মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদন



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদন

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদন

  • Font increase
  • Font Decrease

মাতারবাড়ি (কক্সবাজার) থেকে: কয়েকমাস আগেও যারা ঘুরে গেছেন তারাও চিনতে পারছেন না বদলে যাওয়া মাতারবাড়িকে। প্রথম দিকের মন্থর গতি কাটিয়ে এখন গতিতে ফিরেছে মাতারবাড়ি  কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের আশাবাদ।

গভীর সমুদ্রবন্দরসহ নানা দিক থেকে অন্যান্য কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এগিয়ে থাকছে কেন্দ্রটি। পুরোমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে দৈনিক ১৩ হাজার ১০৪ টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এ জন্য কয়লা খালাসের জেটি ও সাইলো নির্মাণ করা হয়েছে। বিশাল আকৃতির সাইলোগুলোতে ৬০ দিনের কয়লা মজুদ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কয়লার জেটিতে সরাসরি ৮০ হাজার টন ক্ষমতা সম্পন্ন মাদার ভেসেল ভিড়তে পারবে। আর মাদার ভেসেল থেকে কয়লা খালাস করতে সময় লাগবে দেড় থেকে দুই দিন। কয়লার সহজ পরিবহনের বিষয়টি মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে বিশেষভাবে এগিয়ে রাখবে। পায়রা কিংবা রামপালে মাদার ভেসেল গভীর সমুদ্রে রেখে লাইটারেজে করে কয়লা খালাস করতে হয়। বিষয়টি একদিকে যেমন সময় সাপেক্ষ, তেমনি ব্যয়বহুল। লাইটারেজ ভাড়া ছাড়াও মাদার ভেসেলের অপেক্ষমান চার্জ হাজার হাজার ডলার গুণতে হয়। মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এসব ঝামেলার বালাই থাকছে না।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব জেটিতে মাদার ভেসেল ভেড়ানোর জন্য  ১৪.৩ কিলোমিটার লম্বা ( প্রস্ত ৩০০ মিটার) চ্যানেল খনন করা হয়েছে। নাব্যতা নিশ্চিত করার জন্য সেডিমেন্টেশন মিটিগেশন ডাইক করা হয়েছে। এতে করে বছর বছর ড্রেজিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবেন চ্যানেলটি। সমীক্ষায় দেখা গেছে বছরে ৮ মিলিয়ন টন পলি জমার সম্ভাবনা ছিল।


কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আরেকটি চ্যালেঞ্জ থাকে ছাই (অ্যাশ) ব্যবস্থাপনা। এখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইফটাইম ২৫ বছরের ছাই মজুদ রাখার মতো অ্যাশপন্ড রাখা হয়েছে। পৃথক দুটি অ্যাশপন্ড একটির আয়তন ৯০ একর, আরেকটি বিস্তৃতি ৬০০ একর জুড়ে। কয়লা মজুদের জন্য ৮০ একর জমিতে কোল ইয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।

সাগরের কোল ঘেষে গড়ে তোলা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যাতে সাইক্লোন কিংবা জলোচ্ছ্বাসে কবলে না পড়ে। সে জন্য সি লেভেল থেকে ১৪ মিটার উঁচু বাঁধের নির্মাণ করা হচ্ছে। বাঁধের ভেতরে অবস্থিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবকাঠামো থাকছে ১০ মিটার উঁচুতে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সর্বোচ্চ উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসকে মাথায় রেখে এর ডিজাইন করা হয়েছে। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ৭ মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল। বাঁধের উচ্চতা থাকছে তার দ্বিগুণ পরিমাণে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে মাতারবাড়ি প্রকল্প পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী মিসেস সীমা হামিদ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি ৭১ শতাংশ, আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৫৭ শতাংশ। পোর্ট ও পাওয়ায় প্লান্টের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৮৮ শতাংশ। ২৭৫ মিটার উঁচু চিমনি নির্মাণ কাজ শেষ, বয়লার, টারবাইন জেনারেটর এবং প্রি-কমিশনিংয়ের আনুসাঙ্গিক কাজ চলমান রয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী ডিসেম্বর মাসে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি প্রথম ইউনিট ৬০০ মেগাওয়াট, আর দ্বিতীয় ইউনিট (৬০০ মেগাওয়াট) বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসবে ৬ মাস পরে।


মাতারবাড়িতে প্রথম কেন্দ্রের নির্মাণ শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপে আরও একটি ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে জাইকার অর্থায়ন করার কথা ছিল। দ্বিতীয় কেন্দ্রটির কাজ শুরুর আগেই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। কার্বন নিঃসরণ কমাতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থায়ন থেকে সরে যাচ্ছে জাপান। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আপাতত দ্বিতীয় ফেজের বিষয়ে ভাবছি না। কয়লার পরিবর্তে এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রও হতে পারে। আমরা এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখানে এলএনজি টার্মিনাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিশেষজ্ঞ টিম পরিদর্শন করে গেছেন, খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে। কাজ শুরু থেকে ৪ বছরের মতো সময় লাগবে। বড় মজুদের ব্যবস্থা রাখা হবে। যাতে আপোদকালীন সময়ে ব্যবহার করা যায়।

বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার মধ্যে ২০১৪ সালের ১৬ জুন ঋণচুক্তি করা হয়।  ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি ৩ লাখ টাকা প্রকল্প সহায়তা হিসেবে দেবে জাইকা, অবশিষ্ট ৭ হাজার ৯৩৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকার ও সিপিজিসিবিএল এর নিজস্ব তহবিল থেকে সরবরাহ করা হবে। আপাত দৃষ্টিতে প্রকল্প ব্যয় বিপুল পরিমাণ মনে হলেও এতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাইরে অনেক বিষয় রয়েছে। নিজস্ব চ্যানেল খনন করা, কয়লার পাশাপাশি তেল, গ্যাস খালাশ ও মজুদের ব্যবস্থা থাকছে এখানে। রয়েছে আমদানি রপ্তানির উপযোগি গভীর সমুদ্র বন্দর। এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর। যার বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

প্রকল্পের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, একে বহুমুখী প্রকল্প বলাই যুক্তিযুক্ত হবে। প্রকল্পের আওতায় আমদানিকৃত কয়লা লোড-আনলোড জেটি, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, টাউনশিপ নির্মাণ, স্থানীয় এলাকায় বিদ্যুতায়ন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ল্যান্ডবেজড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জায়গা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ওই প্রকল্পের খাতে ১০ হাজার কোটি টাকা চলে যাবে। এভাবে আরও অনেক খাতে ঋণ ভাগ হয়ে যাবে। জাপানের সুমিতোমো কর্পোরেশন, তোশিবা কর্পোরেশন ও আইএইচআই কর্পোরেশন এর কনসোর্টিয়ামকে মাতারবাড়ি ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।

জাপানের আর্থিক সহায়তায় মহেশখালীর মাতারবাড়ী এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় সরকার। দুটি কেন্দ্রের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে ১৬০৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কয়লাকে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ বিবেচনা করা হয়, সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসা সরকারের জন্য দারুণ খুশির বার্তা নিয়ে আসছে।

   

ইসলামী ব্যাংকের ময়মনসিংহ জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ময়মনসিংহ জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন এবং মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা সম্প্রতি জামালপুরের একটি রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল ফায়েজ মুহাম্মদ কামালউদ্দিন।

সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ জোনপ্রধান মোঃ আনিসুল হক, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম মাহবুব মোরশেদ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ আবদুল জলিল ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী মোহাম্মদ ইসমাঈল। সম্মেলনে জোনের অধীন শাখাসমূহের প্রধান ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের স্বত্বাধিকারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

;

৪৩৯ কোটি টাকার সার কিনছে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৪৩৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার ইউরিয়া, ডিএপি সার ও ফসফরিক এসিড কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরমধ্যে ২৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ডিএপি সার, ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার ইউরিয়া সার এবং ৬২ কোটি ৯২ লাখ টাকার ফসফরিক এসিড রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে কমিটির সভায় এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান।

এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত সচিব জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় জি টু জি পদ্ধতিতে সৌদি আরবের মা আদেন থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানি ব্যয় হবে ২৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫৭৬ মার্কিন ডলার। যা আগে ছিল ৫৮৯ মার্কিন ডলার।

এছাড়া কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৩৭১ দশমিক ৩৭ ডলার। যা আগে ছিল ৩১৬ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার। এছাড়াও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টন ফসফরিক এসিড কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৬২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৫৭২ ডলার। যা আগে ছিল ৫৮২ ডলার। এ ফসফরিক এসিড সরবরাহ করবে চায়নার জুনজুয়াই ইকো টেকনোলজি কোম্পানি। এদের ঢাকার প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছে মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন।

;

২৪৯ কোটি টাকার ডাল-গম কিনছে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ২৪৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ডাল ও গম কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এরমধ্যে ৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকার মসুর ডাল এবং ১৬৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার গম কেনা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে কমিটির সভায় এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান।

তিনি জানান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান এম এস এগ্রো কট ইন্টারন্যাশনাল থেকে ৫০ হাজার টন গম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতি টন গমের মূল্য পড়বে ৩০৩ দশমিক ১৬ ডলার। আগের ক্রয় মূল্য ছিল ৩১৫ দশমিক ২৯ ডলার।

এদিকে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীর নাবিল নবা ফুডস লিমিটেড থেকে এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ হবে ৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। প্রতিকেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০৩ টাকা ৯০ পয়সা।

;

১৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তেল কিনছে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
১৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তেল কিনছে সরকার

১৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তেল কিনছে সরকার

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-এর (টিসিবি) মাধ্যমে বিক্রির জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ১৭৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সেই হিসেবে প্রতি লিটারের খরচ পড়বে ১৫৮ দশমিক ৭৯ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে এটি ছাড়াও মোট ১২টি প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। 

সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১৬৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করা হবে। প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৩০৩ দশমিক ১৯ মার্কিন ডলার। সেইসঙ্গে ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি করা হবে, যার মোট দাম পড়বে ৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। এছাড়া জিটুজি পদ্ধতিতে ২৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানি করা হবে সৌদি আরব থেকে। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৫৭৬ ডলার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জানান, ১৪ হাজার ২৫০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য ওষুধ কেনা হবে, যার দাম পড়বে ১৪৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণে ১৮৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার একটি প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে আজকের সভায়। এছাড়া, এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

;