আলী যাকের ছাড়া এক বছর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আলী যাকেরের আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।

আলী যাকেরের আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।

  • Font increase
  • Font Decrease

মঞ্চের 'নুরলদীন' কিংবা টেলিভিশনের 'বড় চাচা' চরিত্রের মতো তিনিও স্থান করে নিয়েছিলেন মানুষের হৃদয়ে। বহুব্রীহি, আজ রবিবারের মতো নাটক ও নদীর নাম মধুমতী, লালসালু চলচ্চিত্রেও ছিল তার সফল পদচারণা। তিনি আলী যাকের। বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। আজ ২৭ নভেম্বর তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছরের এই দিনে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

আলী যাকের ১৯৪৪ সালের ৬ নভেম্বর চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোহাম্মদ তাহের ছিলেন চট্টগ্রাম সদর স্ট্রিটের মহকুমা প্রশাসক, মা রিজিয়া ছিলেন গৃহিণী। তিনি চার ভাইবোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। পৈতৃক বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে হলেও বাবার চাকরির কারণে দেশের বিভিন্ন শহরে ঘুরেছেন তিনি।

আলী যাকের সেন্ট গ্রেগরি স্কুল থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিক এবং ১৯৬২ সালে নটর ডেম থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক করেন তিনি। মায়ের চিকিৎসার জন্য কলকাতা গিয়ে তিনি শম্ভু মিত্র আর উৎপল দত্তের বেশ কটি নাটক দেখেছিলেন। সেই থেকে ভালোবাসা তৈরি হয় নাটকের প্রতি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় যুক্ত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে। স্নাতক শেষে করাচিতে এক ব্রিটিশ এজেন্সিতে ট্রেইনি এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকায় এশিয়াটিকে চাকরি শুরু করেন।

স্বাধীন বাংলা বেতারের একজন শব্দসংগ্রামী ছিলেন আলী যাকের। স্বাধীনতার পর ঢাকায় ফিরে দায়িত্ব নেন এশিয়াটিকের। অভিনেতা ও নির্দেশক মামুনুর রশীদের আহ্বানে যুক্ত হন মঞ্চনাটকে। ১৯৭২ সালে মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকে অভিনয় দিয়ে শুরু হয় তার মঞ্চে যাত্রা। ১৯৭২ সালের জুনে আলী যাকের নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে যোগ দেন। তখন থেকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নাগরিকই ছিল তার ঠিকানা। বাকি ইতিহাস, সৎ মানুষের খোঁজে, দেওয়ান গাজীর কিস্‌সা, কোপেনিকের ক্যাপ্টেন, গ্যালিলিও, ম্যাকবেথসহ অনেক আলোচিত মঞ্চনাটকে অভিনয় ও নির্দেশনা দেন তিনি।

টেলিভিশনে 'আজ রবিবার', 'বহুব্রীহি', 'তথাপি', 'পাথর দেয়াল'সহ অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন। ৫০টির বেশি বেতার নাটকে অভিনয় ছাড়াও লিখেছেন টেলিভিশনের জন্য মৌলিক নাটক। তার লেখা বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- 'সেই অরুণোদয় থেকে', 'নির্মল জ্যোতির জয়' প্রভৃতি।

১৯৭৭ সালে সারা যাকেরকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের দুই সন্তান। ছেলে ইরেশ যাকের ও মেয়ে শ্রিয়া সর্বজয়া।

শিল্পকলায় অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, মুনীর চৌধুরী পদক, নরেন বিশ্বাস পদক এবং মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেছেন।

শিল্পীদের কাজকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আহ্বান সুবর্ণার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
সুবর্ণা মুস্তাফা

সুবর্ণা মুস্তাফা

  • Font increase
  • Font Decrease

শিল্পীদের কাজকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন নন্দিত অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা। গত রোববার (২৩ জানুয়ারি) চলমান সংসদ অধিবেশনে দাঁড়িয়ে শিল্পীদের যাতনার কথা তুলে ধরেন তিনি। তার এ ভাষণ ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন পেশার শিল্পী ও কলাকুশলীদের মাঝে।

সংসদে তিনি বলেন, “১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র, চরমপত্র, ট্রাকে চড়ে ক্যাম্প থেকে ক্যাম্পে একদল শিল্পী ছুটে যাচ্ছেন দেশের গানে, গণশক্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করতে। শরণার্থী শিবিরে নিচ্ছেন সেবকের ভূমিকায়। নব্বইয়ের স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলনে দিনের পর দিন রাজপথে কেটেছে এইসব শিল্পীদের। আর গত নির্বাচনে আমাদের শিল্পী সমাজের ভূমিকা প্রশংসারও ঊর্ধ্বে। এত গৌরবগাঁথার মধ্যে একটি বিষাদের ছায়া থেকেই যাচ্ছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, শিল্পী আমাদের দেশে এখনো কোনো স্বীকৃত পেশা নয়।”

মাসিক বেতনের প্রক্রিয়া নেই বিধায় শিল্পীরা ব্যাংক লোন নিতে পারেন না। অথচ তারা কোন কোন ক্ষেত্রে কোন চাকুরীজীবির চেয়েও বেশি আয় করে থাকেন। এ কথা জানিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, “একজন সাধারণ কর্মচারী মাসিক বেতনের খতিয়ান দেখিয়ে ব্যাংক লোন নিতে পারেন। কিন্তু একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী, যিনি ওই চাকরিজীবীর চেয়ে অবশ্যই বেশি আয় করেন, নিয়মিত আয়কর দেন, কিন্তু সমস্ত কাগজপত্র দেওয়ার পরও সামান্য একটি হোমলোন পান না। আমি ব্যাংককে দোষারোপ করছি না। তারা তাদের নিয়মের মধ্যেই থাকবেন। শুধু ভরসা করতে পারছেন না, একজন শিল্পী মাসে মাসে লোনের কিস্তি শোধ করতে পারবে। কারণ শিল্পী কোনো স্বীকৃত পেশা নয়।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, “আপনি আমাদের শিল্পীদের সহায়। বারবার আমরা আপনার কাছেই ফিরে আসি। আপনার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মঞ্চনাটককে করমুক্ত করে দিয়েছিলেন। আপনার ভাই শহীদ শেখ কামাল মঞ্চে অভিনয় করতেন, সেতার বাজাতেন, ছবি আঁকতেন। আমি সেই সৌভাগ্যবানদের একজন, যে মঞ্চে অভিনয়রত অবস্থায় আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) মহিলা সমিতিতে দর্শকসারিতে পেয়েছিলাম। তাই আপনার কাছেই বলতে চাই, আপনি এই শিল্পী সমাজকে তাদের এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা করুন। শিল্পীর পেশাকে স্বীকৃতি দিন।”

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪ থেকে জয়লাভ করেন সুবর্ণা মুস্তাফা।

;

মেয়ের জন্য ‘জি লে জারা’ থেকে সরে যাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আলিয়া ভাট, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও ক্যাটরিনা কাইফ

আলিয়া ভাট, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও ক্যাটরিনা কাইফ

  • Font increase
  • Font Decrease

সদ্য মা হয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সারোগেসি পদ্ধতির মাধ্যমে গত ২২ জানুয়ারি কন্যা সন্তানকে স্বাগত জানিয়েছেন নিক জোনাস ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া দম্পতি।

কিন্তু প্রিয়াঙ্কার মা হওয়ার খবরে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ‘জি লে জে’ ছবির নির্মাতাদের কপালে। কেননা গত বছরের শেষ দিকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, আলিয়া ভাট ও ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে ছবিটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন ফারহান আখতার।

শোনা যাচ্ছে, ‘জি লে জারা’ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর ছবিটি থেকে সরে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো- বলিউডের এই অভিনেত্রীর সন্তান।

বলিউড হাঙ্গামার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, এখন মেয়েকে নিয়েই সময় কাটাতে চান প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তাই এখন আপাতত সব কাজ থেকে বিরত থাকতে চান এই অভিনেত্রী।

এদিকে, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া যদি ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ান তাহলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন নির্মাতারা। যদিও বা এসব বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি প্রিয়াঙ্কা বা নির্মাতাদের পক্ষ থেকে।

;

আমরা জানতাম না ভামিকা ক্যামেরাবন্দি হচ্ছে



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মেয়ে কোলে আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি

মেয়ে কোলে আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি

  • Font increase
  • Font Decrease

“এত বছর ধরে আপনারা আমাদের যে ভালোবাসা দিয়েছেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা খুশি হয়ে আপনাদের সঙ্গে এই মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছি। বাবা-মা হিসেবে আমাদের একটা অতি সাধারণ অনুরোধ রয়েছে আপনাদের কাছে। আমরা নিজেদের সন্তানের গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাই, এই কাজে আপনাদের সাহায্য ও সমর্থন প্রয়োজন। আমরা আগামীতেও নিশ্চিত করবো আমাদের সবরকমের কনটেন্ট আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে যা কিছু সহযোগিতা করা সম্ভব সেগুলো মেনে চলা। আমরা আবেদন জানাচ্ছি, দয়া করে আমাদের সন্তানের কোনওরকম ছবি আপনারা তুলবেন না বা কোথাও ছড়িয়ে দেবেন না। আশা করছি আপনারা বুঝবেন আমারা কোন পরিস্থিতি থেকে এই কথাগুলো বলছি এবং এর জন্য আগাম ধন্যবাদ।”


গত বছরের ১১ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মেয়ে ভামিকার জন্মের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে পাপারাজ্জিদের কাছে এমনটাই অনুরোধ জানিয়েছিলেন বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা দম্পতি।

এরপর নিজেদের ভক্তদের সঙ্গে ভামিকার সঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্ত শেয়ার করলেন তার সম্পূর্ণ মুখের ছবি কখনও দেখাননি বিরুষ্কা দম্পতি। এমনকি গত ১১ জানুয়ারি ছিলো ভামিকার প্রথম জন্মদিন। বিশেষ সে দিনটিতেও তার সম্পূর্ণ মুখের কোন ছবি প্রকাশ্যে আনেনি তারা।

কিন্তু এতো কিছু করেও শেষ রক্ষা হলো না, প্রকাশ্যে এসেই গেলো ভামিকার সম্পূর্ণ মুখটি।


গত ২৩ জানুয়ারি সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তৃতীয় ওয়ানডে-তে হাফসেঞ্চুরি হাঁকান বিরাট কোহলি। ৬৩ বলে ৫০ রান করেই একটু অন্যভাবে সেলিব্রেট করতে দেখা যায় তাকে। আর ঠিক তখনই পর্দায় ভেসে ওঠে এক বছরের ভামিকার মুখ। গ্যালারিতে তখন মা অনুশকার কোলে। এক গাল হেসে চারদিকে তাকাচ্ছে সে।

সেই মুহূর্তের ভিডিও এক নিমেষে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জন্মের এক বছর পর প্রথমবার ভামিকাকে দেখে মন ভাল হয়ে যায় সকলের।


কিন্তু বিষয়টি মোটেও পছন্দ হয়নি ভামিকার বাবা-মা বিরাট কোহলি ও আনুশকার শর্মার। মেয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই তারকা দম্পতি লিখেছেন, “স্টেডিয়ামে আমাদের মেয়ের ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে এটি আমরা বুঝতে পেরেছি এবং সেই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে ছড়িয়ে পড়েছে সেটাও জানি। আমরা সবাইকে জানাতে চাই, আমি ও আনুশকা জানতাম না, যে ভামিকা ক্যামেরাবন্দি হচ্ছে। আমরা আগেও অনুরোধ করেছি, এবারও অনুরোধ করছি। ব্যক্তিগত কারণেই আমরা ভামিকার ছবি কোথাও প্রকাশিত হোক তা চাই না। আমাদের এই সিদ্ধান্তকে দয়া করে সম্মান জানানো হোক।”


তবে নেটিজেনদের একাংশ কিন্তু বিরাট ও অনুশকার সিদ্ধান্তকে সম্মান দিয়ে চ্যানেল কর্তৃপক্ষের প্রতিই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন।

;

করোনা আক্রান্ত হয়েও শুটিং করলেন অমিতাভ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
অমিতাভ রেজা চৌধুরী

অমিতাভ রেজা চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা আক্রান্ত হলেন নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী। তথ্যটি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান ‘আয়নাবাজি’খ্যাত এ নির্মাতা। তিনি জানান, করোনা আক্রান্ত হলেও তিনি থেমে থাকেন নি। বিজ্ঞাপনের শুটিং চালিয়ে গেছেন ঘরে বসেই।

অমিতাভ রেজা বলেন, “আমি কোভিড পজেটিভ। হেয়ার স্পেশালিস্ট এসেছে বিদেশ থেকে। দুর্দান্ত একটা শুটের জন্য আমাদের পুরো টীম তৈরি। এর মাঝে এই বিপদ। অসুখ বিসুখ কখনো কিছু করতে পারে নাই আমাকে, ৩০ বছরের অ্যাঙ্কিলোসিস স্পডিলিটিস নিয়ে যখন পার করছি তখন কোভিড কি করবে? শুটিং অবশ্য সময় মতো হতে হবে। নিজে ঘরে থেকে পুরো শুটিং শেষ হলো। ”

তার মতে, বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ খুব বিশেষ কিছু না , কিন্তু যেকোনো পরিস্হিতিতে শুট চালিয়ে যাওয়া যায় যদি সঠিক পূর্ব প্রস্তুতি এবং পেশাদার দল থাকে। বিজ্ঞাপনচিত্রটিতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম।

খুব শিগগিরই এটি টিভি পর্দায় দেখা যাবে।

;