এফবিসিসিআই-এর সভা

রফতানি বহুমুখীকরণে অগ্রাধিকারভিত্তিক খাত চিহ্নিত করার তাগিদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রফতানি বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণকে বেগবান করতে সম্ভাবনাময় খাতগুলোর তালিকা তৈরির তাগিদ দিয়েছেন শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী।

এদের মধ্যে সম্ভাবনাখাতগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (মে ২০) বিকেলে এফবিসিসিআই-এর মতিঝিল কার্যালয়ে আয়োজিত রফতানিবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির দ্বিতীয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মো. আমিন হেলালী।

এফবিসিসিআই-এর হেড অব পিআর অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, তানজিদ বসুনিয়া সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সভায় সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক মেহেদী আলী। কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ এবং এফবিসিসিআই-এর পরিচালক সালমা হোসেন এ্যাশ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এফবিসিসিআই-এর সিনিয়র সহসভাপতি বলেন, তৈরি পোশাক ছাড়াও আমাদের দেশে অনেক শিল্পখাত ভালো করছে। প্রাথমিকভাবে আমাদের নির্ধারণ করতে হবে কোন খাতগুলো রফতানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দিতে হবে।

মো. আমিন হেলালী আরো বলেন, নিজেদের প্রচেষ্টায় ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন বাজারে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারিখাতের সমন্বয় জোরদার এবং সরকারের সহযোগিতা নিয়ে সমন্বিতভাবে অগ্রসর হওয়ার সময় এসেছে।

এসময় ভারতের সেভেন সিস্টার্স, চীন, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপালসহ প্রতিবেশী দেশ এবং সম্ভাবনাময় অন্যান্য বাজারে পণ্য রফতানির বাধা চিহ্নিতকরণ ও সমাধান খুঁজে বের করতে কমিটির সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান মো. আমিন হেলালী।

আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে- রফতানিকারকদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যবসার ব্যয় সংকোচন এবং গবেষণা ও উন্নয়নের পরামর্শ দেন এফবিসিসিআই-এর পরিচালক এবং বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান।

কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী আলী জানান, কমিটির উদ্যোগে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে রফতানি মেলার আয়োজন করা হবে। সেই সঙ্গে রফতানি বহুমুখীকরণ এবং বাজার সম্প্রসারণ বিষয়ে একাধিক সেমিনারও অনুষ্ঠিত হবে।

খাতভিত্তিক সমস্যাগুলো রফতানিবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটিতে লিখিত আকারে জমা দিতে সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ সালমা হোসেন এ্যাশ।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে রফতানি বৃদ্ধিতে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, কার্গো বিমানের ভাড়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, দেশে উৎপাদিত পণ্যের মান উন্নয়ন, বিভিন্ন বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের মানোন্নয়ন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যবসায় ব্যয় হ্রাস প্রভৃতি বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন কমিটির সদস্যরা।

পাশাপাশি নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্য বিদেশি ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরতে এফবিসিসিআই-এর এক্সপোর্টবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটিকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান বক্তারা।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই্-এর পরিচালক হাফেজ হাজী হারুন-অর-রশীদ, মো. আবুল হাশেম, এফবিসিসিআই-এর মহাসচিব মো. আলমগীর, কমিটির কো-চেয়ারম্যান এবং সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।

   

বাংলাদেশকে ৯০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জলবায়ু সহনশীল প্রবৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্থিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতে নীতিমালা জোরালো করতে বাংলাদেশকে ৯০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। যা বাংলাদেশি টাকায় ১০ হাজার ৫৫২ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.২৫ টাকা ধরে)।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড শুক্রবার (২১ জুন) এ ঋণের অনুমোদন দেয়। শনিবার (২২ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে, একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংস্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে।

এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট এবং এই প্রোগ্রামের টাস্ক টিম লিডার বার্নার্ড হ্যাভেন বার্তায় বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়াদের জন্য অর্থের অ্যাক্সেস উন্নত করতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো কার্যকরী আর্থিক খাত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকার বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করার জন্য একটি নতুন আইনি কাঠামো গ্রহণ করেছে। যা ব্যাংক পুনরুদ্ধার কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

কম মূলধনী ব্যাংকগুলোকে সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য একটি দ্রুত সংশোধনমূলক কর্মকাঠামো বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। এটি অর্থনৈতিক মন্দা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকেও শক্তিশালী করবে বলে জানান তিনি।

;

ওপেক ফান্ডের ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পেল সিটি ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত দি ওপেক ফান্ড-এর সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এক ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

দেশের আমদানি ও রফতানি কোম্পানিগুলিকে, বিশেষ করে কৃষি ও গ্রিন এনার্জি খাতে অর্থায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সহায়তার জন্য এ অর্থ ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রিন এনার্জি পণ্যের প্রসারের উদ্দেশ্যে ভিয়েনায় ওপেক ফান্ডের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার শেখ মোহাম্মদ মারুফ এবং ওপেক ফান্ড-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক আলনাসার এই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

আলনাসার বলেন, ‘ওপেক ফান্ড সিটি ব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের আমদানিকারকদের বাণিজ্য অর্থায়ন সুবিধা দিয়ে সরবরাহ চেইন নির্বিঘœ রেখে পণ্যের প্রবাহকে সুলভ ও সহজতর করবে। এতে করে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার চাপ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব হবে। ওপেক ফান্ড আমদানি ও রফতানি প্রতিষ্ঠানগুলিকে সহায়তা করবে, বিশেষ করে কৃষি ও গ্রিন এনার্জি শিল্পের সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাদের আমদানি অর্থায়নকে আরো সহজ ও সাশ্রয়ি করবে।

সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ বলেন, ‘ওপেক ফান্ডের সঙ্গে এই কৌশলগত অংশীদারিত্বে আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে সিটি ব্যাংকের যে অঙ্গীকার, আমাদের সঙ্গে ওপেকের এই সহযোগিতার সম্পর্ক তাকে আরও শক্তিশালী করবে। ওপেক ফান্ডের দেয়া এই বাণিজ্য আর্থিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের আমদানি ও রফতানির সাথে সম্পৃক্ত কোম্পানিগুলিকে, বিশেষ করে কৃষি এবং গ্রিন এনার্জির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতকে আরও সুলভ ও সক্ষম করে তুলতে পারবো। এই লক্ষ্য অর্জনে ওপেক ফান্ডের সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে ।

ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওপেক ফান্ড) হচ্ছে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একমাত্র আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যেটি তার সদস্য দেশগুলি থেকে সদস্য নয় এমন দেশগুলিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই সংস্থাটি বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে উন্নয়নশীল দেশের অংশীদার এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছে।

;

বিশ্বব্যাংক টাকা দেয়, তাদের কথা শুনতে হবে: অর্থমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর বিশ্বব্যাংক বলেছে, ‘বাংলাদেশ ভালো আছে'! বিশ্বব্যাংক যা বলবে, তা আমাদের শুনতে হবে। কারণ, তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত 'বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বাজেট ঘোষণার পরপরই বিরোধীদল বলে ওঠে, গেল, গেল! এ সরকার টিকবে না! কই, সরকার তো পড়ে না! দেশ তো দেউলিয়া হলো না! বিশ্বব্যাংক কিছু বোঝে না! আপনি সবকিছু বোঝেন!

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট ঘোষণার পর বিশ্বব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশ ভালো আছে। বিশ্বব্যাংক যা বলবে, তা আমাদের শুনতে হবে। কারণ, তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে।

প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জনবান্ধব’ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান বলেন, এটা প্রস্তাবিত বাজেট। এ বাজেট ‘জনবান্ধব’! কোনো কিছু পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকলে পুনর্বিবেচনা করা হবে। বাজেট এখনো পাস হয়নি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিসংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

;

এবারের বাজেট 'পরিণত সাহসী' বাজেট



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে 'পরিণত সাহসী' বাজেট বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত 'বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫' শীর্ষক সেমিনারে মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

ড. শামসুল আলম বলেন, মুদ্রাস্ফীতির কারণে এবারের বাজেট হওয়ার কথা ছিল ৯ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা। সেখানে এবার বাজেট সংকুচিত করে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বাজেট সংকুচিত করা হয়েছে। টাকার সরবরাহ কমলে মূল্যস্ফীতি কমবে। এবারের বাজেটে কৃপণতা দেখানো হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

;