ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন শীর্ষক আলোচনা সভা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন শীর্ষক আলোচনা সভা

ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন শীর্ষক আলোচনা সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে শরিয়াহভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামি অর্থ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল লেনদেনের ভূমিকা ও অগ্রগতিসহ এই খাতের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা সভায় উঠে এসেছে। ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের সার্বিক সহযোগিতায় আলোচনা সভাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ের বিএসআরএফ মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদার, নগদ ইসলামিকের শরিয়াহ সুপারভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি, নগদের নির্বাহী পরিচালক এবং নগদ ইসলামিকের শরিয়াহ বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ আমিনুল হক, বিএসআরএফ-এর সভাপতি তপন বিশ্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকসহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের ধর্মপ্রাণ গ্রাহকদের জন্য ‘নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্ট’ চালুর মাধ্যমে সম্পূর্ণ শরিয়াহভিত্তিক লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য নগদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ডিজিটাল শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদ ইসলামিক-কে একটি অভূতপূর্ব অর্জন হিসেবে আখ্যায়িত করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

‘নগদ ইসলামিক’-এর মতো উদ্যোগ গ্রহণ করায় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান নগদ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। নগদ ইসলামিক গত ৩ বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের সুবিধা দিয়ে আসছে, যা দেশের মানুষদের জন্য ইসলামি জীবনবিধি মেনে আর্থিক লেনদেন ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা সুদমুক্ত উপায়ে নিজস্ব তহবিল পরিচালনা এবং নিজের কষ্টার্জিত অর্থ সঞ্চয় করতে পারছেন এবং গ্রাহকেরা খুব সহজেই হজ এবং ওমরাহর যাতায়াতসহ অন্যান্য খরচ এবং ঘরে বসেই তাদের ইসলামিক জীবন বিমার পেমেন্টও পরিশোধ করার সুবিধা পাচ্ছে। তাছাড়া এই প্লাটফর্মে আছে যাকাত ক্যালকুলেটর, ডোনেশনের সুবিধা এবং ইবাদতের জন্য বিশেষ ফিচার।

তিনি আরও বলেন, গ্রাহকের লেনদেন থেকে আয়ের একটা অংশ বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসার উন্নয়ন কাজে দান করছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদের এই সেবা একটি সুপরিকল্পিত এবং বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম। এই পরিকল্পিত উদ্যোগের জন্য আমি নগদ-কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

নগদের নির্বাহী পরিচালক এবং নগদ ইসলামিক-এর শরিয়াহ বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, মাত্র ৩ বছরেই ৬ কোটি গ্রাহক এখন নগদের সঙ্গে আছেন, এটি সত্যি আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন। আমাদের দেশে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান। সেই বিবেচনায় আমরা নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্টটি নিয়ে এসেছি। আমরা জানি ধর্মপ্রাণ গ্রাহক এমনকি প্রান্তিক পর্যায়েও শরিয়াহভিত্তিক লেনদেনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দেশে ইসলামিক ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদ ইসলামিক একটি মাইলফলক এবং আমাদের বিশ্বাস এর সুফল দেশের সর্বস্তরের মানুষ উপভোগ করতে পারবেন।

নগদ ইসলামিক-এর শরিয়াহ সুপারভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, নগদ ইসলামিক-এর সেবা শুধুমাত্র প্রান্তিক নয়, বরং দেশের সকল শ্রেণির মানুষের জন্য। আমি সবাইকে আবারও আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই প্ল্যাটফর্মের সকল সেবা শরিয়াহ বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত। গ্রাহকেরা নিশ্চিন্তে এই সেবা নিতে পারবেন।

লন্ডনের ‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ওয়ালটন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
লন্ডনের ‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ওয়ালটন

লন্ডনের ‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ওয়ালটন

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটন অর্জন করেছে লন্ডনভিত্তিক ‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ (RoSPA Health and Safety Gold Awards)|। উন্নত কর্ম-পরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করায় লন্ডনের দ্য রয়েল সোসাইটি ফর প্রিভেনশন অফ এক্সিডেন্ট বা রোসপা শীর্ষক ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই স্বীকৃতি পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। বাংলাদেশী উৎপাদনমুখী শিল্পখাতে ওয়ালটনই প্রথম এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করলো।

গত ২৩ জুন লন্ডনের চেশিয়ারে এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটনকে ‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। ওয়ালটনের পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেফটি (ইএইচএস) বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ লিটন মোল্ল্যা। গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ এই তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারটি প্রদান করে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন গোল্ড ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার পেলো।

উল্লেখ্য, ‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ হলো বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বীকৃত স্কিমগুলির মধ্যে একটি। এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য প্রতি বছর প্রায় ৫০টি দেশ থেকে ২ হাজার কোম্পানি নাম এন্ট্রি করে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ৭ মিলিয়নেরও বেশি এমপ্লয়ি।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির এই পদক অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে শিল্পখাতে উন্নত কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। ওয়ালটন ইএইচএস বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী লিটন মোল্ল্যা বলেন, ওয়ালটনের উন্নত কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এক বিশাল অর্জন। এই পুরস্কার দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে নতুন এক মাত্রা যোগ করলো। এই সম্মাননা ওয়ালটনের ‘ভিশন-২০৩০’ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা রাখবে। এই পুরষ্কার অর্জনের মাধ্যমে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তার বেঞ্চমার্ক করা সহজ হবে।

ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আঞ্জুম বলেন, উচ্চমানের পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি। যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) -এর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এসডিজির ৩, ৮ ও ৯ নাম্বার লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কর্মসুযোগ সৃষ্টি এবং স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং অভিঘাতসহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই শিল্পয়ানের প্রবর্ধন এবং উদ্ভাবনার প্রসারণকল্পে আমরা কাজ করছি। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রোসপা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ওয়ালটন।

তিনি বলেন, মর্যাদাকর এই পুরস্কার ‘বেটার বাংলাদেশ টুমরো’ শীর্ষক উদ্যেগের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যামাত্রা অর্জনে ওয়ালটন পরিবারকে আরো অনুপ্রাণিত করবে।

;

চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি

চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি

  • Font increase
  • Font Decrease

চাল আমদানির জন্য ৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৪ লাখ ৯ হাজার টন চাল ১১ আগস্টের মধ্যে চাল আমদানি করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সংগ্রহ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান ও অতিরিক্ত সচিব মুজিবর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অনুমতি দেওয়া হয়।

চিঠির শর্তানুযায়ী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে চালের এলসি খুলতে হবে এবং ১১ আগস্টের মধ্যে আমদানি করা চাল দেশে বাজারজাত শেষ করতে হবে। আমদানি করা চালের মধ্যে ৩ লাখ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল ও ৩০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল রয়েছে।

সময়মতো এলসি খুলতে বা আমদানি করতে ব্যর্থ হলে সেসব ব্যবসায়ীর চাল আমদানির অনুমতি বাতিল হবে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে।

আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলা খাদ্য অফিসে জানাতে হবে যে তারা কী পরিমাণ চাল আমদানি করবে, কী পরিমাণ বিক্রি করবে ও কী পরিমাণ মজুত করবে। বাজারে সরবরাহ বাড়িয়ে চালের দাম কমাতে এ অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২২ জুন থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আমদানি করা চালের ওপর শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ করেছে। তবে প্রতিটি চালান আমদানির সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। ৯৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টি মোট ১ লাখ ৭০ হাজার টন আমদানির অনুমতি পেয়েছে। এ ছাড়া দুটি প্রতিষ্ঠান ২৫ হাজার টন করে, তিনটি ২০ হাজার টন করে এবং বাকিগুলো বিভিন্ন পরিমাণ চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে।

;

ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

  • Font increase
  • Font Decrease

এবারের ঈদের কেনাকাটা আরো সাশ্রয়ী করতে দেশজুড়ে প্রায় ১০ হাজার আউটলেট ও রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ৫ থেকে ২০% পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

সারাদেশে ৩ হাজার ব্র্যান্ড ও মার্চেন্ট আউটলেটে লাইফস্টাইল সামগ্রী, পোশাক, জুতা, ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট কিনে বিকাশ দিয়ে পেমেন্টে করলে দিনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা ও অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। অন্যদিকে, দেশজুড়ে প্রায় ৭ হাজার রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন গ্রাহক। রিটেইল দোকানগুলোতে ক্যাশব্যাক পেতে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে গ্রাহককে।

১১ জুলাই, ২০২২ পর্যন্ত বিকাশ অ্যাপ, ইউএসএসডি কোড *২৪৭# মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা।

এছাড়াও, প্রায় ৫০টি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কেনাকাটায়ও ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক নিতে পারছেন গ্রাহকরা।

অফারের আওতাভুক্ত সব মার্চেন্ট এর তালিকা এবং বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই লিংকে- https://www.bkash.com/payment/। বিকাশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজেও অফারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাবেন গ্রাহকরা।

;

ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ পেল সিটি ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ পেল সিটি ব্যাংক

ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ পেল সিটি ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংক ওমানের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলারের সিন্ডিকেট ঋণ নিয়েছে। ব্যাংক মাস্কাট প্রাথমিকভাবে ২৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে লেনদেন শুরু করে। পরবর্তীতে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়ার প্রেক্ষিতে এইসব দেশের স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংকের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ৪৫ মিলিয়ন ডলারের ফান্ড সংগ্রহ করে ব্যাংক মাস্কাট যা প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ২৫ মিলিয়ন ডলার থেকে ৮০ শতাংশ বেশি। এটি সিটি ব্যাংকের জন্য ব্যাংক মাস্কাটের নেতৃত্বে তৃতীয় সফল সিন্ডিকেটেড ঋণ সুবিধা।

বিশ্ব করোনা মহামারি থেকে এখনো পুরোপুরি মুক্ত হয়নি, আবার বর্তমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায়  অর্থনীতি ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। এই ঋণ সুবিধা সিটি ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে। দেশের বাণিজ্য খাতের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক সিটি ব্যাংক তাদের বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থায়নে এই ঋণ ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে দেশের বাণিজ্য কার্যক্রম এবং অর্থনৈতিক  প্রবৃদ্ধি অর্জনে এটি সহায়তা করবে।

অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মারুফ এই  সিন্ডিকেট ঋণের বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘সিটি ব্যাংকের সিন্ডিকেশন ঋণে বৈশ্বিক ব্যাংকগুলোর অভূতপূর্ব সাড়া দেখে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ সিকিন্ডিকেট ঋণ প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৮০ শতাংশ ওভারসাবস্ক্রাইবড হওয়ায় তা সিটি ব্যাংকের শক্তি এবং বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজারে তার গ্রহণযোগ্যতার চিত্র তুলে ধরে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে, ব্যাংকটির জন্য শক্তিশালী তারল্য নিশ্চিত করতে এবং আমাদের ক্লায়েন্টদের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক প্রয়োজন মেটাতে আমরা এই ঋণসহ একাধিক উদ্যোগ নিয়েছি।  সিটি ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য এবং এই চুক্তিটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করার জন্য আমি ব্যাংক মাসকটকে ধন্যবাদ জানাই।’

উল্লেখ্য, সিটি ব্যাংক ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ব্যাংক মাস্কাট থেকে ২০ মিলিয়ন ইউরো সিন্ডিকেট ঋণ নিয়েছিল। যা ছিল কোনো ওমানি ব্যাংকের কাছ থেকে কোনো বাংলাদেশি ব্যাংকের নেওয়া এ ধরনের প্রথম ঋণ। ২০২০ সালে সিটি ব্যাংক ৩০ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ গ্রহণ করে।

৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি সম্পদের ব্যাংক মাস্কাট হলো ওমানের সালতানাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক। ৩৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ারসহ এটি দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক। ব্যাংকটির বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সম্পর্কের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত, যা ব্যবসা বাণিজ্যকে গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকটি উপসাগরীয় অঞ্চল, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়া এবং আফ্রিকা জুড়ে ঋণদাতাদের কাছ থেকে অনুকূল অর্থায়নের শর্তে তহবিল সংগ্রহে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

;