এফবিসিসিআই ও দুবাই ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারের সমঝোতা স্মারক সই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

বাণিজ্য সম্প্রসারণে ও বিনিয়োগ আকর্ষণে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে এফবিসিসিআই।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) এক্সপো ২০২০ এর লিডারশিপ প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ স্মারক সই অনুষ্ঠিত হয়।

এফবিসিসিআই’র পক্ষে সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং দুবাই ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারের পক্ষে এর চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ বিন সুলেমান স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি জানান, দুবাই ও বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্প্রসারণে একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে। বাংলাদেশের বন্দর ও লজিস্টিকস খাতে দুবাইয়ের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ সম্ভাবনা রয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোতে তাদের রফতানি বাড়াতে পারে।

অন্যদিকে দুবাইয়ে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে সিআইএসভুক্ত দেশ ও আফ্রিকান বাজার ধরা বাংলাদেশের জন্য সহজ হবে। পারস্পরিক এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এফবিসিসিআই ও দুবাই ইন্টারন্যাশনার চেম্বারের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বারক কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

আরও কমল জ্বালানি খাতের বরাদ্দ!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের বরাদ্দ অর্ধেক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে মাত্র ৯৯৪ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। যা ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ছিল ১৮৭০ কোটি টাকা, আর সংশোধিত বাজেটের আকার ছিল ১৯০২ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এই প্রস্তাবনা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

মন্ত্রী তার বক্তৃতায় দেশীয় খনিজ সম্পদকে অনেকটাই পাশ কাটিয়ে গেছেন। জ্বালানি তেলের মুজদ সক্ষমতা ‍বৃদ্ধি, পাইপলাইনের লম্বা ফিরিস্তি দিলেও দেশের চরম গ্যাস সংকট এবং তার মোকাবেলায় তেমন কোন দিকনির্দেশনা নেই। যেমনটি বিগত বাজেটেও দেখা যায় নি। তিনি বলেছেন, দেশের একমাত্র তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়ানোর ফলে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ৯৮৪ মিলিয়ন ঘনফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৪ সালের মধ্যে আরও ৪৬টি কূপ খনন করা হবে। এতে আরও ৬১৮ মিলিয়ন গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছি।

গত বাজেটের মতো এবারও এলএনজি আমদানির ফিরিস্তি দিয়েছেন। অথচ জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা অনেকদিন ধরেই বলে আসছেন, জ্বালানি বিভাগকে গুরুত্ব কম দেওয়ার কারণে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। প্রাথমিক জ্বালানির সংকটের কারণে বসে থাকছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এতে করে একদিকে জনগণ লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, অন্যদিকে বসিয়ে রেখেও কোটি কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচেছ।

বাংলাদেশের ভু-খন্ডে গত ১১২ বছরে(প্রথম কূপ খনন ১৯১০ সালে) ৯৮টি অনুসন্ধান কূপ খননের মাধ্যমে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কার হয়েছে। এর বাইরে রয়েছে মোবারকপুর ও কশবার মতো কয়েকটি ফিল্ড। যেগুলোতে গ্যাসের আঁধার পেলেও বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করা হয় নি। প্রতিবেশী ত্রিপুরা রাজ্যে ছোট্ট আয়তনে কূপ খনন করেছে ১৬০টি। তারা ১৬০টি কূপ খনন করে মাত্র ১১টি গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কার করেছে,এরমধ্যে ৭টি থেকে উৎপাদন করছে।

সঙ্গত কারণেই বাংলাদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার‌্যক্রম এখনও প্রাথমিক ধাপেই রয়েছে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে গভীর সমুদ্র এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে গেছে এখনও হিসেবের বাইরে। সাগরে আমাদের পাশের সীমানা থেকে মায়ানমার গ্যাস উত্তোলন করছে,অন্যদিকে পশ্চিমাঞ্চলের পাশে অশোকনগরে তেল আবিস্কার করেছে ভারত।এতে করে এতোদিন যারা দেশের পশ্চিমাঞ্চলে (রংপুর, রাজশাহী এবং খুলনা অঞ্চল) গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা নেই মনে করতেন তারাও এখন নড়েচড়ে বসেছেন।

বাংলাদেশ প্রতি ৫ হাজার বর্গ কিলোমিটারের একটি করে কূপ খননের লক্ষ্যে কাজ করছে, আমেরিকা প্রতি ১৪ বর্গকিলোমিটারের ১টি এবং ভারত ১৮.৬ বর্গকিলোমিটারের ১টি কূপ খনন মানদন্ড বিবেচনায় কাজ করছে। শুধুমাত্র অনুসন্ধান কার‌্যক্রমের ঢিলেমির কারণে দেশকে চরম মাসুল দিতে হচ্ছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত স্থবিরতা দেশকে চরম সংকটের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। গ্যাস সংকট সামাল দিতে গিয়ে বিদেশ থেকে উচ্চদরে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। যার ফল এখন ভুগতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো। বাংলাদেশে প্রচুর গ্যাস প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বাজেটে সেই প্রত্যাশার কোনই প্রতিফলন দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।

;

দেশে তৈরি মোবাইল ফোনের দাম বাড়বে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে তৈরি মোবাইল ফোনের দাম বাড়তে পারে। প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এমন প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ‘উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’ শিরোনামে উত্থাপিত বাজেটে এমন প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বাজেট প্রস্তবানায় বলা হয়, মোবাইল ফোনের উৎপাদক কর্তৃক স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ০ (শূন্য) শতাংশের পরিবর্তে ২ শতাংশ, সংযোজন পর্যায়ে যথাক্রমে ৩ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ এবং ৫ শতাংশের পরিবর্তে ৭.৫ শতাংশ মূসক আরোপপূর্বক প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ ৩০ জুন, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বর্ধিতকরণের প্রস্তাব করছি। এছাড়াও উল্লিখিত প্রজ্ঞাপনের কতিপয় শর্ত যৌক্তিকীকরণ ও নতুন শর্ত সংযোজনের প্রস্তাব করছি।

নতুন বাজেটে যেসব প্রতিষ্ঠান যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ নিজেরাই বানাবে এবং মুঠোফোন উৎপাদন করবে, সেসব কোম্পানির ওপর ২ শতাংশ হারে ভ্যাট বসবে। বর্তমোনে এ ক্ষেত্রে কোনো ভ্যাট নেই। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান মুঠোফোন সংযোজন করে, তাদের ক্ষেত্রে দুভাবে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। যেমন কমপক্ষে দুটি যন্ত্রাংশ নিজেরা বানিয়ে মুঠোফোন বানালে এখন ৩ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়, এখন তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও একইভাবে কর বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে নতুন বাজেটে।

জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ইতিহাসের বৃহত্তম এই বাজেটের আকার ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।

‘উন্নয়ন অগ্রযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অভিমুখে’ শিরোনামে এবারের বাজেটের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ডলার সংকটে সৃষ্ট অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা।

প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের চূড়ান্ত আকার (ব্যয়) ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে আয় ৫ লাখ ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। ঘাটতি ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা।

বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ ৫ দশমিক ২ শতাংশ। বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

;

১০ বছর চাঁদা দিলেই আজীবন পেনশন



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১০ বছর পর্যন্ত চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন সুবিধাভোগীরা। দেশের বাইরে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকরাও অংশগ্রহণ করতে পারবেন এ স্কিমে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে 'সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩ পাস হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকেই বাংলাদেশে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা সম্ভব হবে। প্রস্তাবিত স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হলে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন সুবিধাভোগী ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং ৫০ বছরের অধিক বয়স্ক একজন সুবিধাভোগী ন্যূনতম ১০ বছর পর্যন্ত চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এতে প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকগরাও অংশগ্রহণ করতে পারবেন। পেনশনে থাকাকালীন ৭৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পূর্বে মৃত্যুবরণ করলে পেনশনারের নমিনি পেনশনারের ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত পেনশন প্রাপ্য হবেন।

তিনি বলেন, চাঁদাদাতা কমপক্ষে ১০ বছরের চাঁদা প্রদান করার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করলে জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ নমিনিকে ফেরত দেওয়া হবে। চাঁদাদাতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জমাকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ হিসাবে উত্তোলন করা যাবে। পেনশনের জন্য নির্ধারিত চাঁদা বিনিয়োগ হিসাবে গণ্য হবে এবং এর বিপরীতে কর রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া, মাসিক পেনশন বাবদ প্রাপ্ত অর্থ আয়কর মুক্ত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, শিগগিরই একটি পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এ কর্তৃপক্ষকে কার্যকর করা হবে।

;

কমলো লাগেজে স্বর্ণবার আমদানির সীমা, দ্বিগুণ শুল্ক



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদেশ থেকে লাগেজে করে স্বর্ণবার আনার পরিমাণ ২০ ভরি থেকে কমিয়ে ১০ ভরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে শুল্ক ও কর ভরি প্রতি ২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার টাকা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা বলেন।

বর্তমানে একজন যাত্রী বিদেশ থেকে ফেরার সময় ২৩৪ গ্রাম পরিমাণ স্বর্ণবার আনতে পারতেন, যা কমিয়ে ১১৭ গ্রাম করা হয়েছে। বিদেশ থেকে স্বর্ণ আনতে হলে  প্রতি ভরির ( ১১.৬৬ গ্রাম)  জন্য ২ হাজার টাকা শুল্ক ও কর দিতে হয়। এই হার দ্বিগুণ করে ৪ হাজার টাকা করা হয়েছে। যাত্রী (অপর‌্যটক) ব্যাগেজ (আমদানি) ‍বিধিমালা ২০০৬ এর সংশোধন করে করারোপ দ্বিগুণ করা হয়েছে।

বাজেট বক্তৃতায় বলেন, নির্ধারিত (১১৭ গ্রাম) পরিমাণের অতিরিক্ত স্বর্ণবার কিংবা রৌপ্যবার বহল করলে শাস্তির বিধান সুস্পষ্ট না থাকায় বিদ্যমান বিধিমালায় সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে উল্লেখিত পরিমাণের বেশি স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যবার আনলে কাস্টসম আইন ১৯৬৯ অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত হবে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বাজেটের আকার চূড়ান্ত করা হয়েছে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেট ছিল ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। তা সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১ লাখ ১ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা বেশি। আর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছর ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

নতুন বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি (অনুদান ব্যতীত) ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। আর চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয় ২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৭ টাকা। মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছর ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৬ শতাংশ।

এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫২তম বাজেট। বর্তমান সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের পঞ্চম বাজেট, টানা ১৫তম এবং অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পঞ্চম বাজেট।

;