ইসলামী ব্যাংক রাজশাহী জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংক রাজশাহী জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক রাজশাহী জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর রাজশাহী জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন এবং মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা সম্প্রতি রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খান সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ জামাল উদ্দিন মজুমদার। ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্যাংকের রাজশাহী জোনপ্রধান মোঃ মিজানুর রহমান মিজি ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ. কে. এম মাহবুব মোর্শেদ।

সম্মেলনে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মুন্সি রেজাউর রশিদসহ জোনের অধীন শাখাপ্রদান ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের স্বত্বাধিকারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

   

স্বাধীনভাবে কাজ না করায় ব্যাংকিংখাতে পুঞ্জীভূত সংকট বাড়ছে: সিপিডি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজে বাধা এমন কি অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা স্বাধীনভাবে কাজ না করায় ব্যাংকিং খাতে পুঞ্জীভূত সংকট বাড়ছে বলে মন্তব্য করে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাজধানীর লেকশোর হোটেলের লা ভিটা হলে সিপিডি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য সামনে কী অপেক্ষা করছে?’ শীর্ষক সংলাপে এ মন্তব্য করে সিপিডি।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, স্বাধীনভাবে কাজ না করার অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার স্বাধীন সত্তা হারিয়ে ফেলেছে। এর ফলে সুদের হার, ব্যাংকের লাইসেন্স, সুদ মওকুফ, খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের মত বিষয়াদির নীতিমালা বাংলাদেশ বাংকের বাইরে থেকে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।

ডা. ফাহমিদা বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সুশাসনের অভাব, নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা, আইনি জটিলতা আর অবাধ তথ্যের অভাবে ব্যাংকিং খাতের স্বাস্থ্য ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে।

পরিস্থিতির উত্তরণে খাতভিত্তিক সাময়িক উদ্যোগের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, দৃঢ় রাজনৈতিক সংকল্প এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে নির্দেশনা না আসলে এই খাতকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে না।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকগুলোর পরিচালক নিয়োগ থেকে শুরু করে ঋণ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা চর্চা সমুন্নত করা, দুর্বল ব্যাংকগুলোর এক্সিট পলিসি নিশ্চিত করা, অর্থ ঋণ আদালতে চলমান মামলাগুলোর দ্রুত সমাধান করার সুপারিশ করা হয়।

এ সব সমস্যার সমাধানে বরাবরের মতই একটি স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠনেরও তাগিদ দিয়েছে সিপিডি।

সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে সিপিডির ফেলো প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ব্যাংকিংখাতের অবস্থা ভালো থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতিও ভালো থাকবে।

আর এই খাতে চ্যালেঞ্জ দেখা দিলে সামষ্টিক অর্থনীতিতে এর গুণক প্রভাব পড়বে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে গিয়ে অর্থনীতি নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়।

মূল প্রবন্ধে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ২০১২ সালের ৪২,৭২৫ কোটি টাকা থেকে তিন গুণ বেড়ে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১,৪৫,৬৩৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এর বাইরে ২০২২ সালের হিসেবে অবলোপন করা ৪৪৪৯৩ কোটি টাকা এবং রিসিডিউল করা ২১২৭৮০ কোটি টাকা যোগ করলে মোট মন্দ ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩.৭৮ লাখ কোটি টাকায়।

বর্তমাণে অর্থঋণ আদালতে ৭২ হাজারের বেশি বিচারাধীন মামলায় ১.৭৮ লাখ কোটি টাকা আটকে আছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই টাকা কখন পাওয়া যাবে এ বিষয়ে কেউ নিশ্চিত নয়।

খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট বৃদ্ধির পাশাপাশি সব ধরনের ব্যবসার ব্যয় বাড়ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ব্যয় বৃদ্ধির জন্য সুদের হারকে দায়ী করা হলেও খেলাপ ঋণের বিষয়টি আলোচনায় আসে না। বাস্তবতা হচ্ছে খেলাপি ঋণের আশঙ্কায় ব্যাংকগুলোকে ঋণ বিতরণের আগেই একটা কুশন রাখতে হয়।

সচরাচর সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেশি থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে পাল্লা দিয়ে খেলাপি ঋণ বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক। এর ফলে ব্যাংকে প্রভিশনিং ঘাটতির পাশাপাশি তারল্যের সংকট ঘনীভূত হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, গত বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বরের সময় ৯৮৯৪১ কোটি টাকা প্রয়োজনের বিপরীতে ব্যাংকগুলোর প্রভিশনিং ছিল ৭৯৬৭৯ কোটি টাকা। এ হিসেবে ব্যাংকের প্রভিশনিং ঘাটতি ছিল ১৯. ৫ শতাংশ। এ সময় ১৯২৬১ কোটি টাকা মোট প্রভিশনিং ঘাটতির মধ্যে সরকারি ব্যাংকগুলোর অংশ প্রায় সমান ছিল।

;

‘স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী পুরস্কার’ পেল আইবিসিএমএল



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড (আইবিসিএমএল) দেশের পুঁজিবাজারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মার্চেন্ট ব্যাংকার ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রদত্ত ‘‘ স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী পুরস্কার-২০২৩’’ লাভ করেছে।

বুধবার (২২ মে) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিএসইসি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী’র কাছ থেকে আইবিসিএমএলের চিফ কো-অর্ডিনেটর ও ইসলামী ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, এফসিএস এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান।

এসময় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মোঃ আবদুর রহমান খান, বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ এবং ড. রুমানা ইসলামসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;

তিতাসের ১৪ নম্বর কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
তিতাসের ১৪ নম্বর কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু

তিতাসের ১৪ নম্বর কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ১৪ নম্বর কূপ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর ওয়ার্কওভার কাজ শেষে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই কূপটি থেকে গ্যাস উৎপাদনে যাওয়া যাবে। এবং তা জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।

মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে জেলার সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় বলে জানিয়েছেন কূপ সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) কূপটির ওয়ার্কওভার কাজ সম্পন্ন করেছে। এখান থেকে প্রতিদিন ১৩-১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) কর্তৃপক্ষ।

কূপ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দৈনিক ২৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ১৪ নম্বর কূপটি সরাইল উপজেলার বিশ্বরোড এলাকায় ২০২০ সালে খনন করা হয়। তবে গ্যাসের সঙ্গে অতিমাত্রায় পানি ওঠায় ২০২১ সালের পহেলা নভেম্বর থেকে কূপটি বন্ধ ঘোষণা করে গ্যাস ফিল্ড কর্তৃপক্ষ। চলতি বছর বিজিএফসিএল পরিচালিত তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাস ফিল্ডের বন্ধ থাকা ৭টি কূপের ওয়ার্কওভারে ৫২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৪টি কূপের ওয়ার্কওভার কাজ করবে বাপেক্স। বাকি ৩টির কাজ দেওয়া হচ্ছে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে। গত ১৯ মার্চ তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ১৪ নম্বর কূপের ওয়ার্কওভার কাজ শুরু করে বাপেক্স। যা চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে শেষ হয়। এরপর গতকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় কূপ থেকে। প্রতিদিন এই কূপ থেকে ১৩-১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার আশা সংশ্লিষ্টদের।

এ বিষয়ে গ্যাস কূপ ওয়ার্কওভার প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাঈল মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে ১৪ নম্বর কূপটি থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। তবে পুরোদমে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়নি। আশা করা হচ্ছে আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে কূপটি থেকে গ্যাস উৎপাদনে যাওয়া যাবে এবং উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করা যাবে।

;

ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন চট্টগ্রামের আলম



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আবু আলমের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস

আবু আলমের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়ার কাতারে এবার যুক্ত হলেন বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আবু আলম। ঈদ উপলক্ষে দেশব্যাপী চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর আওতায় দেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে নগদ ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন তিনি। হয়েছেন ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের ৩৬তম মিলিয়নিয়ার।

মঙ্গলবার (২১ মে) বন্দর নগরীর আগ্রাবাদে ওয়ালটনের ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম ‘কেএসটিএল এন্টারপ্রাইজ’ এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আবু আলমের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান এবং চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক, ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহজালাল হোসেন লিমন, ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার আব্দুল বারী, রেজিওনাল সেলস ম্যানেজার নেসার উদ্দীন, কেএসটিএল এন্টারপ্রাইজের সত্ত¡াধিকারী আব্দুল কাদের খান।

আসন্ন ঈদ উৎসবকে ঘিরে ক্রেতাদের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর আওতায় ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। ক্যাম্পেইন চলাকালীন দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম ও অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন এবং ফ্যান কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা।

এছাড়াও পাচ্ছেন নগদ এক লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ। রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আবু আলম গত ১৩ মে কেএসটিএল এন্টারপ্রাইজ থেকে ৪৭ হাজার টাকায় ওয়ালটনের ৩৬৫ লিটারের একটি ফ্রিজ কেনেন।ফ্রিজটি কেনার পর তার নাম, মোবাইল নম্বর এবং ক্রয়কৃত ফ্রিজের মডেল নম্বর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর তার মোবাইলে ওয়ালটনের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়ার একটি ম্যাসেজ যায়।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের আয়রন ও স্টিলের ব্যবসায়ী আবু আলম বলেন, ওয়ালটন দেশীয় ব্র্যান্ড, তাই সব সময় ওয়ালটনের পণ্য ব্যবহার করি। এক আত্মীয়কে উপহার দেওয়ার জন্য ওয়ালটনের ফ্রিজটি কিনেছি। ফ্রিজটি কিনে ১০ লাখ টাকা পেয়ে আমি বিষ্মিত। সাধারণ ক্রেতাদের এ রকম বিশেষ সুবিধা দেয়ায় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠানে সবাইকে দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার আহবান জানিয়ে চিত্রনায়ক আমিন খান বলেন, ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় সারা দেশে এখন পর্যন্ত মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৩৬জন ক্রেতা। বহু ক্রেতা হয়েছেন লাখপতি। ওয়ালটনের সেই টাকায় তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে। সচ্ছল হয়েছে অনেকের সংসার। ব্যবসার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন। অর্জন করে নিয়েছে দেশের সিংহভাগ ক্রেতার আস্থা।

অপু বিশ্বাস বলেন, ওয়ালটন আমাদের দেশের জন্য একটি গর্ব। দেশীয় ইলেকট্রনিক্স শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ জনবল তৈরিসহ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিস্ময়করভাবে অবদান রেখে চলছে ওয়ালটন। দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বের বহু দেশে পণ্য রফতানি করছে ওয়ালটন। দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। তাই আমাদেরকে দেশি ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে হবে। এতে দেশের টাকা দেশে থাকবে। উপকৃত হবে দেশ।

;