মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদন



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদন

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদন

  • Font increase
  • Font Decrease

মাতারবাড়ি (কক্সবাজার) থেকে: কয়েকমাস আগেও যারা ঘুরে গেছেন তারাও চিনতে পারছেন না বদলে যাওয়া মাতারবাড়িকে। প্রথম দিকের মন্থর গতি কাটিয়ে এখন গতিতে ফিরেছে মাতারবাড়ি  কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের আশাবাদ।

গভীর সমুদ্রবন্দরসহ নানা দিক থেকে অন্যান্য কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এগিয়ে থাকছে কেন্দ্রটি। পুরোমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে দৈনিক ১৩ হাজার ১০৪ টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এ জন্য কয়লা খালাসের জেটি ও সাইলো নির্মাণ করা হয়েছে। বিশাল আকৃতির সাইলোগুলোতে ৬০ দিনের কয়লা মজুদ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কয়লার জেটিতে সরাসরি ৮০ হাজার টন ক্ষমতা সম্পন্ন মাদার ভেসেল ভিড়তে পারবে। আর মাদার ভেসেল থেকে কয়লা খালাস করতে সময় লাগবে দেড় থেকে দুই দিন। কয়লার সহজ পরিবহনের বিষয়টি মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে বিশেষভাবে এগিয়ে রাখবে। পায়রা কিংবা রামপালে মাদার ভেসেল গভীর সমুদ্রে রেখে লাইটারেজে করে কয়লা খালাস করতে হয়। বিষয়টি একদিকে যেমন সময় সাপেক্ষ, তেমনি ব্যয়বহুল। লাইটারেজ ভাড়া ছাড়াও মাদার ভেসেলের অপেক্ষমান চার্জ হাজার হাজার ডলার গুণতে হয়। মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এসব ঝামেলার বালাই থাকছে না।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব জেটিতে মাদার ভেসেল ভেড়ানোর জন্য  ১৪.৩ কিলোমিটার লম্বা ( প্রস্ত ৩০০ মিটার) চ্যানেল খনন করা হয়েছে। নাব্যতা নিশ্চিত করার জন্য সেডিমেন্টেশন মিটিগেশন ডাইক করা হয়েছে। এতে করে বছর বছর ড্রেজিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবেন চ্যানেলটি। সমীক্ষায় দেখা গেছে বছরে ৮ মিলিয়ন টন পলি জমার সম্ভাবনা ছিল।


কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আরেকটি চ্যালেঞ্জ থাকে ছাই (অ্যাশ) ব্যবস্থাপনা। এখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইফটাইম ২৫ বছরের ছাই মজুদ রাখার মতো অ্যাশপন্ড রাখা হয়েছে। পৃথক দুটি অ্যাশপন্ড একটির আয়তন ৯০ একর, আরেকটি বিস্তৃতি ৬০০ একর জুড়ে। কয়লা মজুদের জন্য ৮০ একর জমিতে কোল ইয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।

সাগরের কোল ঘেষে গড়ে তোলা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যাতে সাইক্লোন কিংবা জলোচ্ছ্বাসে কবলে না পড়ে। সে জন্য সি লেভেল থেকে ১৪ মিটার উঁচু বাঁধের নির্মাণ করা হচ্ছে। বাঁধের ভেতরে অবস্থিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবকাঠামো থাকছে ১০ মিটার উঁচুতে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সর্বোচ্চ উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসকে মাথায় রেখে এর ডিজাইন করা হয়েছে। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ৭ মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল। বাঁধের উচ্চতা থাকছে তার দ্বিগুণ পরিমাণে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে মাতারবাড়ি প্রকল্প পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী মিসেস সীমা হামিদ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি ৭১ শতাংশ, আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৫৭ শতাংশ। পোর্ট ও পাওয়ায় প্লান্টের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৮৮ শতাংশ। ২৭৫ মিটার উঁচু চিমনি নির্মাণ কাজ শেষ, বয়লার, টারবাইন জেনারেটর এবং প্রি-কমিশনিংয়ের আনুসাঙ্গিক কাজ চলমান রয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী ডিসেম্বর মাসে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি প্রথম ইউনিট ৬০০ মেগাওয়াট, আর দ্বিতীয় ইউনিট (৬০০ মেগাওয়াট) বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসবে ৬ মাস পরে।


মাতারবাড়িতে প্রথম কেন্দ্রের নির্মাণ শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপে আরও একটি ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে জাইকার অর্থায়ন করার কথা ছিল। দ্বিতীয় কেন্দ্রটির কাজ শুরুর আগেই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থায়ন থেকে সরে যাচ্ছে জাপান। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আপাতত দ্বিতীয় ফেজের বিষয়ে ভাবছি না। কয়লার পরিবর্তে এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রও হতে পারে। আমরা এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখানে এলএনজি টার্মিনাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিশেষজ্ঞ টিম পরিদর্শন করে গেছেন, খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে। কাজ শুরু থেকে ৪ বছরের মতো সময় লাগবে। বড় মজুদের ব্যবস্থা রাখা হবে। যাতে আপোদকালীন সময়ে ব্যবহার করা যায়।

বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার মধ্যে ২০১৪ সালের ১৬ জুন ঋণচুক্তি করা হয়।  ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি ৩ লাখ টাকা প্রকল্প সহায়তা হিসেবে দেবে জাইকা, অবশিষ্ট ৭ হাজার ৯৩৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকার ও সিপিজিসিবিএল এর নিজস্ব তহবিল থেকে সরবরাহ করা হবে। আপাত দৃষ্টিতে প্রকল্প ব্যয় বিপুল পরিমাণ মনে হলেও এতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাইরে অনেক বিষয় রয়েছে। নিজস্ব চ্যানেল খনন করা, কয়লার পাশাপাশি তেল, গ্যাস খালাশ ও মজুদের ব্যবস্থা থাকছে এখানে। রয়েছে আমদানি রপ্তানির উপযোগি গভীর সমুদ্র বন্দর। এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর। যার বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

প্রকল্পের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, একে বহুমুখী প্রকল্প বলাই যুক্তিযুক্ত হবে। প্রকল্পের আওতায় আমদানিকৃত কয়লা লোড-আনলোড জেটি, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, টাউনশিপ নির্মাণ, স্থানীয় এলাকায় বিদ্যুতায়ন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ল্যান্ডবেজড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জায়গা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ওই প্রকল্পের খাতে ১০ হাজার কোটি টাকা চলে যাবে। এভাবে আরও অনেক খাতে ঋণ ভাগ হয়ে যাবে। জাপানের সুমিতোমো কর্পোরেশন, তোশিবা কর্পোরেশন ও আইএইচআই কর্পোরেশন এর কনসোর্টিয়ামকে মাতারবাড়ি ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।

জাপানের আর্থিক সহায়তায় মহেশখালীর মাতারবাড়ী এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় সরকার। দুটি কেন্দ্রের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে ১৬০৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কয়লাকে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ বিবেচনা করা হয়, সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসা সরকারের জন্য দারুণ খুশির বার্তা নিয়ে আসছে।

'ডলার সংকট কমলেই ফল আমদানিতে এলসি খোলার অনুমতি দেওয়া হবে'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডলার সংকট কমলেই ফল আমদানিতে এলসি (ঋণপত্র) খোলার অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেছেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের ফলের প্রচুর ফলন হচ্ছে। আর নিজেদের পণ্যেরও ভালো দাম পাওয়া দরকার। পরিস্থিতি ইমপ্রুভ (উন্নতি) করলে, সেটি (এলসি) খুলে দেওয়া হবে।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রমজানে ফল আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে, এলসি (ঋণপত্র) খোলা যাচ্ছে না, ফলের দাম দিনদিন বেড়ে যাচ্ছে; অথচ রোজায় ফলের চাহিদা থাকে ব্যাপক। এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ফল তো আমাদের দেশে প্রচুর হচ্ছে। এখন আমাদের দেখতে হচ্ছে যাতে বৈদেশিক মুদ্রায় অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। এছাড়া দেশে যে ফল উৎপাদন হচ্ছে, সেটিরও একটি মূল্য পাওয়া দরকার। যে জন্য এটি (এলসি) একটু রেসট্রিক্ট (সীমিত) করা হয়েছে। সময় ভালো হলেই খুলে দেওয়া হবে। এখন দরকার ডলার সেভ (সংরক্ষণ) করা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে যেটা অপরিহার্য, সেটিতেই আমরা বেশি জোর দিচ্ছি।

এদিকে ডলার সংকটে পণ্য আমদানি করতে নানামুখী অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের। এলসি খুলতে পারলেও তা সীমিত। এতে ফল আমদানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলের বাজারে অস্থিরতা চলছে। অভিযোগ রয়েছে, বিক্রেতারা চড়া মূল্যে ফল বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা তুলে নিচ্ছেন।

রমজান মাসকে সামনে রেখে পণ্যের দাম কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, কমানো না, প্রতিমাসেই টিসিবির জন্য আমাদের কিনতে হচ্ছে। রমজানকে সামনে রেখে একটু বেশি কিনতে হচ্ছে। এ সময় রমজানে কোনো সমস্যা বা পণ্য সংকট হবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

;

পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টের আগে খরচ জানার নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাসপোর্টে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করার আগে ব্যয়ের তথ্য যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করা সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক এবং মানি চেঞ্জারে পাঠিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, পাসপোর্টের পাতায় আগের এনডোর্সমেন্ট গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি উক্ত পাসপোর্টের বিপরীতে গ্রাহকের ব্যয় করা বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন টিএম ফর্ম মনিটরিং সিস্টেম (ওটিএফএমএস), ইন্টারন্যাশনাল কার্ড মনিটরিং সিস্টেম (আইসিএমএস) এবং অনলাইন মানি চেঞ্জার মনিটরিং সিষ্টেমে (ওএমসিএমএস) যাচাই করে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্স করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, পূর্ববর্তী পাসপোর্ট নম্বর (যদি থাকে) এর বিপরীতে একই বছরে ব্যয় করা বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ যাচাই করতে হবে। এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

;

রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত অর্থবছরের (২০২১-২২) তুলনায় চলতি অর্থবছর (২০২২-২৩) বৈদেশিক বাজেট সহায়তা কমছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেছেন, গত অর্থবছরে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে সরকার ৩ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ বাজেট সহায়তা পেয়েছে। আর চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে জন্য ২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ বাজেট সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নোয়াখালী-২ আসনের এমপি মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার বিভিন্ন ধরনের সংস্কারমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। এসব সংস্কারমূলক কাজের বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য অনেক সময় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান সরকারকে ‘বাজেট সাপোর্ট’ শীর্ষক নীতি ঋণ বা পলিসি ক্রেডিট প্রদান করে। কাজেই, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটসহ জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বাজেট সাপোর্ট গ্রহণ করছে বিষয়টি এ রকম নয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

সরকারদলীয় এমপি এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে এনবিআর গত ২০২১-২২ অর্থবছরে আগের অর্থবছর থেকে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় করেছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে এনবিআর রাজস্ব আদায় করেছে তিন লাখ এক হাজার ৬৩৩ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে আদায় হয়েছে দুই লাখ ৬১ হাজার ৬৮৯ দশমিক ২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ পূর্ববর্তী অর্থবছরের (২০২০-২১) তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৯ হাজার ৯৪৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।

;

ভ্যালেন্টাইন ডে’র কেনাকাটা জমবে নগদ পেমেন্টে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ভ্যালেন্টাইন ডে’র কেনাকাটা জমবে নগদ পেমেন্টে

ভ্যালেন্টাইন ডে’র কেনাকাটা জমবে নগদ পেমেন্টে

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে জমজমাট অফার নিয়ে এসেছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। বিভিন্ন মার্চেন্ট থেকে কেনাকাটা করলে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। এ ছাড়া প্রতিদিন সর্বোচ্চ টাকার কেনাকাটা করা গ্রাহক পাবেন ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা বিমানের কাপল টিকিট।

৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে নগদ-এর ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইন চলবে। এই ক্যাম্পেইন চলাকালীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কেনাকাটা করলে নগদ ব্যবহারকারীরা পাবেন সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। নগদ অ্যাপ অথবা *১৬৭* ডায়াল করে এই কেনাকাটা করা যাবে। পাশাপাশি অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমেও উপভোগ করা যাবে দারুণ এই ছাড়।

এ ছাড়াও ৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ কেনাকাটা করা গ্রাহক পাবেন ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা বিমানের কাপল টিকিট। নির্দিষ্ট কিছু মার্চেন্টের ক্ষেত্রে ক্যাশব্যাক অফারটি ১৯ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাবে।

সবমিলিয়ে ৯০টিরও বেশি মার্চেন্টে নগদ ব্যবহারকারীরা এই ছাড় পাবেন। এরমধ্যে বাটা, এপেক্স (অনলাইন), লোটো (অনলাইন), এসএসবি লেদার, শেফস টেবিল, রেমন্ড, কে ক্রাফট, মোনার্ক মার্ট-এর মতো মার্চেন্ট থাকছে এই ক্যাম্পেইনে। এই ৯০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটায় সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

এই অফার নিয়ে নগদ-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মো. সিহাবউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘নগদ তারুণ্যের উৎসবকে আরও রঙ্গীন করতে চায়। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস সব বয়সের মানুষের তরুণ মনের উৎসব। আমরা এই উৎসবে মানুষের আনন্দটা ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে আরও রাঙিয়ে দিতে চাই। সে জন্যই আমরা এই ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছি।’

প্রতিদিনের সর্বোচ্চ লেনদেন করা গ্রাহককে ফোন করে তার বিমানের টিকিট পাওয়ার ব্যাপারটি নিশ্চিত করা হবে। নগদ কাস্টমার কেয়ার থেকে তিনবার ফোন করা হবে। এরপরও ওই গ্রাহক ফোন রিসিভ না করলে সর্বোচ্চ লেনদেনকারী পরবর্তী গ্রাহককে বেছে নেওয়া হবে। গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য তার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কিছু প্রমাণ চাইবেন কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি। উল্লেখ্য, কোনোভাবেই পিন বা ওটিপি কেউ গ্রাহকের কাছে চাইবেন না। অন্য কেউ এই গোপন নম্বরসমূহ চাইলে সে ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করছে নগদ কর্তৃপক্ষ।

ফোন করে নিশ্চিত করার ৭ দিনের মধ্যে ওই গ্রাহককে টিকিট বুঝিয়ে দেওয়া হবে। বিজয়ীরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর টিকিট পাবেন। ফলে টিকিট বিষয়ক সমস্ত দায়িত্ব বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

;