কুবির ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডি



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় সাত জন শিক্ষকের নামে সাধারণ ডায়েরি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এছাড়া আরো ১৫ থেকে ২০ অজ্ঞাতনামাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

সাধারণ ডায়েরিতে বলা হয়, দাপ্তরিক কাজে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পূর্ব অনুমতিক্রমে উপাচার্য কক্ষে গেলে ভিতরে অবস্থানরত শিক্ষকেরা অফিসারদের এখানে কেন এসেছো বলে অশ্লীল গালাগালি ও মারমুখী ভঙ্গীতে শারীরিকভাবে নাজেহাল করে এবং ধাক্কা দিয়ে জোর করে উপাচার্যের কক্ষ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। তখন আমি বলি স্যার আমরা দাপ্তরিক কাজে ভিসি স্যারের কাছে এসেছি। আপনারা আমাদের সাথে এমন আচরণ কেন করছেন, 'আমরা কি মানুষ নই?' পরবর্তীতে ভিতরে থাকা শিক্ষকবৃন্দ আমাদের দিকে তেড়ে এসে টানা হেচড়া করে উপাচার্য স্যারের কক্ষ থেকে আমাকে এবং আমার সাথে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন স্যারকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। ভিসি স্যারের সাথে আমরা কথা বলতে চাইলে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ আমাদের সাথে আরও বেশি খারাপ আচরণ করেন।

সাধারণ ডায়েরিতে আরো উল্লেখ করা হয়, উপাচার্যের কক্ষে বিকট শব্দ ও হট্টগোল শুনে অন্যান্য অফিসারগণ ভিসি স্যারের রুমের সামনে আসেন। আমাদের সহকর্মীগণ আসলে শিক্ষকরা তাদের সাথেও খারাপ আচরণ করেন। পরবর্তীতে আমি ও আমার সিনিয়র অফিসারগণসহ প্রক্টরিয়াল বডি ও উপাচার্যের সহযোগিতায় কোনো রকমে আত্মরক্ষা করে বের হয়ে আসি। তখন ভিতরে থাকা শিক্ষকরা আমাদেরকে চাকরি কিভাবে করি, বাহিরে বের হলে দেখে নিবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে আমি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অফিসারগণ আমাদের চাকরি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এমতাবস্থায় ভবিষ্যতে বিবাদীগণ কর্তৃক আমাদের চাকরি ও ব্যক্তিগত ক্ষতির আশংকা করছি।

সাধারণ ডায়েরিতে মোট সাত জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া আরো পনেরো থেকে বিশ জনকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। জিডিতে উল্লেখিত নামগুলো হলো- বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ রাজু, ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক মো. কামরুল হাসান, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক আলীমুল রাজী।

জিডির বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত করছি।'

   

চবির নতুন প্রক্টর অহিদুল আলম



চবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
চবির নতুন প্রক্টর অহিদুল আলম

চবির নতুন প্রক্টর অহিদুল আলম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবির) নতুন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ অহিদুল আলম।

রোববার (২১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার কে এম নূর আহমদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুল আজিম সিকদারকে ২১ এপ্রিল (অপরাহ্ণ) হতে প্রক্টর -এর পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক ওশানোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ অহিদুল আলমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মোতাবেক প্রদেয় ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদিসহ ১ (এক) বছরের জন্য প্রক্টর নিয়োগ করা হলো।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ অহিদুল আলমের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে কিছুক্ষণ আগে এ ব্যাপারে জানানো হয়েছে। আমি এখন ছুটিতে আছি। আগামীকাল দায়িত্ব গ্রহণ করব।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি শান্ত রাখার ব্যাপারে গুরুত্ব দিব। এছাড়াও যাতে করে হলের অব্যবস্থাপনাগুলো দূর করা যায়, সে ব্যাপারটা খেয়াল রাখব।

উল্লেখ্য, গতবছর ১২ মার্চ ড. মোহাম্মদ নূরুল আজিম সিকদারকে প্রক্টরের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদ থেকে প্রক্টরসহ ১৭ শিক্ষক একযোগে পদত্যাগ করেন। তারপরেই দেওয়া হয় এই নিয়োগ।

;

৮ বছর পর জাবিতে ডিন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

আট বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছয়টি অনুষদের ডিন নির্বাচন আগামী ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ২৬ (৫) ধারা এবং নির্বাচন সংক্রান্ত সংবিধি, অধ্যাদেশ ও বিধিসমূহের সংশ্লিষ্ট ধারা/উপধারা অনুযায়ী ডিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘আগামীকাল সোমবার (২২ এপ্রিল) নির্বাচনের সাময়িক ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর ২টা পর্যন্ত সাময়িক ভোটার তালিকার বিষয়ে আপত্তি দাখিল করা যাবে। আর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল)। আগামী ২৯ এপ্রিল দুপুর ২টা পর্যন্ত রিটার্নিং অফিসারের কাছে অনুমোদিত ফরমে মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ৩০ এপ্রিল, বৈধ প্রার্থীগণের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২ মে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৬ মে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এছাড়া ৭ মে প্রার্থীগণের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং ১৫ মে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১০ মে ডিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট অনুসারে নির্বাচিত ডিনের মেয়াদ দুই বছর। নির্বাচিত ডিনদের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা। 

;

তাপদাহের কারণে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত ঢাবির



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদেশের ওপর দিয়ে চলমান তীব্র তাপদাহের কারণে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। তবে পরীক্ষা রুটিন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিত থেকে দিতে হবে।

রোববার (২১ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অধিদফতর হতে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়, সারাদেশের ওপর দিয়ে প্রবহমান তীব্র তাপদাহের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষাসমূহ যথারীতি চলমান থাকবে।

কোনো শিক্ষার্থী হল অথবা বাসার বাইরে আসতে চাইলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

>> সাদা বা হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরিধান করা, যথাসম্ভব ছায়াযুক্ত স্থানে থাকা, বাইরে যেতে হলে মাথার জন্য চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করা। বিশুদ্ধ পানি পান করা; প্রয়োজনে লবণযুক্ত তরল যেমন- খাবার স্যালাইন ইত্যাদি পান করা। তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয় যেমন- চা ও কফি পান থেকে বিরত থাকা।

প্রসঙ্গত, তীব্র দাবদাহের কারণে গত ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের ছুটি বাড়িয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। শনিবার মাউশির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এছাড়াও, প্রচন্ড গরমের কারণে বন্ধ করা হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজের ক্লাস। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তীব্র তাপদাহের কারণে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহে ক্লাস বন্ধ থাকবে।

উল্লেখ্য, তীব্র দাবদাহের কারণে তিন দিন হিট অ্যালার্ট জারি করে আবহাওয়া অফিস। গেল শুক্রবার এটি জারি করা হয়। এ সময় সবাইকে গরম থেকে বাঁচতে সতর্কতার সঙ্গে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

;

তীব্র তাপদাহে জবিতে পরীক্ষা স্থগিত, অনলাইনে ক্লাস



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

তীব্র তাপদাহে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাপদাহ কমলে আগামী সপ্তাহে নতুন রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তবে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২১ এপ্রিল) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের সভাপতিত্বে জরুরি সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম।

অনলাইন ক্লাসের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বিবেচনায় অনলাইনে ক্লাস চলবে। এই সময়ে যে পরীক্ষাগুলো ছিল সেগুলো আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাপদাহ কমলে নতুন রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ব্যবহারিক ক্লাসের বিষয়ে তিনি বলেন, নিয়মিত ক্লাসগুলো বন্ধ থাকবে। তবে যারা রিসার্চের কাজ করছেন, তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন বিভাগীয় শিক্ষকেরা।

এদিকে, অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। অনেকেই দাবি করেছেন, তীব্র তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ। এসময় ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকুক। এমন অবস্থায় পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া একেবারেই অসম্ভব।

এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মোবাশ্বিরা খাতুন ইলমা বলেন, মেসের গুমোট পরিবেশে অনলাইনে দীর্ঘক্ষণ ক্লাস করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এতে মাথা ব্যথা, চোখে ব্যথা, অবসাদ ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

অন্যদিকে, অনলাইন ক্লাসে নেটওয়ার্ক ও লোডশেডিংয়ের কারণে গুরুত্বপূর্ণ লেকচার মিস হয়ে যায়। সেগুলো ফের দেখতে গেলে সময় অপচয় হয়। সে কারণে, তাপদাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন।

;