নগদের কোটি টাকার বিএমডব্লিউ জিতলেন ঢাকার মাহবুব



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নগদের কোটি টাকার বিএমডব্লিউ জিতলেন ঢাকার মাহবুব

নগদের কোটি টাকার বিএমডব্লিউ জিতলেন ঢাকার মাহবুব

  • Font increase
  • Font Decrease

সবার মধ্যে টানটান উত্তেজনা। নিস্তব্ধ হোটেলের বলরুম, সবাই যেন ক্ষণ গণনা করছেন। কার হাতে উঠবে নগদের কোটি টাকার বিএমডব্লিউ গাড়ির চাবি! প্রতিটি মুহূর্ত যাচ্ছে আর উত্তেজনার পরদ উপরে উঠছে। এমনই এক পরিবেশে অভিনেতা অনন্ত জলিল ঘোষণা দিলেন বিজয়ীর নাম, সেই সঙ্গে নগদের কোটি টাকার বিএমডব্লিউ জিতে নিলেন ঢাকার পালোয়ান মাহবুব হায়দার।

বাংলাদেশের ইতিহাসে বৃহত্তম মেগা পেমেন্ট ক্যাম্পেইনের পুরস্কার মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীর কাছে হস্তান্তর করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, নগদ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক এবং চলচ্চিত্র অভিনেতা অনন্ত জলিল বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

নগদের মেগা ক্যাম্পেইনের চূড়ান্ত পর্যায়ে নগদ গ্রাহকের দেওয়া ভোটে সেরা দশজনকে বাছাই করে নগদ। ৪ লাখ ৭৩ হাজার ২৭টি ভোট পেয়ে তালিকায় সবার ওপরে থেকে ঢাকার পালোয়ান মাহবুব হায়দার জিতে নেন নগদের বিএমডব্লিউ । দ্বিতীয় স্থানে থাকা চট্টগ্রামের সিলভিয়া ইয়াসিন পেয়েছেন ৪ লাখ ১১ হাজার ৮১৩টি ভোট। কক্সবাজারের সাইদুর রহমান সোহেল ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৯টি ভোট পেয়ে ছিলেন তৃতীয় স্থানে। ভোটের হিসেবে পরের নামগুলো ভোলার মো. নাসিম পেয়েছেন, কুমিল্লার আবু সায়েদ বিন শোভন, যশোরের সানজিদা ইয়াসমিন মিলি, নোয়াখালীর সাজ্জাদ আহমেদ, রংপুরের নাহরিন নোশিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওয়াশিম আকরাম এবং বরিশালের মো. মাসুম মৃধা। ক্যাম্পেইনে সব মিলে ৪৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫৫টি ভোট পড়ে।

বিএমডব্লিউ গাড়ি জিতে যেন কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেন মাহবুব হায়দার। কিছুক্ষণ স্তব্ধ থেকে কিছুটা ধাতস্থ হয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি। স্বপ্নের মতো মনে হলেও নগদের এই চমকে শিহরিত মাহবুব হায়দার বলেন, আমি নিজেকে সবসময় হতভাগ্য মনে করি। আজকে বিএমডব্লিউ গাড়ি জেতার পর ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কাল হয়তো বলতে পারব আমার অনুভূতি। সত্যিই আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।

বিজয়ীকে অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘নগদ শুরু থেকে চমক দেখিয়েছে, সেই চমকের ধারাবাহিকতায় আজকের এই বিএমডব্লিউ উপহার দিচ্ছে নগদ। বিএমডব্লিউ বিজয়ীকে মাহবুবকে আমার অভিনন্দন।’ তিনি বলেন, ‘আজকে ডাক বিভাগকে বাঁচিয়ে রেখেছে নগদ, এ জন্য নগদকে ধন্যবাদ জানাই।’

পুরো আয়োজন প্রসঙ্গে নগদ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘বিএমডব্লিউ ক্যাম্পেইনটি যেকোনো বিবেচনায় সাধারণ কোনো ক্যাম্পেইন ছিল না। আমার বিবেচনায় এই ক্যাম্পেইনটি স্মার্ট বাংলাদেশের পথে একটি বড় পদক্ষেপ। বাংলাদেশে ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই ক্যাম্পেইনটির অনন্য একটি অবস্থান তৈরি করবে বলে আমার বিশ্বাস।’

অনুষ্ঠানে জাতীয় দলের তিন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিম ক্যাম্পেইনে ভিডিও বার্তায় ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদেরকে শুভেচ্ছা জানান।

গত মার্চে শুরু হয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত চালু ছিল নগদের বিএমডব্লিউ মেগা ক্যাম্পেইনটি। গ্রাহকদের ভালোবাসা এবং স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় এই সময়ে দেশের সেরা পেমেন্ট ক্যাম্পেইনের স্বীকৃতি পেয়েছে মেগা ক্যাম্পেইনটি। এ সময়ে নগদের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জ ও পেমেন্ট পৌঁছৈ যায় অন্য এক উচ্চতায়। ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের এক নতুন ধারার সূচনা হয়েছে।

বিজয়ী নির্বাচন করতে গিয়ে ‘কে জিতবে বিএমডব্লিউ নামে একটি অনুষ্ঠান প্রচার করে নগদ। কয়েকটি পর্ব পেরুনোর পর চূড়ান্ত অনুষ্ঠানের পর্বে অংশ নেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মুশফিকুর রহিম। বাংলা এআই ব্যবহার করে প্রতিটি ধাপে সম্ভাব্য বিজয়ীর সংখ্যা কমতে থাকে। শেষ দিনের আয়োজনে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুশফিকুর রহিমের অর্ধশকতের ওপর ভিত্তি করে প্রথমে ৪৪ জন গ্রাহককে বেছে নেয় বাংলা এআই। এই ৪৪ জন আসেন ৩৭ জেলা থেকে। পরে মুশফিকের পরামর্শে এআই ব্যবহার করে বাকি ২৭ জেলা থেকে একজন করে বেছে নেওয়া হয়। ৬৪ জেলার এই ৭১ জনের নাম ভোটের জন্যে গ্রাহকদের সামনে উন্মুক্ত করা হয়।

এর আগে নগদের মেগা ক্যাম্পেইনটিতে একাধিক সেডান গাড়ি, পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল ও রেফ্রিজারেটর, স্মার্ট টেলিভিশন, স্মার্ট মোবাইল, স্মার্টওয়াচ ও হেডফোনসহ পাঁচ হাজারের বেশি পণ্য বিজয়ীদের হস্তান্তর করা হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেটার তামিম ইকবালসহ আরও অনেক তারকা নগদের হয়ে পুরস্কারগুলো বিতরণ করেন।

   

তীব্র গরমে 'স্বপ্নতে' পথচারীদের জন্য ফ্রি শরবত বিতরণ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
তীব্র গরমে 'স্বপ্নতে' পথচারীদের জন্য ফ্রি শরবত বিতরণ

তীব্র গরমে 'স্বপ্নতে' পথচারীদের জন্য ফ্রি শরবত বিতরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান তীব্র দাবদাহে পিপাসার্ত মানুষের মাঝে সুপেয় শরবত (লেবু, ট্যাং, চিনি ও পুদিনা পাতা মিশ্রিত) বিতরণ করছে বাংলাদেশের শীর্ষ রিটেইল চেইনশপ ‘স্বপ্ন’।

রাজধানীসহ সারাদেশের স্বপ্ন আউটলেটের সামনে শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে স্বপ্ন-এর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির নাসির জানান, ঢাকাবাসীসহ সমগ্র দেশবাসী এখন প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে অবস্থান করছেন। এমন সময় স্বপ্ন থেকে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে আ।

তীব্র গরম পরিস্থিতিতে আমাদের আশেপাশে অবস্থান করা শ্রমজীবী মেহনতি মানুষদেরকে ভুলে গেলে চলবে না। তাই তাদের উদ্দেশ্যে মূলত এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

স্বপ্ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গরমের তীব্রতা বেশি থাকলে সামনে আরও বেশ কিছু দিন এমন উদ্যোগ নেয়া হবে।

;

দুই দিনের ব্যবধানে কমল সোনার দাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই দিনের ব্যবধানে আবারও কমেছে সোনার দাম। এ দফায় ৬৩০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ৯৩১ টাকা। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল একই দাম কমিয়ে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৬১ টাকা ছিল।  

শনিবার (২৭ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন দাম আজ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা ১ লাখ ১২ হাজার ৯৩১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭ হাজার ৭৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৯২ হাজার ৪০২ টাকা। ত‌বে সব ধর‌নের সোনার দাম কমলেও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম বা‌ড়ি‌য়ে ৭৬ হাজার ৮৪২ টাকা করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা। 

এর আগে চল‌তি মাসে ৬, ৮ ও ১৮ এপ্রিল সোনার দা‌ম বা‌ড়িয়ে‌ছিল বাজুস। এর মধ্যে ৬ এপ্রিল বেড়ে‌ছিল এক হাজার ৭৫০ টাকা, ৮ এপ্রিল এক হাজার ৭৫০ টাকা এবং ১৮ এপ্রিল বেড়ে‌ছিল দুই হাজার ৬৫ টাকা। পরে ২০ এপ্রিল ৮৪০ টাকা কমানোর একদিন পর ২১ এপ্রিল আবার ভরিতে ৬৩০ টাকা বাড়ায় বাজুস। দু’দিন পর ২৩ এপ্রিল ৩ হাজার ১৩৮ টাকা, ২৪ এপ্রিল দুই হাজার ৯৯ টাকা, ২৫ এপ্রিল ৬৩০ টাকা ও ২৭ এপ্রিল ভালো সোনার ভরি ৬৩০ টাকা কমানোর ঘোষণা দিলো বাজুস। চার দিনে ভ‌রি‌তে সোনার দাম কমেছে ৬ হাজার ৪৯৮ টাকা।

;

চাঁদাবাজিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, হাতিয়ার 'গুজব'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে চাওয়া হতো চাঁদা। চাহিদামতো টাকা পেলে দুর্বল কোম্পানির নামে ভালো তথ্য ছড়িয়ে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হতো। আর টাকা না পেলে ভালো কোম্পানির নামে ছড়ানো হতো গুজব।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপে এবং অনলাইন মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বাজার কারসাজি করা একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. আমির হোসাইন ওরফে নুরনুরানী (৩৭), নুরুল হক হারুন (৫২)  আব্দুল কাইয়ুম (৩৯)।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) রাতে ডিবি সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইমের (দক্ষিণ) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) সাইফুর রহমান আজাদের নেতৃত্বে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবি জানায়,  আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারবিরোধী নানা কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। আমির হোসাইনেরর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দমন আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনেসহ বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।

তারা দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজার ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), কমিশনের চেয়্যারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ খুলে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগ কারীদের প্রতারিত করে আসছিল। এছাড়া, সাধারণ বিনিয়োগ কারীদের ব্যবহার করে আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীল পরিসস্থিতি তৈরী করে আসছিল।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজার স্পর্শকাতর জায়গা। এখানে অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারী তাদের সর্বস্ব নিয়ে এসে বিনিয়োগ করেন। অল্পতেই এখানে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক থাকে। একটি স্বার্থান্বেষী চক্র মিথ্যা তথ্যে বিনিয়োগকারীদের প্রভাবিত করে আসছিল, এমন অভিযোগে বিএসইসি রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা তদন্তের ধারাবাহিকতায় ডিবি তিনজনকে গ্রেফতার  করে।

তিনি আরও বলেন, মিথ্যা ও ভূয়া তথ্য ছড়ানোর জন্য ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ, টেলিগ্রামে গোপনীয় গ্রুপ ব্যবহার করে আসামিরা। এসব গ্রুপে গুলোতে শেয়ারবাজার সংক্রান্ত মিথ্যা ও ভূয়া তথ্য প্রদান করে আসছিল। বিভিন্ন প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য আগে ভাগে প্রকাশ করে দেয়, যা বেশিরভাগ সময় বানোয়াট ও মিথ্যা। যার ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ডিবি প্রধান বলেন, তারা বিভিন্ন সময় আন্দোলনের নামে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ব্যবহার করে রাস্তা দখল করে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করে।

এছাড়া, তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে বিভিন্ন ইস্যুতে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে সেসব কোম্পানি সম্পর্কে অন-লাইনে অপপ্রচার শুরু করে। এমনকি কোম্পানির অফিস গুলোতেও হামলা করে।

তারা বিভিন্ন শেয়ার নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দাম বৃদ্ধি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করে। এসব করার জন্য গোপনীয় গ্রুপ ব্যবহার করে আসছিল। এসব গ্রুপের সদস্যদের একটি নিদিষ্ট ফি দিয়ে গ্রুপে যুক্ত হতে হয়। আবার শেয়ারে প্রফিট হলে লভ্যংশ দিতে হয়। কিন্তু লোকসান হলে তারা দায়িত্ব নেয় না।

গ্রেফতারদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রে জড়িত অন্যদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। অনলাইনে গুজব ছড়িয়ে যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আমাদের নজরদারি অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।

এডিসি সাইফুর রহমান আজাদ বলেন, গ্রেফতার আমির হোসাইন ছদ্মনাম নূর নূরানী ব্যবহার করে গ্রুপগুলো পরিচালনা করতো। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামে সব মিলিয়ে ৮-১০ টি গ্রুপ চালায়। নুরুল হক হারুন বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি পরিচয়ে বিভিন্ন সদস্যদের একত্রিক হয়ে কোম্পানি গুলোতে চাঁদাবাজি করে। আব্দুল কাইয়ুম রয়েল ক্যাপিটাল নামক ব্রোকারেজ হাউজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি হোয়াটস্যাপ এবং টেলিগ্রাম গ্রুপে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন শেয়ার সম্পর্কে তথ্য প্রদান করত।

;

ইসলামী ব্যাংকের নোয়াখালী জোনের কর্মকর্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির নোয়াখালী জোনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে কর্মকর্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ( ২৬ এপ্রিল) ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী, ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ শাব্বির এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু ছাঈদ মো. ইদ্রিস।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নোয়াখালী জোনপ্রধান এ. এফ. এম আনিছুর রহমান। সম্মেলনে ব্যাংকের কুমিল্লা জোনপ্রধান মো. মুনিরুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট খালেদ মাহমুদ রায়হান, এফসিসিএ সহ প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী, নোয়াখালী জোনের অধীন শাখাসমূহের প্রধান, উপ-শাখা ইনচার্জ, সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

;