বাঁশখালী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে বাঁশখালী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১২ টায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে বলে বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন এসএস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেডের সিএফও এবাদত হোসেন ভুঁইয়া।

উৎপাদন শুরুর পর থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটের উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ১৩২০ মেগাওয়াট। প্রথম ধাপে একটি ইউনিট থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে। যথারীতি আগামী ১ মাসের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে আসবে বলে জানিয়েছেন এবাদত হোসেন ভুঁইয়া।

বিদ্যুৎ খাতসহ অনেক দিক থেকেই দিনটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বাঁশখালী বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বেসরকারি একক বিনিয়োগ হিসেবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড, আবার বেসরকারি প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগেও রেকর্ড করেছে এর মধ্যদিয়ে। বেসরকারি খাতে বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থায়নেও রেকর্ড স্পর্শ করেছে সাশ্রয়ী খ্যাত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। ১.৭৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার অর্থায়ন এসেছে প্রকল্পটিতে। অন্যদিকে এস আলম গ্রুপ নিজস্ব উৎস থেকে অর্থায়ন করেছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত শুধু সরকারি মালিকানায় বড় আকারের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। একটি হচ্ছে বাংলাদেশ-চীন সরকারের যৌথ বিনিয়োগে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। অপরটি হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারতের ও যৌথ মালিকানাধীন রামপাল ১৩২০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট। সেই তালিকায় তৃতীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে উৎপাদনে আসলেও বেসরকারি মালিকানাধীন এটাই প্রথম বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

বাংলাদেশ বেসরকারি খাতে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য প্রথম ৩টি চুক্তি করে ২০১২ সালের জুনে। প্রথম দফায় সম্পাদিত ওই চুক্তিগুলো হয় ওরিয়ন গ্রুপের সঙ্গে। অন্যদিকে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে এস আলম গ্রুপ চুক্তিবদ্ধ করে ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। ওরিয়নের বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসা তো দূরের কথা, কাজই শুরু করতে পারেনি। আর ৪ বছর পরে চুক্তি করেও অন্যদের পেছনে ফেলে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে দেশখ্যাত এস আলম গ্রুপ। পুরো বিদ্যুৎ খাতের জন্য সুখকর বার্তা বয়ে এনেছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। অন্যদের তুলনায় সাশ্রয়ী দামে মিলবে এখানকার বিদ্যুৎ। ভারতীয় কোম্পানি আদানী গ্রুপের কয়লা ভিত্তিক কেন্দ্রের (আমদানিকৃত) বিদ্যুৎ, এমনকি বাংলাদেশ-চীন সরকারের যৌথ মালিকানাধীন পায়রার তুলনায় দাম সাশ্রয়ী হবে এই বিদ্যুৎ।


বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, ফার্নেস ওয়েল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় প্রায় অর্ধেকের কম দামে পাওয়া যাবে বিদ্যুৎ। আর ডিজেলের সঙ্গে তুলনা করলে খরচ এক-তৃতীয়াংশ। বর্তমানে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে (টন প্রতি ১২৫ ডলার) ইউনিট প্রতি জ্বালানি খরচ ৬.৫০ টাকা, ফার্নেস অয়েলে (লিটার ৮৫ টাকা) ১৯ টাকা এবং ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ২৮ টাকার মতো খরচ পড়ছে। ফার্নেস অয়েলের সঙ্গে তুলনা করলে ইউনিটে সাশ্রয় হবে ১২ টাকার মতো। বাঁশখালী পুরোপুরি উৎপাদনে থাকলে দৈনিক প্রায় সোয়া ৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। মাসে গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ৯৫ কোটি ইউনিটের মতো। ইউনিট প্রতি ১২ টাকা হারে সাশ্রয় ধরলেও সরকারের সাশ্রয় হবে ১১৪০ কোটি টাকার উপরে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ২৭৫ মিটার উচ্চ রঙ্গিন চিমনী অনেক দূর থেকেও দৃশ্যমান। সাগর মোহনায় নির্মাণ করা হয়েছে বিশেষায়িত জেটি। যেখানে ঘণ্টায় ২ হাজার মে. টন কয়লা খালাস করা যাবে। কয়লা ইয়ার্ডের সঙ্গে যুক্ত দু’টি কনভেয়ার বেল্টের সক্ষমতা রয়েছে ৪ হাজার মে.টন। পরিবেশের কথা মাথায় রেখে ঢাকনা যুক্ত কনভেয়ার বেল্ট বসানো হয়েছে। কয়লা ইয়ার্ডের চারপাশে দেওয়া হয়েছে উঁচু নেটের ঘেরা। দু’টি উন্নতমানের এফজিডি (ফ্লু গ্যাস ডিসালফারাইজেশন) নির্মাণ হয়েছে অনেক আগেই। অ্যাশ সংরক্ষণের জন্য ২টি সাইলে নির্মাণ করা হয়েছে যার প্রত্যেকটির ধারণ ক্ষমতা রয়েছে ২ হাজার ৬’শ মে. টন। আর ৮০ একর জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে বিশাল অ্যাশপন্ড। সাইক্লোন কিংবা জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে হেভি ওয়েভ প্রাচীর।

বঙ্গোপসাগরের কূলঘেঁষে বাঁশখালীর (চট্টগ্রাম) গন্ডামারা এলাকায় বৃহৎ ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে। মালিকানায় রয়েছে দেশীয় খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ, চীনা কোম্পানি সেপকো থ্রি ও এইচ টিজি। দেশীয় কোম্পানি এস আলমের অংশীদারিত্বের পরিমাণ ৭০ শতাংশ, আর চীনা কোম্পানি সেপকো থ্রি ও এইচ টিজির হাতে রয়েছে ৩০ শতাংশ।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার আগে থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই প্রকল্পটি থেকে ট্যাক্স, ভ্যাট ও অন্যান্য ফি বাবদ প্রায় ১৩’শ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। দেশের ভেতর থেকে ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য ও সেবা কেনা হয়েছে। শুধু তাই নয়, করোনার মতো মহাসংকটের সময় যখন কর্মসংস্থান সংকট তৈরি হচ্ছিল, সেই সময়সহ টানা ৪ বছর ধরে ৭ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে। কেন্দ্রটিতে ১২’শ লোকের কর্মসংস্থান হবে।


বাংলাদেশের প্রাথমিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বিইআরসির সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল ই-এলাহী চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, নিঃসন্দেহে এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য মাইলফলক। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভালো প্রচেষ্টা। একটা বড় বিনিয়োগ সফল হলে পেছনে অনেক বিনিয়োগকারী উৎসাহী হন। অর্থাৎ একটা বিনিয়োগ আরেকটি বিনিয়োগ ডেকে আনে। সে দিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

বিদ্যুৎ বিভাগের উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেল এর মহাপরিচালক মোহম্মদ হোসাইন বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত গ্যাসের পরেই কয়লাকে সাশ্রয়ী বিবেচনা করা হয়। সে কারণে এ ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমাদের অর্থনীতির জন্য খুবই ইতিবাচক। কেন্দ্রটি উৎপাদনে এলে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ কমে আসবে। কিছুদিন আগে তেলের দাম বেড়ে গেল যখন বিদ্যুতের কিছুটা সংকট হয়েছিল, তখন টেস্টরানে এসে এসএস পাওয়ার ভালো সাপোর্ট দিয়েছে।

   

পোস্তায় চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, নেই ব্যস্ততা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পোস্তায় চামড়া সংগ্রহের লক্ষমাত্রা পূরণ, নেই ব্যস্ততা

পোস্তায় চামড়া সংগ্রহের লক্ষমাত্রা পূরণ, নেই ব্যস্ততা

  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানি ঈদের প্রথম দিনেই চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় পূরণ করে ফেলেছেন লালবাগের পোস্তায় কাঁচা চামড়ার ব্যবসায়ীরা। গতকাল রাতের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রার ৮০ ভাগ চামড়া কিনে লবণ লাগিয়েছেন। ফলে ঈদের দ্বিতীয় দিনে আড়তের শ্রমিকদের কোনো ব্যস্ততা নেই।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে চামড়া সংগ্রহের লক্ষমাত্রা পূরণের বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কাঁচা চামড়া কেনা ও লবণ লাগানো ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ হাউড এন্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএএইচএসএমএ)’র চেয়ারম্যান আফতাব খান।

তিনি বলেন, আমাদের পোস্তার ব্যবসায়ীদের এবারের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো এক লাখের কাছাকাছি চামড়া সংগ্রহ করা। আমরা সেই অনুযায়ী লবণ কিনে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আমাদের পোস্তার আড়ৎদার, ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতারা মিলে ঈদের প্রথম দিনেই আমাদের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮০ ভাগ চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। রাত ৯টার মধ্যেই চামড়া কেনা শেষ হয়। এমন কি গতকাল রাতের মধ্যেই লবণ লাগানো হয়েছে। আজ দ্বিতীয় দিনে ১৫ ভাগ ও আগামীকাল বুধবার ঈদের তৃতীয় দিনে ৫ ভাগ সংগ্রহ করা হবে।


আফতাব খান আরও বলেন, ঢাকার বেশিরভাগ চামড়া আমাদের কাছে এসেছে। কিছু চামড়া হেমায়েতপুরেও লবণজাত করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চামড়া লবণজাত করেছেন ট্যানারি মালিকরা। ফলে ঢাকায় চামড়া নষ্ট হয়নি। গতকাল চামড়ার যে দাম ছিলো তার তুলনায় আজও ভালো দাম পাচ্ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

সংগঠনটির সভাপতির দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে পোস্তার বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখা যায়, কোনো আড়তেই চামড়ায় লবণ লাগানোর ব্যস্ততা নেই। প্রায় প্রতিটি আড়তেই লোকজন শূন্য। কোনো কোনো আড়তে চামড়ার পাশেই শ্রমিকদের ঘুমাতে দেখা গেছে।

অতীতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চামড়া কেনাবেচার ব্যস্ততা দেখা গেলেও এবার একাবারে বিপরীত চিত্র। চামড়া ঘিরে কোনো ব্যস্ততা নেই। দু একটি ট্রাক আসলেও চামড়া দিয়ে চলে যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে ভালো দামে চামড়া বিক্রি হচ্ছে। গতকাল যে চামড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আজ সেই চামড়ায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে। আবার চামড়ার মান থাকলে আরও ভালো দাম দিয়ে কিনছেন ব্যবসায়ীরা।


ঈদের দ্বিতীয় দিনে পোস্তায় ব্যস্ততা না থাকার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর হাজারীবাগেও এবার চামড়া লবণজাত কারার সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পোস্তায় জায়গার সংকটের কারণে ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাজারীবাগে পুরনো ট্যানারির কারখানাগুলোতে চামড়ায় লবণজাত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাঁচা চামড়া ব্যবসাীদের এই নেতা বলেন, পোস্তায় আগের মতো ব্যবসায়ীরা নেই। নানা সংকটের কারণে অনেক ব্যবসায়ী  এই খাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এমন কি পোস্তা এলাকা যে গোডাউনগুলো ছিলো সেগুলো এখন আগের মতো নেই।  কারণ একজন চামড়া ব্যবসায়ী যে গোডাউনের ভাড়া দিতেন ৪০ হাজার টাকা এখন সেই একই গোডাউন কয়েকগুণ বেশিতে ভাড়া নিয়েছেন প্লাস্টিক ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক ব্যবসায়ী এখন চামড়া কিনতে পারেন না। ফলে আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম হাজারীবাগে পুরনো ট্যানারির কারখানাগুলোতে চামড়ায় লবণজাত করার সুযোগ দিতে। আবেদনের প্রেক্ষিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিসিক আমাদের সেই অনুমতি দেয়। ফলে অনেক ব্যবসায়ী এখন হাজারীবাগেও চাড়মায় লবণজাত করেছেন। সল্প সময়ের জন্য অনুমতি পাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী চাহিদা মতো চামড়া সংগ্রহ করতে পারায় সহজেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে বলে মনে করেন এই ব্যবসায়ী।

পোস্তার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের সংগ্রহ করা চামড়া লবণজাত করার পরে কয়েকদিন তারা গুদামজাত করবেন। ঈদের পঞ্চম দিন থেকে তারা লবণজাত করা এই চামড়া ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি শুরু করবেন।

;

পাল্লা দিয়ে বেড়ে যে দামে বিক্রি হচ্ছে মসলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানির ঈদের বাকি মাত্র ১ দিন। ঈদ এলেই মসলার বাজার গরম হয়ে ওঠে। কারণ ঈদের রান্নার জন্য মসলার চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে বেড়ে যায়। আর সবকিছুর সাথে পাল্লা দিয়ে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মসলার দামও।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের মসলা পণ্যের খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুই মাসের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে এলাচি বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ থেকে ৪০০০ টাকায়। দারুচিনি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ১০০ টাকা বেড়ে জিরা বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, ২০০ টাকা বেড়ে লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ থেকে ১৮০০ টাকা কেজি, জয়ত্রী সাড়ে ৩ হাজার টাক দরে।


এছাড়া কালোজিরা ৩৫০-৪০০ টাকা, তেজপাতার কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, ধনের বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৬০ টাকা, দেশীয় রসুনের কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, দেশী হলুদ ৩১০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, আলুবোখারা ৪৫০ টাকা, কালো গোলমরিচ ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, পেস্তা বাদাম ২৭৫০ টাকা, কিশমিশ ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, যায়ফলের পিস ৮ টাকা, কাঠবাদাম ১০৮০ টাকা, কাঁচাবাদাম ১৬৫ টাকা, মরিচের গুঁড়া ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, হলুদের গুঁড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, ধনের গুঁড়া ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

;

ট্রেনে পচনশীল দ্রব্য পরিবহন না করার অনুরোধ রেল কর্তৃপক্ষের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ট্রেনে পচনশীল দ্রব্য মাছ-মাংস পরিবহন না করার অনুরোধ রেল কর্তৃপক্ষের

ট্রেনে পচনশীল দ্রব্য মাছ-মাংস পরিবহন না করার অনুরোধ রেল কর্তৃপক্ষের

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে রাজধানী ছেড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। ছুটি ও ঈদ উৎসব উপভোগ শেষে আবারও রাজধানীতে ফিরবেন সাধারণ মানুষ। তবে ফিরতি যাত্রায় ট্রেনে মাছ-মাংসসহ পচনশীল খাদ্যদ্রব্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নিয়ম মানতে নারাজ সাধারণ মানুষ। তাই ট্রেনে মাছ-মাংস সহ পচনশীল যেকোন ধরনের খাদ্যদ্রব্য পরিবহন না করার অনুরোধ জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

তবে নিতান্তই এসব দ্রব্য পরিবহনে বিশেষ ভাবে প্যাকেজিংয়ের অনুরোধ জানানো হয়।

রোববার (১৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার এ অনুরোধ জানান।

মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে আমাদের রাষ্ট্রিয় সম্পদ। আমাদের সম্পদ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য।

তিনি বলেন, ট্রেনে মাংস পরিবহন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আমরা সেগুলো মানি না। কোরবানি ঈদের পর বাড়ি থেকে ফেরার সময় অধিকাংশ মানুষ কাঁচা মাংসসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করে। যার ফলে আমাদের রাষ্ট্রিয় সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রেলে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ অসুবিধার সন্মুখীন হয়। কাঁচা মাংসের রক্ত পরে গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ নষ্ট হয়। যাত্রীরা গন্ধ ও রক্তের কারনে বিব্রতকর পরিস্থিতির সন্মুখীন হয়। তাই আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রেলের ক্ষতি হয় ও সাধারণ মানুষ বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পরে এমন মাংস পরিবহনসহ কোন ধরনের খাদ্যদ্রব্য পরিবহন না করার অনুরোধ করছি সাধারণ মানুষের প্রতি। তারপরও যারা মাংস পরিবহন করবে তাদেরকে বিশেষ ভাবে প্যাকেজিং-এর অনুরোধ করছি। যাতে ট্রেনের ভেতরে কোন ধরনের রক্ত না পরে এবং দুর্গন্ধ না ছড়ায়।

;

বিকাশ পেমেন্টে ওয়াটার পার্ক ‘ম্যানা বে’-তে ২০% ডিসকাউন্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিকাশ

বিকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের ছুটিতে ‘ম্যানা বে’ ওয়াটার পার্কে পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ানো আরও আনন্দময় ও সাশ্রয়ী করতে অনলাইনে এন্ট্রি টিকেট কিনে বিকাশ পেমেন্ট করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ২০% ডিসকাউন্ট। ৩০ জুলাই পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে গ্রাহকরা যতবার খুশি ততবার এই ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারছেন।

ঢাকার অদূরে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবস্থিত প্রায় ৬০ হাজার বর্গমিটার বিস্তৃত বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ওয়াটার পার্কটিতে সব বয়সী মানুষের জন্য বৈচিত্র্যময় আয়োজন রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ওয়াটার স্লাইড ট্যুর, ওয়েভ পুল, ফ্লোরাইডার ডাবল, বাচ্চাদের জন্য আলাদা জোন, কৃত্রিম নদীসহ নানা আয়োজন। ওয়াটার পার্কটিতে প্রবেশ মূল্যের মধ্যেই সব রাইড অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ ভেতরে ঢোকার পর আলাদা করে কোনো রাইডের জন্যে টিকেট কাটার প্রয়োজন নেই।

বিকাশ অ্যাপ, পেমেন্ট গেটওয়ে ও ইউএসএসডি কোড *২৪৭# ডায়াল করে পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা। অফারের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে https://www.bkash.com/campaign/mana-bay-discount লিংকটিতে। টিকেট কেনা যাবে https://www.manabay.com/ লিংক থেকে।

;