১২ কেজি এলপিজির নতুন দাম ১২১৯ টাকা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের ১২ কেজির দাম ১২১৯ টাকা এবং যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৫৬.৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

নতুন দর আজ সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কার্যকর হবে। টানা কয়েকমাস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর মে মাসে থেকে কমতে থাকে এলপি গ্যাসের দাম। মে মাসে এলপি গ্যাসের দর ছিল (১২ কেজি) ১৩৩৫ টাকা, অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৬২.২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন দর ঘোষণা করে বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল। অন্যদের মধ্যে অংশ নেন কমিশনের সদস্য মকবুল ই-এলাহী চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু ফারুক, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, কামরুজ্জামান, সচিব খলিলুর রহমান খান।

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ন্ত এলপি গ্যাসের দর এপ্রিলে (১২ কেজি) গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৩৯ টাকায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোর সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় এ বছর। এপ্রিল মাসে (সৌদি আরামকো) সর্বোচ্চ দর ওঠে প্রপেন ৯৪০, বিউটেন ৯৬০ ডলার। ২০১৪ সালের পর আর কখনও এতো বেশি দরে বেচাকেনা হয়নি। বাংলাদেশে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত জ্বালানি পণ্যটি। মে মাসে কমে যথাক্রমে টন প্রতি দাম দাঁড়ায় ৮৫০ ও ৮৬০ ডলারে। চলতি মাসে গড়মূল্য ৬৬৩.৫০ ডলারে নেমে এসেছে। তবে ডলার ঊর্ধ্বমুখী দরের কারণে সেভাবে সুবিধা পাচ্ছেন না ভোক্তারা।

সাংবাদিক সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, কেউ বেশি দাম চাইলে ভোক্তা অধিদফতরে অভিযোগ দিন, অথবা আমাদেরকে জানান। অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ভোক্তা অধিদফতর বেশ কিছু অভিযান পরিচালনা করেছে।

গত বছরের ১২ এপ্রিলের আগে পর্যন্ত এলপিজির দর ছিল কোম্পানিগুলোর ইচ্ছাধীন। ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দর ঘোষণা করে বিইআরসি। তখন বলা হয়েছিল আমদানি নির্ভর এই জ্বালানির সৌদি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি আরামকো ঘোষিত দরকে ভিত্তি মূল্য ধরা হবে। সৌদির দর উঠানামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠানামা করবে। অন্যান্য কমিশন অরপরিবর্তিত থাকবে। ঘোষণার পর থেকে প্রতিমাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।

কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে ‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’ অবলম্বন করুন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
টিআইবি

টিআইবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে দেশে-বিদেশে সকল প্রকার লেনদেনের স্বয়ংক্রিয় তথ্য আদান-প্রদান সহায়ক ‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’ (সিআরএস) অনতিবিলম্বে অবলম্বন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি মনে করে, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি মোকাবিলায় আইএমএফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্যোগ স্বাভাবিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হলেও, প্রযোজ্য সুদসহ ঋণ পরিশোধের বোঝা পুরোটাই জনগণের ওপর পড়বে। এ প্রেক্ষিতে প্রায় সম্পূর্ণ বিনা খরচে কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধের মাধ্যমে প্রস্তাবিত বৈদেশিক ঋণের বহুগুণ বেশি অর্থ বাৎসরিক ও টেকসইভাবে উপার্জন করার পথ সরকারের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে বলে মনে করিয়ে দিচ্ছে টিআইবি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি মোকাবিলায় আইএমএফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্যোগ স্বাভাবিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে প্রযোজ্য সুদসহ এ ধরনের ঋণ পরিশোধের বোঝা পুরোটাই জনগনকে বইতে হয়। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে- আর্থিক সংকট, বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার ক্রমবর্ধমান ঘাটতি মোকাবিলায় বৈদেশিক ঋণ সহায়তাসহ অন্যান্য চলমান উদ্যোগসমূহ জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে গ্রহণ করা হয়েছে কি-না! অর্থাৎ জনগণের ওপর ঋণের বোঝা না বাড়িয়ে বিকল্প উপায় অবলম্বনের পথ বিবেচনা করা রয়েছে কি-না!”

গ্লোবাল ফাইনানশিয়াল ইন্টেগ্রিটির তথ্যানুযায়ী, ২০০৮-২০১৫ মেয়াদে চালান জালিয়াতির মাধ্যমে পাচার হওয়ার পরিমাণ বছরে ৮.২ বিলিয়ন ডলার, যা হালনাগাদ তথ্যপ্রাপ্তি সাপেক্ষে ইতোমধ্যে কমপক্ষে ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি হবে বলে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “ক্রমবর্ধমান অর্থ পাচার বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ যে গগনচুম্বী এ বিষয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। একই ভাবে কোনো সন্দেহ নেই যে, বাংলাদেশের অর্থপাচারের সিংহভাগ আমদানি ও রপ্তানি বানিজ্যে মিস্ইনভয়েসিং বা চালান জালিয়াতির মাধ্যমে সংগঠিত হয়। যার ফলে একদিকে যেমন ব্যাপক কর ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে। সরকারকে মনে রাখতে হবে যে, চলমান সংকটের মতো পরিস্থিতিতে কর ফাঁকি ও অর্থপাচার স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পায়। উল্লিখিত বিশাল মাত্রার অর্থপাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বাড়ানোর জন্য কার্যকর সিআরএস অবলম্বন করা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য আইনগত ও  নৈতিক দায়িত্ব। যার সুফল প্রস্তাবিত আইএমএফ এর মত সংস্থার এককালীন আন্তর্জাতিক ঋণের তুলনায় বহুগুণে বেশি হারে ও বাৎসরিকভিত্তিতে সুলভ ও টেকসই ভাবে বৈদেশিক মুদ্রা তথা জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।”

বাংলাদেশের অর্থপাচারের গন্তব্য দেশসমূহ, এমনকি তথাকথিত কর-স্বর্গ দেশ বা অঞ্চলগুলোও ইতোমধ্যে সিআরএস আওতাভুক্ত হয়েছে এবং তথ্য আদান-প্রদান করছে উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাংক-গোপনীয়তার জটিলতা থেকে মুক্তির উপায় এখন বাংলাদেশের নাগালের মধ্যে। সকল প্রভাব, ভয়-করুণা ও স্বার্থের দ্বন্দ্বের উর্ধ্বে থেকে স্বল্পমেয়াদে আর্থিক সংকট মোকাবিলায় এবং মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদে টেকসইভাবে কর ফাঁকি ও অর্থ পাচার নিয়ন্ত্রনে সিআরএস অবলম্বনের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার উদাহরন স্থাপনে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি, অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের পাশাপাশি সরকার জাতীয় পর্যায়ে প্রযোজ্য আইনি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ওইসিডি’র উদ্যোগে প্রনীত এবং ২০১৭ সাল থেকে কার্যকর ব্যাংক ও আর্থিক খাতে দেশে-বিদেশে সকল প্রকার লেনদেনের স্বয়ংক্রিয় তথ্য আদান-প্রদান সহায়ক কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড (সিআরএস) এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিবেশি একাধিক দেশসহ বিশ্বের ১২০টির বেশি দেশ তাদের দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানরত নাগরিকদের সকল প্রকার ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবীক্ষণ করছে। যা দেশগুলোকে তথ্যের লেনদেনের মাধ্যমে একদিকে দেশে-বিদেশে কর ফাঁকি নিয়ন্ত্রন ও রাজস্ব আদায় এবং অন্যদিকে অর্থপাচার প্রতিরোধ, চিহ্নিতকরণ, উদ্ধারসহ জবাবদিহি নিশ্চিতের সুযোগকে অবারিত করেছে।

;

আপাতত এলএনজি আমদানিই ভরসা: তৌফিক-ই-ইলাহী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই-ইলাহী চৌধুরী

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই-ইলাহী চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

গভীর সাগরে গ্যাস পেলেও ১০ বছর সময় লাগবে, ততদিন আমরা কি করবো। সে জন্য সাশ্রয়ী হবো, কিছু লোডশেডিং করবো। আপাতত দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে এলএনজি আমদানিই ভরসা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই-ইলাহী চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বহুমূখী জ্বালানি সমৃদ্ধ আগামী”।

তিনি আরও বলেন, এক সময় বলা হলো বাংলাদেশ গ্যাসে ভাসছে, ওইসব বিষয়ে আশাবাদী হওয়া ঠিক, কিন্তু বেশি নির্ভর করা ঠিক হবে না। অনেকে বলেন ৩টি কূপ খনন করলে একটিতে গ্যাস পাওয়া যায়। কিন্তু কতটুকু গ্যাস পাওয়া যায়। বাপেক্স গত ৫ বছরে ৩৪টি কূপ করেছে।

সাগর থেকে কনোকো ফিলিপস ছেড়ে গেলো কেনো, পসকো দাইয়ু কেনো ছেড়ে গেলো। সেগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। গত ১০ বছরে মায়ানমার তেমন কোন গ্যাস আবিষ্কার করতে পারেনি। বড় কোম্পানিগুলো বড় গ্যাস ফিল্ড ফেলে আমাদের এখানে আসতে চাইবে!

তিনি বলেন, পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় এসেছে, এটাই শেষ না আরও আসতে পারে। উন্নত দেশও তাদের জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। জার্মানী পুরনো কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করছে। আমরা যখন কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করলাম, পরিবেশবাদীরা বললো পরিবেশ শেষ করে দিলাম। আমাদের প্রযুক্তি উন্নত প্রযুক্তি এতে পরিবেশের ক্ষতি হবে না। অনেকে শতাংশ বলেন, শতকরা জিনিসটা ব্যবহার করবেন না। জার্মানীতে ৬০ হাজার, আমেরিকায় ২ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কয়লা দিয়ে উৎপাদন করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন গ্যাস ফিল্ডগুলো কিনেছিলেন সেই সময়কার আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় অনেক টাকা।এমন একটি সাহসী সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় কেবল দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতার কাছ থেকে। ওনি কিন্তু খাদ্য না কিনে গ্যাস ফিল্ড কিনেছিলেন। তখন কিন্তু গ্যাসের তেমন ব্যবহারও ছিল না।

বিশ্বের যে আঘাতটা এসেছে, বঙ্গবন্ধুর ওই সিদ্ধান্ত পথ দেখাবে, সাহস যোগাবে। আমাদের নিজেদের খাদ্য রয়েছে বলে অনেকটা ভালো আছি। অনেক দেশ খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। আমরা যদি সকলে একসঙ্গে ধয্যের সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারি, তাহলে অবশ্যই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো। আমাদের প্রচুর সম্পদ রয়ে গেছে, সেগুলো নিয়ে যদি কাজ করতে পারি অবশ্যই মোকাবেলা করতে পারবো। দ্বিধাদ্বন্দে না থাকিয়ে কাজে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।

জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করতে একটি গ্রুপ সক্রিয়। তারা এখনও অপচেষ্টায় লিপ্ত। কোন কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করবেন। অবশ্যই সঠিক তথ্য পাবেন।

বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। রেলসহ পরিবহন সেক্টর বিদ্যুতের আওতায় আনা গেলে আমদানি নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান বলেন, বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতার কারণে এখনও আমরা এসব গ্যাস ফিল্ড থেকে ৩৫ শতাংশ গ্যাস পাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর পথ অনুসরণ করে বর্তমান সরকারও দেশীয় গ্যাস আহরণে কাজ করে যাচ্ছে। দেশীয় গ্যাস ফিল্ডের উন্নয়নের জন্য প্রথম প্রয়োজন সার্ভে, সে লক্ষ্যে সার্ভে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

বক্তারা বলেন, বর্তমান গ্যাস ফিল্ডগুলো ডাটা পুন:মূল্যায়ন করি তাহলে আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সাগর ও পার্বত্য এলাকায় মনযোগ দেওয়া গলে গ্যাসের রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পাবে। পার্বত্য এলাকায় ৪৩ টিসিএফ গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জ্বালানি উপদেষ্টা এসব বক্তব্যকে একাডেমিক বলে উড়িয়ে দেন।

বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান, বিপিসির চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, এনার্জি এন্ড পাওয়ার ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. হেলাল উদ্দিন। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড, বাপেক্স, বিপিসিএমসিএল, ইআরএলসহ জ্বালানি বিভাগের আওতাধীন কোম্পানি সমুহের পদস্থ কর্মকর্তাগণ অংশ নেন।

বঙ্গবন্ধু ঘাতকদের হাতে নিহত হওয়ার ৬ দিন পূর্বে ৯ আগস্ট ৫টি গ্যাসক্ষেত্র (তিতাস, বাখরাবাদ, হবিগঞ্জ, রশিদপুর ও কৈলাশটিলা) বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে নামমাত্র মূলে কিনে নেন। একইসঙ্গে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিশন কোম্পানিতে থাকা শেল অয়েলের সব শেয়ার কিনে নেয় বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক ওই ক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০১০ সালে থেকে ৯ আগস্টকে ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

;

ডলার কারসাজি: পদ হারালেন ছয় ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান ডলার সংকটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশি-বিদেশি ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধানকে অপসারণ করা হয়েছে। ট্রেজারি বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের টাকা ও ডলারের দৈনন্দিন জোগান ও চাহিদার বিষয়টি নিশ্চিত করে থাকে।

দেশি পাঁচ ব্যাংক হলো- ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ও সাউথইস্ট ব্যাংক। আর বিদেশি ব্যাংকটি হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

এর আগে, ওই ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দিয়ে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সোমবার রাতে বলেন, ‘ট্রেজারি অপারেশনে অতিরিক্ত মুনাফা করায় পাঁচটি দেশি এবং একটি বিদেশি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়ায় জরুরিভিত্তিতে ওই ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ করতে সোমবার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সম্প্রতি ডলারের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো পরিদর্শন করে এবং ডলার কেনাবেচার তথ্য পর্যালোচনা করে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রমাণ পেয়েছে, ছয়টি ব্যাংকের কোনো কোনোটি ডলার কেনাবেচা করে গত মে মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করেছে। এর মাধ্যমে ডলার বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলা হয় বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অপসারণ করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে ব্যাংকের মতো খোলাবাজারেও ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ডলার নেই। প্রবাসী আয় কমেছে, বিদেশি পর্যটকও কম আসছেন। এসব কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ কমে গেছে।

এদিকে সোমবার ডলারের বিপরীতে টাকার মান আরও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার (০৮ আগস্ট) মার্কিন ডলারের দাম ৩০ পয়সা বাড়িয়ে ৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। আগে যা ছিল ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। এছাড়া খোলাবাজারে ডলারের দাম উঠেছে ১১৫ টাকা, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম।

;

ডলার সংকট: ৬ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান ডলার সংকটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

পাঁচটি দেশি ও একটি বিদেশি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর সোমবার (৮ আগস্ট) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে খোলা বাজারে যারা ডলারের ব্যবসা করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাঁচটি মানি এক্সচেঞ্জের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপা‌শি ৪৫টি‌কে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শোকজের পাশাপাশি আরও নয়টি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স না নিয়েই ব্যবসা করে আসছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে ব্যাংকের মতো খোলাবাজারেও ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ডলার নেই। প্রবাসী আয় কমেছে, বিদেশি পর্যটকও কম আসছেন। এসব কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ কমে গেছে।

এদিকে সোমবার ডলারের বিপরীতে টাকার মান আরও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার (০৮ আগস্ট) মার্কিন ডলারের দাম ৩০ পয়সা বাড়িয়ে ৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। আগে যা ছিল ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। এছাড়া খোলাবাজারে ডলারের দাম উঠেছে ১১৫ টাকা, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম।

;