংশগ্রহণ করে।

;

জাবিতে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে চার শিক্ষার্থীকে শোকজ



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল হলের গণরুমে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে চার শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

বেগম সুফিয়া কামাল হলের ১ম বর্ষের (৫০ তম ব্যাচ) ছাত্রীদের ২৯ আগস্ট করা এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২৭ আগস্ট বেগম সুফিয়া কামাল হলের ৪৯তম ব্যাচের কয়েকজন ছাত্রী রাত ১১টায় গণরুমে এসে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন ভাষায় কথা বলেন ও তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মানসিক নির্যাতন করেন। পরদিন তাদের অনেকের টিউটোরিয়াল পরীক্ষা আছে বলা সত্ত্বেও রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত তাদের র‍্যাগ দেওয়া হয়। এছাড়া ৪৯তম ব্যাচ (২য় বর্ষ) ব্যতীত অন্য কোনো সিনিয়র শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথাবার্তা না বলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে ঘটনার সঙ্গে মুখ্যভাবে যুক্ত হিসেবে ৪৯তম ব্যাচের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের আশা, পরিসংখ্যান বিভাগের লাভলী, দর্শন বিভাগের রিফা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শাহরিন সহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয় ।

র‍্যাগিংয়ের সময় অভিযুক্তরা প্রশাসনের কাছে এগুলো বলে কিছুই হবে না, আমরাই প্রশাসন চালাই বলে ভুক্তভোগীদের হুমকি দেয় বলে জানা যায়। পরবর্তীতে আইআইটি ৩য় বর্ষের (৪৮তম ব্যাচ) সাবরিনা সিদ্দিকী অদিতি গণরুমে যেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ের বিষয়টা বাইরে না জানানোর পুনরায় হুমকি দিয়ে যায় বলে উল্লেখ করা হয় অভিযোগপত্রে।

র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে অভিযুক্ত ৪৯তম ব্যাচের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের আশার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। আর এটার জবাবদিহিতা আপনার কাছে করতে বাধ্য নয়। এ ব্যাপারে প্রশাসন কথা বলবে। এরপর আপনি নিউজ করার থাকলে কইরেন।

দর্শন বিভাগের রিফার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এরকম কিছুই করিনি এবং সম্পৃক্ত নই। আমাকে মিথ্যে অভিযোগে অভিযুক্ত করার চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বেগম সুফিয়া কামাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. মোতাহার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়েছে, তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করে দিয়েছে। আপনি তদন্ত কমিটির কোন সদস্যের সঙ্গে কথা বলেন।

তদন্ত কমিটির সদস্য বেগম সুফিয়া কামাল হলের হাউজ টিউটর সহকারী অধ্যাপক তাজউদ্দীন বলেন, তদন্ত চলমান আছে। কিছু প্রক্রিয়াগত সমস্যা রয়েছে যার কারণে দেরি হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে শিগগিরই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্ত শেষ না হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,যেদিন মিটিংয়ে বসার কথা ছিল ওই দিন আমাদের দুইজন সহকর্মী ব্যস্ত থাকায় মিটিংটা হয়নি।

;

ফেসবুকে হাহা রিয়েক্টকে কেন্দ্র করে শেকৃবিতে মারামারি, আহত ৫



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফেসবুকে হাহা রিয়েক্টকে কেন্দ্র করে শেকৃবিতে মারামারি, আহত ৫

ফেসবুকে হাহা রিয়েক্টকে কেন্দ্র করে শেকৃবিতে মারামারি, আহত ৫

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গনীতি এবং জুনিয়র তোলা নিয়ে ফেসবুক পোস্টে হাহা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাতজুড়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব সিরাজউদ্দৌলা আবাসিক হলের ঢাকা অঞ্চল এবং কুমিল্লা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়। এসময় ঢাকা অঞ্চলের ২১ ব্যাচের রাকিব, ওয়ালিদ সহ চারজন এবং কুমিল্লা অঞ্চলের রোফি ওসমানি নামের একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাতজুড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা এবং কুমিল্লা অঞ্চলের মারামারি এবং ঝামেলার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা একে অপরকে অভিযুক্ত করে এবং শেরেবাংলা নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে বলে উল্লেখ করে।

শেরেবাংলা নগর থানার এসআই সাব্বির আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘মধ্যরাতে গণরুমে মারামারির ঘটনায় দুইপক্ষেরই লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ঘটনা, সেখানকার প্রক্টর ঘটনাটি জানেন। তিনিই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘটনা স্থলে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘জুনিয়র তোলা নিয়ে মূলত ঢাকা এবং কুমিল্লা অঞ্চলের মধ্যে ঝামেলা অনেক আগে থেকে। জুনিয়র তোলা নিয়ে ফেসবুকে কুমিল্লা অঞ্চলের ২১ ব্যাচের কয়েকজন পোস্ট দিলে সেই পোস্টে হাহা রিয়েক্ট দেয় ঢাকা অঞ্চলের ২১ ব্যাচের মুশফিক, এনামুল হাসনাত সহ অনেকে। পরে দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে জেলা বন্টন নিয়ে আলোচনা করতে গেলে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির সময় সিনিয়র জুনিয়রদের মধ্যে হাতাহাতি পর্যায়ে চলে যায়। এসময়ে দুই অঞ্চলের পাঁচজনের অধিক মারাত্মক ভাবে আহত হয়।’

পরিস্থিতি খারাপ অবস্থায় গেলে নবাব সিরাজউদ্দৌলা হলের সহকারী প্রোভোস্ট, হলের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর হারুন উর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘নবাব সিরাজুদ্দৌলা হলে রাতে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। এই বিষয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবগত আছি, রাতে হলের প্রোভোস্ট, সহকারী প্রোভোস্ট ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তারা। আমরা আজ রাতে বসব যদি তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রয়োজন হয় করব এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিব। তবে দুই পক্ষের কেউই লিখিত কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে দেয় নি।থানায় তারা অভিযোগ দিয়েছে কিনা সে বিষয়ে আমরা অবগত না’।

;

'শিল্পিত জীবনের জন্য মহৎ সাহিত্য প্রাণসঞ্চারক'



মায়াবতী মৃন্ময়ী, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
চবি আবৃত্তি মঞ্চের দ্বাবিংশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বার্তা২৪.কম

চবি আবৃত্তি মঞ্চের দ্বাবিংশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন, বিশিষ্ট সাহিত্যিক, ড. মহীবুল আজিজ বলেছেন, "শিল্পিত জীবনের জন্য মহৎ সাহিত্য প্রাণসঞ্চারক আর আবৃত্তি মানুষকে দীপিত করে।"

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির জয়নুল আর্ট গ্যালারি মিলনায়তনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) আবৃত্তি মঞ্চের দ্বাবিংশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং চতুর্বিংশ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, "জীবনকে ভালোবাসে বলেই মানুষ জীবনের সৌন্দর্যের জন্য প্রাণিত হয় সাহিত্যের নানা শাখার স্পর্শে। তরুণ প্রজন্মকে নৈরাশ্য থেকে আলোর পথে চালিত করতে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে জীবনচেতনার অপরিহার্য অংশে পরিণত করা অপরিহার্য।"

চবি আবৃত্তি মঞ্চের সভাপতি সোহান আল মাফির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চের প্রধান উপদেষ্টা মাছুম আহমেদ, উপদেষ্টা জেবুন নাহার শারমিন, সম্মিলিত আবৃত্তি জোট ও জোটভুক্ত সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ।

আবৃত্তি মঞ্চের অনুষ্ঠান সম্পাদক শাকিল আহমেদের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর চতুর্বিংশ প্রমিত উচ্চারণ, উপস্থাপনা ও আবৃত্তি কর্মশালার প্রশিক্ষণার্থীদের বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশিত হয়। কথামালা পর্বে অনুভূতি ব্যক্ত করেন আমন্ত্রিত প্রধান অতিথি, আবৃত্তি মঞ্চের উপদেষ্টাবৃন্দ, বন্ধু সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও চবি আবৃত্তি মঞ্চের সদস্যরা।

আমন্ত্রিত অতিথি ও বন্ধু সংগঠনের নেতৃবৃন্দ্বের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীত গবেষক গীতা দত্ত, মো. মুজাহিদুল ইসলাম, প্রণব চৌধুরী, মিলি চৌধুরী, বনকুসুম বড়ুয়া, আলী প্র‍য়াস, পুনম দত্ত, ইকবাল হোসেন জুয়েল সহ অনেকে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চতুর্বিংশ কর্মশালার সম্মানিত প্রশিক্ষকবৃন্দের হাতে প্রশিক্ষক সম্মাননা তুলে দেন। প্রশিক্ষক সম্মাননা গ্রহণ করেন সঙ্গীত ভবন চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ কাবেরী সেনগুপ্তা, চবি দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাছুম আহমেদ, চবি বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শারমিন মুস্তারী, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান, শিক্ষক ও সংবাদ উপস্থাপিকা রেখা নাজনীন ও আবৃত্তিশিল্পী প্রবীর পাল, আবৃত্তিশিল্পী ও উপস্থাপক জেবুন নাহার শারমিন।

পরে চতুর্বিংশ প্রমিত উচ্চারণ, উপস্থাপনা ও আবৃত্তি কর্মশালা'র মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চের সভাপতি সোহান আল মাফি'র সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সমাপ্তি ঘটে।

;