জাবি উপাচার্য স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ প্রত্যাখ্যান আন্দোলনকারীদের

জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
জাবিতে উপাচার্য বিরোধী আন্দোলন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাবিতে উপাচার্য বিরোধী আন্দোলন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম স্বাক্ষরিত সব ধরনের অফিস আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুরে 'দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর'র ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা দাহ করার সময় এ ঘোষণা দেন তারা।

এর আগে, উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতাসহ, যৌন নিপীড়কের পৃষ্ঠপোষক ও শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর ব্যানারের মুখপাত্র দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, 'আমরা উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করেছি, তারপরও উপাচার্য তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। উপাচার্যকে অপসারণের জন্য আচার্যের কাছে চিঠি দিয়েছিলাম কিন্তু দুঃখের বিষয় এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এর ফলে আমরা কঠোর আন্দোলনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি। আজকে কুশপুত্তলিকা দাহ করার মাধ্যমে একজন দুর্নীতিবাজ, স্বেচ্ছাচারী, যৌন নিপীড়কের পৃষ্ঠপোষক এবং মামলাবাজ উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করছি। তাকে পুড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই ক্যাম্পাসে তার অস্তিত্বকে বিলুপ্ত ঘোষণা করছি।'

পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক খবির উদ্দিন বলেন, 'উপাচার্যকে দাহ করা আমাদের জন্য কষ্টের। একজন উপাচার্যকে দাহ করার মাধ্যমে আমরা নিজেরাই দাহ হচ্ছি। ফারজানা ইসলাম আপনি আর জাহাঙ্গীরনগরকে পিছিয়ে নেবেন না। আপনি জাহাঙ্গীরনগর থেকে বিদায় নিয়ে জাহাঙ্গীরনগরকে রক্ষা করুন।'

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক বলেন, 'অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম উপাচার্য হিসেবে কোনো অফিস আদেশে আর সাইন করতে পারবেন না। আজকের পর থেকে আমরা ফারজানা স্বাক্ষরিত সব অফিস আদেশ প্রত্যাখ্যান করছি।'

বিক্ষোভ মিছিল উপস্থিত ছিলেন- অধ্যাপক আব্দুল জব্বার হাওলাদার, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু, অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ ভূঁইয়া, অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার, অধ্যাপক তারেক রেজা প্রমুখ।

এছাড়া বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ এবং কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :