গ্যাস চুরি: মাসে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা লোপাট



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাসে প্রায় ৬ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চুরি হচ্ছে যার দাম (আমদানি মূল্যে) সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা প্রায়। চুরির পুরোটাই সিস্টেম লসের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

চুরি পরিমাণ এক-তৃতীয়াংশ কমানো গেলেও স্পর্ট মার্কেট এলএনজি আমদানি করতে হয় না। আর স্পর্ট মার্কেট থেকে গ্যাস আমদানি করতে না হলে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন পড়ে না। মুনাফায় থাকা গ্যাসের ৬টি বিতরণ কোম্পানি দাম না বৃদ্ধি করে বিদ্যমান বিতরণ চার্জ বাতিল (ঘনমিটার ২৫ পয়সা) করলেও চলে ( সূত্র বিইআরসি করিগরি কমিটি)।

বাংলাদেশ বর্তমানে দৈনিক কমবেশি ৩ হাজার  মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে গত জুলাই-ডিসেম্বর সিস্টেম লস হয়েছে সাড়ে ৮ শতাংশ। দৈনিক সিস্টেম লসের পরিমাণ ২৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট। কারিগরি ও অন্যান্য দিক বিবেচনায় গ্যাসের আদর্শ সিস্টেম লস ধরা হয় সর্বোচ্চ ২.২৫ শতাংশ। বিতরণে ২ শতাংশ সঞ্চালনে দশমিক ২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল গণশুনানিতে বলেছেন, গ্যাসের আদর্শ সিস্টেম লস হচ্ছে ২ শতাংশের নিচে। বিশ্বের কোথাও ২ শতাংশের উপরে সিস্টেম লস নেই। সাড়ে ৮ শতাংশ সিস্টেম লস গ্রহণযোগ্য নয়। এই মাত্রা গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।

অর্থাৎ প্রায় ৬ শতাংশ চুরিকে সিস্টেম লসের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দৈনিক চুরি যাওয়া গ্যাসের পরিমাণ হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অন্যদিকে চড়াদামে স্পর্ট মার্কেট থেকে আমদানি করা গ্যাসের পরিমাণ মাত্র ৯৯ মিলিয়ন ঘনফুট। স্পর্ট মার্কেটের এলএনজির মূল্যের (ঘনমিটার ৫০ টাকা আমদানি শুল্কসহ) সঙ্গে তুলনা করলে দৈনিক চুরি যাওয়া ৬ শতাংশ গ্যাসের মূল্য দাঁড়ায় ৩৪৫ কোটিতে। যা বছরে ১ লাখ ৩ হাজার ৫’শ কোটি টাকার মতো।

এই চুরির পরিমাণটি সরল অংকের হিসেবে। আরেকটি অংক রয়েছে, আবাসিকের মিটারবিহীন ৩৪ লাখ গ্রাহক। মিটারবিহীন গ্রাহকরা মাসে ৪০ ঘনমিটারের নিচে ব্যবহার করলেও প্রতিমাসে ৭৮ ঘনমিটারের বিল দিয়ে আসছে।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ২০১৬ সালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বলেছিলেন, “প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পাইলট প্রকল্পের রেজাল্ট খুব ভালো। দুই চুলায় মাসে ৩৩ ঘন মিটার গ্যাস সাশ্রয় হচ্ছে”।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য মতে দেশে বৈধ আবাসিক গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৩৮ লাখ গ্রাহকের মধ্যে ৩ লাখ ৬৮ হাজার প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছে। অর্থাৎ প্রতিমাসে সাড়ে ৩৪ লাখ গ্রাহকের পকেট কাটা হচ্ছে। মাসে গড়ে ৫’শ টাকা হারে ধরলেও মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বছরে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই টাকার কারণে সিস্টেম গেইন করার কথা অর্থাৎ প্রকৃত সিস্টেম লসের পরিমাণ ১২ শতাংশের উপর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছে।

এই চুরির প্রায় পুরোটাই বিতরণ সংস্থা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি অধিভুক্ত এলাকায়। অল্প পরিমানে রয়েছে কুমিল্লা চাঁদপুর অঞ্চলে বিতরণ কোম্পানি বিজিডিসিএল ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিতরণ কোম্পানি কেজিডিসিএল'এ। তিতাসের চুরি এখন ওপেট সিক্রেট। কোম্পানিটি সম্প্রতি চাপের মুখে জোনগুলোকে পৃথক করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে বেশকিছু জোনে পৃথক মিটার বসানো হয়েছে।   নারায়নগঞ্জ আড়াইহাজার জোনে প্রায় ৩০ শতাংশের উপরে সিস্টেম লস ধরা পড়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

তবে এ তথ্য সঠিক নয় বলে উল্লেখ করেছেন তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ। তিনি বার্তা২৪.কমকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, কে দিয়েছে এই তথ্য? তার কাছে প্রকৃত তথ্য জানতে চাইলে বলেন আমি মুখস্ত বলতে পারবো না। জোন কতটি সে বিষয়েও আমার মুখস্ত নেই।

তিতাস গ্যাসের পরিচালক অপরেশন (চলতি দায়ত্বি) প্রকৌশলী সেলিম মিয়া যেনো এক কাঠি সরেস। তার কাছে সিস্টেম লসের কথা জানতে চাইলে বলেন, সাংবাদিক কি এই তথ্য চাইতে পারে। আপনার এই তথ্য দিয়ে কি দরকার। আপনি কোন এলাকায় গ্যাস থাকবে, কোন এলাকায় থাকবে না এটা জানতে চাইতে পারেন। সিস্টেম লস কি দরকার।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে পেট্রোবাংলা বলেছে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বেড়ে গেছে। স্পর্ট মার্কেট থেকে চড়া দরে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। তাদের তথ্যে দেখা গেছে গত অর্থবছরে গড়ে দৈনিক ৯৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আমদানি করা হয়েছে। সে হিসেবে স্পর্ট মার্কেট থেকে আমদানি করা গ্যাসের পরিমাণ মাত্র ৩ শতাংশ। এ জন্য ১১৭ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে বিইআরসি কারিগরি কমিটি ২০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। যে কোন দিন ঘোষণা আসতে পারে।

ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, বর্তমানে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য আত্মঘাতি হতে পারে। আমরা মনে করে চুরি ঠেকানো গেলে স্পর্ট মার্কেট থেকে গ্য্যাস আমদানির প্রয়োজন পড়ে না। তখন গ্যাসের দাম বাড়ানোর বদলে কমানো যায়। আমরা হিসেব করে দেখিয়ে দিয়েছি গ্যাসের দাম ১৬ পয়সা কমানো যায়।

গ্যাস বিতরণের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় এই কোম্পানিটি এমন সব দুর্নীতি সামনে এসেছে যা পুরোপুরি অভিনব। বৈধ সংযোগ বন্ধ, তখন সংযোগ দেওয়া হয়েছে, সেসব গ্রাহকের আস্থা সৃষ্টি করার জন্য কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয় তাদের হাতে। যথারীতি গ্রাহকরা বিলও জমা করেন। ২০১২ সালে এ রকম পে-স্লিপের মাধ্যমে ব্যাংকে ১০০ কোটি টাকা জমা পড়ে। তিতাসের আবাসিক গ্রাহকেরা যেসব ব্যাংকে প্রতি মাসে গ্যাসের বিল জমা দেন, সেই ব্যাংকগুলো থেকে ওই বাড়তি টাকার হিসাব কোম্পানির কেন্দ্রীয় হিসাব বিভাগে আসে। কিন্তু এই টাকা তিতাসের হিসাবে জমা হচ্ছিল না (পোস্টিং না হওয়া) তাই বেকায়দায় পড়ে তিতাস। আর তখনেই বিষয়টি সামনে চলে এলে তখন বিষয়টি বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল।

এরপর আরেকটি অভিনব ঘটনা ঘটে, গভীর রাতে সার্ভারে ঢুকে অবৈধ গ্রাহককে বৈধ করার। রাতের আধারে কোম্পানির সার্ভারে এন্ট্রি দিয়ে বৈধ করার অভিযোগে ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে মামলা করে তিতাস। প্রাথমিকভাবে এক রাতেই ১ হাজার ২৪৭টি সংযোগ বৈধ করে দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলাটি (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০) দায়ের করা হয়।

আবার এমন ঘটনা ঘটেছে গ্রাহকরা বিল জমা দিয়েছেন কিন্তু সেই বিল জমা হয়নি লেজারে। কিছু অসাধু কর্মকর্তা গ্রাহকদের এসব টাকা মেরে দিয়েছেন। আর ঘটনাটি ধরে পড়ে বকেয়ার দায়ে লাইন কাটতে গেলে। গ্রাহক তখন তাদের জমার রশিদ দেখান। এই ঘটনাটি ধরা পড়েছে গত জানুয়ারি মাসের দিকে।

সম্প্রতি আরেকটি হাস্যকর ঘটনার জন্ম দিয়েছেন বিতর্কিত এই কোম্পানিটি। বাহবা নেওয়ার জন্য বিশাল এলাকা জুড়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার খবর বিজ্ঞপ্তি পাঠায় মিডিয়াতে। গত ২৫ মে পাঠানো সেই বিজ্ঞপ্তিতে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর বাঘাবন্দি (বাঘাইয়াকান্দি) গ্রামের নাম লেখা হয়। কিন্তু গ্রামবাসি দাবী করেছেন তাদের এলাকার কখনও লাইন ছিল না। তাহলে কাটলো কিভাবে। এই ঘটনায় বেশ হাস্যকর ঘটনার জন্ম দেয়। অন্যদিকে কেজি মেপে ঘুষ খাওয়ার ঘটনাও তিতাসের সৃষ্টি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তিতাসে ব্যাপক দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে। ‍দুদক গ্যাস-সংযোগে নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ না করা, অবৈধ সংযোগ দেওয়া, মিটার টেম্পারিং করা, কম গ্যাস সরবরাহ করেও সিস্টেম লস দেখানো এবং বাণিজ্যিক গ্রাহককে শিল্প শ্রেণির গ্রাহক হিসেবে সংযোগ দেওয়াসহ ২২টি বিষয়কে প্রতিষ্ঠানটিতে দুর্নীতির উৎস বলে চিহ্নিত করেছে।

গ্যাসের দাম ‍বৃদ্ধির গণশুনানিতে অংশ নিয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ বলেন, তিতাসের এতো বদনাম, আমরা কাজ করতে পারছি না। হয়তো ৫-১০ শতাংশ স্টাফ দুনীতিতে জড়িত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, অনেক বলেন অবৈধ সংযোগ রয়েছে তিতাস কিছু করে না। আমাদের হাজার হাজার লাখ লাখ অবৈধ সংযোগ রয়েছে। আমরা কাটছি, তারা আবার লাগাচ্ছে। ইদুর বিড়াল খেলা চলছে, আমাদের লোকবল কম তাদের সঙ্গে পেরে উঠছি না। অবৈধ প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিপ্রপার্টির গ্রাহকদের সহজ হোম লোন সুবিধা দিতে সিটি ব্যাংকের সাথে চুক্তি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিপ্রপার্টির গ্রাহকদের সহজ হোম লোন সুবিধা দিতে সিটি ব্যাংকের সাথে চুক্তি

বিপ্রপার্টির গ্রাহকদের সহজ হোম লোন সুবিধা দিতে সিটি ব্যাংকের সাথে চুক্তি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিপ্রপার্টির গ্রাহকদের হোম লোন নেয়ার ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় রেট এবং বিশেষ সার্ভিস প্রদান করার লক্ষ্যেই সিটি ব্যাংকের সাথে বিপ্রপার্টির এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সম্প্রতি।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক বিপ্রপার্টির বিশেষ হোম লোন ফাইন্যান্সিং পার্টনার হিসেবে যুক্ত হচ্ছে, যেখানে সিটি ব্যাংক বিপ্রপার্টির গ্রাহকদের জন্য দ্রুততম সময়ে এবং সহজ শর্তে হোম লোনের সুযোগ করে দিবে। এছাড়া বিপ্রপার্টির সকল গ্রাহকদের বিশেষ সুদের হার প্রদান করার সাথে দ্রুত সময়ে হোম লোনের প্রক্রিয়া সমাপ্ত করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ক্যাম্পেইন এবং প্রমোশনাল অফারের সুবিধাও প্রদান করবে সিটি ব্যাংক।

যেখানে বিপ্রপার্টির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বিপ্রপার্টির কমার্শিয়াল এবং অপারেশনস এর ডিরেক্টর অনীক সীমান্ত, প্রোডাক্ট এবং গ্রোথ এর জেনারেল ম্যানেজার খান তানজিল আহমেদ এবং মর্টগেজ সল্যুশনস এর ম্যানেজার কাজী সারোয়ার জাহান সানি।

এছাড়া সিটি ব্যাংক এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন এসইভিপি ও রিটেইল ব্যাংকিং এর প্রধান মোহাম্মদ অরুপ হায়দার, ইভিপি- প্রোডাক্টস্‌, সেগমেন্টস্‌ এবং ডিরেক্ট অ্যাকুইজিশনস্ এর প্রধান সুবির কুমার কুন্ডু, এসএভিপি- ডেভেলপার রিলেশনশিপ এর প্রধান এ.কে.এম রোকনুজ্জামান খন্দকার এবং ডেভেলপার রিলেশনশিপ এর ম্যানেজার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। 

বাংলাদেশের ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষরে বিপ্রপার্টি একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যারা গ্রাহকদের সেরা সার্ভিস দিতে সদা সচেষ্ট। আর এরই ধারাবাহিকতায় গ্রাহকদের জন্য সহজে হোম লোন এর প্রক্রিয়া সম্পাদনে বিপ্রপার্টি প্রপার্টির মূল্য নির্ধারণ এবং বন্ধকী প্রপার্টি সমূহের লিগ্যাল ভেরিফিকেশনে সিটি ব্যাংককে সহায়তা করবে।

;

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল ইসলামী ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল ইসলামী ব্যাংক

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বন্যার্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করেছে।

সোমবার (২৭ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান ও ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার নিকট থেকে অনুদানের এ চেক গ্রহণ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

;

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল এসআইবিএল



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল এসআইবিএল

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল এসআইবিএল

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যার্তদের সাহায্যার্থে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল)।

সোমবার (২৭ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের নিকট অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুব উল আলম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।

এ সময় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)- এর চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

;

ভিসা ‘এক্সিলেন্স ইন ফিনটেক’ পুরস্কার পেল নগদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ভিসা ‘এক্সিলেন্স ইন ফিনটেক’ পুরস্কার পেল নগদ

ভিসা ‘এক্সিলেন্স ইন ফিনটেক’ পুরস্কার পেল নগদ

  • Font increase
  • Font Decrease

‘নগদ’ ওয়ালেটের মাধ্যমে ভিসা কার্ডে অ্যাড মানি এবং বিল প্রদানসহ দেশের অর্থনৈতিক খাতে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি ও সাশ্রয়ী সেবা নিয়ে আসার জন্য ভিসা ‘এক্সিলেন্স ইন ফিনটেক প্রোডাক্ট ইনোভেশন ২০২২’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে ‘নগদ’।

বিশ্বের অন্যতম পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিসা প্রথম কোনো এমএফএস সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার প্রদান করল।

সম্প্রতি রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল শেরাটনে ভিসা আয়োজন করে ‘ভিসা লিডারশিপ কনক্লেভ-ডিজিটাল পেমেন্টস ফর স্মার্ট বাংলাদেশ ২০২২।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, এমপি।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের নির্বাহী পরিচালক খুরশিদ আলম, ইউএস এম্বাসি ঢাকার পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কাউন্সিলর স্কট ব্র্যান্ডন, ভিসা ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সদ্বীপ ঘোষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মেজবাউল হক, ‘নগদ’-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার (সিসিও) সাদাত আদনান আহমেদ ও চিফ সেলস অফিসার (সিএসও) মো. শিহাব উদ্দিন চৌধুরী।

ভিসা বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সৌম্য বসু বলেন, এক্সিলেন্স ইন ফিনটেক প্রোডাক্ট ইনোভেশন ২০২২ পুরস্কারের মাধ্যমে ‘নগদ’-এর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে পেরে আমরা আনন্দিত এবং তাদের অভিনন্দন জানাই। তিনি বলেন, নগদ’ এবং ভিসা যৌথভাবে কয়েক মাস আগে দেশে প্রথমবারের মতো গ্রাহকদের জন্য মোবাইল ওয়ালেট থেকে সরাসরি ভিসা কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করার সল্যুশন চালু করেছে।

‘আমরা বিশ্বাস করি, এমএফএস এবং ব্যাংকের মধ্যে আন্তলেনদেন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি এই উদ্যোগটি ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও সহজ করেছে। যার ফলে গ্রাহকেরা যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে অর্থ স্থানান্তরের সুবিধা উপভোগ করতে পারছেন,’ যোগ করেন সৌম্য বসু।

ভিসা ‘এক্সিলেন্স ইন ফিনটেক প্রোডাক্ট ইনোভেশন ২০২২’ পুরস্কার গ্রহণ করেন ‘নগদ’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাহেল আহমেদ। এ সময় তিনি বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য নগদ সবসময় চেষ্টা করে বৈপ্লবিক কিছু সমাধান নিয়ে আসতে।’

‘আমরা মানুষের জীবনকে সহজ করতে চাই। সামনের দিনে আরও বেশকিছু সমাধান নিয়ে আসতে ভিসার এই পুরস্কার অবশ্যই আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।’ যোগ করেন ‘নগদ’-এর সিইও রাহেল আহমেদ।

‘নগদ’ বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি আধুনিক সেবা হিসেবে শুরু থেকে মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছে। কোনা ধরনের কাগজ ছাড়া মোবাইল অ্যাকাউন্ট খোলার প্রযুক্তি এ দেশে নিয়ে এসেছে ‘নগদ’। এখন *১৬৭# ডায়াল করে পিন সেট করে মুহূর্তেই ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। যার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ছয় কোটির বেশি গ্রাহক ভিত্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে ‘নগদ’।

ভিসা লিডারশিপ কনক্লেভ মূলত একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র এক্সিকিউটিভরা পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে মূল্যবান আলোচনা ও তথ্য শেয়ার করে থাকেন। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভিসা প্রতিবছর তার অংশীদার ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সফলতার ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদান করে থাকে, যা প্রতিষ্ঠানটির সহযোগীদের অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ বাড়াতে সহায়তা করে।

;