শেষ হলো ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’র শুটিং



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’ পোস্টারে আলিয়া ভাট

‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’ পোস্টারে আলিয়া ভাট

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিলো সঞ্জয়লীলা বানসালি পরিচালিত ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’র শুটিং। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বহুবার আটকে গিয়েছিলো ছবিটির কাজ। কিন্তু সব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে প্রায় দুই বছর পর শেষ হলো এর শুটিং।

সঞ্জয়লীলা বানসালির সঙ্গে আলিয়া ভাট

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবিটির পরিচালক এবং এর সঙ্গে যুক্ত সদস্যদের তোলা ছবি শেয়ার করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী আলিয়া ভাট।

ছবির পাশাপাশি দীর্ঘ এক পোস্ট শেয়ার করে আলিয়া লিখেছেন, “২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’র কাজ শুরু করেছিলাম আমরা। এরমেধ্যে দুইবার লকডাউন, দুটি সাইক্লোন এবং করোনাভাইরাসের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে ছবিটিকে। শুধু আমাদের নয়, অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। তবে এই সমস্ত কিছুর মধ্য দিয়ে আমি যা নিয়ে যাচ্ছি তা হলো বিশালাকার, অসাধারণ, হৃদয়কে ডুবিয়ে দেওয়া জীবন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা!”

শুটিং সেটে সঙ্গে সঞ্জয়লীলা বানসালির আলিয়া ভাট

সঞ্জয়লীলা বানসালিকে নিয়ে আলিয়া বলেন, ”স্যারের পরিচালনায় কাজ করা আমার সারাজীবনের স্বপ্ন ছিলো, তবে আমি মনে করি না যে, এই দু’বছরের জন্য আমি যে যাত্রা করছিলাম তার জন্য কোনও কিছুই আমাকে প্রস্তুত করে তুলেছিলো... আমি আজ এই সেট থেকে বেরিয়েই একজন পৃথক ব্যক্তি! আমি আপনাকে ভালোবাসি স্যার! সত্যিই আপনার মতো আর কেউ নেই।”

বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই আমার ক্রু, আমার পরিবার এবং আমার বন্ধুদের যারা এই দুই বছর আমার পাশে ছিলেন। তোমাদের ছাড়া কিছুই সম্ভব হতো না! তোমাদের ভালোবাসি বন্ধুরা!!!

২০২০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিলো ছবিটির। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে আটকে যায় সেটি।

ছবির ক্রুদের সঙ্গে আলিয়া ভাট

এস হুসেন জাইদির লেখা বই ‘মাফিয়া কুইনস অব মুম্বাই’ থেকে জানা যায়, মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাবার হিসাবরক্ষকের সঙ্গে গঙ্গা হরজীবনদাস কাথিওয়াড়িয়া (গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি) গুজরাত থেকে মুম্বাইয়ে পালিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু প্রেমে ধোঁকা খেতে হয়েছিল এই কিশোরীকে। বিয়ে করেও স্বামী তাকে বিক্রি করে দেয়। ডন করিম লালার একাধিক গ্যাং মেম্বার তাকে বারবার ধর্ষণ করে। তবুও হাল ছাড়েন না গঙ্গুবাই। শেষমেষ করিম লালার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন গঙ্গুবাই। তাকে নিজের বোনের সম্মান দেয় করিম লালা। এরপরই কামাতিপুরায় একটি গণিকালয় শুরু করেন গঙ্গুবাই।

এরপর সেই গঙ্গুবাই হয়ে উঠেছিলেন সম্পূর্ণ কামাতিপুরার হর্তাকর্তা বিধাতা। কিন্তু জোড় করে যে সব মেয়েদের এই পেশায় ঠেলে দেওয়া হতো তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন তিনি।