কোনো দুর্নীতিবাজই রেহাই পাবে না

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.)
মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.), ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.), ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্নীতি যখন সর্ববিস্তৃত, সর্বগ্রাসী রূপ ধারণ করে তখন রাষ্ট্র এবং জননিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ে। তখন কোথায় কী, কখন, ঘটবে তা অনুমান করার মতো ক্ষমতা রাষ্ট্রযন্ত্র হারিয়ে ফেলে। একটি স্ফুলিঙ্গ যে কত বিপজ্জনক হতে পারে সেটি প্রাগৈতিহাসিক যুগের হনুমানের লেজের আগুনে সংঘটিত লঙ্কাকাণ্ডের কাহিনী থেকে এবং সম্প্রতি আরব বসন্তের সূচনালগ্নের ঘটনা থেকে আমরা জেনেছি ও দেখেছি।

মনীষীগণ বলেছেন, একজন মানুষ যখন কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মাৎসর্যে ডুবে যায় তখন তার দ্বারা সব কিছুই করা সম্ভব। শত্রুপক্ষ তাকে দিয়ে সব কিছু করিয়ে নিতে পারে। আর সেই ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রীয় অঙ্গনের ক্ষমতাবান কেউ হন তাহলে তার দ্বারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া কোনো ব‌্যাপার না।

কথায় আছে, টাকায় নাকি বাঘের দুধও মেলে। শওকত ওসমান ক্রীতদাসের হাসি গল্পের আরব্য রজনীর নায়ক বাদশা হারুন অর রশিদের জবানীতে বলেছেন, দিরহাম (টাকা) অঘটন ঘটন পটীয়সী। আজকাল বাংলাদেশে ক্ষমতার সঙ্গে জড়িত পাতি নেতাদের হাতে যেভাবে অবৈধ টাকা উঠেছে, তাতে তারা মনে করছে তারা হয়তো আইন আদালতসহ সব কিছুর ঊর্ধ্বে। কেউ তাদের কিছু করতে পারবে না। বিচার প্রক্রিয়ার মধ্য বহুমুখী দুর্বলতা , দীর্ঘসূত্রীতা, অস্বচ্ছতা, জটিলতা, টাকার প্রয়োজনীয়তাসহ সর্বত্র যেভাবে দুর্নীতি গ্রাস করেছে তাতে দুর্বৃত্তরা ধরেই নিয়েছে আইন ও বিচারব্যবস্থা তাদের শাস্তি দিতে পারবে না। সুতরাং আইনের প্রয়োগ ও বিচারব্যবস্থার মৌলিক লক্ষ্য অপরাধীর মনে ভীতির সঞ্চার করা, সেটি একেবারে নেই বললেই চলে। সুতরাং ক্ষমতার ছিটেফোঁটা যাদের হাতে আছে তারা লাজ-লজ্জা ফেলে দুই কান কাটার মতো দুর্নীতি ও অনৈতিক পন্থায় টাকার পাহাড় বানিয়ে সকলের সামনে বুক উঁচু করে চলাফেরা করছে। সুতরাং দুর্বৃত্তদের সীমানার পরিধির মধ্যে অবস্থান করেও কেউ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তার ওপর নির্যাতন, অত্যাচার চালিয়ে তাকে খুন করে ফেলতেও ওই দুর্বৃত্তদের বুক একটুও কাপে না।

এ রকমই একটা ঘটনা ঘটেছে গত ৭ অক্টোবর আমাদের সকলের গর্বের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের শেরেবাংলা হলে। যে বর্বরতম ঘটনা ঘটেছে তা সত্যিকার অর্থে সমগ্র বাংলাদেশের জন্য লজ্জার বিষয়, যদি সামান্য লজ্জা এখনো আমাদের অবশিষ্ট থেকে থাকে।

যে বাংলাদেশের জন্য এতো সংগ্রাম, এতো মানুষের জীবন বিসর্জন, সেই বাংলাদেশে এক শ্রেণীর দুর্বৃত্ত এবং রাষ্ট্রবিরোধী চক্র সেই ১৯৭৫ সালের পর থেকে একের পর এক লজ্জাজনক কলঙ্কের জন্ম দিয়েছে। এই দেশের সবচাইতে বড় দুর্বৃত্ত হচ্ছে যুদ্ধাপরাধী, জামায়াত-শিবির চক্র এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক। এই দুর্বৃত্তরা একাত্তরে আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করেছে। তারপরেও এই হত্যাকারী দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রদ্রোহী গোষ্ঠী স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জাতীয় পতাকা পর্যন্ত গাড়িতে উড়িয়েছে।

একটি অপরাধ বিনা বিচারে শুধু পার পাওয়া নয়, অপরাধীরা যখন রাষ্ট্র কর্তৃক পুরস্কৃত হয় তখন সেটি শত অপরাধের জন্ম দেয়। সেটাই হয়েছে বাংলাদেশে। সংক্রামণ ব্যাধির মতো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে, দলমত নির্বিশেষে সকল জায়গায়।

সুতরাং ৭ অক্টোবর বুয়েটে সংঘটিত ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যাবে না। এর শেকড় খুঁজতে হবে।

বুয়েটের সব ছাত্রই মেধাবী। এই মেধাবী ছাত্ররা এতো বর্বর হলো কী করে সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। ৮ অক্টোবর সকল পত্রিকায় এই বর্বরতার হেডলাইন ছাপা হয়েছে। একটি প্রধান পত্রিকার হেডলাইন ছিল-বুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করলো ছাত্রলীগ, শেরেবাংলা হলে একটি কক্ষে আটকিয়ে দীর্ঘক্ষণ নির্যাতন, ভিডিও ফুটেজ জব্দ, শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ নেতা কর্মী আটক, ১১ জন সংগঠন থেকে বহিষ্কার, উত্তাল বিভিন্ন ক্যাম্পাস।

একই পত্রিকায় আরেকটি খবর-আবরারের বাড়িতে শোকের মাতম, পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই খবরগুলো গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, আবরার ফাহাদকে যারা হত্যা করেছে তারা যে সংগঠনের পরিচয় বহন সেই সংগঠনের নীতি আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রতি এদের সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাস নেই। এরা স্রেফই দুর্বৃত্ত। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনে নাম লিখিয়ে পদ-পদবী বাগিয়ে নিয়েছে শুধুমাত্র চরিতার্থ করার জন্য।

ছাত্রদের কথা যখন বলছি তখন শিক্ষকদের কথা অবশ্যই আসবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হবেন রোল মডেল। শুধু ছাত্রদের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য। কিন্তু বেশ কিছু উপাচার্য সাহেবদের জন্য আজ পুরো জাতিকে লজ্জিত হতে হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে এমন দুর্বৃত্তায়ন ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে, ভাবা যায় না। শোনা যায়, এসব উপাচার্যরা নাকি তদবির আর টাকার বিনিময়ে নিয়োগপত্র বাগিয়ে নিয়েছেন। শিক্ষকদের বড় অংশ এখনো নীতি আদর্শে বহাল থাকলেও তোষামোদি, তদবির আর টাকার কাছে তারা অসহায় হয়ে সব কিছু নিয়তির ওপর ছেড়ে দিয়ে নির্বিকার হয়ে দিন পার করছেন। তাই লেখার শুরুতে বলেছি, দুর্নীতি সব কিছু শেষ করে দিচ্ছে।

ফিরে আসি বুয়েটের কথায়। খবরে প্রকাশ বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ঘটনা ঘটার ৩৯ ঘণ্টা পর ক্যাম্পাসে এসেছেন। কেন এতো দেরীতে এলেন তার কোনো ব্যাখ্যা এ পর্যন্ত শুনিনি। যদি এমন হয় তিনি ছাত্রদের রোষানলে পড়ার ভয়ে দেরি করে ঘটনাস্থলে এসেছেন, তাহলে সেটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। যা কিছু ঘটুক না কেন, তা মোকাবেলা করার জন্য ছাত্রদের সম্মুখীন হওয়ার মতো সৎসাহস ও আত্মবিশ্বাস যদি এক উপাচার্যের না থাকে তাহলে তিনি উপাচার্য থাকবেন কী করে। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে আবার প্রমাণ হলো শুধুমাত্র কাগুজে ডিগ্রি ও একটা বিষয়ভিত্তিক মেধা থাকলেই একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারে না, উপাচার্য হতে পারে না।

খবর বেরিয়েছে প্রত্যেকটি হলে নাকি ক্ষমতাবান ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রীতিমতো টর্চার সেল। এর আগেও নাকি শত শত নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে এইসব টর্চার সেলে। তারই জের ধরে নিহত হলেন মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ। কথায় আছে, যার যায় সেই বোঝে তার বেদনা। আবারারের মাতাপিতা আত্মীয় স্বজনদের কী বলে সান্ত্বনা দেয়া যায়। রোগ-শোক দুর্ঘটনায় কারো মৃত্যু হলে কিছুটা হয়তে সান্ত্বনার জায়গা থাকে। একজন তরতাজা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলেকে কেউ পিটিয়ে হত্যা করবে, সেই বেদনা কীভাবে বহন করবে তার পিতামাতা।

ফিরে আসি টর্চার সেলের কথায়। প্রতিটি আবাসিক হলে একজন প্রভোস্ট এবং কয়েকজন হাউজ টিউটর রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। হলের শৃঙ্খলা ও সকল ছাত্রদের ভালমন্দসহ সবকিছু দেখার দায়িত্ব এই প্রভোস্ট ও হাউস টিউটরদের । তারা কী করেছেন এতদিন।

হলের ভেতরে টর্চার সেল নিশ্চয়ই দু'চারদিন আগে হয়নি, বহুদিন ধরেই চলে আসছে। যদি তারা বলেন, টর্চার সেলের ব্যাপারে আমরা জানি না, তাহলে সেটি হবে চরম অপরাধ এবং অযোগ্যতা, দুটোই। আর যদি বলেন, জেনেও আমাদের কিছু করার ছিল না, তাহলে সেটি হবে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্য চরম অপমানজনক ও লজ্জার বিষয়। তাতে ধরে নিতে হবে শুধুমাত্র প্রভোস্ট ও হাউস টিউটরের পদ ধরে রাখার জন্য তারা দায়িত্বের প্রতি সততা, আত্মমর্যাদাকে বিসর্জন দিয়েছেন। এটা নিয়েও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া উচিত। তা না হলে একজন শিক্ষকের প্রধান গুণ সততা এবং আত্মমর্যাদা বলতে আর কিছু থাকবে না। তারপর জবাবদিহিতার প্রশ্নতো অবশ্যই জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোনো অধ্যাপককে যখন দেখি ক্ষমতাবান রাজনৈতিক নেতাদের তোষামোদির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুলের তোড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে এবং অন্যদের আগে ফুলের তোড়াটি দেওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় নামে তখন মনে হয় পদ-পদবীটাই এখানে মুখ্য, বিবেক ও আত্মমর্যাদা নয়।

ছাত্র সংগঠনগুলোর দুর্বৃত্তায়ন নতুন ঘটনা নয়। তবে এর বর্তমান সংস্করণের যাত্রা শুরুর হয়েছে ১৯৭৫ সালের সামরিক শাসকদের দ্বারা। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে পঁচাত্তরের পূর্ব পর্যন্ত অস্ত্রবাজি ও অস্ত্রের ঝনঝনানি ছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি, টেন্ডারের পার্সেন্টেজ পাওয়ার জন্য বা রিপুর তাড়নায় বিলাসবহুল জীবন যাপনের দিকে তারা যাননি। ছাত্র নেতারা স্ব স্ব হলেই থেকেছেন। সদ্য বিতাড়িত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতো বিলাসবহুল বাড়ি গাড়ি তাদের কখনো ছিল না। ছাত্র সংগঠনের মধ্যে বিলাসবহুলতার সংস্কৃতি চালু হলো তখন থেকে যখন প্রথম সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে নামলেন এবং ছাত্র সংগঠন গড়ার জন্য বিরাট এক ছাত্র বহরকে নিয়ে হিজবুল বাহার নামক এক প্রমোদতরীতে সমুদ্র ভ্রমণে গেলেন।

এর আগে ঐতিহ্যবাহী সব ছাত্র সংগঠন তৈরি হয়েছে স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। তাই সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে তো ছাত্রদের আন্দোলন নামার কথা। তার দলে যোগদানের কথা নয়। তাই জিয়াউর রহমান কৌশলে ক্ষমতা ও বিলাসিতার লোভ দেখিয়ে একেকদল ছাত্রদের দলে ভিড়িয়ে ছাত্রদল গঠন করলেন।

শফিউল আলম প্রধান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকাবস্থায় ১৯৭৪ সালে সূর্যসেন হলের সাত খুনের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে জেলে নিক্ষিপ্ত হলেন। বঙ্গবন্ধু উদাহরণ সৃষ্টি করলেন। দুর্বৃত্ত যতো বড় নেতা হোক না কেন, এমনকি নিজ দলের হলেও রেহাই পাবে না। কিন্তু জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে কী করলেন। প্রধান সামরিক শাসক ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে ওই হত্যাকারী শফিউল আলম প্রধানের দণ্ড মওকুফ এবং তাকে জেল থেকে মুক্ত করে দিলেন। উদাহরণ সৃষ্টি হলো, খুন করে বর্তমান ক্ষমতাসীন নিজ দলের আশ্রয় না পেলেও পরবর্তী ক্ষমতায় আসার দল তাকে লুফে নেবে। খুন করেও পার পাওয়া যায়, এমন সংক্রামণ ব্যাধির জন্ম হলো সেদিন থেকে। সেই যে ছাত্ররাজনীতির অবক্ষয় শুরু, যার স্বরূপ আজ এই জায়গায় এসে ঠেকেছে। নীতি আদর্শ বলতে কিছু নেই, সেই দীক্ষাও নেই। এসব এখন পাল্টাপাল্টি। ওই দল ক্ষমতায় থাকতে তার যুব ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা লুটপাট করেছে। সুতরাং আমাদেরও করতে হবে। এভাবেই দুর্নীতি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

তবে বঙ্গবন্ধুর মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত দশ বছরে পাহাড়সম জঞ্জাল ও বাধাবিঘ্ন পরিষ্কার ও অতিক্রম করে রাষ্ট্রকে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। বিশ্বাঙ্গনে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। এবার তিনি মুখ ফিরিয়েছেন দুর্নীতির মূলোৎপাটনের দিকে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেভাবে অভিযান শুরু হয়েছে এবং তার সঙ্গে যদি পূর্বে যারা ক্ষমতায় ছিল তার তুলনা করি তাহলে বোঝা যায় কত বড় কঠিন সংগ্রামে শেখ হাসিনা নেমেছেন।

২০০‌১-২০০৬ মেয়াদে বৈশ্বিক দুর্নীতির সূচকে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্থ হিসেবে বাংলাদেশ পরপর চার বার এক নম্বর স্থানে চলে গিয়েছিল। তখন মন্ত্রী, এমপি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপি কঠিন অ্যাকশন নিলে আজ আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজরা এত সাহস পেত না।

কেউ না করলেও পিতার অঙ্গীকার পুরনার্থে এদেশের মানুষকে আসলেই মুক্ত করার জন্য শেখ হাসিনা দুনীতির বিরুদ্ধে নতুন সংগ্রাম শুরু করেছেন। এই সংগ্রাম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রাম। এবার কোনো দুর্নীতিবাজই রেহাই পাবে না।

 

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.): কলামিস্ট এবং ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

আপনার মতামত লিখুন :