সকালে মির্জা আব্বাস বিকেলে আফরোজা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইশরাকের গণসংযোগে সকালে মির্জা আব্বাস বিকেলে আফরোজা আব্বাস

ইশরাকের গণসংযোগে সকালে মির্জা আব্বাস বিকেলে আফরোজা আব্বাস

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন আগামী ৩০ জানুয়ারি। দুই সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রাচারণা ও গণসংযোগ শুরু করেছে প্রার্থীরা।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দিনে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।

এদিন ইশরাকের গণসংযোগে সকাল থেকে ছিলেন ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস আর বিকেলে ছিলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিনী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।

ইশরাকের সঙ্গে গণসংযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস

সকালে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ইশরাকের গণসংযোগ শুরু হয়। গণসংযোগ শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের মেয়র প্রার্থী সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন। জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ঢাকা শহর অরক্ষিত রয়েছে এবং গত ১৩ বছরে ঢাকা শহর সারাবিশ্বের মধ্যে এক নম্বর দূষিত নগরীতে পরিণত হয়েছে। সেই শহরকে আমরা সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বসবাসযোগ্য করে তুলতে চাই।

ইশরাক হোসেন এ নির্বাচনকে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই উল্লেখ করে বলেন, এ নির্বাচনে আপনারা ব্যক্তি ইশরাককে ভোট দিচ্ছেন না, আপনারা ভোট দিবেন নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে। ধানের শীষ বিজয়ী হলে বেগম খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্রের মুক্তি আন্দোলন যেমন চূড়ান্ত পরিণতি পাবে তেমনি দুর্নীতি, ডেঙ্গু, যানজট মুক্ত সকলের বসবাসযোগ্য, আধুনিক, মানবিক ও নিরাপদ ঢাকা গড়ে তোলা হবে।

ইশরাকের সঙ্গে গণসংযোগ করেছেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিনী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস

কমলাপুর রেলস্টেশনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে আরামবাগ, এজিবি কলোনি হয়ে শাজাহানপুরে মির্জা আব্বাসের বাসায় এসে গণসংযোগ শেষ হয়। গণসংযোগে অসংখ্য দলীয় নেতাকর্মী অংশ নেয়।

বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে মালিবাগ কমিউনিটি সেন্টার থেকে দ্বিতীয় ধাপে গণসংযোগ শুরু হয়। এসময় ইশরাকের সঙ্গে ছিলেন আফরোজা আব্বাস। তিনি ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট চান।

গণসংযোগকালে গলির মুখে, বাড়ির গেটে, বাসাবাড়ির বেলকনি থেকে হাত নেড়ে ইশরাকে অভ্যর্থনা জানায় এলাকাবাসী। এসময় মেয়র প্রার্থী ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। নিজ হাতে পোস্টার বিলি করে ভোট চান। এলাকাবাসী তাদের সাবেক মেয়রের ছেলেকে পেয়ে উচ্ছ্বাসিত হতে দেখা যায়।