উৎসবে কেন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়?



ড. মাহফুজ পারভেজ
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

মাঠের ক্রিকেট রোমাঞ্চকর ভঙ্গিতে চলছে হাট-বাজারে। আলু হাফ সেঞ্চুরি করেছে আগেই। কিছু কিছু সবজি সেঞ্চুরি করেছে। ডিম দেড় সেঞ্চুরি আর মরিচ ডাবল সেঞ্চুরি। মাছ-মাংসের দাপটে স্কোর বোর্ড লাফিয়ে চলেছে। অন্যদিকে, প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ ‘ক্লিন বোল্ড আডট’ হচ্ছে সাধারণ নাগরিকগণ।

সাম্প্রতিক সময়ে দ্রব্যমূল্য কিছুদিন পর পরই বেড়ে চলছে। একবার বাড়লে সেটা আর কমছে না। বাজার ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাই যেন কর্তৃপক্ষের নেই। বলা হয়, সিন্ডিকেটের হাতের মুঠো বন্দি বাজারের কর্তৃত্ব। সবাই যেন তাদের হাতে অসহায় ও জিম্মি।

বিশেষ করে, উৎসব উপলক্ষ্যে মূল্যবৃদ্ধি অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। রোজার আগে আগে, ঈদের সময়ে, কোরবানির সময়ে দাম বাড়ানো যেন দস্তুর। সব ধরনের পণ্যে কমবেশি দাম বাড়লেও কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে সীমাহীন মূল্যবৃদ্ধির মতো ঘটনাও ঘটে। যেমন, রোজার আগে পেয়াজ আর কোরবানির আগে মশলা মাত্রাছাড়া দামে কিনতে বাধ্য হয় সাধারণ মানুষ। মনে হয়, এই অনাচার, অত্যাচার, জুলুম ও বাড়াবাড়ির কবল থেকে আম-জনতার নিস্তার নেই।

বাজারের এই বেলাগাম অবস্থা কেন? বিশেষত, উৎসবের সময়ে জনতার পকেট-কাটার আয়োজন কেন থামানো যাচ্ছে না? এই অব্যবস্থা সম্পর্কে কে বা কারা উত্তর দেবেন? প্রতিকারের ব্যবস্থা করবে কে?

এমন নয় যে, দ্রব্যমূল্য হঠাৎ বৃদ্ধি পায় এবং হঠাৎ কমে যায়। মাঝে মাঝে এমন হলে মানুষ সেটা সামালও দিতে পারে। কিন্তু যখন দ্রব্যমূল্য প্রতিদিনই বাড়ে, বাড়লে আর কমে না এবং উৎসবের উপলক্ষ্যে আকাশচুম্বী হয়, তখন নির্দিষ্ট আয়ের সাধারণ মানুষ সেটা সামলাবেন কেমন করে? শুধু দ্রব্যমূল্যই নয়, বাড়িভাড়া থেকে ইউটিলিটি বিল সব কিছুই যখন বাড়ে, তখন সে ধকল মোকাবিলা করতে পারে না সীমিত ও নির্ধারিত আয়ের মানুষজন। এমনকি, বাজেটের সময় মানুষ আতঙ্কে থাকে দাম বাড়ার ভয়ে।

এসব কারণেই কিছু সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে যে, অনেক মধ্যবিত্তের মানুষ নিম্ন আয়ের কাতারে নেমে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই নিরুপায় হয়ে পরিবার-পরিজন-সন্তানদের গ্রামে রেখে আসতেও বাধ্য হচ্ছেন। কারণ জীবনযাত্রার ব্যয় ও আনুসাঙ্গিক খরচ যে হারে বাড়ছে, বেতন ও আয় সে হারে বাড়ছে না। ফলে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের বিন্যাস ভেঙে যাচ্ছে। অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ছেন। অনেকে ঘুষ, দুর্নীতি, অপরাধ, অপকর্মের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছেন।

এভাবেই আর্থিক সমস্যার কারণে শুধু অর্থনীতিতেই নয়, সামাজিক সমস্যার বিস্তারও ঘটছে। যার কুফল বহুমাত্রিক ও ভয়াবহ। অনেক সময় আর্থিক ও সামাজিক অবক্ষয় ও ধস এতোটাই প্রবল আর মারাত্মক হয় যে, রাজনীতি সেটা সামাল দিতে পারে না। এমনকি, রাজনৈতিক অর্জনও তলিয়ে যায় অর্থনীতিক চাপ ও সামাজিক স্থিতিহীনতার অভাবে। অতএব, বাজার ব্যবস্থা তথা মানুষের আর্থিক ও সামাজিক জীবনকে স্থিতিশীল রাখা রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের সামনে এক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জকে এড়িয়ে গিয়ে নয়, মোকাবিলা ও নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে দমন করাই রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। আর এতেই নিহিত রয়েছে তাদের সাফল্য।

কাগজেকলমে বাজার ব্যবস্থা ও পণ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে দায়িত্ব পালনের জন্য নানা রকমের সংস্থা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা আছে। সেসব বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সজাগ হলে পরিস্থিতি এতো ভয়াবহ হতো না এবং সব কিছুর জন্য রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষকে উত্তর দিতে হতো না। প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত হলে সকল প্রশ্ন মন্ত্রীর সামনে উত্থাপিত হওয়ারও সুযোগ হ্রাস পেতো।

সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা না থাকায় দফায় দফায় কেন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়, তার সঠিক কারণ ও সদুত্তর কেউ দিতে পারে না। বিশেষত নানা উৎসবের আবহে দাম বাড়ানোর প্রতিযোগিতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় না। বছর বছর রোজা, ঈদে দাম বাড়লেও এহেন মূল্যবৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত হয় না। অথচ প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে এবং সরকারের নানা সংস্থায় গবেষণার ব্যবস্থা আছে। তাদের পক্ষ থেকে এজন্য উপযুক্ত কারণগুলোকে চিহ্নিত করে উপস্থাপনও করা হয় না। হলে সবাই তা জানতে পারতো এবং সেসব কারণগুলোকে সমাধানের পথে এগিয়েও নিয়ে যেতে পারতো।

বাস্তবে তেমনটি হচ্ছে না। দাম বাড়লে হৈচৈ ও কিছু চিৎকার হয়। কাজের কাজ কিছুই হয় না। একটি দুটি কারণকে সমাধানে এনে বিশেষ উপলক্ষ্যে দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির প্রবণতাও ক্রমশ কমিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অত্যাচার সহ্য করেই মানুষ আর্থিক ও সামাজিক জীবনে পিছিয়ে পড়ছে। যার চাপ এক পর্যায়ে প্রবল থেকে প্রবলতর হয়ে রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের জন্য বিরাট ঝুঁকির কারণ হচ্ছে।

‘বারো মাসের তের পার্বণের দেশ বাংলাদেশ‘ সম্পর্কে পৌরনীতি ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের বইগুলোতে যে বিহ্বলতা ও আবেগ লিপিবদ্ধ রয়েছে, বাস্তবে সেটা আংশিক সত্যে পরিণত হচ্ছে দিনে দিনে। প্রকৃত সত্য উদ্ধৃত করতে ‘পার্বণে উৎসবে বাংলাদেশে দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ঘটনা‘ মর্মে বাক্যটিও জুড়ে দিতে হবে। সেই সঙ্গে চলে আসবে আর্থিক, সামাজিক বিপর্যয় ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কথাও। এসব প্রসঙ্গ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্রকে ম্লান করবে, যা মোটেও কাম্য নয়। ফলে উৎসবে কেন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায় সেটা খতিয়ে দেখে সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়াই সংশ্লিষ্টদের জরুরি কর্তব্য।

লেখক: অ্যাসোসিয়েট এডিটর, বার্তা২৪.কম; চেয়ারম্যান ও প্রফেসর, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ, বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপ মেরামত সম্পন্ন, বিকেলে পরিস্থিতি উন্নতি হবে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপ মেরামত সম্পন্ন, ছবি: সংগৃহীত

ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস পাইপ মেরামত সম্পন্ন, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইনের ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ মেরামত ও গ্যাস কমিশনিং সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে বিকেল নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

এলএনজি সরবরাহ ও গ্যাসগ্রিডের চাপ (বর্তমান ৭০ পিএসআই) এর সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে গ্যাস সঞ্চালন ও চাপ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সিইপিজেডের জেটি নির্মাণের জন্য সয়েল টেস্ট কাজ পরিচালনার সময় জিটিসিএলের ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট উচ্চচাপ গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনের ক্ষতিসাধন করে। নদীর তীর হতে ২৮০ মিটার দূরত্বে মাটির ১.৫ মিটার গভীরে পাইপলাইনটি অবস্থিত।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সকল পাইপলাইনের ম্যাপ রাখার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ম্যাপিং হাতে থাকলে এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। গ্রাহক ভোগান্তি লাঘোব করতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়াতে হবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের পর থেকেই গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। ঝড়ে পন্টুনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার পর থেকেই ওই এফএসআরইউ থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ১৫ জুলাই নাগাদ চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সামিট গ্রুপের ভাসমান ওই টার্মিনালটি দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন গ্যাস সরবরাহ দিতে পারে। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া সারাদেশেই তার প্রভাব পড়েছে। শিল্প কারখানা ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের লম্বা সারি দেখা যাচ্ছে।

;

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা উদ্বোধন

ছবি: গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বস্ত ব্যাংকিং সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) যশোরের বেনাপোলে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বেনাপোল শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মশিউর রহমান জেহাদ, বেনাপোল পৌরসভার মাননীয় মেয়র মোঃ নাসির উদ্দীন, বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ বজলুর রহমান, ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথি ও গ্রাহকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বস্ত ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বকীয়তা বজায় রেখে দ্রুততার সাথে ব্যাংকিং সেবার পরিধি সম্প্রসারণ করবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

;

শুরু হলো এয়ার এ্যাস্ট্রা'র ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম 'অরবিট'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফ্রান্সের তৈরি এটিআর-৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট নিয়ে গত বছরে এদেশের আকাশে ডানা মেলে বেসরকারি এয়ারলাইনস এয়ার এ্যাস্ট্রা। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রিমিয়াম এভিয়েশন সার্ভিস ও দেশের ডমেস্টিক এয়ার লাইন্স হিসেবে বেশ জনপ্রিয় লতা পেয়েছে খুব অল্প সময়ে।

এবার যাত্রী সেবা আরও সুন্দর ও আনন্দময় করতে আন্তর্জাতিক মানের সুবিধা নিয়ে এবার এয়ারলাইনটির ফ্রিকোয়েন্ট ফ্রায়ার প্রোগ্রাম 'অরবিট' এর যাত্রা শুরু হলো।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এয়ার এ্যাস্ট্রা'র ফ্রিকোয়েন্ট ফ্রায়ার প্রোগ্রাম 'অরবিট' এর উদ্বোধন হয়।

এয়ার এ্যাস্ট্রা কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রীদের সুবিধার্থে তিনটি ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে অরবিট প্রোগ্রামে ইকো, ইভো এবং প্রো। যাত্রীরা এয়ার এ্যাস্ট্রায় নিয়মিত ভ্রমণ করে তাদের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রামে মাইলেজ যোগ করতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট মাইলেজ খরচ করে এয়ার এ্যাস্ট্রায় ফ্রি ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়াও থাকছে প্রায়োরিটি চেক-ইন, র‍্যাম্প কার, সিট সিলেকশন অপশন ও অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা।

'অরবিট' উদ্বোধন উপলক্ষে, এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সাথে সাথে একটি ওয়েলকাম কিট পাবেন যাত্রীরা। যেখানে থাকছে দেশের স্বনামধন্য ১০টি ব্র্যান্ড শেয়ারট্রিপ, গোযায়ান, টুয়েলভ ক্লোবিং, শাহরুখ আমিন, এপেক্স, মানা বে, সি পার্ল ওয়াটার পার্ক, সিক্রেট রেসিপি, রেড বাই আফরোজা পারভিন, ফয়েজ লেক রিসোর্ট এর ডিসকাউন্ট ভাউচার। যাত্রীরা এয়ার এ্যাস্ট্রা'র ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস, সেলস অফিস, এয়ারপোর্ট চেক-ইন কাউন্টার এবং ইন-ফ্লাইটে অরবিট' এর রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

এয়ারলাইনসটির নতুন এই অরবিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব এবং ওরাকল বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলাসহ ছিলেন এয়ার এ্যাস্ট্রা'র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইমরান আসিফ এবং এয়ার এ্যাস্ট্রা'র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইমরান আসিফ এবং চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সোহেল মজিদ উপস্থিত ছিলেন।

এয়ার এ্যাস্ট্রা বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা, ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা, ঢাকা-সিলেট-ঢাকা এবং ঢাকা- সৈয়দপুর-ঢাকা রুটে প্রতিদিন ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এয়ার এ্যাস্ট্রা'র বহরে বর্তমানে চারটি এটিআর ৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট রয়েছে, যা ফ্রান্সে নির্মিত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নিরাপদ টার্বোপ্রপ এয়ারক্রাফট। খুব শীঘ্রই আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট শুরু করবে বলে জানিয়েছে এয়ার এ্যাস্ট্রা কর্তৃপক্ষ।

;

জয়পুরহাটে ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন করছেন অতিথিবৃন্দ।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন করছেন অতিথিবৃন্দ।

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বমানের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে যাত্রা শুরু করল দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ পরিবেশক শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’।

উপজেলার ডাকবাংলো সংলগ্ন মেইন রোডে চালু হওয়া শোরুমটিতে পাওয়া যাচ্ছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার, ওভেন, এলইডি লাইট, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, আইসিটি, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যসামগ্রী।

উদ্বোধন উপলক্ষে ওয়ালটনের যেকোনো পণ্য কেনায় ক্রেতাদের ১০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে আপন এন্টারপ্রাইজ। এই সুবিধা চলবে চলতি জুলাই মাস জুড়ে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন করেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও চিত্রনায়ক আমিন খান এবং ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আক্কেলপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাদেকুর রহমান, থানার অফিসার ইন-চার্জ নয়ন হোসেন, ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহজালাল হোসেন লিমন, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শহীদুজ্জামান রানা, ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মিজানুর রহমান, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মেহেদি হাসান, আপন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ছানোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে আপন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ছানোয়ার হোসেন জানান, আন্তর্জাতিকমানের পণ্য ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে ওয়ালটন বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। ওয়ালটন সব সময় সর্বোচ্চ ক্রেতাসুবিধা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন শোরুমটি উদ্বোধন উপলক্ষে চলতি জুলাই মাস জুড়ে যেকোনো পণ্য কেনায় ক্রেতারা ১০ শতাংশ ছাড় পাবেন।

ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম বলেন, ওয়ালটনের আন্তর্জাতিকমানের পণ্য এখন প্রতিটি ঘরে শোভা পাচ্ছে। রপ্তানি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। ওয়ালটনের ইলেকট্রনিক্স পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই শোরুমটির উদ্বোধন। নতুন শোরুমটি থেকে এই অঞ্চলের মানুষ এখন আরও সহজেই ওয়ালটনের পণ্য ও সেবা পাবেন।

চিত্রনায়ক আমিন খান বলেন, দেশে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা মিটিয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ওয়ালটনের পণ্য এখন ৪০টিরও অধিক দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এই অঞ্চলে নতুন শোরুমের মাধ্যমে ওয়ালটনের ব্যবসায়িক পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। আপন এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে হাতের নাগালেই পাবেন প্রয়োজনীয় ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য।

;