স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

বন্ধ হওয়ার পথে অ্যাপোলো ইস্পাত!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্ধ হওয়ার পথে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড। ঋণে জর্জরিত এই কোম্পানির উৎপাদন ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। কোম্পানিতে মাল কেনার টাকা দিয়ে অনেক ব্যবসায়ী তা না পাওয়ায় তাদেরও পথে বসার উপক্রম।

সূত্র জানিয়েছে, এর জন্য মূলত দায়ী অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্সের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শোয়েব। তার ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই কোম্পানিটির আজ এই দুরবস্থা। তিনি কোম্পানির কারও কথা না শুনে নিজের মতো যে কোনও সিদ্ধান্ত নেন। তিনি কোম্পানিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন। কোম্পানিতে থাকা যোগ্যকর্মীদের মূল্যায়ন না করে অদক্ষ লোক নিয়োগ করে কোম্পানিটির বারোটা বাজিয়েছেন।

অ্যাপোলো ইস্পাতে কর্মরত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোম্পানিটি দেশব্যাপী পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না। গত ৭-৮ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। এসব কিছুর মূলে ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শোয়েব। তিনি কারও কথাই শুনেন না। তার অদক্ষতা, যোগ্যদের অপসারণ এবং অদক্ষ লোক নিয়োগের কারণেই কোম্পানিটির আজ এই পরিণতি।

অ্যাপোলো ইস্পাতের আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে কোম্পানির ব্যাংক ঋণ প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণ ২৪০ কোটি টাকা। এছাড়া পার্টি পাবে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। তিনি বলেন, কোম্পানিটি এই মুহূর্তে ঋণ শোধের অবস্থায় নেই। আর ভাইস চেয়ারম্যান যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছেন তাতে এই ঋণ পরিশোধের চিন্তা তার মধ্যে নেই বললেই চলে।

রাজধানীর দয়াগঞ্জের ব্যবসায়ী নূরুল আলম জানান, আমি অ্যাপোলো ইস্পাতের কাছে ৪০ কোটি টাকা পাওনা। টাকা চাইলে আজ দিচ্ছি, দেব এই বলে মাসের পর মাস পার করছেন। তারা আমাকে চেক দিয়েছে কিন্তু তা ক্যাশ হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

রংপুরের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অ্যাপোলো ইস্পাতে মালের জন্য ৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। মাল দেব, দিচ্ছি করে কয়েক মাস পার করেছেন। এখন টাকা চাচ্ছি তাতেও কোনও সাড়া নেই। ইতিমধ্যে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি।

তিনি বলেন, ছোট একটা ব্যবসা পরিচালনা করে ভালোভাবেই সংসার চালাচ্ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে অ্যাপোলো ইস্পাত আমাকে পথে বসিয়েছে। টাকা ফেরত দিচ্ছে না। আমিও ঋণ করে তাদের টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু টিন দেয়নি। টাকাও ফেরত পাচ্ছি না। ফলে পাওনাদার আমাকে চাপ দিচ্ছে। আমি টাকা ফেরত না পাওয়ায় তাদের টাকা ফেরত দিতে পারছি না। আমি এখন মহাবিপাকে আছি।

তাদের মতো এমন আরও অনেক ব্যবসায়ী টাকা পায় অ্যাপোলো ইস্পাতের কাছে।

অ্যাপোলো ইস্পাত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১৩ সালে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত কোম্পানিটি ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির তালিকায় (‘এ’ শ্রেণিভুক্ত) থাকলেও, ২০১৯ সালে নেমে আসে ‘বি’ শ্রেণিতে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি বছর শেষে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ দেয়, সে সব কোম্পানি ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত।

১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দিলে নেমে যায় ‘বি’ শ্রেণিতে। আর কোনো লভ্যাংশ না দিলে, অবনমন ঘটে দুর্বল মৌলভিত্তির কাতার, অর্থাৎ ‘জেড’ শ্রেণিতে।

সূত্র জানিয়েছে, অ্যাপোলো ইস্পাত দরপত্র ছাড়াই নামমাত্র মূল্যে ৭টি গাড়ি বিক্রি করেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

এসব বিষয়ে জানার জন্য অ্যাপোলো ইস্পাতের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শোয়েবের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। অ্যাপোলো ইস্পাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিক বলেন, বর্তমানে কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ঋণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব বিষয় চেয়ারম্যান সাহেব দেখছেন।

ট্রেডিং ব্যবসার মাধ্যমে ১৯৬০ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেন সদ্যপ্রয়াত শিল্পপতি দীন মোহাম্মদ। ফিনিক্স গ্রুপ ও অ্যাপোলো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অধীনে ডজনখানেক শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি। এর মধ্যে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড একটি।

সেলফিনে চালু হল মাস্টারকার্ড ব্রান্ডের ডুয়্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ সেলফিনে এখন থেকে পাওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ব্রান্ডের ডুয়্যাল কারেন্সি সাপোর্টেড ভার্চুয়াল প্রিপেইড কার্ড।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ সেলফিনে এখন থেকে পাওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ব্রান্ডের ডুয়্যাল কারেন্সি সাপোর্টেড ভার্চুয়াল প্রিপেইড কার্ড।

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ সেলফিনে এখন থেকে পাওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ব্রান্ডের ডুয়্যাল কারেন্সি সাপোর্টেড ভার্চুয়াল প্রিপেইড কার্ড। এই কার্ডের মাধ্যমে টাকার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রাতেও দেশ-বিদেশের যেকোন ই-কমার্স সাইটে কেনাকাটা করা যাবে। তবে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনের জন্য গ্রাহকের পাসপোর্টে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট করতে হবে।

বুধবার (২২ জুন) ঢাকার একটি হোটেলে এই কার্ডের উদ্বোধন করেন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। এ সময় মাস্টারকার্ড সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার ভিকাস ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ইসলামী ব্যাংকের চিফ রিস্ক অফিসার মোহাম্মদ আলী ও অলটারনেটিভ ব্যাংকিং উইংয়ের প্রধান আবুল ফায়েজ মুহাম্মাদ কামালউদ্দিনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

কার্ডটি দিয়ে এনপিএসবি/ইএফটি/আরটিজিএস নেটওয়ার্কে যুক্ত যেকোন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ও মাস্টারকার্ড ব্রান্ডের কার্ডে ফান্ড ট্রান্সফার করা যাবে। মার্চেন্ট পেমেন্ট, বিল ও ফিস পেমেন্ট, ই-টিকেটিং ও মোবাইল রিচার্জ করা যাবে। আবার যেকোন ব্যাংকের মাস্টারকার্ড, ইসলামী ব্যাংকের যেকোন কার্ড, অ্যাকাউন্ট ও এমক্যাশ সার্ভিস থেকে এই কার্ডে টাকা আনা যাবে।

ইসলামী ব্যাংকের শাখা/উপশাখা, এটিএম/সিআরএম, এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও এমক্যাশ পয়েন্ট থেকে ক্যাশ আউট বা নগদ টাকা উত্তোলন করা যাবে। এই কার্ডটি পাওয়ার জন্য ইসলামী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকার প্রয়োজন নেই। সেলফিন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন থাকলেই এই কার্ড নেওয়া যাবে।

;

জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে আরও ৩’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ



আল মামুন, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির (এপিএসসিএল) নতুন নির্মিত ৪’শ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট (ইস্ট) থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। গত সোমবার সকাল থেকে এ ইউনিটটি সিম্পল সাইকেলে (আংশিক শক্তি) পরীক্ষামূলক উৎপাদনে চেষ্টা শুরু করে কর্তৃপক্ষ। প্রথম ২-১ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হলেও পর্যায়ক্রমে তা বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) দুপুরে ইউনিটটি (সিম্পল সাইকেলে নির্ধারিত) পুরোপুরি চালু করা হলে প্রায় ৩’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে নতুন এই ইউনিটটি থেকে জাতীয় গ্রিডে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন থেকে আরও অতিরিক্ত ৩’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হল।

আগামী সেপ্টেম্বরের শেষে ইউনিটটি কম্বাইন্ড সাইকেলে (পূর্ণ শক্তিতে) চালু হলে ৪’শ থেকে ৪’শ ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে এপিএসসিএল কর্তৃপক্ষ। এদিকে এ ইউনিটটি চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির দৈনিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে ১৮’শ থেকে ১৯’শ মেগাওয়াট।

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড সূত্রে জানা যায়, বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসাবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আশুগঞ্জকে ‘পাওয়ার হাব’ ঘোষণা করে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীতকরণের কাজ শুরু করে এপিএসসিএল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে ৪৫০ মেগাওয়াটের কম্বাইন সাইকেল (নর্থ ও সাউথ) প্লান্ট দুটি, ২২৫ মেগাওয়াটের ইউনাইটেড পাওয়ার প্লান্ট ও ২০০ মেগাওয়াটের মডিউলার প্লান্ট ইউনিট নির্মিত এবং চালু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে অধিক পুরানো দুটি কম বিদ্যুৎ উৎপাদনকারি (প্রতিটি ৬৪ মেগাওয়াটের ইউনিট জিটি-১.জিটি-২ ও এসটি ইউনিটটি) অপসারণ করে একই প্রায় সমপরিমাণ জ্বালানি (গ্যাস) ব্যবহার করে অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ৪‘শ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কম্বাইন্ড সাইকেল (ইস্ট) প্লান্ট নির্মাণে প্রকল্প হাতে নেয় কর্তৃপক্ষ।

এপিএসসিএল সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটির (একনেক) সভায় ৪‘শ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কম্বাইন্ড সাইকেল (ইস্ট) প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। দরপত্র প্রক্রিয়ায় ২০১৮ সালে ২০ মার্চ সর্বনিম্ন দরদাতা হিসাবে চায়না ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন এবং চায়না ন্যাশনাল কর্পোরেশন ফর অভারসিস ইকোনোমিক্স কো-অপারেশন কনস্ট্রাকশন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ১৮০.৩২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ অর্থের মধ্যে এডিবি ১০৭.৯২ মিলিয়ন আইডিবি ৮৫ মিলিয়ন ডলার এবং অবশিষ্ট টাকা বাংলাদেশ সরকার প্রদান করার কথা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০১৮ সালের মার্চ মাসে চুক্তি স্বাক্ষর করলেও তারা একই বছরে ১৬ জুলাই থেকে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু করে। চুক্তি মোতাবেক প্রকল্পটি ডিসেম্বর/২০২০ এ সিম্পল সাইকেলে (আংশিক) ও জুন/২০২১ কম্বাইন্ড সাইকেল (পুরোপুরি ) ৪‘শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্ত প্রথমে প্রকল্প বাস্তবায়নকারি দেশ চীন ও পরে সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসের বিস্তার ও মহামারি আকার ধারন করায় এ প্রকল্পের কাজে স্থবিরতা নেমে আসে।

তাছাড়া চুক্তি মোতাবেক প্রকল্পের গ্যাস টারবাইন ও স্টিম টারবাইন জার্মানের সিমেন্স কোম্পানি কিছু যন্ত্রপাতি চীন থেকে আসার কথা থাকলেও আর্ন্তজাতিক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় তা বাধাগ্রস্ত হয়। করোনার প্রকোপ কমে গেলে জার্মান থেকে জেনারেটর ও কারিগরি টিম আসলে তা পুনরায় কাজ শুরু করা হলেও জেনারেটরের একটি অংশে ত্রুটি দেখায় পুনঃনির্ধারিত সময়েও উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে জেনারেটর সরবরাহকারি দেশ জার্মানের কারিগরি টিমের সার্বিক তত্ত্বাবাধনে উদ্ভুত সমস্যা সমাধান ও পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে গত সোমবার থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. এম. এম সাজ্জাদুর রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, নতুন ইউনিটটি বর্তমানে ৩’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ ইউনিট কম্বাইন্ড সাইকেলে (পুরুদমে) চালু করা সম্ভব হবে। ইউনিটটি পুরোপুরি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৪’শ থেকে ৪’শ ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। পাশাপাশি পুরোনো দুটি ইউনিট বন্ধ করা হলে অনেক জ্বালানি সাশ্রয় হবে। এই ইউনিটটি পুরোপুরি চালু হলে আশুগঞ্জ থেকে দৈনিক প্রায় ১৯’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।

;

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকার স্মারক নোট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকার স্মারক নোট

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকার স্মারক নোট

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির গৌরবের প্রতীক ‘পদ্মা সেতু’র উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমানের নতুন স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগামী ২৬ জুন (রোববার) হতে উক্ত স্মারক নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরবর্তীতে অন্যান্য শাখা অফিসে পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৪৬ মিমি×৬৩ মিমি পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বাম পাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি ও ব্যাকগ্রাউন্ডে পদ্মা সেতুর ছবি মুদ্রিত রয়েছে।

নোটের উপরিভাগে সামান্য ডানে নোটের শিরোনাম ‌‘জাতির গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতু’ লেখা রয়েছে। এছাড়া নোটের উপরে ডান কোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘১০০’, নিচে ডান কোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৳১০০’ এবং উপরিভাগে মাঝখানে ‘একশত টাকা' লেখা রয়েছে।

নোটের পেছন ভাগে পদ্মা সেতুর পৃথক একটি ছবি সংযোজন করা হয়েছে। নোটের উপরিভাগে ডানদিকে নোটের শিরোনাম ইংরেজিতে ‘Padma Bridge The symbol of national pride ONE HUNDRED TAKA’ লেখা রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে বাম কোণে ও নিচের ডান কোণে মূল্যমান ইংরেজিতে ‘১০০’ এবং নিচে বাম কোণে বাংলায় ‘৳১০০’ লেখা রয়েছে। এছাড়া নোটের নিচে মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং এর বাম পাশে BANGLADESH BANK’ ও ডান পাশে ‘ONE HUNDRED TAKA’ লেখা রয়েছে।

১০০ ভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত ১০০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির বামে ৪ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে। নোটের ডান দিকে জলছাপ এলাকায় ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ‘200’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া নোটের উত্তরা পৃষ্ঠে ভার্নিশের প্রলেপ সংযোজন করা হয়েছে।

১০০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি লিটারেচার সংবলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধুমাত্র খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা এবং ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা।

;

উপায় একাউন্টে কর্মীদের বেতন দেবে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উপায় একাউন্টে কর্মীদের বেতন দেবে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ

উপায় একাউন্টে কর্মীদের বেতন দেবে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের দ্রুত বর্ধণশীল মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উপায় এর মাধ্যমে কর্মীদের বেতন প্রদান করবে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিভিন্ন কারখানার কর্মীরা বেতন পাবেন তাদের নিজ নিজ উপায় একাউন্টে।

এছাড়াও উপায় কাস্টমাররা তাদের উপায় একাউন্ট ব্যবহার করে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠান যেমন, বেষ্ট বাই, ভিশন ইলেক্ট্রনিক্্স, ওয়াকার (ফুটওয়ার), টেষ্টি ট্রিট, মিঠাই, রিগাল ফার্নিচার, ডেইলি শপিং, অথবা ডট কম এর ১৮০০ এর বেশি আউটলেট থেকে কেনাকাটা করতে পারবেন।

উপায় এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও রেজাউল হোসেন এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চিফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার উজমা চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেলে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রেজাউল হোসেন বলেন, ‘ প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে তাদের বিভিন্ন কারখানার কর্মীদের বেতন প্রদানের মাধ্যম হিসেবে উপায়কে নির্বাচন করায় এবং প্রাণ গ্রুপের বিভিন্ন ব্যান্ড আউটলেটে উপায় পেমেন্ট সুবিধা চালু করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশাকরি প্রাণের কর্মীরা নির্বিঘ্নে উপায় এর বিভিন্ন সেবা উপভোগ করতে পারবেন’।

উজমা চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের কর্মীদের সুবিধা হবে এমন কিছু অনন্য ফিচার থাকায় আমরা উপায়কে নির্বাচন করেছি। ভবিষ্যতে প্রাণ ও উপায়ের মধ্যে আরো কাযক্রমে বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশাকরি’।

উপায় একাউন্টে বেতন প্রাপ্তির পর প্রাণের কর্মীরা উপায়ের যেকোন এজেন্ট পয়েন্ট হতে সাশ্রয়ী খরচে টাকা তুলতে পারবেন।

উপায় একাউন্টে রয়েছে মাল্টিওয়ালেট ফিচার। প্রাইমারী ওয়ালেটের পাশাপাশি রয়েছে স্যালারী ওয়ালেট, রেমিটেন্স ওয়ালেট এবং ডিসবার্জমেন্ট ওয়ালেট।

উপায় একাউন্টে বেতন গ্রহণের পাশাপাশি প্রাণের কর্মীরা ফান্ড ট্রান্সফার, মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, মার্চেন্ট পেমেন্ট সহ বিভিন্ন ধরণের এমএফএস সেবা নিতে পারবেন।

২০২১ সালের ১৭ মার্চ আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ‘উপায়’। বর্তমানে উপায় বিস্তৃত পরিসরে এমএফএস সেবা প্রদান করছে ইউএসএসডি এবং মোবাইল অ্যাপ উভয়ের মাধ্যমে। উপায় এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সব ধরনের আর্থিক লেনদেন যেমন: ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, মার্চেন্ট ও ই-কমার্স পেমেন্ট; রেমিট্যান্স, বেতন ও সরকারি ভাতা গ্রহণ এবং মোবাইল রিচার্জ ছাড়াও ট্রাফিক ফাইন পেমেন্ট এবং ভারতীয় ভিসা ফি পেমেন্টের মতো এক্সক্লুসিভ সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

;