আসন্ন ঈদকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছে পোশাকের ব্র্যান্ড শপগুলো



স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঈদুল আজহা’র প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে পোশাকের ব্র্যান্ড শপগুলো। ক্রেতারাও ইতোমধ্যে কেনাকাটা করতে শুরু করে দিয়েছেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, বাহারি সাজসজ্জার শোরুমগুলোতে ক্রেতা দেখলে কাচের দরজা খুলে অভ্যর্থনা জানিয়ে ভেতরে ডাকছেন দোকানের কর্মীরা। ক্রেতারাও পছন্দের পোশাক কিনতে আসছেন শোরুমগুলোতে। তবে ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আজহাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের কেনাকাটার তেমন একটা আগ্রহ এখনো দেখা যায়নি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতা সমাগম না থাকলেও প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শুরু হতে পারে ঈদুল আজহার বেচাকেনা।

শুক্রবার (২৪ মে) বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সে পোশাকের ব্র্যান্ড শোরুমগুলো ঘুরে দেখা যায়, কিছু কিছু শোরুমে ঈদের কাপড় কিনতে এসেছেন ক্রেতারা। ছেলেরা কিনছেন শার্ট, টিশার্ট ,পাঞ্জাবি, পায়জামা। মেয়েরা টপস, থ্রি-পিস, টু-পিস, শাড়িসহ নানা ড্রেস কিনছেন।

প্রথমতলায় বিশাল খালি জায়গায় মানুষের সমাগম লক্ষ করা গেলেও বেশির ভাগ শোরুমে চলছে নীরবতা। এদিকে, নিচতলায় ‘জেন্টেল পার্ক’ শোরুমসহ বেশ কয়েকটি শোরুমে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের।

জান্নাতুল মাওয়া নামে এক ক্রেতা বার্তা২৪.কমকে জানান, রোজার ঈদের সব কেনাকাটা হয়ে গেছে। সামনে ঈদ, তাই নতুন কালেকশন আসছে কি না, দেখতে এসেছি। যদিও একটা ড্রেস কিনেছি। তবে খুব একটা ইচ্ছা নেই এবার। ভালো কিছু পেলে তবেই কিনবো। না-পেলে কিনবো না আর।

মোরশেদ খন্দকার নামে আরেক ক্রেতা বলেন, আসলে কোরবানির ঈদে তেমন কেনাকাটা হয় না। এবার যেহেতু গরম বেশি, সেদিক বিবেচনায় কিছু গরম উপযোগী কাপড় কিনবো পরিবারের সদস্যদের জন্য।

এদিকে, ক্রেতাদের টানতে বেশ কয়েকটি শোরুমে দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট পণ্যে মূল্য ছাড়। ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য ছাড় চলছে ব্র্যান্ডের শোরুমগুলোতে।

‘জেন্টাল পার্ক-এর বিক্রয়কর্মী দিহান বলেন, ঈদ কালেকশন শুরু হয়ে গেছে। কোরবানির ঈদে তুলনামূলকভাবে বেচাকেনা কম হয়। তবে মূল্য ছাড় দেওয়ায় ক্রেতা সমাগম হচ্ছে।

‘জেন্টাল পার্ক’-এর বিপরীতে রয়েছে ‘ইয়োলো’ শোরুম। সেখানে ঢুকে দেখা যায়, ভিন্নচিত্র। সেখানে মূল্য ছাড় না থাকায় ক্রেতাদের আনাগোনা কম। এখানে পাঞ্জাবি ৩ হাজার থেকে শুরু করে ৬ হাজার ৫শ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। ঈদে বেশকিছু নতুন কালেকশন আনা হয়েছে বলে জানান তারা।

কোরবানি ঈদ উপলক্ষে তেমন একটা কেনাকাটা হয় না বলে জানান বিক্রেতারা। তবে গরম বেশ পড়ায় বিক্রির আশা করছেন তারা, ছবি- বার্তা২৪.কম
 

‘লুক অ্যন্ড লাইক’ শপের মাহফুজ বলেন, মাসের শেষ; তাই বিক্রি কম। তবে আগামী ১ তারিখ থেকে বিক্রি বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী। সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা।

বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের দ্বিতীয়তলার ব্র্যান্ডশপ ‘লুবনান’। পাঞ্জাবির জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত এই শোরুমে ঈদকে ঘিরে বাহারি কালেকশন রাখা হয়েছে।

শোরুমটির ম্যানেজার রিয়াজ হোসেন জানান, সেখানে ২ হাজার ১শ থেকে শুরু করে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত নানা ধরনের দেশি-বিদেশি কাপড়ের পাঞ্জাবি রয়েছে। ক্রেতারাও বেশ পছন্দ করছেন তাদের ডিসপ্লেতে থাকা পাঞ্জাবিগুলো। আরো কয়েকদিন পর ঈদের বিক্রির চাপ বাড়বে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

‘লুবনান’-এ ছেলের সঙ্গে পাঞ্জাবি কিনতে আসা ফারহানা আফরোজ বলেন, ঈদের জন্য আগেভাগে এসেছি। পরে ভিড় হয়ে যায়; সাইজ, কালার পাওয়া যায় না ঠিকমতো।

সব মিলে পুরোদমে ব্র্যান্ডের শপগুলোতে কেনাকাটা শুরু না হলেও ব্যবসায়ীরা ভালো বিক্রির আশাবাদী।

   

২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯১ কোটি ৪৩ লাখ ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আবারও দেশে রেমিট্যান্সের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। বাড়তে শুরু করেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৪৩ লাখ মার্কিন ডলার।

রোববার (২৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, চলতি জুন মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে এসেছে ১৯১ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ১২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে গত মে মাসের প্রথম ২১ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৬ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলার, এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার, মার্চ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ৩ লাখ, ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫০ কোটি ৩৬ লাখ, ও জানুয়ারির দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৫৯ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে চলতি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ অনেক বেড়েছে।

ধর্মীয় উৎসবগুলোকে সামনে রেখে দেশের অভিবাসী কর্মীরা সাধারণত বেশি অর্থ পাঠান। তাই কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসতে পারে।

এদিকে জুনের ২১ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ২৪ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৪১ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ৭০ ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিল, মার্চ, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে দেশে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার, ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার, ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ও ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

;

নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে রোডম্যাপ নেই বাজেটে: ওয়েব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উইমেন এন্ট্রেপ্রেনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ওয়েব) প্রেসিডেন্ট নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী এবং নারী উদ্যোক্তাদের ৭০ শতাংশ হোমবেজড উদ্যোক্তা অথচ এসব উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের কোনো রোডম্যাপ নেই বাজেটে।

রোববার (২৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর অ্যাংকর টাওয়ারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল এসব কথা বলেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ওয়েবের ভাইস প্রেসিডেন্ট তাজিমা মজুমদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এস এম আঞ্জুমান উল ফেরদৌসী প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, সরকার ব্যাংকখাত থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার কথা বলেছে, এই বার্তা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ ক্রমাগত ব্যাংক বিমুখ হচ্ছেন। অন্যদিকে, মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে মহাজন প্রথা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প অর্থনীতির একটি বড় অংশ জুড়ে আছে। এটি দেশের আয়ের একটি বড় অংশ বহন করে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে সক্ষম হলেও এই উদ্যোক্তাদের পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা করার কথা উল্লেখ নেই বাজেটে বা এখাতে কোনো বরাদ্দও রাখা হয়নি।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, আমরা আশা করি, বাজেট পাস করার আগে বিষয়গুলোর দিকে নজর দেবে সরকার।

তিনি আরো বলেন, আমরা লক্ষ করছি, স্বাধীনতার পর কয়েক দশক ধরে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনার যে আন্দোলন, তার সুফল নারী উদ্যোক্তারা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ২০২৪ সালে এসে ব্যাংক ঋণে (নারীসহ) সুদের হার শুধুমাত্র ডবল ডিজিট নয়, আগের থেকে প্রায় তিনগুণ করা হয়েছে। এতে করে ৩-৪ শতাংশ থেকে এখন ১৩.৭৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

;

বাফেডা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী সেমিনার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাফেডা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী সেমিনার

বাফেডা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী সেমিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেডা) উদ্যোগে রিসেন্ট ফরেক্স পলিসি ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বাফেডা’র এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি মো. আবুল হাসেমের সঞ্চালনায় পরিচালিত উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং বাফেডা’র ট্রেজারার মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং বাফেডা’র টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান সুভাস চন্দ্র দাস এফসিএমএ, এফসিএ।

সেমিনারে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এফইপিডি’র পরিচালক মো. সরোয়ার হোসেন এবং অতিরিক্ত পরিচালক রোকসানা আক্তার।

উক্ত সেমিনারে এডি ব্যাংকসমূহের ট্রেজারি বিভাগ এবং অফসোর ব্যাংকিং ইউনিটের প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন।

;

ইসলামী ব্যাংকের প্রবেশনারি অফিসারদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ)’র উদ্যোগে নতুন যোগদানকৃত প্রবেশনারি অফিসারদের দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (২৩ জুন) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্রোগ্রাম উদ্বোধন করেন। আইবিটিআরএ-এর প্রিন্সিপাল মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, এফসিএস এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মিফতাহ উদ্দীন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট খোন্দকার মোঃ মুনীরুল আলম আল-মামুন ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ। ২০০ জন প্রবেশনারি অফিসার দিনব্যাপী এ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন।

;