শুভ জন্মদিন কনকচাঁপা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কনকচাঁপা

কনকচাঁপা

  • Font increase
  • Font Decrease

‘ভাল আছি ভাল থেকো’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘তুমি আমার এমনই একজন’, ‘থাকত যদি প্রেমের আদালত’, ‘অনেক সাধনার পরে আমি’, ‘ছোট্ট একটা জীবন নিয়ে’, ‘তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই’, ‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে’, ‘আমার নাকেরই ফুল বলে রে’, ‘তোমায় দেখলে মনে হয়’, ‘আকাশ ছুঁয়েছে মাটিকে’, ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’, ‘বিরহে পোড়াইলা তুমি আমার এ অন্তর’, ‘এমন একটা দিন নাই’, ‘আমার হৃদয় একটা আয়না’, ‘এক বিন্দু ভালোবাসা দাও’, ‘কিছু কিছু মানুষের জীবনে’, ‘একদিন তোমাকে না দেখলে’, ‘বাজারে যাচাই করে দেখিনিতো দাম’, ‘আমার প্রেমের তাজমহল’, ‘আমি মেলা থেকে তাল পাতার এক’, ‘আমায় এতো রাতে কেনে ডাক দিলা’র মতো অংসখ্য কালজয়ী গান শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন তিনি। এছাড়া আরও অসংখ্য জনপ্রিয় গান বা অমর সৃষ্টির শিল্পী তিনি। কথা হচ্ছে- বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার।

আজ (১১ সেপ্টেম্বর) জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পীর ৫১তম জন্মদিন। ১৯৬৯ সালের আজকের এই দিনে রাজশাহী জেলার সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে রুমানা তৃতীয়। তার সম্পূর্ণ নাম রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা।

১৯৭৮ সালে সর্বপ্রথম তিনি টিভিতে পারফর্ম করেন। একই বছর তিনি শিশুশিল্পী হিসেবে ‘নতুন কুঁড়ি’র চ্যাম্পিয়ন হয়। তিনি টানা ৩ বছর ‘জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতা’র চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেন।

চলচ্চিত্র, আধুনিক গান, নজরুল সঙ্গীত, লোকগীতিসহ প্রায় সব ধরনের গানে তিনি সমান পারদর্শী। বর্তমানে প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।

৩৫ বছরের সংগীত ক্যারিয়ারে সাড়ে তিন হাজারের বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এবং প্রায় ২০০০ ছবিতে তার গান রয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে প্রায় ৪০টি গানের অ্যালবাম। করেছেন ৪ হাজারের বেশি স্টেজ শো।

নারী শ্রেষ্ঠ প্লেব্যাক কণ্ঠশিল্পী হিসেবে রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিনের পরে তিনিই একাধিক তিনবার জাতীয় চলচ্চিত পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া আরও অসংখ্য সম্মান ও পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

কনকচাঁপা

গানের পাশাপাশি লেখক হিসেবেও কনকচাঁপার সুখ্যাতি রয়েছে। তিনি ‘স্থবির যাযাবর’ নামে একটি অটোবায়োগ্রাফি লিখেছেন, ২০১১ সালের অমর একুশে বইমেলায় এটি প্রকাশিত হয়। এছাড়াও ২০১২ সালে মুখোমুখি যুদ্ধ, মেঘের ডানায় চড়ে (২০১৬), কাঁটা ঘুড়ি (২০১৮), সেই পথে যাও (২০১৯), কাঁটা ঘুড়ি-২ (২০১৯) বইগুলো প্রকাশিত হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে মিউজিক ডিরেক্টর ও কম্পোজার মইনুল ইসলাম খানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।