ফের শুরু হচ্ছে ফুডপান্ডার সেলিব্রিটি কুকিং শো



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফের শুরু হচ্ছে ফুডপান্ডার সেলিব্রিটি কুকিং শো

ফের শুরু হচ্ছে ফুডপান্ডার সেলিব্রিটি কুকিং শো

  • Font increase
  • Font Decrease

জনপ্রিয় সেলিব্রেটি ও শীর্ষস্থানীয় রেস্টুরেন্টের শেফ/মালিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কুকিং শো ‘ফর দ্য লাভ অফ ফুড’- এর দ্বিতীয় সিজন শুরু হতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) থেকে এনটিভিতে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে। অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপান্ডার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন নুহাশ হুমায়ুুন। সিজন-২ তে তামিম ইকবাল, চঞ্চল চৌধুরী, রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা এবং সিয়াম আহমেদ অংশগ্রহণ করবেন।

চার পর্বে এই অনুষ্ঠানটি প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট থেকে ৭টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এনটিভিতে সম্প্রচারিত হবে। টিভিতে সম্প্রচারের পর প্রতিটি পর্ব ফুডপান্ডার ইউটিউব এবং ফেসবুক পেজে আপলোড করা হবে, যাতে দর্শকরা তাদের প্রিয় সেলিব্রেটিদেরকে নিজেদের পছন্দের খাবার রান্না করতে দেখতে পারেন।

গত বছর আয়োজিত ‘ফর দ্য লাভ অফ ফুড’ (এফটিএলওএফ)’র প্রথম সিজনটি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং শুধুমাত্র ফেসবুকেই এর ১ কোটির বেশি ভিউ হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভোজন রসিকরা তাদের প্রিয় সেলিব্রেটিদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানার পাশাপাশি, বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের শেফ/মালিকদের সাথে তাদের নিজেদের পছন্দের খাবার তৈরি করতেও দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশিদের ভোজন রসিক বলা হয় এবং সুস্বাদু খাবার আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশিদের সাথে খাবারের এমন নিবিড় সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই গত বছর ফুডপান্ডা এই অসাধারণ অনুষ্ঠানের আয়োজন শুরু করে। সিজন ২ আরও বেশি আকর্ষণীয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এবারের আয়োজনে মোট চারটি পর্ব থাকবে, যেখানে ঢাকার সবচেয়ে জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টগুলোর শেফ এবং বিভিন্ন সেলিব্রেটিরা অংশগ্রহণ করবেন এবং তাদের পছন্দের খাবার রান্না করবেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় ডিলসহ তাদের পছন্দের খাবার কিনতে প্রোমো কোড প্রদান করা হবে।
সেলিব্রেটি অতিথিদের পাশাপাশি, ম্যাডশেফ, কাচ্চি ভাই, গ্লেজড এবং বারকোড গ্রুপের মেজ্জান হাইলে আইয়ুন এই চারটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টের শেফ/মালিকরা এ অনুষ্ঠানে খাবার তৈরি করবেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন জনপ্রিয় ভিডিও নির্মাতা রাফসান শাবাব।

গ্যাসের দাম বাড়াতে চাতুরতার আশ্রয় নিয়েছে পেট্রোবাংলা!



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ধাক্কা সামলে না উঠতেই গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছে, দাম বাড়াতে চাতুরতার আশ্রয় নিয়েছে পেট্রোবাংলা। তারা যে হিসেবে দিয়েছে তা কোনভাবেই সঠিক হতে পারে না।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, জনগণকে বোকা বানানোর চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এবং স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রকৃতিক গ্যাস) আনছে। দাম বেড়েছে স্পর্ট মার্কেট থেকে আনা ৫-৬ শতাংশের।

সিস্টেমের ৫-৬ শতাংশের দাম বেড়েছে বলে পুরো গ্যাসের দাম ১১৭ শতাংশ বাড়াতে হয় এটা বিশ্বাসযোগ্য! তারা গোঁজামিল দিয়ে হিসেব দেখাচ্ছে, এসব হিসাব বাস্তব সম্মত না। প্রয়োজন হলে ওই পরিমাণ এলএনজি আমদানি না করার পক্ষে আমরা। তবুও দাম বাড়ানো উচিত হবে না। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। এই অবস্থায় গ্যাসের দাম বৃদ্ধি কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না।

তিনি বার্তা২৪.কম-কে বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের অর্থনীতি ভর্তুকি বৃদ্ধি কিংবা দাম বৃদ্ধি কোনোটার জন্য প্রস্তুত নয়। বরং রেশনিং করে ওই পরিমাণ এলএনজি আমদানি কমিয়ে দেওয়া উচিত। জনগণের ১০-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং ভোগ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। যারা কিছুটা ছাড় দিতে চায়, তবু পকেট কাটার বন্দোবস্ত বন্ধ করা হোক।

এমনিতেই সংকট চলছে তার উপর যদি আরও আমদানি কমানো হয় তাহলে তো সংকট বেড়ে যাবে। এমন প্রশ্নের জবাবে শামসুল আলম বলেন, দেশে সার উৎপাদন করার চেয়ে আমদানি করলে কম দাম পড়ে। তাহলে দেশে কেনো সার উৎপাদন করবো। যে সার কারখানাগুলো দক্ষ নয় সেগুলো বন্ধ করে দিলেই হয়।

তিনি বলেন, জনগণের কোম্পানির মালিকের আসনে এখন আমলারা বসে গেছে। তারা তাদের সুযোগ সুবিধা বাড়ায়, ডেভেলপমেন্ট প্লান করে না। আমদানি করলে কমিশন বাণিজ্য হয় তাই আমদানির দিকেই তাদের নজর বেশি। দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম সেভাবে করা যায়নি। যে কারণে আজকে এই সংকট। আগে থেকে পরিকল্পনা থাকলে এই সংকট তৈরি হতো না। জনগণ এক সময় গ্যাস রফতানির বিপক্ষে রাস্তায় নেমেছে। এখন আমদানির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার সময় এসেছে।

কোম্পানিগুলো গ্যাস না দিয়েও দাম নিচ্ছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগের পয়সা কোথায় যাচ্ছে। সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারলে এই সংকট দূর হবে না। ছাতক ও ভোলার গ্যাস থাকলেও এতোদিন কেনো আনা গেলো না। কোম্পানিগুলো অযৌক্তিক ব্যয়ের বোঝা জনগণের কাঁধে চাপানো হচ্ছে। কোম্পানিগুলো আমলা মুক্ত করতে হবে এরাই দেশকে আমদানি নির্ভর করে ফেলেছে।

গ্যাসের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। একচুলা ৯২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা, দুই চুলা ৯৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করার প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে(বিইআরসি)।

নজিরবিহীন উচ্চমূল্যের এই প্রস্তাবটি সোমবার (১৭ জানুয়ারি) কমিশনে জমা পড়েছে সূত্র নিশ্চিত করেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলায় বিতরণের দায়িত্বে রয়েছে কোম্পানিটি। অন্যান্য কোম্পানিগুলোকেও অভিন্ন প্রস্তাব জমা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পেট্রোবাংলা থেকে। দু’একদিনের মধ্যে প্রস্তাব জমা পড়তে যাচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

বাখরাবাদ তার প্রস্তাবে আবাসিকে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটারের বিদ্যমান মূল্য ১২.৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৭.৩৭ টাকা, সিএনজিপ্রতি ৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৬.০৪ টাকা, হোটেল-রেস্টুরেন্টে ২৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৯.৯৭ টাকা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ১৭.০৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৭.০২ টাকা, ১০.৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩.২৪ টাকা, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৩.৮৫ টাকা থেকে ৩০.০৯ টাকা, চা শিল্পে ১০.৭০ টাকা বাড়িয়ে ২৩.২৪ টাকা করার প্রস্তাব করেছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও সার কারখানায় থাকা বিদ্যমান দর ৪.৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৬৬ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাড়তি বিদ্যমান গড় ৯.৩৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০.৩৫ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অতীতে কখনই এতো বেশি পরিমাণে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি। যে কারণে একে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

পেট্রোবাংলা তার লিখিত প্রস্তাবে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বাপেক্স ও সিলেট গ্যাস ফিল্ডের গ্যাসের প্রতি ঘনমিটারের গড় ক্রয়মূল্য পড়ছে ১.২৬ টাকা, শেভরনের থেকে কিনতে হচ্ছে ২.৮৯ টাকা, তাল্লো থেকে ৩.১০ টাকা করে। অন্যদিকে এলএনজির প্রকৃত ক্রয়মূল্য ৩৬.৬৯ টাকা অন্যান্য চার্জ দিয়ে ৫০.৩৮ টাকা পড়ছে। দৈনিক ৮৫০ মিলিয়ন ঘন ফুট এলএনজি আমদানি বিবেচনায় এই দর।

কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব দেওয়ার আগে পেট্রোবাংলা একটি চিঠি দিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর আবেদন করেছিল বিইআরসিতে। পেট্রোবাংলার সেই প্রস্তাব আইনসম্মত না হওয়ায় ফেরত পাঠানো হয়। ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়ানোর আইনি প্রতিষ্ঠান বিইআরসি। তারা প্রস্তাব পেলে প্রথমে যাচাই-বাছাই করে দেখেন। আবেদন যৌক্তিক হলে গণশুনানির মাধ্যমে দর চুড়ান্ত করে থাকেন।

গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির প্রক্রিয়াটি শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচিত। কাতার ও ওমান থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আনা এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন করা হচ্ছিল মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) দিয়ে। মুরিং পয়েন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় একটি এফএসআরইউ এখন বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে কাতার ও ওমান জানিয়েছে, আগামী বছর এলএনজির সরবরাহ কমিয়ে দেবে দেশ দুটি।

আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম দ্বিগুণের প্রস্তাব, দুই চুলা ২১০০ করতে চায়

গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা

;

চা-এ বাংলাদেশের সর্বকালের ‘উৎপাদন রেকর্ড’



বিভোর বিশ্বাস, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
নারী চা শ্রমিকের পাতা উত্তোলন। ছবি: বিভোর বিশ্বাস

নারী চা শ্রমিকের পাতা উত্তোলন। ছবি: বিভোর বিশ্বাস

  • Font increase
  • Font Decrease

জনপ্রিয় পানীয় ‘চা’ এ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ রেকর্ড করলো বাংলাদেশ। চা শিল্পের ইতিহাসে এমন রেকর্ড সংখ্যক চা উৎপাদনে আনন্দিত চা সংশ্লিষ্টরা।

সঠিক ব্যবস্থাপনার ফলে করোনাকালেও ২০২১ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ মোট ৯৬ দশমিক ৫০৬ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়। এর মধ্য দিয়ে সর্বকালের রেকর্ড করলো বাংলাদেশ।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ চা বোর্ডের পক্ষ থেকে এ রেকর্ডের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

যা গত বছরের (২০২০) চেয়ে ১০ দশমিক ১১১ মিলিয়ন কেজি বেশি। এ বছর (২০২১) চায়ের উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকেও এ বছর (২০২১) রেকর্ড পরিমাণ ১৪ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে; যা গত বছর (২০২০) ১০ দশমিক ৩০ মিলিয়ন কেজি ছিল।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম, এনডিসি, পিএসসি বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সকল চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। সরকারের আর্থিক প্রণোদনা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিয়মিত মনিটরিং ও পরামর্শ প্রদান, বাগান মালিক ও শ্রমিকদের নিরলস প্রচেষ্টা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, চা শ্রমিকদের মজুরি, রেশন এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২১ সালে দেশের চা উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে।

তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও উৎপাদনের এ ধারাবাহিকতা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, চা শিল্পের সক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, উত্তরাঞ্চলে চা চাষীদের ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুলে’র মাধ্যমে চা আবাদ বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে শুধুমাত্র সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে এ বছর (২০২১) গত বছরের (২০২০) তুলনায় ৪১ শতাংশ বেশি চা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২০ সালে দেশে ৮৬ দশমিক ৩৯৪ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়। এছাড়া ২০১৯ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৯৬ দশমিক ০৬৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল।

;

গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা

গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি গ্যাসের দাম বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে প্রস্তাব জমা দেওয়া শুরু করেছে গ্যাস সঞ্চালন, উৎপাদন ও বিতরণ কোম্পানিগুলো। কিন্তু দাম বাড়ানোর উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন দেশের শিল্পোদ্যোক্তারা।

তারা বলছেন, গ্যাসের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচও বাড়বে। যা শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দেবে। মহামারিকালীন অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো ব্যাহত হবে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পাওয়ার, এনার্জি, ইউটিলিস বিষয়ক এফবিসিসিআই’র স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু জানান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে চীন ও ভারত আরও ২০ বছর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখবে। বাংলাদেশেও শিল্পের বিকাশের স্বার্থে দেশে মজুদ থাকা কয়লার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত সরকারের। গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।

তিনি বলেন, বাপেক্স একা না পারলে বেসরকারি খাতের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বে অনুসন্ধান কূপ খননে গতি আনা উচিত।

স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর-ইন-চার্জ ও এফবিসিসিআইর পরিচালক আবুল কাশেম খান বলেন, দেশে জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা বাড়ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ নয়। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও শিল্পায়ন অব্যাহত রাখতে দেশীয় সম্পদকে কাজে লাগানো জরুরি। কয়লা উত্তোলন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পক্ষে মত দেন আবুল কাশেম খান।

এফবিসিসিআই’র পরিচালক মো. নাসের বলেন, বিতরণ ব্যবস্থায় চরম অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুফল বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের ব্যবসায়ীরা।

এখাতে শৃঙ্খলা আনতে বিতরণ কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনার ভার বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সাংবাদিক মোল্লা এম আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য সরকারের অন্তত আরও ১’শটি কূপ খনন করা উচিত। এছাড়াও অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো পুরোপুরি প্রস্তত না হওয়া পর্যন্ত বাইরের শিল্পকারখানাগুলোকে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দেন জ্বালানি বিষয়ক ম্যাগাজিন এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ারের সম্পাদক মোল্লা এম আমজাদ হোসেন।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ওয়ান স্টপ সলিউশন, চরের অনাবাদী জমিতে সোলার প্যালেন স্থাপন, সরকারিভাবে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্যোগ নেওয়া, বর্জ্য ও চালের কুড়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প হাতে নেওয়ার দাবি জানান কমিটির সদস্যরা।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের এমডি ও সিইও হুমায়ুন রশিদ। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দেশীয় ও বিদেশি উৎসের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা না গেলে দেশের জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।

বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির কো-চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দীন ইউসুফ, মোহাম্মদ আলী দ্বীন, নাজমুল হক ও এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজল হক।

আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম দ্বিগুণের প্রস্তাব, দুই চুলা ২১০০ করতে চায়

;

সূচকের সঙ্গে বাড়ল লেনদেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৯ জানুয়ারি) শেয়ারবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে মোট লেনদেনের পরিমাণ। তবে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।

আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরু থেকেই সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। দিনের বেশিরভাগ সময় এই ধারা অব‍্যাহত থাকে। দিনশেষে প্রধানসূচক ডিএসইএক্স গতদিনের চেয়ে ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৮৯ পয়েন্টে।

বেড়েছে অপর দুই সূচকও। বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ২৬১৭ এবং শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০৯ পয়েন্টে।

সূচক বাড়লেও ডিএসইতে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির দর। লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৭৯টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৯টির, কমেছে ১৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর।

বাজারটিতে আজ মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৩৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। গতকাল লেনদেন হয় ১ হাজার ৭১২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে আজ লেনদেন বেড়েছে ২২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর। কোম্পানিটির লেনদেন হয় ১৭৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ফরচুনের লেনদেন হয় ১৭১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা এবং ৮৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা লেনদেন করে তৃতীয় অবস্থানে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসপিআই বেড়েছে ৯৬ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেয়া ৩০৬টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৩টির, কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম।

সিএসইতে আজ ৩৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

;