রাজপরিবারে থাকাকালীন আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন মেগান



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল

প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজকীয় সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে এখন সাধারণ জীবনযাপন করছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। কিন্তু জানেন কী এই রাজপরিবারে থাকাকালীন আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন মেগান।

প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল

রোববার (০৭ মার্চ) জনপ্রিয় মার্কিন সঞ্চালক অপরাহ উইনফ্রেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটা নিজে মুখেই স্বীকার করেছেন সাবেক এই হলিউড অভিনেত্রী। একইসঙ্গে রাজপরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের পুত্রবধূ হওয়ার খারাপ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মেগান জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই অসহায়তাবোধ এবং হতাশা ক্রমেই গ্রাস করেছিল তাকে, সেসময় আত্মহত্যার চিন্তাও মাথায় এসেছিলো তার। বারবার সাহায্য চেয়েও যখন কাউকে পাশে পাননি, তখন নিজের ক্ষতি করার কথা ভাবতে শুরু করেছিলেন মেগান মার্কেল। মেডিক্যাল হেলপ বা চিকিৎসকের পরামর্শ চেয়ে বাকিংহাম প্যালেসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, তবে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো এটি সম্ভব নয়। কারণ এতে নাকি রাজপরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হতে পারে।

প্রিন্স হ্যারি-মেগান মার্কেল ও অপরাহ উইনফ্রে

মেগান আরও বলেন, ‘আমি লজ্জিত ছিলাম হ্যারির কাছে এই স্বীকারোক্তি করার জন্য। কিন্তু আমি জানতাম যদি আমি এই কথা না জানাই তাহলে সত্যি আমি আত্মহত্যা করে বসবো।’

এখানেই শেষ নয়, ক্যালিফোর্নিয়ার কৃষ্ণাঙ্গ মা আর শ্বেতাঙ্গ বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া মেগান অভিযোগ করে আরও জানান, হ্যারি ও তার প্রথম সন্তান আর্চির গায়ের রঙ কেমন হবে সেটি নিয়েও উদ্বেগে ছিলো রাজপরিবার।

ছেলে আর্চির সঙ্গে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল

২০১৮ সালে প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন মেগান মার্কেল। পরে ২০১৯ সালে এই দম্পতির ঘর আলোকিত করে আসে প্রথম সন্তান আর্চি।

২০২০ সালে ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস শুরু করেন তারা। শিগগিরই দ্বিতীয় সন্তানকে স্বাগত জানাবেন হ্যারি-মেগান।