বেড়েছে আমদানি, কমেছে সবজির দাম



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কমেছে শীতের সবজির দাম/ছবি: বার্তা২৪.কম

কমেছে শীতের সবজির দাম/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আমদানি বেড়ে যাওয়ায় কমে গেছে শীতকালীন সবজির দাম। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, চাল, মাংস, ডিম, আটা ও মাছের দাম।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচা ও তেজগাঁওয়ের বেগুনবাড়ি কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ৬৫-৭০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া লাউয়ের দাম কমে ৪৫-৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে লাউয়ের দাম ২০-২৫ টাকা কমেছে। লাউয়ের পাশাপাশি কিছুটা কমেছে শিম ও টমেটোর দাম। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে কমেছে পেঁয়াজের দাম।

প্রতিপিস লাউয়ের দাম কমেছে ২০-২৫ টাকা

সেগুন বাগিচার ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, টমোটো, লাউয়ের দাম কমেছে। তবে বেড়েছে পেঁপের দাম। আর বাকি সবজিগুলো আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের ফুলকপি ও বাধাকপির পিস ৩০ টাকায় বিক্রি করছি।

এছাড়া গাজর কেজিতে ৩০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া (ছোট) ৫০ টাকা, শিম ৪৫-৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মুলা ২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু ২৫-২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০-৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আমদানি বাড়ায় কমেছে সবজির দাম

ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০-৭০ টাকায়। করলা ৬০ টাকা এবং বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। বিভিন্ন মৌসুমি শাক বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা আঁটি দরে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি ভালো মানের নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকা দরে। তার চেয়ে একটু নিম্নমানের পেঁয়াজ বিক্রি ১৪০-১৫০ টাকায়, পাকিস্তানি পেঁয়াজ ১৪০ টাকায় এবং মিশরের পেঁয়াজ ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা ও দেশি আদা ১৬০ টাকা কেজি। চায়না রসুন ১৫০ ও দেশি রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিকেজি মিনিকেট ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে 

বেগুনবাড়ির কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী রুপম ভূইয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, গত শুক্রবার বৃষ্টি হওয়ার কারণে বাজারে পেঁয়াজ ওঠানো যায়নি। ফলে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ বাজারে কম এসেছে। এতে ১২০ টাকার পেঁয়াজ ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এখন একটু কমেছে। তাও কেজি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি করছি।

বাজারটিতে ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকা ডজন। আর হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা ডজন। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৮৫০ টাকা ও বকরির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি দরে।

মোটা আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা দরে। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৫২ টাকা, বালাম ৪৮টাকা ও পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা কেজিতে। মসুর ডাল ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

রুই মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে

এক কেজি সাইজের প্রতিটি ইলিশ ১১০০-১২০০ টাকা ও ৬০০-৭০০ গ্রামের একেকটি ইলিশ ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর অন্যান্য মাছের মধ্যে রুই মাছ ২২০ টাকা ও কার্প মাছ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।