হঠাৎ বেড়েছে লাউয়ের দাম



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শীতকালীন সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও হঠাৎ করে বেড়েছে লাউয়ের দাম। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ৪০-৪৫ টাকা পিস দরে বিক্রি হওয়া লাউ এসপ্তাহের শেষদিন বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি কম তাই দাম বেড়েছে। লাউয়ের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজরসহ শাক-সবজি, চাল, ডাল, আটা-ময়দা, ডিম, মাছ এবং মাংসের দাম।

রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ছোট-মাঝারি মানের ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা, বড় ভালো মানের ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০টাকা দরে। বাঁধাকপি ৩০-৩৫ টাকা, শালগম ৩০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া (ছোট) ৫০ টাকা।

লাউয়ের দাম জানতে চাইলে ব্যবসায়ী আব্দুল বার্তা২৪.কমকে বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কম। তবে লাউয়ের দাম বেড়েছে। বুধবার যে লাউ কিনেছি ২৫-৩০ টাকা পিস। সেই লাউ আজ কিনেছি ৫০-৫৫ টাকা দরে।তাই আমরা বিক্রি করছি প্রতি পিস ৭০ টাকা দরে।

বাজারটিতে ভালো মানের শিম ৫৫-৬০টাকা এবং নিন্মমানের সিম ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মুলা ২০-২৫ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু ২৫-২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০-৫৫ টাকা, ভালো মানের টমেটো ৬৫-৭০ টাকা আর কাঁচা টমেটো ৫০-৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে অ-মৌসুমি ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৭০-৮০ টাকাতে। করলা ৬০ টাকা এবং বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। বিভিন্ন মৌসুমি শাক বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা আঁটি দরে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি ভালো মানের নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৩৫ টাকা দরে। তার চেয়ে একটু নিন্মমানের পেঁয়াজ বিক্রি ১০০-১২০ টাকায়, পাকিস্তানি পেঁয়াজ ১১০ টাকায় এবং মিশরের পেঁয়াজ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা ও দেশি আদা ১৬০ টাকা কেজি। চায়না রসুন ১৫০ ও দেশি রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারটিতে ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৩ টাকা ডজন। আর হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা ডজন। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৮৫০ টাকা ও বকরির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি দরে।

মোটা আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা দরে। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৫৫ টাকা ও পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা কেজিতে। মসুর ডাল ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এক কেজি সাইজের প্রতিটি ইলিশ ১১০০-১২০০ টাকা ও ৬০০-৭০০ গ্রামের একেকটি ইলিশ ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর অন্যান্য মাছের মধ্যে রুই মাছ ২২০ টাকা ও কার্প মাছ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।