ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন শীর্ষক আলোচনা সভা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন শীর্ষক আলোচনা সভা

ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন শীর্ষক আলোচনা সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে শরিয়াহভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামি অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেনের ভূমিকা ও অগ্রগতিসহ এই খাতের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা সভায় উঠে এসেছে। ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের সার্বিক সহযোগিতায় আলোচনা সভাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ের বিএসআরএফ মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদার, নগদ ইসলামিকের শরিয়াহ সুপারভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি, নগদের নির্বাহী পরিচালক এবং নগদ ইসলামিকের শরিয়াহ বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ আমিনুল হক, বিএসআরএফ-এর সভাপতি তপন বিশ্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকসহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের ধর্মপ্রাণ গ্রাহকদের জন্য ‘নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্ট’ চালুর মাধ্যমে সম্পূর্ণ শরিয়াহভিত্তিক লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য নগদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ডিজিটাল শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদ ইসলামিক-কে একটি অভূতপূর্ব অর্জন হিসেবে আখ্যায়িত করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

‘নগদ ইসলামিক’-এর মতো উদ্যোগ গ্রহণ করায় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান নগদ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। নগদ ইসলামিক গত ৩ বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের সুবিধা দিয়ে আসছে, যা দেশের মানুষদের জন্য ইসলামি জীবনবিধি মেনে আর্থিক লেনদেন ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা সুদমুক্ত উপায়ে নিজস্ব তহবিল পরিচালনা এবং নিজের কষ্টার্জিত অর্থ সঞ্চয় করতে পারছেন এবং গ্রাহকেরা খুব সহজেই হজ এবং ওমরাহর যাতায়াতসহ অন্যান্য খরচ এবং ঘরে বসেই তাদের ইসলামিক জীবন বিমার পেমেন্টও পরিশোধ করার সুবিধা পাচ্ছে। তাছাড়া এই প্লাটফর্মে আছে যাকাত ক্যালকুলেটর, ডোনেশনের সুবিধা এবং ইবাদতের জন্য বিশেষ ফিচার।

তিনি আরও বলেন, গ্রাহকের লেনদেন থেকে আয়ের একটা অংশ বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসার উন্নয়ন কাজে দান করছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদের এই সেবা একটি সুপরিকল্পিত এবং বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম। এই পরিকল্পিত উদ্যোগের জন্য আমি নগদ-কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

নগদের নির্বাহী পরিচালক এবং নগদ ইসলামিক-এর শরিয়াহ বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, মাত্র ৩ বছরেই ৬ কোটি গ্রাহক এখন নগদের সঙ্গে আছেন, এটি সত্যি আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন। আমাদের দেশে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান। সেই বিবেচনায় আমরা নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্টটি নিয়ে এসেছি। আমরা জানি ধর্মপ্রাণ গ্রাহক এমনকি প্রান্তিক পর্যায়েও শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দেশে ইসলামিক ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদ ইসলামিক একটি মাইলফলক এবং আমাদের বিশ্বাস এর সুফল দেশের সর্বস্তরের মানুষ উপভোগ করতে পারবেন।

নগদ ইসলামিক-এর শরিয়াহ সুপারভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, নগদ ইসলামিক-এর সেবা শুধুমাত্র প্রান্তিক নয়, বরং দেশের সকল শ্রেণির মানুষের জন্য। আমি সবাইকে আবারও আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই প্ল্যাটফর্মের সকল সেবা শরিয়াহ বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত। গ্রাহকেরা নিশ্চিন্তে এই সেবা নিতে পারবেন।

আইএমএফের পরামর্শ মেনে বাজেট করেনি সরকার: অর্থমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শ শুনলে বাংলাদেশ সফল হবে। তবে আইএমএফের প্রেসক্রিপশনে বাজেট প্রণয়ন করিনি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেছেন, আইএমএফ লোনের (ঋণ) পাশাপাশি বাংলাদেশকে সার্বিক পরামর্শ দেয়। আমি মনে করি, তাদের পরামর্শ শুনলে সফল হবো। তাদের ওভারঅল প্রেসক্রিপশন থাকে। তবে সেখান থেকে যেটুকু গ্রহণ করা যায় করব। বাকি সব আমরা আমাদের মতো করব।

শুক্রবার (২ জুন) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

কর্মসংস্থান বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত যেসব কমিটমেন্ট আমি দিয়েছি, সবগুলো পূরণ করেছি। বলেছিলাম ২ কোটি মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করব, কিন্তু আমরা ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করেছি। দেশের জনসংখ্যা বাড়ছে, চাকরি প্রার্থীও বেড়েছে। তবে এখন কর্মসংস্থানও বেড়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান শুধু সরকারি সেক্টরে নয় বেসরকারি সেক্টরেও আছে। আগে মানুষের ঘরে খাবার থাকত না। আগে শুধু খাবার দিলে কাজ করত, এখন সেটি নেই। বেসরকারি খাতেও অনেক কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেটিসহ বলেছিলেন ৩ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের কথা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত রয়েছেন, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, এনবিআর চেয়ারম্যান রহমাতুল মুনিম, অর্থসচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার প্রমুখ।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বাজেটের আকার চূড়ান্ত করা হয়েছে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।

নতুন বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি (অনুদান ব্যতীত) ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। আর চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয় ২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৭ টাকা।

মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছর ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৬ শতাংশ।

প্রস্তাবিত বাজেট ২৬ জুন অনুমোদন হবে। আর ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হবে।

;

বাজেটে কৃষিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরত্ব দিয়েছি: কৃষিমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, এই বছরের বাজেটে কৃষিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। বিনামূল্যে না হলেও অনেক সহযোগিতা দিয়ে কৃষির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কম্বাইন হারভেস্টার আমরা দিচ্ছি। গ্রামীণ ও পল্লী বাংলাদেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করার জন্য এই বাজেটকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর রাণী ভবানী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাজেট বিষয়ে বিএনপির নেতা কর্মীরা গত ১৪ বছর যাবতই বলেন এটা উচ্চ বিলাসী বাজেট, অবাস্তব বাজেট, কল্পনা ভিত্তিক বাজেট। কল্পনা ভিত্তিক বাজেট হলে পঁাচ লাখেরও কম চার লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা জাতীয় আয় ৪৪ লাখ হতো না। এটাই প্রমাণ প্রতি বছরই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলাদেশ করার লক্ষ্য নিয়ে বাজেট দিয়েছি। সেই লক্ষ্যে অদম্য গতিতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বিদেশি বিভিন্ন পত্র পত্রিকা বলে অদম্য বাংলাদেশ। সেই অদম্য বাংলাদেশে অপ্রতিরোধ্য গতি। আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে। এই গতিকে আমরা আরও বেগবান করবো। এই বাজেটের মাধ্যমে উন্নয়নকে আর গতিময় করবো।

বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিরোধী দল বলে উচ্চ বিলাসী, শেখ হাসিনা উচ্চ বিলাসী। বাংলাদেশের মানুষকে আরও উন্নত করতে চায়। আমরা বলছি, এই বাজেট বাস্তব সম্মত। অতিতেও আমরা সফল হয়েছি। আগামী দিনেও এই বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সফল হবো। আগে বাংলাদেশ চার লাখ ৮৪ কোটি টাকা ছিলো মোট আয়। সেটা বেড়ে হয়েছে ৪৪ লাখ। আগামী বছর আরও বেশি হবে। বাংলাদেশের আয় আমরা নয় গুণ বৃদ্ধি করেছি। এই বাজেট প্রণয়ন হলে এটি আরও বৃদ্ধি হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ মোটেই বিচলিত নয়, কোন স্যাংশন দিয়ে এ উন্নয়ন ব্যাহত করতে পারেব না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ব্যাহত করতে পারবে না। আপনারা যত ধরনের স্যাংশনই দেন তা মোকাবেলা করার মতো যোগ্যতা বাংলাদেশের আছে।

 মধুপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, সাবেক পৌর মেয়র মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।

ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে ১০০ জন ডাক্তার দিন ব্যাপী প্রায় ১০  সহস্রাধিক রোগীদেরকে সেবা প্রদান করবেন।

;

ন্যূনতম ২০০০ টাকা কর মানুষের জন্য বোঝা: সিপিডি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রস্তাবিত বাজেটে আয়কর রিটার্নের বাধ্যতামূলক ২০০০ টাকা ন্যূনতম কর নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বোঝা হবে, এই দুই হাজার টাকা কর তুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

শুক্রবার (২ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাজেট পরবর্তী ব্রিফিংয়ে এমন সুপারিশ করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড, মোস্তাফিজুর রহমান।

ব্রিফিংয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন কালে তিনি বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর কথা বলেছিলাম। সীমারেখা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ করা হয়েছে, যা একটি ভালো দিক।

তিনি আরও বলেন, তবে ৩৮ সরকারি-বেসরকারি সেবা নিতে গেলে সেবাগ্রহীতার ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করতে হবে এবং আয় যাই হোক, দুই হাজার টাকা কর দিতে হবে, সেটা অবিবেচনা প্রসূত। এ ধরনের কর নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বোঝা হয়ে যাবে। এই দুই হাজার টাকা ন্যূনতম কর তুলে দেওয়া উচিত।

ফাহমিদা বলেন, চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বাজেটে স্বীকৃতি ও সমাধান দুটোই অপ্রতুল। সামষ্টিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে প্রস্তাবিত বাজেটে যে প্রস্তাব করা হয়েছে, তা বাস্তবতা বিবর্জিত।

এবারের বাজেটের মূল দর্শন হলো- ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। স্মার্ট বাংলাদেশ চারটি মূল স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে। স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট সোসাইটি ও স্মার্ট ইকোনমি।

এর আগে বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় প্রস্তাব করেন ৩৮ ধরনের সরকারি-বেসরকারি সেবা নিতে আয়কর সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আয়কর সনদ না হলে এসব সেবা পাওয়া যাবে না। আয়কর সনদ নেওয়ার ক্ষেত্রে করযোগ্য আয় না থাকলেও কর দিতে হবে দুই হাজার টাকা।

 

;

থাকছে না পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার সুযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বাইরে পাচার হওয়া অর্থ বিনা প্রশ্নে আয়কর বিবরণীতে প্রদর্শনের সুযোগের বিধান থাকছে না ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে। একইসঙ্গে বিদেশে রক্ষিত স্থাবর সম্পদ রিটার্নে প্রদর্শনের সুযোগও বাতিল হচ্ছে।

এ দুটো বিশেষ সুবিধার মেয়াদ আগামী ৩০ জুন শেষ হচ্ছে। কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পাওয়ায় প্রস্তাবিত বাজেটে এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নির্দেশনা দেননি।

চলতি অর্থবছরের বাজেটের অর্থ আইন-২০২২ এর মাধ্যমে আয়কর অধ্যাদেশে অফশোর ট্যাক্স অ্যামনেস্টির বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ বিধানের ফলে কোনো করদাতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৭ শতাংশ হারে কর পরিশোধ করে তার অপ্রদর্শিত বৈদেশিক সম্পদ প্রদর্শন করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে বৈদেশিক সম্পদের উৎস নিয়ে বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। নীতিনির্ধারকেরা মনে করেছিলেন সুযোগের সদ্ব্যবহার করে অনেকেই টাকা দেশে ফেরত আনবেন। কিন্তু তা আর হয়নি। যে কারণে প্রস্তাবিত বাজেটে এমন কোনো সুযোগ রাখা হয়নি।

ওই বিধানের আওতায় যে কোনো পরিমাণ নগদ বা নগদ সমতুল্য, ব্যাংক জমা, ব্যাংক নোটস, ব্যাংক হিসাব, কনভারটেবল সিকিউরিটিজ এবং আর্থিক দলিলাদি ৭ শতাংশ কর পরিশোধ করে ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে আনতে পারতেন যে কেউ।

তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সরকারের এ সহজ সুযোগ কেউ গ্রহণ করেনি বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, এখন পর্যন্ত বিদেশ থেকে দেশে অর্থ ফেরত আনার সুযোগ দিয়েছে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৭টি দেশ। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ছাড়া অন্য কোনো দেশ তেমন সফল হয়নি।

;