মাইলস ছাড়লেন শাফিন, ব্যান্ডের কার্যক্রম স্থগিতের আহ্বান



বিনোদন রিপোর্ট, বার্তা ২৪.কম
শাফিন আহমেদ

শাফিন আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় চার দশকের হাতে গড়া ব্যান্ড মাইলস থেকে সরে দাঁড়ালেন কিংবদন্তি ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ। শনিবার এক ভিডিও বার্তায় নিজ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। একসাথে পথ চলা সম্ভব না হওয়ায় ব্যান্ডটির কার্যক্রম স্থগিত করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় শাফিন আহমেদ বলেন, মাইলসের সঙ্গে আমার পথচলা সেই ১৯৭৯ সাল থেকে। বহু বছর পার হয়ে গেছে। অনেক বছর সময় দিয়েছি, শ্রম দিয়েছি। অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ হয়েছে। মাইলসের যে অবস্থান আজকে সেটার পিছনে আমার কতটুকু অবদান, সেটা আপনাদের অনেকেই জানেন। তবে, একটা সিদ্ধান্ত নিতে আমি বাধ্য হয়েছি সম্প্রতি। সেটা হচ্ছে, এ বছরের শুরু থেকে-মাইলসের বর্তমান লাইন আপের সাথে আমার পক্ষে মিউজিকের কোন কার্যক্রম করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি-আমি এই লাইন আপের সাথে মিউজিক করা থেকে বিরত থাকবো।”

মাইলস ছাড়লেও গান ছাড়ছেন না জনপ্রিয় এ ব্যান্ড তারকা। স্টেজে কিংবা রেকর্ডিংয়ে তাকে আগের মতোই পাওয়া যাবে। শাফিন বলেন, “সংগীত জগতে আমার পথচলা খুব স্বাভাবিক এবং আগের মতোই থাকবে।”

মাইলসের গৌরবময় অতীত যেন ভেঙে যাওয়া মাইলসের মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ না হয় এ জন্য ব্যান্ডটির কার্যক্রম স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শাফিন মনে করেন এটিই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, “আমার একটা প্রত্যাশা থাকবে, মাইলস নামটার যেন কোন অপব্যবহার না হয়। মাইলসকে নিয়ে আমরা চল্লিশ বছর উদযাপন করেছি-খুব গৌরবজ্জ্বলভাবে। আমরা যদি একসাথে কাজ না করতে পারি তাহলে মাইলসের যে কার্যক্রম তা এখনই স্থগিত করা উচিত। এবং এটাই আমি মনে করি বেস্ট ডিসিশান। সুতরাং আমার প্রত্যাশা থাকবে, অন্য কেউ যেন মাইলস নামটার অপব্যবহার না করে।”

ভিডিওটি প্রকাশ করে শাফিন ক্যাপশনে লিখেছেন- “দীর্ঘদিনের অন্যায় ও ভুল কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে আমি এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।” এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক অন্য ব্যান্ড সদস্যদের কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, চলতি বছর মাইলসের ভাঙন নিয়ে গুঞ্জন ওঠার প্রেক্ষিতে হামিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছিলেন- “এই বিষয় তাকেই (শাফিন আহমেদ) পরিষ্কার করতে হবে।”

শাফিন আহমেদ ভিডিও বার্তায় এভাবেই নিজের অবস্থান পরিস্কার করলেন। 

হামিন আহমেদ আরও বলেছিলেন, “এই ব্যক্তি (শাফিন আহমেদ) বারবার একই ধরনের কাজ করছে। এখন হায়ারড (ভাড়াটে) মিউজিশিয়ান নিয়ে মাইলসের অনুমতি ছাড়া মাইলসের গান গাইছে! এর মাধ্যমে দর্শককে যেভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে, এটা অনেকটা প্রতারণার মতো। কোন অধিকারে মিউজিশিয়ান হায়ার করে মাইলসের সুনামটাকে নষ্ট করছে—এটার উত্তর তো তাকে দিতে হবে। চারবার এই ব্যক্তি ব্যান্ড ছেড়েছে, কোনোবারই ব্যান্ড কিন্তু তাকে বলেনি, চলে যাও।”

বিভিন্ন সময় মাইলস ছাড়ার ঘোষণা দিয়েও দলে ফিরেছিলেন শাফিন। চলতি প্রস্থান ছাড়াও ২০১৯ সালে তার মাইলস ছাড়াও গুঞ্জন ওঠে। ২০১৭ সালে অক্টোবরে তিনি একবার ব্যান্ডটি ছাড়ার কয়েকমাস পর দ্বন্দ্ব ভুলে ফের ব্যান্ডে ফিরেছিলেন। ২০১০ সালের শুরুর দিকেও একবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ব্যান্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর কয়েকমাস পর ফের ব্যান্ডে ফেরেন। 

ফরিদ রশিদের হাত ধরে ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলা সংগীতের অন্যতম ব্যান্ড মাইলস যাত্রা শুরু করে। মাইলসের প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’ প্রকাশ হয় ১৯৯১ সালে। তার আগে প্রকাশিত হয় দু’টি ইংরেজি গানের অ্যালবাম ‘মাইলস’ ও ‘এ স্টেপ ফারদার’।

মাইল্স’র জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘প্রথম প্রেমের মতো’, ‘গুঞ্জন শুনি’, ‘সে কোন দরদিয়া’, ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘ধিকি ধিকি’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘নীলা’, ‘কি যাদু’, ‘কতকাল খুঁজব তোমায়’, ‘হৃদয়হীনা’, ‘স্বপ্নভঙ্গ’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘শেষ ঠিকানা’, ‘পিয়াসী মন’, ‘বলব না তোমাকে’, ‘জাতীয় সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইন’ ও ‘প্রিয়তমা মেঘ’।

মাইলস ব্যান্ডের লাইন আপ: শাফিন আহমেদ (বেজ গিটার, কণ্ঠ), হামিন আহমেদ (গিটার, কণ্ঠ), মানাম আহমেদ (কি-বোর্ড), ইকবাল আসিফ জুয়েল (গিটার) ও সৈয়দ জিয়াউর রহমান তূর্য (ড্রামস)।

কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন পিউ মুখোপাধ্যায়



জাহিদুর রহমান, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন পিউ মুখোপাধ্যায়

কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন পিউ মুখোপাধ্যায়

  • Font increase
  • Font Decrease

কণ্ঠে সুরের যাদু ছড়িয়ে ঢাকা জয় করে গেলেন কলকাতা সঙ্গীতশিল্পী পিউ মুখোপাধ্যায়। খ্যাতিমান সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীতজ্ঞ, সাবেক সচিব মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ'র লেখা ও সুরে ঢাকায় গাইতে এলেন কলকাতার জনপ্রিয় ও সম-সাময়িক সঙ্গীতের উদীয়মান তারকা এবং বিশিষ্ট গায়িকা পিউ মুখার্জি।

রোববার (২২ মে) সন্ধ্যায রাজধানীর গুলশানে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহর লেখা ও সুর করা গানের মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করা হয়

১৩টি নতুন গানেই  কণ্ঠ দিয়েছেন গায়িকা পিউ মুখার্জি। সবগুলো গানের সঙ্গীত আয়োজন করেছেন পণ্ডিত তেজেন্দ্ৰ

মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ সঙ্গীত জীবনে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের অনেক কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পীর সাথে কাজ করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলেন ফিরোজা বেগম, উত্তাদ গুলাম আলী, উদ্ভাদ হামিদ খান, উদ্ভাদ সাগীর উদ্দিন খান, আবিদা পারভীন এবং হৈমন্তী শুক্লা।


গায়িকা পিউ মুখার্জির কণ্ঠে গানগুলোর শিরোনাম হলো, পড়ে কি মনে অবাক আলোয় এখন সময় হল, বাইরে শ্রাবণ, কেনো চলে যেতে, কারে কারে বলি, কোনো রাত, মেঘ এসে ছুঁয়ে যায়, ফিরে ফিরে চেয়ে, রং এ তোমায় সাজাবো, গাছের সারি, তুমি ছাড়া কে বা, তুমিতো এখনও।

অনুষ্ঠানে কোলকাতার নন্দিত শিল্পী  পিউ মুখার্জি নির্বাচিত প্রথমে ৬টি গান পরিবেশনা করে অতিধিদের মুগ্ধ করেন। পরে দর্শক শ্রোতাদের অনুরোধে আরো কয়েকটি গান গেয়ে শোনান পিউ মুখার্জি।

মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ'র বলেন, এখন আর কিছুই ভালো লাগে না। কেবলই মৃত্যু কামনা করি। করোনায় মানুষ গান থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছে। উন্মুক্ত গানের আসর বন্ধ ছিল। সুর-লয় বন্দি হয়ে পড়েছিল। ভালো গান শুনতে পাচ্ছিলাম না অনেকদিন। শিল্পীরাও তেমন একটা গান নিয়ে মাতোয়ারা ছিলেন না এ সময়। মাঝখানের আড়াই বছর খুব খারাপ গেছে।

সকলের সামনে এমন আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজের ভাললাগার কথা জানান বহু গুণে গুণী কবি, গীতিকার ও সাবেক সচিব মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ

;

`ভাদাইমা'খ্যাত কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী আর নেই



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
আহসান আলী

আহসান আলী

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা `ভাদাইমা'খ্যাত আহসান আলী মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার (২২ মে) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহসান আলী সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাবর আলীর ছেলে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৫০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

আহসানের শ্যালক জজ আলী জানান, দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। এছাড়া তার লিভারেও পানি ছিলো। রোববার সকালে তিনি অসুস্থ হলে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে থেকে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, লাশ হাসপাতালে রয়েছে। বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আহসান আলী এক সময় কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। প্রায় দুই যুগ আগে তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

;

ট্রেলার দেখে পুরো সিনেমা বিচার করা যায় না: শ্যাম বেনেগাল



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রখ্যাত ভারতীয় পরিচালক শ্যাম বেনেগাল

প্রখ্যাত ভারতীয় পরিচালক শ্যাম বেনেগাল

  • Font increase
  • Font Decrease

বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ (Mujib: The Making of a Nation)’ এর ট্রেলার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওঠা প্রতিক্রিয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সিনেমাটির নির্মাতা, প্রখ্যাত ভারতীয় পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।

শনিবার রাতে ভারতের সংবাদ মাধ্যম টেলিগ্রাফকে তিনি বলেছেন, ট্রেলার দেখে বাংলাদেশি দর্শকরা কেন বিরক্ত হয়েছেন, তা বোঝা আমার পক্ষে সত্যিই কঠিন বলে মনে করছি।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ৯০ সেকেন্ডের ট্রেলারের উপর ভিত্তি করে একটি সম্পূর্ণ সিনেমাকে বিচার করা যায় না। তারা ট্রেলার নিয়ে মন্তব্য করতে পারেন, তবে পুরো সিনেমা নিয়ে মন্তব্য করা হাস্যকর।


‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ এর সিনেমার মূল চরিত্রগুলো নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশি অভিনেতাদের নিয়েছি কারণ তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতাদর্শ সম্পর্কে আরও ঘনিষ্ঠ।

এ সময় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তৈরি সিনেমাটি সম্পর্কে 'নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায়' তিনি বিভ্রান্ত' হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন।

গত ১৯ মে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ করা হয়। ট্রেলার মুক্তির পর অভিনয়, ভিএফএক্স-সহ নানা বিষয়ে সমালোচনা উঠেছে।

;

কেন ব্যর্থ হলেন তিনি?



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
ফজলুর রহমান বাবু

ফজলুর রহমান বাবু

  • Font increase
  • Font Decrease

অন্তর্জালে মুক্তি পেল নতুন নাটক মানুষ একটা ‘দুই চাক্কার সাইকেল’। রাকায়েত রাব্বি রচিত নাটকটি নির্মাণ করেছেন রুবেল আনুশ। তিন গুণী শিল্পী-ফজলুর রহমান বাবু, দিলারা জামান ও মুনিরা মিঠুর অনবদ্য অভিনয়ে মানবিক গল্পের নাটকটি ইতিমধ্যেই শ্রোতামহলে সাড়া ফেলেছে।

নাটকের গল্পে ফজলুর রহমান বাবু একজন ব্যর্থ বাবা, ব্যর্থ সন্তান এবং ব্যর্থ স্বামী । তিনি তার নিজের দোষে বা নিজের জন্য ব্যর্থ হননি, তার ব্যর্থতার কারণ- স্ত্রী-সন্তানের অনৈতিক আচরণ এবং অস্বাভাবিক চাহিদা। শুধু তাই নয়, স্ত্রী-সন্তানের কারনে তার জীবনের একমাত্র ভালোবাসার মানুষ মমতাময়ী মাকেও বৃদ্ধাশ্রম রেখে আসতে হয়েছে তাকে।

জীবনের একপর্যায়ে স্ত্রী-সন্তানদের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডেও জড়িয়ে পড়তে হয় তাকে।


একদিন রিকশায় করে তিনি উদ্দেশ্যহীন পথে যাচ্ছিলেন। তখন রিকশাওলার সুখী পরিবারের কথা শুনে সেই রিকশাওলার বাড়িতে যান তিনি। রিকশাওলার বাড়িতে গিয়ে তার সাথে রাতে খেয়ে, খোলা আকাশের নিচে ঘুমিয়ে পড়েন। এভাবেই গল্প এগুতে থাকে। শেষ হয় এক চমকের মাধ্যমে।

নাটকে ফজলুর রহমান বাবুর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, স্ত্রীর চরিত্রে মুনিরা মিঠু।

নাটকে ব্যাবহৃত হয়েছে দেহতাত্বিক গান ‘আরে ও জীবন, জীবন রে,ও জীবন ছাড়িয়া না যাও মোরে’ গানটি।

নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা রুবেল আনুশ বলেন, “অনৈতিক ভাবে বিলাসিতা করা থেকে নৈতিকতায় থেকে অল্পে সন্তুষ্ট থাকাটাই সুন্দর। এই গল্পে মূলত দুইটা শ্রেণীর মানুষ এর জীবনধারা দেখিয়ে সমাজে একটা সুন্দর মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে । ”

নাটকটি লাইভ টেকনোলজির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছে একে আজাদ সেতু, জামশেদ জামান, তানিন তানহা, ফরগান মিল্টন, মোহাম্মদ সালমান, শ্রাবণ সাব্বির প্রমূখ।

মানুষ একটা দুই চাক্কার সাইকেল

;