ওয়ালটন উদীয়মান বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কারখানা পরিদর্শনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, এমডি ও সিইও গোলাম মুর্শেদ এবং পরিচালক সাবিহা জারিন অরনা।

কারখানা পরিদর্শনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, এমডি ও সিইও গোলাম মুর্শেদ এবং পরিচালক সাবিহা জারিন অরনা।

  • Font increase
  • Font Decrease

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ওয়ালটন স্টেট অব দ‌্য আর্ট সফিস্টিকেটেড শিল্প-প্রতিষ্ঠান। ওয়ালটন উদীয়মান নতুন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। ওয়ালটন কারখানার পরিবেশ ইউরোপ-আমেরিকার চেয়েও উন্নত।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিন দুপুরে কারখানা কমপ্লেক্সে পৌঁছালে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মুর্শেদ এবং পরিচালক সাবিহা জারিন অরনা।

সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব ইমদাদুল হক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর লিয়াকত আলী ভুঁইয়া, ওয়ালটনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অব.) শাহাদাত আলম, উদয় হাকিম, ইউসুফ আলী, ইয়াসির আল ইমরান, নির্বাহী পরিচালক আব্দুলাহ আল মামুন, শাহজাদা সেলিম প্রমুখ।

কারখানা পরিদর্শন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার বড় ভাই সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত আমাকে বলেছিলেন, তুমি ওয়ালটন দেখলে বাংলাদেশে কি হচ্ছে সেটা বুঝতে পারবে। এমার্জিং বাংলাদেশ, নিউ বাংলাদেশ যদি তুমি দেখতে চাও, তবে তোমাকে অবশ্যই ওয়ালটন ভিজিট করতে হবে। অনেকদিন ধরেই ওয়ালটন কারখানায় আসার ইচ্ছা ছিলো। আমি খুবই আনন্দিত যে আজ ওয়ালটনে আসতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, ওয়ালটন দেখে গর্ব করে বলতে পারি আমরা শুধু অবকাঠামো গড়ে তুলেনি, বরং স্টেট-অব-দি আর্ট ও সফিস্টিকেটেড শিল্প-প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পেরেছি। আমি আমেরিকা, জাপানসহ অনেক দেশের ফ্যাক্টরি দেখেছি। কিন্তু ওয়ালটনের মতো এ রকম উন্নত পরিবেশ খুব কম দেখেছি। ভবিষ্যত কেমন হতে পারে ওয়ালটনের উদ্যোক্তারা আগে-ভাগেই সেটা বুঝতে পেরেছিলেন। এটা অন্যান্য উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকরণীয়।

কারখানা পরিদর্শন করায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এমডি ও সিইও গোলাম মুর্শেদ। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সরকারের যে স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগী হিসেবে থাকবে ওয়ালটন।

এর আগে কারখানা প্রাঙ্গণে পৌঁছে অতিথিরা প্রথমে ওয়ালটনের বিশাল কর্মযজ্ঞের ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে অতিথিরা ওয়ালটনের মেটাল কাস্টিং, কম্প্রেসর, রেফ্রিজটারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এলইডি টেলিভিশন, কম্পিউটার-ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হোম অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

‘২ মাসের রেমিট্যান্স আয়েই এ বছরের বৈদেশিক ঋণ শোধ হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীতে যে বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হবে তা মাত্র ২ মাসের রেমিট্যান্স আয়ের সমান বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি এমন সময় এই মন্তব্য করছেন যখন দেশের অর্থনীতিবিদরা বৈদেশিক ঋণের দায় পরিশোধের বিষয়ে সরকারকে বারবার সতর্ক করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) রাতে সম্পাদকদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী ৪ বছরের বৈদেশিক ঋণের দায় পরিশোধের তথ্য তুলে ধরে বলেন, 'আমাদের ২ মাসের যে রেমিট্যান্স আছে, তাতেই এ সব ঋণ শোধ দেওয়া যায়।'

তিনি বলেন, চলতি মাসেও ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসবে। আর বৈদেশিক ঋণের দায় শোধ দিতে হবে এ বছর ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন। আগামী বছরে লাগবে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন, তারপরের বছর লাগবে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন এবং তারপরের বছর লাগবে ৪ বিলিয়ন ডলার।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে শ্রীলংকার সঙ্গে তুলনা করা হয়। অথচ শ্রীলংকার সঙ্গে বাংলাদেশের গালফ অব ডিফারেন্স। শ্রীলংকার কঠিন শর্তের ঋণ বেশি, যা বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া। আর বাংলাদেশের ৭৭ শতাংশ ঋণ সহজ শর্তে। আমাদের সঙ্গে শ্রীলংকার তুলনা যৌক্তিক নয়। বাংলাদেশ যেসব প্রকল্পে ঋণ নিয়েছে, তার অর্থনৈতিক রিটার্ন মূল্যায়ন করেই নিয়েছে।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, যদি এতগুলো ভালনারাবিলিটি একসঙ্গে আসে তা ট্যাকেল দেওয়া খুবই ডিফিকাল্ট। একটা হলে অল্টারনেটিভ রাস্তা খুঁজে বের করা যায়। তবে আমরা ফেল করব না, বিজয়ী হবো।আমরা হাজী মুহাম্মদ মহসিনের মতো দেশ পরিচালনা করছি। আর আগামী বছরের বাজেট হবে রেসপন্সিবল।

;

শনিবার গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্যাস লাইনের জরুরি কাজের জন্য আগামী ২১ মে রাজধানীর বেশকিছু এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্যাস লাইনের জরুরি কাজের জন্য আগামী ২১ মে শনিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা রাজধানীর মিরপুর-১, ২, ৬, ৭, ১০, ১১, ১২, ১৩, ইস্টার্ন হাউজিং, রূপনগর, আরামবাগ, আলুবদি, মিরপুর ডিওএসএইচ এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া পাশ্ববর্তী এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

;

বাজেটে বিদ্যুৎ জ্বালানিতে থাকছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়তে যাচ্ছে। এ খাতে ৩০ হাজার ৯১৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয় সূত্র।

আসছে বছরে বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এডিপিতে খাতে ৬০টি প্রকল্পে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। জিওবি ফান্ড থেকে ৯ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ৩ হাজার ৫৭২ কোটি এবং পিএ (প্রকল্প সাহায্য) ১৪ হাজার ৭৩১ কোটি ১১ লাখ টাকা। এসব প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প ৯টি হচ্ছে পেট্রোবাংলার ৫টি, ব্লু-ইকনোমি সেল’র ২টি, বিপিসির একটি, ভূ-তাত্বিক জরিপ অধিপ্তরের ১টি।

বিদায়ী অর্থবছরের (২০২১-২২) বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছিল ২৭ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা। আর ২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রস্তাবিত ছিল ২৬ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থ বছরে সামগ্রিক এডিপি বাস্তবায়নের হার (জুলাই-এপ্রিল) ৬১.৯৯ শতাংশ।

২০১৯-২০ অর্থ বছরে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এই খাতে। ওই অর্থ বছরে ২৮ হাজার ৫১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯-২০ এর তুলনায় পরের বছর বাজেটের প্রবৃদ্ধি ৮.৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি হলেও বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা কম প্রস্তাব করা হয়।

এই খাতের বরাদ্দের ক্ষেত্রে ২০১৯-২০ অর্থ বছর থেকেই সুচক নিম্নগামী। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিলো ২৪ হাজার ৯’শ ২১ কোটি টাকা। পরের বছর বাজেটের (২০১৯-২০) আকার বেড়েছে ১৮ শতাংশ। আনুপাতিক হারে বাড়াতে হলে সাড়ে ২৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়ার কথা ছিল।

সরকারের বড় সাফল্য হচ্ছে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। নিরবিচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎকে এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। উৎপাদন করার সক্ষমতা থাকলেও অনেক সময় সরবরাহ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে লোডশেডিং মুক্ত বিদ্যুৎ দেওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রস্তাবিত বাজেটে সঞ্চালন ও বিতরণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সরকার শতভাগ বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি কঠোর পদক্ষেপের কারণে বিদ্যুতের সিস্টেম লস ১৪.৩৩ থেকে কমে ৮.৪৮ শতাংশে হয়েছে। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। তবে সামগ্রিক বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে জ্বালানির বাজারে নানা রকম সংকট দেখা দিয়েছে। একদিকে যেমন মূল্য একটি ইস্যু একই সঙ্গে পণ্যটির সরবরাহ চেইনেও নানা সমীকরণ রয়েছে। মূল্য জনগণের হাতের নাগালে রাখতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

;

কৃষি খাতে সর্বোচ্চ প্রণোদনা বিতরণের স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কৃষি খাতে সর্বোচ্চ প্রণোদনা বিতরণের স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

কৃষি খাতে সর্বোচ্চ প্রণোদনা বিতরণের স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড কৃষি খাতে করোনাকালীন সরকারি প্রণোদনা স্কিমের বিনিয়োগ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করায় বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির ১৮ মে ২০২২ বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার কাছে এ প্রশংসাপত্র  হস্তান্তর করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান, নির্বাহী পরিচালক মোঃ আওলাদ হোসেন চৌধুরী, মহাব্যবস্থাপক আব্দুল হাকিম, ইসলামী ব্যাংকের কৃষি বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান ড. মোঃ রুহুল আমিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য ইসলামী ব্যাংক কৃষি খাতে সরকারি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ৪৯১ কোটি টাকা বিনিয়োগ (ঋণ) বিতরণ করে যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থের ১০৯ শতাংশ।

;