'চলো নিরালায়' গানটা নাভেদ ভাই গাওয়ান: অয়ন চাকলাদার



কামরুজ্জামান মিলু, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
অয়ন চাকলাদার

অয়ন চাকলাদার

  • Font increase
  • Font Decrease

অয়ন চাকলাদার । সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তার। গায়ক হিসেবেও রয়েছে আলাদা পরিচিতি। রায়হান রাফী পরিচালিত ‘পরাণ’ ছবির প্রথম গান ‘চল নীরালায়’ উন্মুক্ত হবার পরই শ্রোতারা পছন্দ করেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন অয়ন চাকলাদার ও আতিয়া আনিসা। বার্তা২৪.কমের সঙ্গে সংগীত জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন অয়ন চাকলাদার।

গানের ভুবনে কিভাবে আসা?

অয়ন চাকলাদার: ২০১১ সালে লেজার ভিশনের 'জেগে উঠো' শিরোনামের অ্যালবাম দিয়ে গানের জগতে আসা। ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ছিল আমার এই অ্যালবাম । নতুন সঙ্গীতে 'আমরা করবো জয়' গানটি গেয়েছিলাম আমি, ইভান ইভু এবং ইমরান ।

কোন সিনেমাযর গানে কাজ করছেন?

অয়ন চাকলাদার: একটা সিনেমাতেই অফিসিয়ালি গান গাওয়া হয়েছে। রিলিজও হয়েছে । সেটাকেই সবাই হিট বলছে । গানটা হচ্ছে হিট মুভি 'পরাণ' এর ‘চল নীরালায়’, যা আমি এবং আনিসা গেয়েছি । সুর-সংগীত করেছেন নাভেদ পারভেজ । লিখেছেন জনি হক। এছাড়া আরও কিছু সিনেমার গানের কথা চলছে কিন্তু খুব বেশী চূড়ান্ত হয় নাই।

'চলো নিরালায়' গানের প্রস্তুতি, গানের প্রস্তাব নিয়ে বলবেন কি?

অয়ন চাকলাদার: আমাকে গানটা নাভেদ পারভেজ ভাই গাওয়ান । তখনও জানতাম না এটা সিনেমার গান । গাওয়ার প্রায় মাস তিনেক পর রায়হান রাফি ভাই এবং নাভেদ ভাই আমাকে জানান যে গানটা ‘পরাণ’ মুভিতে যাবে । তারও প্রায় মাসখানেক পর গানটায় আনিসার ডুয়েট কন্ঠ নেয়া হয় ।

দেশে-বিদেশে আপনার প্রিয় শিল্পী কে?

অয়ন চাকলাদার: দেশে বাপ্পা মজুমদার, জেমস, আসিফ, কুমার বিশ্বজিৎ, হাসান, ন্যানসি, সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ । বিদেশে সনু নিগাম, অরিজিত সিং, মাইকেল জ্যাক্সন, ফ্রেডি মার্কারি, চেস্টার বেনিংটন, মার্কো সারেসটো, ডোলোরিস ওরিওডন, শ্রেয়া ঘোষাল, শুভমিতা প্রমুখ ।

কে কে আছেন আপনার পরিবারে?

অয়ন চাকলাদার: বাবা মা ছোট ভাই । ছোট্ট পরিবার আমাদের। বাবা শাজাহান চাকলাদার দীর্ঘ সময় সিএ ফার্মের ম্যানেজার ছিলেন । মা মোর্শেদা ইয়াসমিন ‍গৃহিনী । আর ছোট ভাই অরিত্র চাকলাদার ইওডা চারুকলা থেকে পড়ে এখন গেইম ডিজাইনিং নিয়ে আছে ।

সামনে কি কি সিনেমার গান করবেন? পরিকল্পনা কি?

অয়ন চাকলাদার: আপাতত সামনের জন্য আর একটা সিনেমাতেই গান গেয়েছি । বদরুল আনাম সৌদ ভাই পরিচালিত 'শ্যামা কাব্য' । গানের শিরোনাম ‘পাখি যাও যাও ’। লিখেছেন সৌদ ভাই নিজেই । গেয়েছি আমি আর আনিসা । সুর সংগীত করেছেন ইমন সাহা দাদা । আর পরিকল্পনা বলতে যতদিন সুস্থ, স্বাভাবিক থাকি মিউজিক করতে চাই, গান গাইতে চাই।

আসিফ আকবরের নতুন গান মন ফোঁড়নে সাজ্জাদ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আসিফ আকবরের নতুন গান মন ফোঁড়নে সাজ্জাদ

আসিফ আকবরের নতুন গান মন ফোঁড়নে সাজ্জাদ

  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। ‘মন ফোঁড়ন’ শিরোনামে এ গানের কথা লিখেছেন পলিন কাউসার। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন শেখ মোহাম্মদ রেজওয়ান। এ গান নিয়ে নির্মিত হয়েছে মিউজিক ভিডিও। মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাজ্জাদুর রহমান শুভ ও মুন।

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেন, ‘মন ফোঁড়ন’ অদ্ভুত টাইটেলের একটি গান। পলিন কাউসারের লেখা ও সুরে প্রথমবারের মতো গাইলাম। অন্যরকম অনুভূতির গান এটি। আশা করছি, গানটি সবার ভালো লাগবে।’’

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে সাজ্জাদুর রহমান শুভ বলেন, ‘কাজটি অনেকটা শখের বসে করেছি। তবে শুটিংয়ের পুরো সময়টা খুব উপভোগ করেছি। পলিন ভাই খুব গুণী একজন নির্মাতা। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত। কারণ ক্যারিয়ারের শুরুটা আসিফ আকবর ভাইয়ের মতো একজন লিজেন্ডারি মানুষের গান দিয়ে শুরু করতে পেরেছি।’

মিউজিক ভিডিওটির নির্দেশনায় ছিলেন গীতিকার পলিন কাউসার।

তিনি বলেন, ‘‘আমার সব গানের ভেতরই ভিজ্যুয়াল ইন্ডিপেন্ডেন্স রেখে লিরিক ও টিউন প্ল্যান করি। কারণ আমার গানের স্ক্রিনপ্লে আর ভিজ্যুয়াল ডিরেকশন আমিই দিই। ‘মন ফোঁড়ন’ সেই সেন্সে তেমনই একটি টাইটেল। আসিফ ভাইয়ের গায়কি নিয়ে কোনো কথা বলবার ধৃষ্টতা নেই। বরাবরই গানে তিনি অসাধারণ। গান, সুর আর চিত্রনাট্যের সঙ্গে গল্প খুঁজতে গেলে একে রিলেট করা যাবে না।’’

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ছবিঘরের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলসহ বেশ কিছু ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছে গানটি।

 

;

দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে ‘আশিকি’র নায়িকা অনুর জীবন



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অনু আগরওয়াল

অনু আগরওয়াল

  • Font increase
  • Font Decrease

অনু আগরওয়াল। বলিউডের ৯০ দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। 'আশিকি' ছবিতে অনুর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছিল বলিউড। মহেশ ভাট পরিচালিত ছবি 'আশিকি'- সুপরাহিট তো হয়েছিল, সেই সঙ্গে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয় হন অনু আগরওয়ালও। এরপর কয়েকটি ছবিতে অনুকে দেখা গেলেও তেমন নাম করতে পারেননি। ধীরে ধীরে হারিয়ে যান ইন্ড্রাস্ট্রি থেকে।

 


সেই অনু আগারওয়ালের বর্তমান ছবি দেখলে চিনে ওঠা মুশকিল। তিনি এখন লাইমলাইট থেকে দূরেই থাকেন। খুব সাধারণ তার জীবনযাপন। 

অনু আগারওয়াল মাত্র ২১ বছর বয়সে বলিউডে পদার্পণ করেছিলেন। তবে আশিকির আকাশছোঁয়া সাফল্যে পালটে যায়নি অনুর ভাগ্য।


প্রথম সিনেমাতে অভিনয় করে বাজিমাত করেছিলেন অনু। আশিকির পর রাকেশ রোশনের কিং অ্যাঙ্কেল ছবিতে কাজ করেন। ‘রিটার্ন অফ জুয়েল’ ছিল অনুর শেষ বক্স অফিস রিলিজ। বলিউডের সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারেননি নায়িকা। আপাতত তিনি গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে দূরে।


এক সময় লস অ্যাঞ্জেলস থেকে মডেলিংয়ের অফার পেয়েছিলেন অনু। নিজের দেশের প্রথম সারির নায়িকা ছিলেন। কিন্তু অন্য দেশে গিয়ে সাইড রোলে কাজ করার ইচ্ছে মন থেকে মোটেই ছিল না তার। এরপরই দেশে ফিরে আসেন অনু।

বাস্তব জীবনটা বেশ কঠিনই বলা যায় অনুর কাছে। ১৯৯৯ সালে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার শিকার হন অভিনেত্রী। এতটাই গুরুতরভাবে জখম হয়েছিলেন কিছুদিনের কোমায় চলে যান। প্রায় ২৯ দিন ধরে আই সি ইউ- তে থাকার পর জ্ঞান ফেরে নায়িকার। এক সময় চিকিত্সরা বলেছিলেন তিনি বেশি দিন বাঁচবেন না।


অ্যাক্সিডেন্টের পর আর বলিউডে ফেরা হয়নি অনুর। মুম্বইতে যোগাসনের স্কুল খুলেছেন। সেখানে বস্তির বাচ্চাদেরও যোগা শেখান তিনি। খুব সাধারণ ভাবে জীবন যাপন করেন। লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপের কারণে কেরিয়ারের শুরুর দিকে বিচ্ছেদ হয়ে যায় প্রেমিকার সঙ্গে। এখন একাই জীবন কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। বিয়েও করেননি।

;

‘তারকা সন্তানরা খুব পরিশ্রম করে’ -নেপোটিজম নিয়ে জুহি চাওলা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জুহি চাওলা

জুহি চাওলা

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউডে নেপোটিজমের চর্চা হরহামেশাই হয়ে থাকে। কঙ্গনাসহ বহু তারকা এ নিয়ে প্রায়ই সবর হন। সম্প্রতি নেপোটিজম নিয়ে কথা বলেছেন জুহি চাওলা। এক সাক্ষাৎকারে নেপোটিজম ইস্যুকেই যেন কটাক্ষ করলেন তিনি। সাফ জানালেন, সব তারকা সন্তান আর সবার মতোই কঠিন পরিশ্রম করে।

নিজেও জুহি দুই সন্তানের মা। ১৯৯৫ সালে তিনি বিয়ে করেন ব্যবসায়ী জয় মেহতাকে। ১৯৯০ সালে জন্ম হয় বড় মেয়ে জাহ্নবী মেহতার। আর ছেলে হয় ২০০৩ সালে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জুহিকে বলেন, ‘সুহানারা তো আমাদের চোখের সামনেই বড় হল। কী ভালো লাগে ওদের দেখলে। শুধু সুহানা কেন আরও অনেকে আছে। ডেভিড জি-র সঙ্গে যখন স্বর্গ-এর (১৯৯০ সালে) শ্যুট করি তখন ওরা (অভিনেতা বরুণ ও পরিচালক রোহিত ধাওয়ান) তো বাচ্চা। এখন ওরা প্রত্যেকে তারকা। সত্যি ভালো লাগে এটা যখন দেখি ওরা কতটা গুণী।’

এরপরই জুহি বলেন তার সবচেয়ে ভালো লাগে যখন দেখেন এই বাচ্চাগুলো কেমন খাটে নিজেদের থাকা এই সুবিধের পথে না গিয়ে। জানালেন, ‘ওরা প্রত্যেকে কিন্তু পরিশ্রম করে। কখনও ভাবে না আমি তো তারকা সন্তান, সেটে পৌঁছব আর সবটা হয়ে যাবে। ওদের মধ্যে অনেকেই কঠিন পরিশ্রম করে। যেটা সত্যিই দুর্দান্ত। আমি কখনোই বলতে পারব না ওদের মধ্যে আমার প্রিয় কে। আরে আমি তো সবাইকেই নিজের চোখে বেড়ে উঠতে দেখলাম।’

২০১২ সালে করণ জোহরের ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ দিয়ে বলিউড ডেবিউ হয় বরুণ ধাওয়ানের। হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া, যুগ যুগ জিও-র মতো একাধিক হিট তিনি দিয়েছেন বক্স অফিসে। অন্য দিকে, শাহরুখের মেয়ে সুহানার বলি ডেবিউ হবে জোয়া আখতারের ‘দ্য অর্চিস’ দিয়ে। এতে রয়েছে জাহ্নবীর বোন খুশি কাপুর ও অমিতাভের নাতি অগস্ত্।

;

সৃজিতের জন্মদিনে পাশে নেই মিথিলা!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সৃজিতের জন্মদিনে পাশে নেই মিথিলা!

সৃজিতের জন্মদিনে পাশে নেই মিথিলা!

  • Font increase
  • Font Decrease

২৩ সেপ্টেম্বর ‘বাইশে শ্রাবণ’ পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ৪৫ তম জন্মদিন। তবে এই বছর জন্মদিনটা পরিবারের থেকেই দূরেই কাটছে সৃজিতের। গোটা টলিপাড়া জন্মদিনে প্রিয় পরিচালককে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত। অন্যদিকে ‘মুখুজ্জেবাবুর গিন্নি’ মানে অভিনেত্রী রফিয়াদ রশিদ মিথিলা মেয়েকে নিয়ে একাই সেলিব্রেট করছেন এই বিশেষ দিন।

তাহসানের প্রাক্তন স্ত্রী মিথিলা বছর দুয়েক আগে ভালোবেসে বিয়ে করেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে। দুজনের প্রেমের চর্চা, বিয়ে-সব নিয়েই তুমুল আগ্রহ দুই বাংলার মানুষের। হবে নাই বা কেন! এর আগে বহু নায়িকার সঙ্গে সৃজিতের নাম জড়ালেও ব্যাপারটা ছাদনা তলা অবধি গড়ায়নি, সে জায়গায় আচমকাই মিথিলায় মজে মালাবদল সেরে নিলেন সৃজিত! এই প্রেমকাহিনি নিয়ে স্বভাবতই আকর্ষণ কম নয় দর্শকদের।

তবে বিয়ের সব সেভাবে গুছিয়ে সংসার করা হয়নি দুজনের। নেপথ্য কারণ অবশ্যই দুজনের ওয়ার্ক কমিটমেন্ট। এই বছর সৃজিতের জন্মদিনেও দূরে দূরে দুজনে, কারণ? গত দু-মাস ধরে শ্যুটিং-এর কাজে শহরছাড়া সৃজিত। তাই বরের জন্মদিনে কোনও পরিকল্পনাই করে ওঠতে পারেননি মিথিলা।

অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘মুম্বইয়ে থাকলে তা-ও কিছু পরিকল্পনা করতে পারতাম। কিন্তু শিলংয়ে কোথায় শ্যুটিং করছে কিছুই জানি না’। সেই কারণে উপহারও পাঠাতে পারেননি মিথিলা। তবে একটি বিশেষ উপহার সৃজিতকে দিয়েছেন তিনি। আইরা তাঁর ‘আব্বু’র জন্য একটি কার্ড বানিয়েছে, অন্যদিকে রাত ১২টায় গিটার বাজিয়ে গান গেয়ে স্বামীকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন মিথিলা। আর কী চাই ?

তবে সৃজিত সঙ্গে না থাকলেও তাঁর জন্মদিন উদযাপনে এদিন কবজি ডুবিয়ে মাংস-ভাত খেয়েছেন মিথিলা। টলিউডে ধীরে ধীরে নিজের পায়ের নীচের মাটি শক্ত করছেন মিথিলা। মন্টু পাইলট সিজন ২ চমকে দিয়েছেন ওপার বাংলার এই সুন্দরী। রাজর্ষি দে-র ‘মায়া’য় কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে মিথিলাকে। সব মিলিয়ে এপার বাংলাতেও অভিনেত্রীর হাতে অনেক কাজ। অন্যদিকে বক্স অফিসে সৃজিতের শেষ রিলিজ ‘সাবাশ মিঠু’ একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। টলিউডেও ডাহা ফেল ‘এক্স=প্রেম’। 'হিট মেশিন' তকমা ফিরে পেতে বদ্ধপরিকর সৃজিত, তাই জন্মদিনেও কাজে কাজেই কাটাচ্ছেন পরিচালক।

;