ফ্রেশার সিভি'র এ টু জেড



ক্যারিয়ার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফ্রেশার সিভি'র এ টু জেড

ফ্রেশার সিভি'র এ টু জেড

  • Font increase
  • Font Decrease

যেকোন চাকরিতে আবেদনের জন্য সিভি প্রয়োজন। সিভি কেমন হওয়া চাই, কি কি তথ্য থাকবে, ফরম্যাট কেমন হবে, তা নিয়ে দ্বিধাদন্দ্বে ভুগেন অনেকেই। বিশেষত ফ্রেশারদের প্রথমবারের মতো সিভি তৈরির সময় নানা প্রশ্ন থাকে।

ফ্রেশারদের সিভি তৈরির নানাদিক নিয়ে বার্তা২৪.কম ক্যারিয়ার পেইজ এডিটর রায়হান আহমদ আশরাফীর সঙ্গে কথা বলেছেন আরএসপিএল গ্রুপের এইচআর ম্যানেজার এবং বাংলাদেশ এফএমসিজি এইচআর সোসাইটির জয়েন্ট সেক্রেটারি কাইয়ুম ইসলাম সোহেল।

বার্তা২৪: সিভি তৈরির ক্ষেত্রে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: চাকরির আবেদনের জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন সিভি। সিভি মূল্যায়নের মাধ্যমে চাকরিদাতারা চাকরিপ্রার্থী সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা পেয়ে থাকেন। বলা যায়, চাকরির আবেদনে সিভি চাকরিপ্রার্থীর প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করে। তাই সিভি এমন হওয়া উচিত যেন সহজেই চাকরিপ্রার্থী সম্পর্কে দরকারি তথ্যগুলো পাওয়া যায়। আপনার সিভি হতে হবে এমন যা সহজে পাঠযোগ্য, সবসময় যিনি এই সিভিটা দেখবেন এবং পড়বেন তার কথা চিন্তা করে আপনাকে আপনার সিভি বানাবার চেষ্টা করতে হবে, যার জন্য যেখানে আবেদন করছেন এবং যে পদে আবেদন করছেন তাকে ভালো করে পর্যালোচনা করা জরুরি।

বার্তা২৪: সিভি ফরম্যাট কেমন হবে?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: প্রথম সিভি তৈরির সময় অনেকেই বিভিন্ন ফরম্যাট খুঁজেন। কেউ আবার সিনিয়র বা পরিচিত কারো সিভি সংগ্রহ করে সেখানে নিজের তথ্য বসিয়ে সিভি তৈরি করে ফেলেন। ফলে অন্যের বাবা-মা নিজের বাবা-মা কিংবা অন্যের মোবাইল নাম্বার নিজের নাম্বার হয়ে যাবার সুঝোগ থেকেই যায়। ভালো কারো সিভি অনুসরণ করে নিজের সিভি নিজে মনের মত করে তৈরি করা হচ্ছে সঠিক ফরম্যাট, কাট কপি পেস্ট করে সিভি তৈরি কোনোভাবে কাম্য নয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফ্রেশারদের সিভি দুই পেইজের মধ্যেই হওয়া উত্তম। সিভি ইনফোগ্রাফিক বা নরমাল যেকোন ফরম্যাটে হতে পারে তবে বাংলাদেশ শর্ট ইনফোগ্রাফিকের জন্য এখনো পুরোপুরি তৈরী নয়। নরমাল ফরম্যাটে অফিসিয়াল ফন্ট (যেমন: calibri, Times New Roman) ব্যবহার করা যেতে পারে। ফন্ট সাইজ ১১/১২ এবং স্পেস ১ বা ১.২৫ হতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন তা সহজে পাঠযোগ্য হয়। ফন্ট কালার একের অধিক ব্যবহার করা যেতে পারে তবে একেক পার্টে একেক রংয়ের ফন্ট হলে দৃষ্টিকটু হবে। যাই ব্যবহার করি না কেন তার ধারাবাহিকতা যেন থাকে সেদিকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে।

সিভি তৈরিতে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে, সিম্পল ইজ দ্য বেস্ট। সব মিলিয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন সিভি চাকরিপ্রার্থী সম্পর্কে রিক্রুটারদের মনে ভালো ধারণা তৈরি করে, কারন আপনার অতিরঞ্জিত কথা এবং রঙ রিক্রুটারের চোখে বেমানান হলে সিভিটা তার মনে আপনাকে দেখার আগেই একটা নেগেটিভ ধারাণা তৈরী করে দিতে পারে। ভুলে যাবেন না আগে দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী।

বার্তা২৪: ফ্রেশারদের সিভিতে কি কি তথ্য থাকতে হবে?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: সিভির শুরুতে নাম, ঠিকানা, ইমেইল এড্রেস, লিংকডইন এড্রেস (যদি লিংকডইন আপডেটেড না হয় তা হলে না দেয়াই ভালো) এবং ব্যবহৃত ফোন নম্বর থাকবে, নম্বরের বেলার একের অধিক তবে দুই এর বেশি না দেয়াই ভালো। ফ্রেশারদের ক্ষেত্রে এরপরের অংশে ক্যারিয়ার অবজেকটিভ থাকবে, অবশ্যই কপি পেস্ট নয়। তারপর শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইন্টার্ণশিপ, অ্যাওয়ার্ডস, এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিজ, ট্রেনিং, স্কিলস, শখ, পারসোনাল ইনফরমেশন, রেফারেন্স এবং শেষে ডিক্লারেশন থাকতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে যে ক্যারিয়ার অবজেক্টিভ আপনার ক্যারিয়ার প্লান অনুসারে হবে, শিক্ষাগত যোগ্যতা এর সাথে কোন এচিভমেন্ট থাকলে তাকেও উল্লেখ করে দিন। এভাবে যেখানেই নিজের সেরা অর্জন কিছু আছে তাকে উল্লেখ করে দিন। ভুলে যাবেননা আপনাকে মুল্যায়ন করা হবে আপনার সিভিতে দেওয়া তথ্যকে দেখে এবং তারপর আপনাকে ডেকে নেওয়া হবে পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য।

বার্তা২৪: ক্যারিয়ার অবজেকটিভ লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাই।

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: যাদের চাকরির অভিজ্ঞতা রয়েছে সেটা যেই লেভেলেই হোক না কেন লিখুন। তবে মনে রাখবেন আজ এখানে তো কাল ওখানে এমন অভিজ্ঞতার কথা না লিখাই ভালো। যারা নিজেরা নিজেদের ডিরেক্টর বা সিইও হিসেবে ঘোষনা দিয়ে কোম্পানি খুলে চাকরিও খুঁজে বেড়াচ্ছেন তারা এত বড় পজিশন না লিখে নিজের ব্যবসার বা স্টার্ট আপ এর জন্য চেষ্টা করেছিলেন সেটাকে লিখুন। ফ্রেশারদের যেহেতু চাকরির অভিজ্ঞতা থাকে না, তাই ক্যারিয়ার অবজেকটিভ এমনভাবে লিখতে হবে যেন তার ক্যারিয়ারে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়। অনেকে ইন্টারনেট থেকে কপি পেস্ট করে ক্যারিয়ার অবজেকটিভ সিভিতে তুলে দেয়। আবার অনেকে একই অবজেকটিভ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের পদে আবেদন করেন। সব পদে আবেদনের জন্য একই ধরনের ক্যারিয়ার অবজেকটিভ থাকা কোনোভাবে কাম্য নয়। প্রথমে ইংরেজিতে ক্যারিয়ার অবজেকটিভ তৈরিতে অসুবিধা হলে আলাদাভাবে বাংলায় তৈরি করা যেতে পারে এবং তা ইংরেজিতে ট্রান্সলেট করে সিভিতে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

বার্তা২৪: সিভিতে ছবি কিভাবে দেয়া উচিত?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: সিভিতে পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংযুক্ত করতে হবে। সিভির উপরের অংশে ছবি সংযুক্ত করতে পারেন। ছবি অবশ্যই প্রফেশনাল হতে হবে। সেলফি বা আনপ্রফেশনাল ছবি সিভিতে দেয়া উচিত নয়। চেষ্টা করুন ভালো কোন প্রোফেশনাল ফটোগ্রাফারকে দিয়ে রিসেন্ট ছবি দিতে, এমন যেনো না হয় আপনার ছবিতে ক্লিন শেভ কিন্তু আপনি অনেক বড় করে দাড়ি রাখাতে চেনা যাচ্ছেনা, কিংবা ছবিতে দাড়ি আছে অথচ বাস্তবে তার ছিটেফোঁটাও নেই। ছবি তোলার সময় ফরমাল স্যুট এবং টাই পড়ে তুলতে পারেন এতে দেখতে ভালো দেখাবে। তবে মাথা কেটে অন্যের স্যুটের ভিতরে দিতে গিয়ে যেনো আপনাকে হাসির পাত্র না করে দেয় সেদিকেও লক্ষ রাখবেন।

বার্তা২৪: স্যোশাল মিডিয়া প্রোফাইল লিংক সিভিতে দেয়া যাবে কী?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: সিভিতে লিংকডইন প্রোফাইল লিংক দিয়ে দেয়া ভালো। তবে এক্ষেত্রে লিংকডইন প্রোফাইল অবশ্যই গোছানো থাকতে হবে। সিভিতে যা ইনফরমেশন থাকে সেগুলো দিয়েই একটু সময় নিয়ে চেষ্টা করলে সুন্দরভাবে নিজের লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করা সম্ভব। প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক হওয়ায় কর্পোরেট জগতের অধিকাংশই লিংকডইন নিয়মিত ব্যবহার করেন বলে কেবল সিভিতে দেওয়ার জন্য নয় নিজের চেনা জানার পরিধি বাড়াতেও লিংকডইন ব্যাবহার করুন। লিংকডইন প্রোফাইল গোছালো না হলে সিভিতে দেয়ার প্রয়োজন নেই। এছাড়া অন্যান্য সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল লিংক জব ন্যাচার দেখে শেয়ার করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, চাকরিদাতা আপনার সম্পর্কে ধারণা নিতে নিয়োগের আগে আপনার স্যোশাল মিডিয়া প্রোফাইল বা একটিভিটি খুঁজে দেখতে পারেন, সুতরাং ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টের ব্যাপারে সবসময় প্রফেশনাল হবেন এটাই একমাত্র সাজেশন। মনে রাখবেন প্রোফাইল লিংক দেন বা না দেন রিক্রুটার আপনার প্রোফাইল খুজে দেখতে পারেন ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করার জন্য, সুতরাং আপনার ডিজিটাল প্রোফাইল এর ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন, যা ইচ্ছে লিখা বা শেয়ার থেকে বিরত থাকা বুদ্ধিমানের কাজ।

বার্তা২৪: কি ধরনের হবি (শখ) সিভিতে দেয়া উচিত?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: আপনি যা করতে পছন্দ করেন এবং যেসব শখের কাজ আপনি করেন, তা সিভিতে উল্লেখ করতে পারেন। তবে শখ যাই দেননা কেন তাকে মিন করে দিবেন। অনেকে হবি হিসেবে লিখেন ট্রাভেলিং, সেক্ষেত্রে শেষ কবে এবং কোথায় ভ্রমণ করেছেন, তা ইন্টারভিউতে জানতে চাইতে পারে, সুতরাং সকল প্রিপারেশন যেন নিয়ে যাওয়া হয় এই ব্যাপারে। অনেকে আবার বুক রিডিং উল্লেখ করেন, সেক্ষেত্রে সর্বশেষ কোন বইটি পড়েছেন, কি শিখেছেন সেখান থেকে, কার কার বই ভালো লাগে, কয়েকটি বইয়ের নাম সম্পর্কে ইন্টারভিউতে জানতে চাওয়া হতে পারে যার জন্য প্রস্তুত থাকাটাই কাম্য। তাই আপনি যাই করেন না কেনো, সিভির দৈর্ঘ্য বাড়ানোর জন্য এমন কোনো হবি (শখ) উল্লেখ করা উচিত নয় যার সম্পর্কে আপনার ধারণা কম বা জানেন না।

বার্তা২৪: সিভিতে রেফারেন্স কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: সিভিতে রেফারেন্স দেয়া উত্তম। এবং অবশ্যই চেষ্টা করবেন দুইজনের রেফারেন্স দিতে। এর মধ্যে একজন আপনার শিক্ষক/ ট্রেইনার এবং একজন পরিচিত প্রফেশনাল কোনো ব্যক্তি হতে পারে। যাদের নাম দেয়া হবে তাদের অবশ্যই অনুমতি সাপেক্ষে রেফারেন্সে যুক্ত করতে হবে। সিভির এক কপি তাদের সাথে শেয়ার করে রাখা উচিত, যাতে করে আপনার রেফারেন্স চেক করতে গিয়ে এমন যেন না হয় আপনার নাম তিনি মনে করতেই পারছেন না বা আপনার সম্পর্কে ভালো কিছু বলতে পারছেন না। আর যখনি আপনার সিভি হালনাগাদ করবেন তার কপি সাথে সাথে যাদের রেফারেন্স দিয়েছেন তাদের কাছে পাঠিয়ে রাখবেন এবং তাদের নতুন তথ্যগুলিও জানাতে ভুলবেন না।

বার্তা২৪: সিভিতে সিগনেচার ব্যবহারের নিয়ম?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: সিভির একদম শেষাংশে সিগনেচার দেয়া হয়। যদি আপনি সিভির শেষে ডিক্লারেশন ব্যবহার করেন, অর্থাৎ উপরে দেয়া আমার সব তথ্য সঠিক বা এধরনের কথা লিখে থাকেন তাহলে অবশ্যই এরপর সাক্ষর দিয়ে দিবেন। হার্ডকপিতে সরাসরি সাক্ষর এবং সফটকপিতে ডিজিটাল সিগনেচার (স্ক্যান) দিতে পারেন।

বার্তা২৪: সবমিলিয়ে সিভি তৈরিতে যেসব বিষয় মাথায় রাখা উচিত?

কাইয়ুম ইসলাম সোহেল: অনেকেই সিভি কাট-পেস্ট করেন। এতে যার সিভি কপি করা হয়, তার কিছু ইনফরমেশন ভুলবশত থেকে যায়। তাই সিভি পুরোপুরি তৈরির পর সব তথ্য ভালোভাবে দেখে নেয়া উচিত। সিভিতে এমন ফোন নম্বর দেয়া উচিত যা সবসময় সাথে থাকে, বন্ধ বা অব্যবহৃত নম্বর দেয়া ঠিক নয়। ইমেইল এড্রেস অবশ্যই প্রফেশনাল হতে হবে, দৃষ্টিকটু বা আজেবাজে ইমেইল এড্রেস পরিহার করতে হবে। সিভিতে বানান ভুল থাকা কোনোভাবে কাম্য নয়। আরেকটা কথা ভুলকরেও কিন্তু না বুঝে বা বুঝে ভুল তথ্য দেওয়া যাবেনা। একের অধিক ফ্রন্ট টাইপ বা দৃষ্টি কটু রঙ ব্যাবহার করা যাবেনা। ফ্রন্ট সাইজ অবশ্যই যেন ১১/১২ এর বেশি না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। স্যালারি এক্সপেক্টেশান সিভিতে ফ্রেশারদের জন্য না দেয়াই উত্তম।

সবমিলিয়ে সিভি এমন হতে হবে যেন তা চাকরিদাতার কাছে আপনার সম্পর্কে একটি সুন্দর ধারণা উপস্থাপন করে। একটি স্মার্ট সিভি একজন চাকরিপ্রার্থীকে চাকরি পাওয়ার বা ইন্টারভিউতে কল পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে রাখে। সুতরাং এমন সিভি আপনাকে বানাতে হবে যা প্রথম দেখাতেই রিক্রুটারকে বাধ্য করে আপনাকে ডেকে নিতে, কারন একজন রিক্রুটার যদি তার প্রথম ৫ সেকেন্ডের মাঝে আপনার সিভির প্রতি আগ্রহী না হয় তাহলে আপনার জন্য সু-সংবাদ নাও আসতে পারে।

সব শেষে এটা বলতেই হয়, ভয় পাওয়ার কিছু নেই কিংবা ভড়কে গিয়ে এখানে সেখানে দৌড়াদৌড়ি করার কিছু নেই। কিংবা এখনি প্রফেশনাল সিভি রাইটারের কাছে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করার দরকার নেই। নিজের স্বপ্নের চাকরি নিজের হাতের বানানো সিভি দিয়েই হোক এটাই কামনা করছি।

ক্যারিয়ার বিষয়ক যেকোন পরামর্শের জন্য ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়।

অডিটরের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অডিটরের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

অডিটরের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিজিডিএফ) কার্যালয়ের ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের (ডিএফডি) অডিটর পদে জনবল নিয়োগের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ রবিবার (২৩ জানুয়ারি) সিজিডিএফ-এর ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। নিয়োগ পরীক্ষায় অডিটর পদের জন্য প্রায় তিন লাখ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এদের মধ্য থেকে এক হাজার ২০৭ জন এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সিজিডিএফ জানায়, এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সরাসরি মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার তারিখ শিগগিরই সিজিডিএফের ওয়েবসাইটে এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে (https://cgdf.gov.bd/) পাওয়া যাবে।

এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা দেখা যাবে এ লিংকে (যারা এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন)

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য লিখিত পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র প্রদর্শন করতে হবে। আলাদা কোনো প্রবেশপত্র ইস্যু করা হবে না। লিখিত পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র এবং অনলাইন আবেদনের এপ্লিকেন্টস কপি প্রদর্শন ব্যতীত কোনো প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এছাড়া এসময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সার্টিফিকেটের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। চাকরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যেকোন তদবির কিংবা কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেনের বিষয় প্রমাণিত হলে তা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উল্লেখ্য, অডিটর (১১তম গ্রেড) পদের এমসিকিউ পরীক্ষা গত শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন বেলা তিনটা থেকে বিকেল চারটা ১৫ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়।

;

একসাথে সহস্রাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একসাথে এক হাজারের এর বেশি সদ্য পাশ করা গ্র্যাজুয়েট ও এক থেকে দুই বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তা নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। এসএমই ব্যাংকিং ও ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। ব্যবসা সম্প্রসারণের সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

মহামারীর প্রভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান যখন নতুন নিয়োগ স্থগিত রাখছে, সেখানে ব্র্যাক ব্যাংক পূর্বের বছরের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিচ্ছে। এ নিয়োগ ব্যাংকের দৃঢ় ও শক্থিশালী অবস্থান ও প্রবৃদ্ধিমুখী যাত্রার প্রমাণ দেয়।

গত কয়েক বছরে ব্যাংকের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির অগ্রযাত্রা বজায় রাখতে ও আরও গতিময় করতে অনেক নতুন মানবসম্পদ প্রয়োজন। ব্র্যাক ব্যাংক ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের আর্থিক খাতে অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দৃঢ় ও মজবুত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ অবস্থান ধরে রাখতে এই রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নিচের চারটি পজিশনে নিয়োগ করা হচ্ছে:

রিলেশনশিপ ম্যানেজার, এসএমই ব্যাংকিং:

জামানতবিহীন এসএমই লোনের প্রবর্তক ব্র্যাক ব্যাংক এর আছে ৪৬০টি ইউনিট অফিস সহ দেশব্যাপী বিশাল এসএমই নেটওয়ার্ক। এসএমই ব্যবসা আরও সম্প্রসারণ করতে ৯০০ জন নতুন রিলেশনশিপ ম্যানেজার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক। বর্তমানে এসএমই ব্যাংকিংয়ে ২,৩০০ জন কর্মকর্তা মাঠ পর্যায় কর্মরত আছে।

ইউজিসি স্বীকৃত যেকোন বিশ্ববিদ্যালয় যেকোন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী থাকলে আবেদন করা যাবে। এ পদে আবেদনের জন্য কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না। আছে আকর্ষণীয় বেতন, ইনসেন্টিভ, মোবাইল বিল, কনভেয়েন্স বিল সহ নানা সুযোগসুবিধা।

ইউনিভার্সাল অফিসার / সিনিয়র ইউনিভার্সাল অফিসার
অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার/ ম্যানেজার ব্রাঞ্চ কম্প্লায়েন্স
বিজনেস রিলেশনশিপ অফিসার
ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক

সারা দেশে ব্র্যাক ব্রাংক এর আছে ১৮৭টি শাখা। এসব শাখার গ্রাহক সেবা প্রদানের জন্য ইউনিভার্সাল অফিসার নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। শাখায় গ্রাহককে সব ধরনের সেবা প্রদানে দায়িত্বে থাকবেন ইউনিভার্সাল অফিসাররা। ইউজিসি স্বীকৃত যেকোন বিশ্ববিদ্যালয় যেকোন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী থাকলে আবেদন করা যাবে। ইউনিভার্সাল অফিসার / সিনিয়র ইউনিভার্সাল অফিসার, অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার/ ম্যানেজার ব্রাঞ্চ কম্প্লায়েন্স পজিসনের জন্য দুই বছর এবং বিজনেস রিলেশনশিপ অফিসারের জন্য এক বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে।

এ নিয়োগ সম্পের্ক ব্র্যাক ব্যাংক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, ‘গত কয়েক বছরে ব্র্যাক ব্যাংক লক্ষ্যণীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আর্থিক সূচক ও মানদণ্ডে ব্র্যাক ব্যাংক অন্য সব স্থানীয় ব্যাংক থেকে এগিয়ে আছে। আগামীতেও এ প্রবৃদ্ধির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আমরা এই নিয়োগ দিচ্ছি। এর ফলে অনেক চাকুরী প্রত্যাশী ফ্রেস গ্র্যাজুয়েটেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। একটি মূল্যবোধ ভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক কর্মকর্তাদের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে থাকে। তাই ব্যাংকিং খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান।’

ব্র্যাক ব্যাংক এর মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান আখতারউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘প্রায় সাড়ে সাত হাজার কর্মকর্তা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক একটি বিশাল পরিবার, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতি বছরই ব্র্যাক ব্যাংক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ করে থাকে। সুযোগ-সুবিধা, কাজের পরিবেশ, ব্র্যান্ড ভ্যালু ও কর্পোরেট সুশাসনের কারণে চাকুরী প্রার্থীদের প্রথম পছন্দ ব্র্যাক ব্যাংক।’

;

১০টি পদে ৫৪ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির



ক্যারিয়ার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ ব্যাংক ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংক ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক/ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১০টি পদে ৫৪ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক । প্রতিষ্ঠানটি একাধিক পদে লোকবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের  নাম : ফিন্যান্সিয়াল এনালিস্ট

পদ সংখ্যা : ৪টি।

প্রতিষ্ঠানের নাম : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

বেতন :  ৪৩০০০-৬৯৮৫০ (গ্রেড-৫)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো ইনস্টিটিউট  হতে চাটার্ড একাউন্ট অথবা আইসিএমএ সার্টিফিকেট এবং সংশ্লিষ্টি ক্ষেত্রে অন্যুন ০২ (দুই) বছরের অভিজ্ঞতা।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (চিকিৎসক)

পদ সংখ্যা : ২টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো মেডিকেল কলেজ হতে এমবিবিএস উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বিএমডিসি হতে রেজিস্ট্রেশন সনদ প্রাপ্ত।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার ( প্রকৌশল-টেক্সটাইল)

পদ সংখ্যা : ১০টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (টেক্সটাইল) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (প্রকৌশল-ইলেকট্রিক্যাল)

পদ সংখ্যা : ৫টি।

প্রতিষ্ঠানের নাম : অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (ইলেকট্রিক্যাল) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (প্রকৌশল-আর্কিটেকচার)

পদ সংখ্যা : ১টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : জনতা ব্যাংক

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (আর্কিটেকচার) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার ( প্রকৌশল লেদার টেকনোলজি)

পদ সংখ্যা : ১টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : জনতা ব্যাংক

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (লেদার টেকনোলজি) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (আইন)

পদ সংখ্যা : ৪টি।

প্রতিষ্ঠানের নাম : রূপালী ব্যাংক লিমিটেড ও বিএইচবিএফসি

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে নূন্যতম স্নাতক ডিগ্রি বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সিনিয়র অফিস (প্রকৌশলী-মেকানিক্যাল)

পদ সংখ্যা : ১৮টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : জনতা ব্যাংক লিমিটেড ও অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড

বেতন : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকৌশল (মেকানিক্যাল) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)

পদ সংখ্যা : ৮টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও বিএইচবিএফসি

বেতন : ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : সরকার অনুমোদিত কোন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট/কলেজ হতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।

 

পদের নাম : লাইব্রেরিয়ান

পদ সংখ্যা : ১ টি

প্রতিষ্ঠানের নাম : ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ

বেতন : ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যুন স্নাতক ডিগ্রিসহ কোন স্বীকৃত ইনস্টিটিউট হতে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

 

বয়সসীমা: সকল পদে আবেদনের বয়সমীমা ১৮-৩০ বছর। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

ফিন্যান্সিয়াল এনালিস্ট পদের ক্ষেত্রে ৩৮ বছর ও সিনিয়র অফিসার (চিকিৎসক) পদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

 

 

আবেদনের পাঠানোর ঠিকানাঃ আগ্রহীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

 

আবেদনের শেষ তারিখ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২

 

বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন:

 

;

আনসার পদে যোগ দেওয়ার সুযোগ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী: ফাইল ছবি

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী: ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাধারণ আনসার হিসেবে পুরুষ প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। অনলাইনে ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। দেশে বর্তমানে ৫০ হাজার ৪৪৬ জন প্রশিক্ষিত সাধারণ আনসার সদস্য ৪ হাজার ৭১৪টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। 

যোগ্যতা: সাধারণ আনসার হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বয়স: বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন ১৮ বছর এবং ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

উচ্চতা: শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। বুকের মাপ ৩০/৩২ ইঞ্চি। দৃষ্টিশক্তি ৬/৬। কোনো দুরারোগ্য ব্যাধি থাকলে প্রার্থীকে প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচন করা হবে না।

বেতন-ভাতা: প্রশিক্ষণ শেষে অঙ্গীভূত হলে সমতল এলাকায় মাসিক ১৩ হাজার ৫০ টাকা এবং পার্বত্য এলাকায় ১৪ হাজার ২০০ টাকা ভাতা পাবেন। প্রতিবছর দুটি উৎসব ভাতা বাবদ ৯ হাজার ৭৫০ টাকা করে দেওয়া হবে।

সুযোগ-সুবিধা: দুটি ইউনিট রেশন ভর্তুকি মূল্যে প্রদান করা হবে। কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্থায়ী পঙ্গুত্ববরণ করলে দুই লাখ টাকা অর্থসহায়তা দেওয়া হবে।

আবেদন: আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওয়েবসাইটে (www.ansarvdp.gov.bd) ‘সাধারণ আনসার (পুরুষ) মৌলিক প্রশিক্ষণের আবেদন’ লিংকে ক্লিক করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

আবেদন ফি: অনলাইন নিবন্ধন ফি বাবদ ২০০ টাকা আবেদন পোর্টালে প্রদর্শিত বিকাশ, রকেট, মোবিক্যাশ ইত্যাদির মাধ্যমে জমা দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে অনলাইন থেকে প্রবেশপত্রটি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে এবং বাছাইয়ের সময় অবশ্যই তা প্রদর্শন করতে হবে।

;