সন্তানের জন্য বাঙালি মায়ের লড়াই, ‘মিসেস চ্যাটার্জি’তে রানির ফার্স্ট লুক



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সন্তানের জন্য বাঙালি মায়ের লড়াই, ‘মিসেস চ্যাটার্জি’তে রানির ফার্স্ট লুক

সন্তানের জন্য বাঙালি মায়ের লড়াই, ‘মিসেস চ্যাটার্জি’তে রানির ফার্স্ট লুক

  • Font increase
  • Font Decrease

একেবারে বাঙালি সাজে ধরা দিলেন অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ থেকে রানির প্রথম লুক প্রকাশ্যে। ছবিতে এলোমেলো চুল, হাতে শাখা-পলা, কপালে ছোট্ট টিপ, শাড়ি পরে নো মেকআপ লুকে দেখা মিলেছে নায়িকার।

অসীমা ছিব্বর পরিচালিত এই ছবির গল্প তুলে ধরা হয়েছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে। মনীশা আডবানি, মধু ভোজওয়ানি, নিখিল আডবাণীর যৌথ প্রযোজনায় তৈরি হবে এই ছবি। ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে ছবি থেকে রানির লুক। ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। ২০২৩ সালের ৩ মার্চ মুক্তি পাবে এই ছবি, টুইট করে কনফর্ম করেছেন ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ।

২০১১ সালে নরওয়েতে এক ভারতীয় দম্পতির সন্তানকে তাঁদের থেকে আলাদা করে দিয়েছিল নরওয়ের ওয়েলফেয়ার সার্ভিস। সেই বিতর্কিত ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’র স্ক্রিপ্ট। সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য এক মায়ের সংগ্রামই এই ছবির মূল বিষয়। এক বাঙালি মায়ের চরিত্রে ছবিতে অভিনয় করেছেন রানি।

২০২১ সালের অগস্টে শুরু হয়েছিল ছবির শ্যুটিং। শেষ হয় অক্টোবরে। ছবি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, কাকতলীয় ঘটনা হল ১৮ অক্টোবর ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’র শ্যুটিং শেষ করেছেন তিনি; ১৯৯৭ সালে এই একই দিনে তাঁর প্রথম হিন্দি ডেবিউ ছবি ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ মুক্তি পেয়েছিল'।

এক সাক্ষাৎকারে রানি জানিয়েছিলেন, ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে- সন্তানের জন্য দেশের সঙ্গে মায়ের লড়াই নিয়ে তৈরি। ছবির শ্যুটিং করতে গিয়ে আমি নিজেও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি’।

‘ভাগ্য’ দেখতে পাবনার সিনেমা হলে নায়ক মুন্না



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘ভাগ্য’ দেখতে পাবনার সিনেমা হলে নায়ক মুন্না

‘ভাগ্য’ দেখতে পাবনার সিনেমা হলে নায়ক মুন্না

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়ক মাহবুবুর রশিদ মুন্না নিজ জেলা পাবনা শহরের ঐতিহ্যবাহী রূপকথা সিনেমা হল পরিদর্শন করেছেন। নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ভাগ্য’ সিনেমায় জনপ্রিয় নায়িকা নিপুণ নায়ক মুন্নার বিপরীতে অভিনয় করেছেন।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্থানীয় ওই প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করেন তিনি । পরে দর্শক সারিতে বসে নিজের অভিনীত সিনেমা দেখেন ওই নায়ক। তার আগমনের খবরে প্রেক্ষাগৃহ প্রাঙ্গণে উপস্থিত ভক্ত ও দর্শক তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় দর্শকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ভাগ্য’ ছায়াছবির নায়ক।

দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে একযোগে এই বাংলা ছায়াছবি প্রর্দশন চলছে। দর্শক বিমুখ দেশের বাংলা চলচ্চিত্রের নতুন দীগন্ত উন্মোচন করতে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য এই সামাজিক বাংলা সিনেমা দর্শকদের আবারও হলমুখী করবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

প্রেক্ষাগৃহ পরিদর্শন সময়ে নায়ক মুন্না বলেন, দীর্ঘদিন পরে আবারও বাংলা চলচ্চিত্রের জাগরণ ঘটেছে। দেশের বেশিরভাগ প্রেক্ষাগৃহ ভালো সিনেমা মুক্তি না হওয়ার কারণে দর্শক ধরে রাখতে পারছে না। আমরা চেষ্টা করছি ভালো গল্প নিয়ে সামাজিক সিনেমা নির্মাণের। সব শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য দর্শকদের জন্য সিনেমা তৈরি করছি আমরা।

দেশপ্রেম ও সামাজিক গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন মাসুম আজিজ, গুলশান আরা, সাংকো পাঞ্জা, জেসমিন, আফসানা নূপুর, গাঙ্গুয়া, সাবিহা জামানসহ আরও অনেকে।

এর আগে উত্তম আকাশ পরিচালিত ‘ধূসর কুয়াশা’ সিনেমায় জুটিবদ্ধ হয়েছিলেন নিপুণ ও মুন্না। সিনেমাটি ২০১৮ সালেমুক্তি পায়।

;

প্রশংসায় ভাসছেন সজল



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রশংসায় ভাসছেন সজল

প্রশংসায় ভাসছেন সজল

  • Font increase
  • Font Decrease

এ যেন বার বার নতুন করে ফিরে আসা। বলা হচ্ছে ছোটপর্দার বড় তারকা আব্দুন নূর সজল-এর কথা। গত ২০ বছরে নিজেকে বারবার ভেঙেছেন, গড়েছেন। ভিউ আর ট্রেন্ডিংয়ের যে বাজার, সেখানে অভিনয় দিয়ে বার বার প্রমাণ করছেন এই তারকা।

৩০ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত নতুন ওয়েব সিরিজ ‘দ্য সাইলেন্স’। সময়ের অন্যতম আলোচিত তরুণ নির্মাতা ভিকি জাহেদ এটি নির্মাণ করেছেন। প্রকাশের পর আবার আলোচনায় এসেছেন সজল। সহকর্মীসহ অনেকেই তাঁর অভিনয় নিয়ে প্রশংসা করেছেন । তাঁর মধ্যে অন্যতম গুণী অভিনেত্রী ডলি জহুর। তিনি ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন সজল কতটা সাবলীল ছিলেন সিরিজটিতে। সেই সঙ্গে অভিনেতার চরিত্রটি দেখে ভয় পেয়েছেন তিনি, তা-ও জানালেন।

‘দ্য সাইলেন্স’ সিরিজে নিজের চরিত্রটি নিয়ে সজল বলেন, সিরিজটি প্রচারের পর থেকে দারুণ রেসপন্স পাচ্ছি। সবাই আমার চরিত্রটি দেখে অবাক হয়েছেন বলে জানাচ্ছেন। অনেকে বলছেন ভয় পাওয়ার কথা। কেউ কেউ ইবলিশ বলে ডাকছেন মজা করে। আমি কিন্তু উপভোগ করছি সবার মন্তব্য। কারণ এগুলোই কাজের ফিডব্যাক, প্রেরণা। তিনি যোগ করে আরও বলেন, অনেকের ফোন কল পেয়েছি । সিনিয়র অভিনয়শিল্পীর ফোন কল পাওয়ার বিষয়টি সত্যি একটা সারপ্রাইজ ছিল। পরিচালক ভিকি জাহেদকে ধন্যবাদ চমৎকার গল্প ও চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ করে দেওয়ায়।

থ্রিলারধর্মী নির্মাণে তিনি নজর কেড়েছেন। তার ‘দ্য সাইলেন্স’ সিরিজে শিবলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন সজল। এ চরিত্রের জন্য সিরিজটি মুক্তি পেতেই দর্শকের প্রশংসায় ভাসছেন অভিনেতা।

সজল ছাড়াও দ্য সাইলেন্স সিরিজে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী, শ্যামল মাওলা, আজিজুল হাকিম, বিজরী বরকত উল্লাহ প্রমুখ।

;

চার হাত এক হচ্ছে সিদ্ধার্থ-কিয়ারার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাকি আর মাত্র দুই দিন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি চার হাত এক হতে চলেছে বলিউড বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির। সেই ‘শেরশাহ’র সময় থেকে চর্চায় এই জুটি। তাই তাদের বিয়ের খবরে মুখে হাসি ফুটেছে সবার।

আর এই বিয়েকে ঘিরে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য জবরদস্ত বন্দোবস্ত করেছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তারকা জুটির বিয়ে হবে রাজস্থানের জয়সলমেরের জনপ্রিয় প্রাসাদ সূর্যগড়ে। অল্প কয়েকজন অতিথি নিমন্ত্রিত থাকলেও সবকিছুই হবে ধামাকার সঙ্গে। অতিথি তালিকায় নাম আছে করণ জোহর, ইশা আম্বানিদের।

বিয়ে উপলক্ষ্যে সূর্যগড় প্যালেসের প্রায় ৮০টি ঘর বুক করা হয়েছে ১০০ অতিথির জন্য। হাই প্রোফাইল অতিথিদের কথা মাথায় রেখে বুকিং করা হয়েছে ৭০টি বিলাসবহুল গাড়িও। যার মধ্যে রয়েছে মার্সিডিজ, জাগুয়ার থেকে বিএমডব্লিউর মতো নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়ি।

ইশা আম্বানির ছোট বেলার বন্ধু অভিনেত্রী কিয়ারা। যদিও তখন তার নাম ছিল আলিয়া। বলিউডে আসার আগে নিজের নাম বদলে কিয়ারা রাখেন। আর সিদ্ধার্থের সঙ্গে সম্পর্কে অনুঘটকের কাজ করেছেন পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহর। তাই হাজার হোক তাকেও বাদ দেওয়া যায় না!

যদিও বিয়ে নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বর-কনে। প্রেম নিয়েও খুল্লামখুল্লা কথা বলেননি সেভাবে। একাধিক সাক্ষাৎকারে একে-অপরের প্রতি ভালোলাগা হয়তো জাহির হয়েছে, তবে তার থেকে প্রেমের কথা আসেনি। এদিকে বেশিরভাগ সময় সিদ্ধার্থের নাম উঠলেই কিয়ারার চেহারারা লাল আভা বুঝিয়ে দিয়েছে একে-অপরকে চোখে হারাচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও বর্তমানে ট্রেন্ড করছেন এই জুটি। ‘শেরশাহ’র রিল লাইফের প্রেম রিয়েল লাইফে বিয়ে করছে এই খবর পেয়ে অনেকেই আনন্দে আত্মহারা। কেউ মনে করছেন, ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার (শেরশাহতে যে বাস্তব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সিদ্ধার্থ) আশীর্বাদও রয়েছে তাদের মাথার উপর।

বলিউডের অন্দরের খবর, ‘শেরশাহ’ ছবিতে কাজ করার সময়ই একে-অপরের কাছাকাছি আসেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। মাঝে দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়ার খবরও শোনা গিয়েছিল। সেই ঝামেলাও মিটিয়েছিলেন সিদ্ধার্থের প্রথম ছবির প্রযোজক করণ জোহর। বছর দুই প্রেমের পর এবার বিয়ে।

;

‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো-তে তথ্যমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো’তে তথ্যমন্ত্রী

‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো’তে তথ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তি পেলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুদানে নির্মিত ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্র। বুধবার দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা বিপণন কেন্দ্রে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নারী পথিকৃত চট্টগ্রামের প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে নিয়ে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস অবলম্বনে এ সিনেমার পরিচালক প্রদীপ ঘোষ, প্রীতিলতা চরিত্রের অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা, অভিনেতা মনোজ প্রামাণিক, শেখ শাকি প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরিচালক প্রদীপ জানান, সিনেমাটি স্টার সিনেপ্লেক্সসহ সারাদেশে প্রথম ধাপে ১০টি হলে মুক্তি পাচ্ছে।

সম্প্রচারমন্ত্রী এ সময় সিনেমার শিল্পী-কলাকুশলীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করেছে তিশা, তাকেও আমি অভিনন্দন জানাই, কারণ প্রীতিলতা একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। প্রীতিলতা এ উপমহাদেশে আন্দোলন, সংগ্রাম, স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অফুরন্ত প্রেরণার উৎস। পরিচালক প্রদীপ ঘোষকেও অভিনন্দন জানাই।’

ড. হাছান তার কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘প্রীতিলতা এবং চট্টগ্রামের বিপ্লবী আন্দোলনের বইপত্রগুলো আমি কৈশোরে পড়েছি এবং প্রীতিলতা, সূর্যসেন ও তার বিপ্লবী আন্দোলনের সমস্ত সদস্য যারা ছিলেন এবং তাদের কর্মকাণ্ড সবকিছুর ওপর আমার এমন অনুরাগ জন্মে ছিল যে, সেই বয়সে স্বপ্ন দেখতাম- কিশোর বিপ্লবী হবো। সেই স্বপ্নের তাড়না থেকে পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি এবং রাজনীতিতে যোগদান।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রীতিলতা সূর্যসেনের বিপ্লবী আন্দোলনের একজন সদস্য ছিলেন। তার ওপর দায়িত্ব পড়েছিল চট্টগ্রামের ইউরোপীয়ান ক্লাবে আক্রমণ করা, যেখানে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ানস এন্ড ডগস আর নট এলাউড’। ইউরোপীয়ানরা সেই ক্লাবে যেতো এবং শুধু তাদের প্রবেশাধিকার ছিল, কুকুর এবং ভারতীয়দের কোনো প্রবেশাধিকার ছিল না। সেখানে আক্রমণ করার দায়িত্ব পড়েছিল প্রীতিলতার ওপর। প্রীতিলতা পুরুষের বেশে সেখানে আক্রমণ করে ফিরে আসার সময় আহত হন এবং তখন পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যা করার কারণ ছিল এই যে, প্রীতিলতা যদি ধরা পড়তো তাহলে তাকে নির্যাতন করে তাদের বিপ্লবী আন্দোলনের সমস্ত পরিকল্পনা ব্রিটিশরা জেনে যেতো। সেটি যাতে না হয়, সে জন্য তিনি নিজের জীবনটাই সঁপে দিয়েছেন। তার কাপড়ের ভেতর ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের আন্দোলনের ৩২ পৃষ্ঠার জবানবন্দি পাওয়া গিয়েছিল। এই যে কাহিনী এটি কোন গল্প নয়, এটি সত্য কাহিনী, সত্য ঘটনা।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এই সিনেমা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এবং বিশেষ করে যারা ইতিহাস জানতে চায়, যারা দেশকে ভালবাসতে চায়, ভালোবাসে, তাদের মধ্যে প্রেরণা যোগাবে। এই সিনেমা শুধু এখানে আগ্রহ তৈরি করেছে তা নয়, কিছু দিন আগে ভারতের ৩০ জন সাংবাদিক আমাদের দেশে এসেছিল তারা যখন শুনেছে, তারাও উন্মুখ হয়ে বসে আছে কখন ভারতে এই সিনেমাটা দেখাতে পারবে। আমি আপনাদের এই সিনেমাটা দেখার জন্য অনুরোধ জানাই।’

;