‘কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
‘কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ’

‘কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ’

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রিটানিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি আলমগীর বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিধিমালা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রার্থীদের ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। আগামীতে এনালগ পদ্ধতি বাতিল করে প্রার্থীদের নমিনেশন পেপার সাবমিটসহ নির্বাচনের সকল কার্যক্রম ডিজিটাল করতে আইন প্রণয়ন করা হবে।

পরে তিনি টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

এসময় মসিকের সদ্য সাবেক মেয়র ও দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, ইভিএমে ভোট নিয়ে ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা ও অজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে সিটিতে নতুন যুক্ত হওয়া ১২টি ওয়ার্ডের ভোটারদের মধ্যে এই অজ্ঞতা অনেক বেশি। সেই সঙ্গে ইভিএম'র ভোট নিজের পছন্দের প্রার্থীর প্রতি থাকবে কি-না, এনিয়ে সংশয় রয়েছে। মূলত একটি গোষ্টি এই ধরনের অপপ্রচার করছে। তাই গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও মোবাইল নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া যাবে কি-না, এই বিষয়টি স্পষ্ট করা জরুরি। ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণার মাধ্যমে ইভিএম বিষয়ে ভোটারদের স্বচ্ছ ধারণা দেওয়া অতি জরুরি বলেও আমি মনে করি।

ইকরামুল হক টিটুর সাথে একমত পোষণ করে হাতি প্রতীকের প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. সাদেকুল হক খান মিল্কি টজু বলেন, বিগত নির্বাচনে অনেক প্রার্থী হেরে যাওয়ার পেছনে ইভিএমকে দায়ী করেছিলেন, ইভিএমের ধীরগতি নিয়েও কথা রয়েছে। একই সাথে ইভিএম এর ভোট নিয়ে ভোটারদের শঙ্কা অনেক। এই অবস্থায় ব্যালটে ভোট করলে ভোটাররা অস্বস্তিবোধ করত বলে আমি মনে করি।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এহতেশামুল আলম বলেন, ইভিএম সম্পর্কে ভোটারদের মাঝে ভালো ধারণা আছে, তা বলা যাবে না। ব্যালটে ভোট হলে প্রার্থী এবং ভোটাররা স্বস্তিবোধ করত। এতে আচরণবিধি নিয়েও কমিশনের কঠোর নজরদারি অতীব জরুরি।

জাতীয় পার্টি মনোনীত নাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল ইসলাম স্বপন মন্ডল বলেন, ইভিএমে সাধারণ মানুষের মাঝে ভোট দিতে অনীহা রয়েছে। তারা বলে- ইভিএমে এক মার্কায় ভোট দিলে আরেক মার্কায় চলে যায়। এজন্য প্রচারণার মাধ্যমে ভোটারদের আশ্বস্ত করা দরকার। এসব বিষয় খেয়ালে রেখে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করবে বলে আমি আশা করছি।

তবে ভিন্নমত পোষণ করেছেন হরিণ প্রতীকের প্রার্থী কৃষিবিদ রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ইভিএম একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এনিয়ে ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণা থাকা দরকার। সেই সঙ্গে প্রার্থীদের প্রচার ও প্রচারণায় করতে গিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন যেন না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকা দরকার। এছাড়াও প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয় সীমা যেন লঙ্ঘন না হয় সেদিকেও নজরদারি করতে হবে।

এসময় প্রার্থীদের এসব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ইভিএমে অনিয়ম একেবারেই অসম্ভব, এটা বিজ্ঞানের বিষয়। এতে একজনের ভোট আরেকজনের প্রতীকে চলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি তাই হতো তাহলে বিগত নির্বাচনগুলোতে জাতীয় পার্টিসহ অন্য প্রার্থীরা বিজয়ী হতো না।

তিনি আরও বলেন, ইভিএমে কীভাবে ভোট দিতে হয়, তা ভোটারদের জানাতে জেলা প্রশাসন ও তথ্য অফিসের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে। এমনকি নির্বাচনের দিন ভোটারদের লাইনেও বিষয়টি নিয়ে ভোটারদের ধারণা দেওয়া হবে। ইভিএম শুধু ময়মনসিংহ নয়, এর আগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা এবং ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হয়েছে। এতে কোথাও সমস্যা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। তবে আঙ্গুলের ছাপে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হয়ে থাকে, সেজন্য সঠিক ভোটার নিশ্চিত হলে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। মোট কথা ইভিএম নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, বরং ভোটার উপস্থিতিই আসল বিষয়।

এসময় ইসি মো. আলমগীর প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত প্রসঙ্গে বলেন, কোনো প্রার্থীর প্রতি অসম্মান আচরণ করার সুযোগ নেই। আমাদের কাছে সব প্রার্থী সমান সম্মানিত। জনগণ যাকে ভোট দিবে, তিনিই নির্বাচিত হবেন। এক্ষেত্রে কোনো নির্বাচন কর্মকর্তা নিরপেক্ষ না হলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করুন। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিগত সময়ে আপনারা দেখেছেন জেলা প্রশাসক, নির্বাচন কর্মকর্তা ও ওসিসহ অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে বাদ যায়নি প্রার্থীরাও। বিগত জাতীয় নির্বাচনে একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। মোট কথা এই নির্বাচন হবে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন। এতে জাল ভোট বা অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।

মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি, জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রায়হানুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, মসিক নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৯৬ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৩২ পুরুষ, ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৫৫ নারী। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৯ জন। তারা আগামী ৯ মার্চ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নগরীর ১২৮টি ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রয়োগ করবেন।

এতে মেয়র পদে পাঁচ প্রার্থী ছাড়াও নগরের ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৯ এবং ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী আছেন ৬৯ জন। তবে নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিল নির্বাচিত হওয়ায় কাউন্সিলর পদে ৩২টি ওয়ার্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

   

দুই ইউপি নির্বাচনের ভোট স্থগিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দুই ইউপি নির্বাচনের ভোট স্থগিত

দুই ইউপি নির্বাচনের ভোট স্থগিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলাধীর ধলীগৌরনগর ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২৮ এপ্রিল এই দুই ইউনিয়ন পরিষদের ভোট হওয়ার কথা ছিল।

 

সোমবার (০৮ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানায়।

ইসি জানায়, মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ৩৫৮৬/২০২৪ ও রিট পিটিশন নং ৩৫৮৭/২০২৪ এর গত ২০ মার্চর আদেশ প্রতিপালনার্থে আগামী ২৮ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলাধীন ধলীগৌরনগর ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

এই অবস্থায়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

;

উপজেলা নির্বাচন: প্রার্থীর মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে ইসির চিঠি 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রার্থীর মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে ইসির চিঠি 

প্রার্থীর মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে ইসির চিঠি 

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ উপলক্ষে প্রার্থী মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে আগামী সাতদিনের মধ্যে নাম জানাতে হবে।

বুধবার (০৩ এপ্রিল) ইসির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল আলম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এই তথ্য জানানো হয়। 

জনসংযোগ শাখা জানায়, আগামী ২১ মে ১৬১টি উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ১৫ এর উপবিধি (৩)(গ)(ইইই) অনুযায়ী চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারী বা তাহাদের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষরসহ তালিকা বর্ণিত বিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারকে ও অনুলিপি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২১ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র বাছাই ২৩ এপ্রিল, আপিল গ্রহণ ২৪-২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ থেকে ২৯ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩০ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ০২ মে।

;

এনডিআই আইআরআই’র প্রতিবেদনে খারাপ কিছু দেখিনি: ইসি আলমগীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) ও ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিবেদনে খারাপ কিছু দেখেননি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

বুধবার (০৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ রুমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন দাবি করেছেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে তারা যা বলেছে আমাদের দৃষ্টিতে দেখিনি যে খারাপ কিছু বলেছে। আমরা সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণভাবে করেছি। কতটা গ্রহণযোগ্য হয়েতে সেটা দলগুলোর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।

আউয়াল কমিশন পর্যবেক্ষণ সংস্থা দুটির চূড়ান্ত রিপোর্ট দেখেছে জানিয়ে এই কমিশনার বলেন, আমরা তাদের রিপোর্ট দেখেছি। ফরমালি বসতে পারিনি। আমাদের সময়ে জাতীয় নির্বাচন তো হবে না। কাজেই অনেক সময় আছে। প্রাথমিক রিপোর্ট আমরা দেখেছি। আমাদের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে। এখন সামারি করার জন্য বলা হয়েছে, যে তারা আমাদের ভালোদিক এবং দুর্বল দিক কী দেখেছে। সচিবালয় খসড়া করেছিল, আমরা বিস্তারিতভাবে আবার করতে বলেছি। এক্ষেত্রে পর্যালোচনা করে আমরা পরবর্তী কমিশনের জন্য সাজেশন রেখে যাবো।

পর্যবেক্ষণ সংস্থা দুটি টোটাল নির্বাচন নিয়ে মতামত দিয়েছেন বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তার মতে, প্রার্থী, দল, সরকার, ভোটকেন্দ্র নানা বিষয়ে কথা বলেছে। আমরা কেবল আমাদের দিকটা দেখবো। তারা যে সুপারিশ করেছে সেটা করা যায় কিনা, সেটা আমরা দেখবো। যেগুলো আমাদের জন্য করা সম্ভব সেগুলো পরবর্তী কমিশনের জন্য সুপারিশ রেখে যাবো।

প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টেনে এই কমিশনার বলেন, তারা একটা জায়গায় বলেছে ভোটে কারচুপি হয়ে বেশ কয়েকটা কেন্দ্রে, যেখানে কমিশন ব্যবস্থাও নিয়েছে। যদি বলতো কমিশন অবহেলা করেছে, এমন তো বলেনি। তারা কমিশনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক কিছু বলেনি, যে কমিশনের এমন সক্ষমতা ছিল অথচ ব্যবস্থা নেয়নি। অথবা কমিশন এখানে ভোটের এই সমস্ত কেন্দ্রগুলোতে জাল ভোট হয়েছে, কিন্তু কমিশন বন্ধ করেনি, এমন কোনো রিপোর্ট নাই। বরং কমিশন ব্যবস্থা নিয়েছে বলে তাদের রিপোর্টে আছে। প্রশাসনে রদবদল করেছে এগুলোও আছে। এখন টোটাল গণতান্ত্রিক বিষয় তো আর নির্বাচন কমিশন দেখে না।

;

উপজেলা নির্বাচন: এনআইডিতে ঠিকানা পরিবর্তন বন্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
উপজেলা নির্বাচন: এনআইডিতে ঠিকানা পরিবর্তন বন্ধ

উপজেলা নির্বাচন: এনআইডিতে ঠিকানা পরিবর্তন বন্ধ

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) ভোটার ঠিকানা পরিবর্তন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সম্প্রতি মাঠ পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনাও দিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। তবে নতুন ভোটার অন্তর্ভূক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা অব্যাহত থাকবে। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার সিনিয়র সহকারি সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী নির্দেশনাটি সকল উপজেলা, জেলা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোট কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণের নিমিত্ত ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কার্যক্রম পুর্বের ন্যায় অব্যাহত রাখার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অনুমোদন দিয়েছেন।

এই অবস্থায় উপজেলা পরিষদ সধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোট কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণের জন্য ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কার্যক্রম পূর্বের ন্যায় অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

আসন্ন ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চারটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ১৫২ উপজেলায় ভোটগ্রহণের তারিখ ৮ মে নির্ধারণ করে ২১ মার্চ প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। এছাড়া ২১ মে দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন ১৬১টি উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের পূর্ণাঙ্গ তফসিল না হলেও ২৯ মে ও ৫ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রথম ধাপের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৫ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল, আর ভোটগ্রহণ হবে ৮ মে।

এই ধাপের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে জেলা প্রশাসক।

দ্বিতীয় ধাপের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিল ২১ এপ্রিল শেষ সময়, মনোনয়নপত্র বাছাই ২৩ এপ্রিল, আপিল গ্রহণ ২৪-২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ থেকে ২৯ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩০ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ প্রতীক বরাদ্দ ২ মে। আর ভোটগ্রহণ হবে ২১ মে।

এই ধাপের নির্বাচনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। যেখানে ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখের বেশি সেখানে একাধিক সহকারি রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হবে।

;