পরিবেশবান্ধব তিন চাকার মিশুক টায়ার বাজারে আনল রূপসা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পরিবেশবান্ধব তিন চাকার মিশুক টায়ার বাজারে আনল রূপসা

পরিবেশবান্ধব তিন চাকার মিশুক টায়ার বাজারে আনল রূপসা

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি তিন চাকা বিশিষ্ট পরিবহন মিশুক এর টায়ার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে রূপসা টায়ার। বাজারে আনা থ্রি-হুইলার টায়ার বাংলাদেশের পরিবহন সেক্টরে মানসম্মত টায়ারের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে। একইসঙ্গে পরিবেশবান্ধব এসব টায়ার দুর্ঘটনা মুক্ত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করবে। বর্তমানে বাজারে ৭টি ভিন্ন ভিন্ন মডেলের মিশুক টায়ার এখন রূপসার অনুমোদিত ডিলার দের কাছে পাওয়া যাবে।

মডেল গুলো হলো ট্রপিক্যাল, বলবান, মেগা, লোড এক্সপার্ট, আলট্রা, নওয়াব,ফ্রি রাইড। এ মুহূর্তে দেশব্যাপী ১২০০ এর বেশি ডিলার এর মাধ্যমে টায়ার বাজারজাত করে যাচ্ছে রূপসা।

রূপসার মার্কেটিং ম্যানেজার জনাব দেবাশীষ দাস জানান, টায়ারগুলো ২.৭৫-১৪ সাইজের। প্রতিটি মিশুক টায়ারের নকশা দীর্ঘ স্থায়িত্ব এবং দ্রুতগতির সহায়ক হিসেবে কার্যকর। যা গ্রীষ্ম, বর্ষা এবং শীত - সকল ঋতুতে সমান পারদর্শী। উন্নত রাবার ও আধুনিক ফর্মুলা এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যাবহারে বাজারে থাকা অন্যান্য টায়ারের চাইতে মজবুত ও টেকসই করতে সহায়তা করেছে। তিনি আরো জানান, আমাদের টায়ার গুলো এমন ভাবে তৈরী যাতে পরিবহন গুলো রাস্তার বিভিন্ন মানবসৃষ্ট এবং প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা সহজেই মোকাবিলা করতে পারে।

 উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে, রূপসা টায়ার্স এন্ড কেমিক্যালস লিমিটেড নামে উৎপাদন শুরু করে রিকশা ও সাইকেলের টায়ার এবং টিউব। তিন দশকের বেশি সময় ধরে রূপসার অগ্রযাত্রায় সাইকেল ও রিকশার টায়ার টিউবের সাথে, রূপসার উৎপাদিত পণ্যের তালিকায় যুক্ত হয়, মোটর সাইকেল, ইজি বাইক, মোটর রিকশা, সিএনজি ও মিশুকের টায়ার এবং টিউব।। এছাড়াও, ৮০ এর দশকে তাদের বিখ্যাত রূপসা ৭০৭ হাওয়াই চপ্পল দেশের বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। যা রূপসাকে দেশী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তারই ধারাবাহিকতায় রূপসা সিএনজি, মিশুক, অটো রিকশার টায়ার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ শুরু করলো।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ

  • Font increase
  • Font Decrease

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল)- এ সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

১৬ মে এসআইবিএল প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান কাজী ওবায়দুল আল-ফারুক এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ মোঃ মাহফুজুর রহমান।

;

ঈদে ওয়ালটনে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক, ফ্রি পণ্য



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সিজন-১৫’-এর আওতায় ঈদ উৎসবে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ কোটি কোটি টাকার ফ্রি পণ্যের ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সিজন-১৫’-এর আওতায় ঈদ উৎসবে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ কোটি কোটি টাকার ফ্রি পণ্যের ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে শুরু হলো ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৫। এর আওতায় দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনের ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। রয়েছে কোটি কোটি টাকার ওয়ালটন পণ্য ফ্রি। ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এসব ক্রেতাসুবিধা ঘোষণা করলো ওয়ালটন। ১৬ মে থেকে গ্রাহকরা এসব সুবিধা পাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরো দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে ওয়ালটন। ইতোমধ্যে সফলভাবে ক্যাম্পেইনের ১৪ টি সিজন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি সিজনেই গ্রাহকদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। এরই প্রেক্ষিতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সিজন-১৫ শুরু করলো ওয়ালটন। এর আওতায় ঈদ উৎসবে প্রতিষ্ঠানটি ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক এবং কোটি কোটি টাকার ফ্রি পণ্যসহ বিভিন্ন ক্রেতাসুবিধার ঘোষণা দিলো।

রোববার (১৫ মে, ২০২২) রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৫’ চালু এবং এর আওতায় ঈদ উৎসেব এসব ক্রেতাসুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, এমদাদুল হক সরকার, ইভা রিজওয়ানা নিলু ও হুমায়ূন কবীর, প্লাজা ট্রেডের সিইও মোহাম্মদ রায়হান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এস এম জাহিদ হাসান, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) ফিরোজ আলম, হেড অব বিজনেস ইন্টেলিজেন্স আরিফুল আম্বিয়া, এসির চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তানভীর রহমান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও সোহেল রানা, কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঈদ উৎসবে দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার ও ফ্যান কেনার সময় পণ্যটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হবে। এরপর ক্রেতার দেয়া মোবাইল নাম্বারে এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্যাশব্যাকের পরিমাণ কিংবা ফ্রি পণ্য সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ওয়ালটন প্লাজা কিংবা শোরুম ক্রেতাদেরকে প্রাপ্ত ক্যাশব্যাক কিংবা ফ্রি পণ্য বুঝিয়ে দেবে।

এক্ষেত্রে ওয়ালটনের সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পণ্যের ক্রেতা ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক পাবেন। আর কোটি কোটি টাকার ফ্রি পণ্যের মধ্যে থাকছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল ফোন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার, ফ্যান, আয়রন, এলইডি বাল্ব, এক্সটেনশন সকেট ইত্যাদি।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে ক্যাম্পেইনের আওতায় নানা সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

;

টেন মিনিট স্কুলের কোর্সে বিকাশ পেমেন্টে ১৫% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
টেন মিনিট স্কুলের কোর্সে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

টেন মিনিট স্কুলের কোর্সে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইনে শিক্ষার্থীদের শেখা আরও সাশ্রয়ী করতে জনপ্রিয় অনলাইন এডুকেশন প্ল্যাটফর্ম ‘টেন মিনিট স্কুল’ এর বিভিন্ন কোর্সে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ১৫% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

টেন মিনিট স্কুলের ‘ঘরে বসে স্পোকেন ইংলিশ’, ‘আইইএলটিএস কোর্স বাই মুনজেরিন শহীদ’, ‘২৪ ঘণ্টায় কোরআন শিখি’, ‘মাইক্রোসফট এক্সেল’, ‘ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং’, ‘এইচএসসি ২০২২ শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, ‘এইচএসসি শর্ট সিলেবাস ২০২৩ ক্র্যাশ কোর্স’ এবং বিসিএস প্রিলি কোর্সগুলোতে পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে বিকাশে পেমেন্ট করলেই গ্রাহকরা পাবেন ১৫% ক্যাশব্যাক। একজন গ্রাহক অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ তিনবার এই ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। অফারটি চলবে ৩০ মে পর্যন্ত।

টেন মিনিট স্কুলে থেকে সেবা গ্রহণ করতে শিক্ষার্থীদের অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট কোর্স সিলেক্ট করে পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে পেমেন্ট অপশনে গিয়ে বিকাশ সিলেক্ট করতে হবে। পরবর্তীতে নম্বর, ওটিপি ও পিন দিয়ে সহজেই পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন গ্রাহকরা।

যাত্রা শুরুর পর থেকে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং নির্ভরযোগ্য অনলাইন এডুকেশন প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে টেন মিনিট স্কুল। প্রতিদিন ওয়েবসাইট, অ্যাপ এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে একাডেমিক, অ্যাডমিশন, স্কিল ডেভেলপমেন্ট সহ নানান কোর্স গ্রহণ করছে লাখো শিক্ষার্থী। অনলাইন কুইজ, ভিডিও, টিউটোরিয়াল, মডেল টেস্ট, ইনফোগ্রাফিকস ও ব্লগের সমন্বয়ে কোর্সগুলো হয়ে উঠেছে অংশগ্রহণমূলক ও আনন্দময়।

;

খরচ সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রাখছে বিপিডিবি!



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকাঃ যেখানে গ্যাস সরবরাহ করলে তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো, সেই কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বসিয়ে রাখা হচ্ছে। তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তেমন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তও এক্ষেত্রে অকার্যকর করে রাখা হয়েছে। নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টে যেহেতু কম জ্বালানিতে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, তাই এগুলো প্রথম চালু করা হবে। এরপর যদি ঘাটতি থাকে তাহলে ধাপে ধাপে ব্যায়বহুল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পরিচালনা করা হবে।

গত ৯ মে তারিখের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ২৫টি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৮টি পুরোপুরি চালানো হয়েছে। আর ১০টিতে আংশিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে গ্যাস ঘাটতির কারণে। অপর ৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা নিয়মিত মেরামতের কারণে হয় আংশিক উৎপাদন করেছে নয়তো পুরোপুরি বন্ধ ছিল। ২৫টি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ৭ হাজার ২৪৯ মেগাওয়াট। ওই দিন ৫৭৮ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করে মাত্র ৪ হাজার ৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

সবগুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২৪ ঘণ্টা সচল রাখতে মোট গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে ১ হাজার ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বরাবরেই ১১শ’ এমএমসিএফডির বেশি গ্যাস সরবরাহ পেয়ে এসেছে। ২০২১ সালে জুন মাসে গড়ে ১ হাজার ১৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবারের তথ্য পাওয়া গেছে।

৯ মে তারিখে গ্যাস ঘাটতির কারণে আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (পিক আওয়ার) উৎপাদন করেছে মাত্র ৩৫ মেগাওয়াট। একই ক্ষমতাসম্পন্ন আশুগঞ্জের আরেকটি ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়। হরিপুর ৩৬০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৩০২ মেগাওয়াট, ভেড়ারামা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন করা হয়েছে ১৮০ মেগাওয়াট। কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র না চালিয়ে সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহকে অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে গ্যাস দিয়ে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, একই পরিমাণ গ্যাস দিয়ে কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব। অর্থাৎ ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বেশি পাওয়া সম্ভব। এসব হিসেব জানার পরও কেনো বিপিডিবি সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করছে তার কারণ খুজে পাচ্ছেন না কেউই।

বিপিডিবির জনসংযোগ পরিদপ্তরের পরিচালক সাইফুল হাসান চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেন, কম্বাইন্ড সাইকেল বসিয়ে রেখে সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানোর কোন সুযোগ নেই। মেরিট অর্ডার অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করা হয়। যেখানে উৎপাদন খরচ কম সেখান থেকে শুরু করা হয়। ধাপে ধাপে উপরদিকে যাওয়া হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল কারণে কিছু তারতম্য ঘটতে পারে। উত্তরবঙ্গ ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে দূর থেকে বিদ্যুৎ না নিয়ে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বেশি চালাতে হয়।

ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্ট অধ্যাপক ড. শামসুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, তারা যেসব কথা বলে, এসব কথাবার্তা বাস্তবতার সঙ্গে প্রমাণ পাওয়া যায় না। যেসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র অপরেশনের বাইরে রয়েছে, সেগুলো কারণসহ উল্লেখ থাকতে হবে, তারা সেটি করে না। আমাদের যেহেতু গ্যাস কমে আসছে, তাই আনুসাঙ্গিক খরচ বেশি হলেও যেখানে গ্যাস কম লাগবে সেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো উচিত। বিডিপিবি তা করে না, তারা সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কম চালায় বেশি ব্যায় দেখাতে, আর আইপিপি (বেসরকারি) বেশি চালায় খরচ কম দেখাতে। সরকারি তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ১০ শতাংশ প্লান্ট ফ্যাক্টরে চালালে ইউনিট প্রতি খরচ পড়ে ২০ টাকা, আর আইপিপি ১৩ শতাংশ প্লান্ট ফ্যান্টরে চালালে খরচ পড়ে ৩১ টাকার মতো।

ড. শামসুল আলম বলেন, বিবিয়ানা দক্ষিণ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দশমিক ১৯ ঘনমিটার গ্যাসে ১ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। ভোলা আইপিপিসহ কোথাও দশমিক ২৪ ঘনমিটার ব্যবহার হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব হাবিবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, একই পরিমাণ গ্যাস দিয়ে কম্পাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। তাই কম্পাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আগে চালানো হয়।

৯ মে কেনো মাত্র অর্ধেক গ্যাস সরবরাহ করা হলো, এদিনতো অনেক বেশি সরবরাহ ছিল। এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, হয়তো কোনো টেকনিক্যাল কারণ রয়েছে। অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে গ্যাস নেওয়া কঠিন, আবার গ্রিডের টেকনিক্যাল কারণের উপরও নির্ভরশীল কোন বিদ্যুৎ কেন্দ্র আগে চালানো হবে। হয়তো টেকনিক্যাল কোন কারণ থাকতে পারে। বিপিডিবির কাছে নিশ্চয় ব্যাখ্যা রয়েছে।

কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুটি সাইকেল থাকে, প্রথমত গ্যাস পুড়িয়ে টারবাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। পাশাপাশি টারবাইন থেকে নির্গত তাপ ব্যবহার করে উত্তপ্ত পানির বাষ্প দিয়ে আরেকটি টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে টারবাইন থেকে নির্গত তাপ কোনো কাজে আসে না। অর্থাৎ কম্বাইন্ড সাইকেলে একই পরিমাণ গ্যাস দিয়ে দেড়গুণ বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

বিপিডিবির পরিকল্পনায় এসব ঘাটতি নিয়ে অনেকদিন ধরেই সমালোচনা চলছে। বলা হচ্ছে বিপিডিপির পরিকল্পায় ভুলের কারণে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ছে। আগামী ১৮ মে আবার বিদ্যুৎ পাইকারি দাম বৃদ্ধি গণশুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।

;