বশেফমুবিপ্রবির ছুটি ১ জুন পর্যন্ত বেড়েছে

নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বশেফমুবিপ্রবি লোগো

বশেফমুবিপ্রবি লোগো

  • Font increase
  • Font Decrease

নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতি বিবেচনায় জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেফমুবিপ্রবি) ছুটির সময়সীমা আবারও বাড়ানো হয়েছে।

সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি ও বশেফমুবিপ্রবির অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ০১ জুন ২০২০ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২০) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোভিড-১৯ মহামারি রোধকল্পে আগামী ১৭ মে ২০২০ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর মাঝে ২১ মে ২০২০ শবে কদরের সরকারি ছুটি, ২২, ২৩, ২৯ ও ৩০ মে ২০২০ সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ মে ২০২০ পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিও সাধারণ ছুটির অন্তর্ভুক্ত হবে। বশেফমুবিপ্রবির অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১ জুন ২০২০ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ এবং ২ জুন ২০২০ ক্লাসসমূহ বন্ধ থাকবে।

এ অবস্থায় আগামী ১ জুন ২০২০ পর্যন্ত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব খন্দকার হামিদুর রহমান বলেন, ছুটি শেষে সরকারি নির্দেশনার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ায় গত ১৬ মার্চ ২০২০ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত বশেফমুবিপ্রবির ক্লাস-পরীক্ষাসমূহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২২ মার্চ ২০২০ থেকে বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম।

পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশনা অনুসারে কয়েক দফা বশেফমুবিপ্রবির ছুটির সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে অনির্ধারিত দীর্ঘ এ ছুটির প্রভাব যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে প্রভাব ফেলতে না পারে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদের নির্দেশনায় ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে বশেফমুবিপ্রবির  উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা যাতে লেখাপড়া থেকে বিচ্ছিন্ন ও হতাশাগ্রস্ত না হয়ে পড়ে সেজন্য আমরা তাদের মোটিভেট করছি। পাশাপাশি শিক্ষাকার্যক্রমও যাতে ব্যবহত না হয় সেজন্য অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে  উপাচার্য আরও বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আমাদের  প্রধানমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন তা বেশ প্রশংসনীয়।

করোনা প্রতিরোধে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :