অনিয়মিত সাহিত্য সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর ৫০ বছর পূর্তি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অনিয়মিত সাহিত্য সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর ৫০ বছর পূর্তি

অনিয়মিত সাহিত্য সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর ৫০ বছর পূর্তি

  • Font increase
  • Font Decrease

’অনিয়মিত সাহিত্য সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর প্রযোজনায় ও ৫০ বছর পূর্তী উপলক্ষে ২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয় নাট্যকার মমতাজউদ্দিন আহমেদের বিখ্যাত নাটক ’ছহি বড় বাদশাহী কাব্য’।

অনিয়মিত সাহিত্য সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী মুন্সীগঞ্জে ১৯৭৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহরের মালপাড়ায় যাত্রা শুরু করে। "মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দীপ্ত আমাদের সংস্কৃতি"- স্লোগানকে ধারণ করে ৫০ বছরে পদার্পণ করলো সাংস্কৃতিক সংগঠনটি। মুন্সীগঞ্জের নাট্যাঙ্গনে গৌরবময় ৫০ বছরে সাফল্যের সাথে পদার্পণ উপলক্ষে সংগঠনটি মঞ্চায়ণ করে তারা।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গন থেকে ফেরা কয়েকজন তরুণ দেশ ও সমাজ সচেতনা তৈরির হাতিয়ার ও মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয় নাটককে। মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় উদ্দিপ্ত হয়ে নাট্যচর্চা ও সামাজিক সংস্কৃতির ধারাকে সমুন্নত রাখার প্রত্যয়কে বুকে ধারণ করে তাঁরা প্রতিষ্ঠা করে ’অনিয়মিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী’।

সংগঠনটি আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় ও সামাজিক আন্দোলনে সম্মিলতি সাংস্কৃতিক জোটের সদস্য হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এবং মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন প্রগতীশীল সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। গত ৫০ বছরে প্রায় এক হাজারটি নাটক মঞ্চায়ণ ছাড়াও রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী, বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন ছাড়াও অসংখ্য চিত্র প্রদর্শনী ও নাট্য কর্মশালার আয়োজন করে অনিয়মিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী। সংগঠনটি বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনেরও নিয়মিত সদস্য।

গত পাঁচ দশকে নাটক মঞ্চায়ন ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা নেতৃত্ত্বে ছিলো অনিয়মিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী। তারই ধারাবাহিকতায় মঞ্চস্থ হলো মমতাজউদ্দিনের বিখ্যাত নাটক ’ছহি বড় বাদশাহী কাব্য’। সম্প্রতি প্রয়াত অবয়ব আহমেদ পূর্ণকে উৎসর্গকৃত নাটকটির পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন অপূর্ব সূচনা এবং প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করেছেন আরিফ মোড়ল। এছাড়াও মঞ্চে অভিনয় করেছেন মাহবুবুল আলম, মামুন হোসেন, আব্দুল কাইয়ুম রতন, সুভাষ চন্দ্র শীল, মোহাম্মদ সামির ও রিমঝিম দাস।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে ধারাবাহিকভাবে এবং সফলতার সাথে একাধিক প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে বাঙালি সংস্কৃতিপনাকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা সবাই প্রায় সমস্বরে সংগঠনের এই মহতি প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান এবং আগামীতেও এই প্রচেষ্টা চলমান থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পঞ্চাশ বছর পূর্তী ও নাট্যমঞ্চায়ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জের প্যানেল মেয়র সোহেল রানা ( রানু), খালেদা খানম, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, আল মাহমুদ বাবু, সাইফুল বিন সামাদ শুভ্র, শামসুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন টিটু, আশরাফুল ইসলাম, মেহেদি হাসান বাবু, সুজন হায়দার জনি, আরিফ মোড়ল, আরিফুল ইসলাম, সোনিয়া হাবীব লাবণী, আক্তারুজ্জামান, উত্তম দেব, অপূর্ব সূচনা, পূর্ণর পরিবারসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নেতৃস্থানীয় সুধীবৃন্দ। নাটকের কলাকুশলীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন আগত অতিথিবৃন্দ।

   

‘শয়তান’ দিয়ে বলিউডে ফিরলেন জ্যোতিকা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জ্যোতিকা

জ্যোতিকা

  • Font increase
  • Font Decrease

১৯৯৮ সালে প্রিয়দর্শনের হিন্দি ছবি ডোলি সাজা কে রাখনার মাধ্যমে অভিষেক হয়েছিল জ্যোতিকার। মাঝখানে বলিউড থেকে একরকম গায়েব হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দক্ষিণে চুটিয়ে কাজ করেছেন। গত বছর তামিল সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন। দীর্ঘ ২৫ বছর পর বলিউডে প্রত্যাবর্তন করলেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জ্যোতিকা। অজয় দেবগন প্রযোজিত ও অভিনীত ছবি ‘শয়তান’-এর অন্যতম মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এত বছর হিন্দি সিনেমা থেকে দূরে থাকার কারণ ফাঁস করেছেন জ্যোতিকা।

গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের এক মাল্টিপ্লেক্সে বিকাশ বেহেল পরিচালিত শয়তান ছবির ট্রেলার মুক্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আধিভৌতিক থ্রিলারধর্মী এই ছবিতে বশীকরণ ও কালো জাদুর মতো বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে শয়তান হয়ে আসছেন বলিউড তারকা আর মাধবন।

‘শয়তান’ ছবির পোস্টার

দীর্ঘ সময় পর বলিউডে ফিরে এসে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত এই দক্ষিণি তারকা। জ্যোতিকা বলেন, ‘২৫ বছর পর এখানে কাজ করলাম। দক্ষিণে কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছি। এখানে (বলিউড) ফেরার জন্য বিশেষ কিছুর অপেক্ষায় ছিলাম। আমি মনে করি, ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে ভিন্ন ধরনের কাজ করা প্রয়োজন। আর এটা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং।

‘শয়তান’ ছবিতে জ্যোতিকাকে অজয়ের স্ত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে। অজয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে এই দক্ষিণি অভিনেত্রী বলেছেন, ‘অজয় অভিনেতা হিসেবে অত্যন্ত উদার। এই ছবির জন্য আমার কাছে সবচেয়ে বড় চমক ছিলেন অজয়। শুটিংজুড়ে তিনি যেভাবে আচরণ করেছেন, সবার সঙ্গে ব্যবহার করেছেন; তা অভাবনীয়। আমি অনেক অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছি। বিশেষ করে দক্ষিণের প্রায় সব অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছি। কিন্তু দক্ষিণে কেউ আমাকে ছবির পোস্টারে সুযোগ দেননি। এখানে ছবির পোস্টারে জায়গা পেয়েছি। আমার শেষ ছবি ছিল মামুট্টি স্যারের সঙ্গে, এখন অজয়ের সঙ্গে কাজ করলাম। মামুট্টি স্যার আর অজয়কে সামনে থেকে কাজ করতে দেখা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’

জ্যোতিকা

মাধবনের সঙ্গে এর আগে একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন জ্যোতিকা। তবে তাকে মাধবনের সঙ্গে পর্দায় রোমান্স করতে বেশি দেখা গেছে। এই ছবিতে মাধবন নায়ক নন, খলনায়ক। জ্যোতিকা বলেন, ‘মাধবনের সঙ্গে আগে কাজ করেছি। তবে এই ছবিতে আমরা অন্যভাবে আসতে চলেছি। তার সঙ্গে আবার কাজ করতে পেরে আমি দারুণ খুশি।’

শুটিং সেটের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনো প্রতিযোগিতা ছিল না। সবাই যে যার চরিত্রে ডুবে থাকতাম। তাই সবাই একটা পরিবারের মতো হয়ে উঠেছিলাম। ২৫-৩০ দিনের মধ্যে শুটিং শেষ হয়ে গিয়েছিল। বলিউডে ফিরতে পেরে আমি দারুণ খুশি। এ জন্য আমি বারবার প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়েছি। ছবিটি আমার জন্য বিশেষ কিছু।’

জ্যোতিকা

গুজরাটি ছবি ‘বশ’-এর হিন্দি রিমেক ‘শয়তান’। বিকাশের এই ছবিতে জ্যোতিকা অজয়ের স্ত্রী ছাড়া দুই সন্তানের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ছবিতে মেয়ের জন্য তাকে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে দেখা যাবে। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘মেয়ের কোনো ঝামেলা হলে, মায়ের চেয়ে বড় যোদ্ধা আর কেউ হয় না। আমার সন্তানেরা প্রায় একই বয়সী। তাই চরিত্রের জন্য আমাকে বাড়তি কোনো চাপ নিতে হয়নি। প্রতিটি দৃশ্যের পর আমি তাকে (জানকি) দেখে কাঁদতাম। এটা একটা মায়ের অনুভূতিমাত্র।’

‘শয়তান’ ছবিটি আগামী ৮ মার্চ বড় পর্দায় মুক্তি পাবে।

জ্যোতিকা ও সুরিয়া দম্পতি

শুধু বলিউড নয়, অভিনয় ক্যারিয়ার থেকেও মাঝে বেশকিছু বছর বিরত ছিলেন জ্যোতিকা। শীর্ষ নায়িকা থাকা অবস্থায় বিয়ে করেন দক্ষিণি ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার সুরিয়াকে। এরপর সংসার ও সন্তানকে বড় করার পেছনে সময় দেন। ২০১৯ সালে কাজে ফেরেন নারীপ্রাধান সিনেমা ‘রাতচাষী’ দিয়ে। এতে একজন সাহসী শিক্ষক ও সরকারি কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ছবিটি ব্যবসাসফল হয়।

এরপর প্রতি বছর তার ছবি মুক্তি পাচ্ছে। ২০২২ সালে ‘সোরারাই পট্রু’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয় করে জিতে নেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। একই বছরে তার স্বামী সুরিয়াও পান শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার!

 

;

বিশ্বজুড়ে ‘ওরা ৭ জন’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘ওরা ৭ জন’-এর পোস্টার

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘ওরা ৭ জন’-এর পোস্টার

  • Font increase
  • Font Decrease

গত বছর মার্চে সিনেমা হলে মুক্তি পায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘ওরা ৭ জন’। সে সময় এই প্রশংসিত ছবিটি যারা দেখতে পারেননি তাদের জন্য সুখবর দিলেন এর নির্মাতা খিজির হায়াত খান।

তিনি এক লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আসছে স্বাধীনতার মাস মার্চের ১ তারিখ থেকে বাংলাদেশের অন্যতম ওটিটি প্লাটফর্ম টফিতে আসছে একইসঙ্গে আমাজন প্রাইম ভিডিওসহ মোট ৭টি আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম এবং দেশীয় প্লাটফর্ম টফি মিলিয়ে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে দেখা যাবে সিনেমাটি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছবিটি সিনেমা হলে মুক্তির পর থেকে এই এক বছরে আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রণাঙ্গণের বীরগাথা নিয়ে নির্মিত সিনেমাটিকে বিশ্বের সকল মানুষের জন্য দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া। সবার দোয়া ও সহযোগিতায় আমরা তা করতে পেরেছি। আমার দর্শক ও গণমাধ্যমকর্মীরা সবসময় পাশে ছিলেন বলেই আমি কাজ করার শক্তি পাই। সবাই দোয়া করবেন, যাতে এই যুদ্ধটা আমরা চালিয়ে যেতে পারি।’

‘ওরা ৭ জন’ সিনেমায় বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাকীয় বারী মম, ইন্তেখাব দিনার, খিজির হায়াত খান, ইমিতিয়াজ বর্ষন, সাইফ খানসহ শোবিজের একাধিক পরিচিত মুখ।

;

অস্কারের চূড়ান্ত মনোনয়নে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও ‘টু কিল আ টাইগার’ ছবির পোস্টার

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও ‘টু কিল আ টাইগার’ ছবির পোস্টার

  • Font increase
  • Font Decrease

এর আগে বাফটা, গোল্ডেন গ্লোবে প্রশংসা কুড়িয়েছে প্রিয়াঙ্কা অভিনীত ও প্রযোজিত সিনেমা ‘দ্য হোয়াইট টাইগার’। এমনকি অস্কারের আসরেও তিনি পুরস্কার তুলে দিতে গিয়েছেন। তবে এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই ভারতীয় অভিনেত্রীর ছবি অস্কারের চূড়ান্ত মনোনয়নে জায়গা করে নিয়েছে।

মাস খানেক আগেই ৯৬তম অস্কারের চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেছে অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচারস আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস। সেই তালিকায় সেরা প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে পাঁচটি চিত্র জায়গা করে নেয়। যার একটি ‘টু কিল আ টাইগার’। এই প্রামাণ্যচিত্রেই এবার যুক্ত হলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া!

শুনে কিছুটা অবাক হতে পারেন। যে ছবি নির্মিত হয়ে গেছে, অস্কারে পর্যন্ত মনোনয়ন পেয়ে গেলো, সেটাতে এখন কীভাবে যুক্ত হলেন প্রিয়াঙ্কা? উত্তর হলো, অভিনয়ে নয়, বরং চিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে যোগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতি পাওয়া এই অভিনেত্রী।

হিন্দুস্তান টাইমস থেকে জানা গেলো, ‘টু কিল আ টাইগার’ মূলত ভারতের ঝাড়খণ্ডের রঞ্জিত নামের এক কৃষকের গল্প। ২০১৭ সালে তার ১৩ বছর বয়সী কন্যা কিরণ গণধর্ষণের শিকার হয়। সেই ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা কন্যার ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করেন বাবা।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া 

প্রামাণ্যচিত্রটিতে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে ইনস্টাগ্রামের এক পোস্টে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বলেছেন, “অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পাওয়া ‘টু কিল আ টাইগার’ টিমে যোগ দিতে পেরে আমি গর্বিত। সেই সঙ্গে এ-ও ঘোষণা করছি যে, এই চিত্রটি বিশ্বজুড়ে পরিবেশনা করবে নেটফ্লিক্স। ২০২২ সালে যখন আমি এই ছবি প্রথমবার দেখেছিলাম, তখনই এটি পছন্দ হয়েছিল। কন্যার জন্য ন্যায় বিচার পেতে আইনি ব্যবস্থার সঙ্গে তার বাবার বীরত্বপূর্ণ লড়াই দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।”
এই ছবির সঙ্গে একটি ব্যক্তিগত অনুভূতিও আছে প্রিয়াঙ্কার। তিনি বললেন, ‘এই অনবদ্য ছবি আমাকে নানভাবে স্পর্শ করেছে, তবে ব্যক্তিগতভাবে, আমি নিজেও ঝাড়খণ্ডে জন্মেছিলাম এবং এমন এক বাবার ঘরে বড় হয়েছি, যিনি চিরকালই একজন বিজয়ী। ফলে ছবিটি দেখে আমার হৃদয় চুরমার হয়ে গেছে। দর্শককে ছবিটি দেখানোর অপেক্ষা সহ্য হচ্ছে না।’

স্বামী হলিউড তারকা নিক জোনাসের সঙ্গে অবকাশে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

গেলো বছরের অক্টোবরে নিউ ইয়র্কে মুক্তি পেয়েছিল ‘টু কিল আ টাইগার’। এটি নির্মাণ করেছেন নিশা পাহুজা। ছবিটির নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আরও আছেন রুপি কৌর, অতুল গাওয়ান্দে, অ্যান্ডি কোহেন, আনিতা লি, শিবানী রাওয়াত, আনিতা ভাটিয়া প্রমুখ।

;

প্রিমিয়ার শোতে প্রশংসিত অপূর্বর ‘ইউএনও স্যার’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘ইউএনও স্যার’ ফিল্মের প্রিমিয়ার শোতে অপূর্ব

‘ইউএনও স্যার’ ফিল্মের প্রিমিয়ার শোতে অপূর্ব

  • Font increase
  • Font Decrease

‘শুধু প্রেমে না, কিছু মানুষ বাঁচে দেশপ্রেমে!’ সেই দেশপ্রেমের গল্প নিয়ে পর্দায় হাজির ছোটপর্দার সুপারস্টার জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। আজ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দীপ্ত প্লেতে মুক্তি পেয়েছে অরিজিনাল ফিল্ম ‘ইউএনও স্যার’। যেখানে একটি উপজেলার ইউএনও চরিত্রে দেখা যাবে অপূর্বকে। ব্যক্তিগত ও পেশাগত দায়বদ্ধতার বেড়াজালে দেশের প্রতি ভালোবাসার চ্যালেঞ্জ নিয়ে একজন সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা কী করতে পারেন, তাই দেখা যাবে ফিল্মটিতে।

আহসান হাবিবের গল্প ও মেজবাহ উদ্দিন সুমনের চিত্রনাট্যে ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন সৈয়দ শাকিল। তিনি বলেন, ‘আমার জানা মতে প্রশাসনিক ক্যাডার সার্ভিস চরিত্র নিয়ে বাংলাদেশে এটাই প্রথম কাজ। একটা ভিন্ন আঙ্গিকের গল্প সহজভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। দীপ্ত প্লে কর্তৃপক্ষ, শিল্পী কলাকুশলীসহ সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ছিলো কাজটা ভালো করার। সবার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। আশা করছি কাজটা দর্শকদের ভালো লাগবে।’

জিয়াউল ফারুক অপূর্ব

পেশাগত দায়িত্ব পালনের চ্যালেঞ্জের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘ইউএনও স্যার’। অপূর্ব ছাড়াও ফিল্মে আরো অভিনয় করেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী, ইন্তেখাব দিনার, জয়রাজ, নরেশ ভুইয়া সহ আরো অনেকে। ভিশন নিবেদিত ফিল্মটি প্রযোজনা করেছে কাজী মিডিয়া লিমিটেড।

গতকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দীপ্ত টিভির প্রাঙ্গনে হয়ে গেল ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দীপ্ত প্লে’র নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘ইউএনও স্যার’-এর প্রিমিয়ার শো। তাতে উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত টিভির সিইও ফুয়াদ চৌধুরী, হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া মোহাম্মদ আবু নাসিম, ইউএনও স্যারের পরিচালক সৈয়দ শাকিল, রচয়িতা মেজবাহ উদ্দিন সুমন, প্রধান চরিত্রের অভিনয়শিল্পী জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, ভিশন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার হেড অফ মার্কেটিং মাহবুবুর রহমান, দীপ্ত টিভির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা।

‘ইউএনও স্যার’ ফিল্মের প্রিমিয়ার শোতে অতিথিরা

প্রদর্শনী শেষে অপূর্ব হয়েছিলেন সাংবাদিকদের মুখোমুখি। নানা প্রশ্নে খুলে দেন কথার দুয়ার। এই আলাপনে তিনটি ভুল ধারণা ভাঙিয়েছেন অপূর্ব। যেগুলো তাকে এবং ইন্ডাস্ট্রি ঘিরে প্রচলিত।

প্রথমটি এরকম, নাটকের শিল্পীরা সিনেমায় ভালো করতে পারেন না। এ বিষয়ে অপূর্বর জবাব, “নাটকের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সিনেমায় ভালো করেন না বা সিনেমায় গ্রহণযোগ্যতা পান না; কীভাবে যেন এরকম একটা ধারণা আছে। আমি জানি না, কীভাবে এই জরিপ করা হয়েছে। এই ধারণার জন্য আমরা অনেকভাবে পিছিয়ে যাই। অনেক প্রযোজক বলে ফেলেন, ‘ও তো পারবে না!’ তবে ইদানিং একটা জোয়ার এসেছে। সবাই ভিন্ন ভিন্ন গল্প-চরিত্রে কাজ করছে সিনেমায় এবং সেগুলো ভালোও হচ্ছে।”

দ্বিতীয় ধারণাটিও অভিনয় সংক্রান্ত। তা হলো, মডেলরা অভিনয়ে পারেন না। বিপরীতে অপূর্ব বললেন, ‘নিশো মডেলিং করতো, মেহজাবীন মডেলিং করতো; এরকম আরও অনেকেই আছে, যারা মডেলিং থেকে এসেছে। তো এটাও একটা ভুল ধারণা যে, মডেলরা অভিনয় করতে পারে না। চেষ্টা করলে সবই সম্ভব।’

তৃতীয় ভুল ধারণাটি অপূর্বকে ঘিরে। তা হলো, অপূর্ব কেবল একই ধাঁচের গল্পে-চরিত্রে কাজ করেন। প্রসঙ্গটি নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এটাও একটা ভুল ধারণা। যারা আমার পুরনো দর্শক, ইউটিউব আসার আগে আমার নাটক দেখেছে, তারা জানে আমি কত ব্যতিক্রম চরিত্রে কাজ করেছি।’

‘ইউএনও স্যার’ ফিল্মের পোস্টারে অপূর্ব ও তটিনী

‘ইউএনও স্যার’ ফিল্মে অপূর্বর সঙ্গে অভিনয় করেছেন তটিনী। এই তরুণ তারকার সঙ্গে আরও কয়েকটি কাজ করেছেন তিনি। নতুনদের সঙ্গে কাজের প্রসঙ্গে অপূর্ব জানান, মেহজাবীন, তানজিন তিশারাও একসময় নতুন ছিলেন; এমনকি তিনি নিজেও নতুন থেকেই বড় হয়েছেন। চেষ্টার মাধ্যমে নতুন থেকে ভালো জায়গা করে নেওয়া ইতিবাচক বলেই মনে করেন এ অভিনেতা।

;