‘ক্যাম্পাস’-এর আবেদনময়ী শিক্ষিকা হয়ে ১০০ পর্বে সুষমা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
‘ক্যাম্পাস’ ধারাবাহিকে পাভেল ও সুষমা সরকার

‘ক্যাম্পাস’ ধারাবাহিকে পাভেল ও সুষমা সরকার

  • Font increase
  • Font Decrease

মঞ্চ, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রের গুণী অভিনেত্রী সুষমা সরকার। বেছে বেছে ভালো গল্প ও চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি অভিনয় শুরু করেন মেধাবী নির্মাতা তুহিন হোসেনের পরিচালনায় মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক ‘ক্যাম্পাস’-এ। এরইমধ্যে ধারাবাহিকটি সময়ের অন্যতম আলোচিত নাটকের তকমা পেয়েছে।

আজ (১৩ মে) নাটকটি ১০০ পর্ব অতিক্রম করবে। দর্শকের চাহিদার কথা মাথায় রেখে কাস্টিং ও গল্পে আসছে নতুন নতুন চমক। ১০০ পর্বের পর থেকে গল্পের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে যুক্ত হবে সালহা খানম নাদিয়া, সাজু খাদেমসহ আরো অনেকে।

‘ক্যাম্পাস’ ধারাবাহিকে সুষমা সরকার ও রওনক হাসান

নাটকটি ১০০ পর্ব পর্যন্ত পৌঁছানোর আনন্দ উদযাপনের জন্য গত ১১ মে রাতে নাটকের অভিনেতা, অভিনেত্রী ও কলাকুশলীদের নিয়ে এক আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে।

নির্মাতা তুহিন হোসেন জানান, ‘নাটকটি দর্শকমহলে দারুন সাড়া ফেলেছে। গত বছর ১৭ ডিসেম্বর নাটকটি সম্প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে শোবিজসহ সর্বমহলের দর্শকের কাছে নাটকটি আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে।’

পরিচালকের ভাষ্যমতে, ক্যাম্পাসের গল্পটি সর্বশ্রেনীর দর্শককে ভাবাবে। আর সে কারণেই এই গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

শুটিংয়ের ফাঁকে অভিনেতা রওনক হাসান ও নির্মাতা তুহিন হোসেন 

সুষমা সরকার বলেন, ‘আমি ধারাবাহিকে অভিনয় করতে গেলে খুব বাচ-বিচার করি। কারণ ধারাবাহিকে অভিনয় করলে সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন পর্দায় উপস্থিত থাকতে হয়। তা দর্শকের চোখে পড়েই যায় কোন না কোন সময়। কাজটি যদি ভালো না হয় তাহলে সুনাম নষ্ট হওয়ার ভয়ও তাই বেশি। তাছাড়া আজকাল ধারাবাহিক নাটকের ধারাবাহিকতা থাকে না। সেদিক থেকে ‘ক্যাম্পাস’-এ কাজ করাটা আমার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত। নির্মাতা খুব সুন্দরভাবে গল্পটি টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।’

এ ধারাবাহিকে সুষমার চরিত্রটিও বেশ মজার। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন আবেদনময়ী শিক্ষিকার ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। খানিকটা বলিউডের ‘ম্যায় হু না’ সিনেমার সুস্মিতা সেনের চরিত্রের মতো। শিক্ষকরা তো বটেই, ছাত্ররাও তার প্রেমে পাগল। ছাত্রের ভূমিকায় পাভেল আর শিক্ষিকার ভূমিকায় সুষমার রসায়ন পছন্দ করেছে দর্শক।

নাটকটির ১০০ পর্ব উদযাপন অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করছেন সুষমা

নাটকটিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রওনক হাসান, চাষী আলম, আহসান হাবিব নাসিম, মিহি আহসান, শিবলী নোমান, নাইমা আলম মাহা, ফরহাদ বাবু ও আরো অনেকে।

নাটকটি চিত্রায়িত হয়েছে রাজাশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী ও ঢাকার বিভিন্ন নয়নাভিরাম স্থানে। নাটকটি রচনা করেছেন আওরঙ্গজেব।

   

বন্ধুত্ব থেকে বিয়ে, প্রেমের পর্ব ছিল না: সালহা নাদিয়া



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
বিয়ের সাজে সালমান ও নাদিয়া

বিয়ের সাজে সালমান ও নাদিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

ছোটপর্দার জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া গতকাল (২১ জুন শুক্রবার) বিয়ে করেছেন। পাত্র সালমান আরাফাতও একই পেশার মানুষ। এরইমধ্যে বিয়ের অনেক ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন এই নব দম্পতি। কখন কিভাবে বিয়েটা হলো এ নিয়ে প্রথমবার গণমাধ্যমের (বার্তা২৪.কম) সঙ্গে কথা বলেছেন নাদিয়া। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

সুদর্শন বর আর সুন্দরী কনেকে দারুণ মানিয়েছে

অভিনন্দন, নতুন জীবন শুরু করলেন...


ধন্যবাদ। আসলেই বিয়ের পর জীবনটা নতুন মনে হচ্ছে। এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমি বিবাহিতা, যেন স্বপ্নের ঘোরে আছি। মাত্রই ঢাকায় ফিরলাম (আজ দুপুরে)। ক’টা দিন বলতে গেলে নির্ঘুম কেটেছে বিয়ের নানা আয়োজন নিয়ে। গায়ে হলুদ, সঙ্গীত, হলি খেলা- কিছুই বাদ দেইনি। তবে সবটাই হয়েছে ছোট্ট পরিসরে। এখন নিজের বাসায়, একটু আরাম করে ঘুমাবো।

গতকাল চার হাত এক হয় তাদের

সরাসরি নিজের বাড়িতে আসলেন, শ্বশুরবাড়িতে গেলেন না?


না, আসলে আমাদের তো কেবল আকদ হয়েছে। নিকাহ, গায়ে হলুদ ও সঙ্গীতের অনুষ্ঠানটি করেছি ঢাকার বাইরের একটি রিসোর্টে। আমার একটু ইচ্ছে ছিল ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করার। কিন্তু পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেশের বাইরে যাওয়াটা মুশকিল বলে দেশের মধ্যেই ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের ফিলটা নিলাম। একেবারে দুই পরিবারের ক্লোজ আত্মীয়-স্বজনই ছিলেন অনুষ্ঠানে।

দুই পরিবারের সঙ্গে বর-কনে

যেহেতু এখন কেবল নিকাহ পর্ব সম্পন্ন হয়েছে তাই এখনি আমি শ্বশুরবাড়িতে যাইনি। এখনও আমরা আগের মতোই যার যার বাসায় থাকছি। এরমধ্যে আসা-যাওয়া, ঘোরাঘুরি হবে। কিন্তু বছরের শেষ নাগাদ রিসেপশন অনুষ্ঠান করার পর একসঙ্গে থাকার জায়গার বন্দোবস্ত করব। ইচ্ছে আছে রিসেপশনে আমার সব আত্মীয়-স্বজন এবং শোবিজের বন্ধু বান্ধব, সহকর্মীদের আমন্ত্রণ জানাবো।

হোলির রঙে নাদিয়া

ঘোরাঘুরির কথা বলছিলেন। হানিমুন করতে কোথায় যাচ্ছেন?


এখন আসলে ভিসা করতে গেলে দেরী হয়ে যাবে। বিয়ে যেহেতু ছোট্ট পরিসরে হয়েছে তাই হানিমুনটাও সেভাবেই করতে চাই। বড় অনুষ্ঠান করার পর সবকিছু বড়ভাবে করবো। তাই এখন দেশের মধ্যেই হানিমুন করার পরিকল্পনা করেছি। সেক্ষেত্রে দুজন মিলে কক্সবাজার যাবো শিগগিরই। তাছাড়া কক্সবাজার আমর খুব প্রিয়, সালমানেরও। আমি এতোবার শুটিংয়ে কক্সবাজার গেছি, কিন্তু মন ভরে না, আরও যেতে ইচ্ছে করে। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমূদ্র সৈকত বলে কথা!

হানিমুনে কক্সবাজারে যাচ্ছেন এই নব দম্পতি

আপনি আর আপনার স্বামী তো বিজনেস পার্টনার। সেখান থেকেই কী বিয়ের দিকে গড়ালো সম্পর্ক?


না, বিজনেস পার্টনারতো অনেক পরের কথা। তার আগে থেকেই সে আমার কলিগ, এরপর ভালো বন্ধু হয়ে ওঠা এবং এক পর্যায়ে আমাদের দুই পরিবারের মধ্যে দারুণ সখ্যতা গড়ে ওঠা- এভাবেই সম্পর্কটা এ পর্যন্ত গড়িয়েছে। 

শুটিং সেটে প্রথম পরিচয় দুজনের

সহজ করে বলতে গেলে, আমরা দুজনই যেহেতু শোবিজের সঙ্গে জড়িত, ফলে সহশিল্পী হিসেবেই শুটিং সেটে সালমানের সঙ্গে প্রথম পরিচয়। এরপর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব, তারপর বিজনেস পার্টনার, এরপর বিয়ে।

বিয়ের পীড়িতে নাদিয়া ও সালমান

বন্ধুত্ব থেকে সরাসরি বিয়ে? মাঝে তাহলে প্রেমের অধ্যায় ছিল না বলছেন?


একদমই তাই বলছি। কারণ আমরা কখনো প্রেম করিনি। এ কথা হয়তো বললে কেউ বিশ্বাসই করবেন না, কিন্তু আসল সত্য এটাই। বলছিলাম না যে, আমাদের বন্ধুত্ব এতোটাই গাঢ় ছিল যে, একটা সময় দুই পরিবারের সবাই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। তার বাবা মার সঙ্গে আমার বাবা মাও কানেক্টেড হয়ে পড়েছিলেন।

পরিবারের সঙ্গে হোলি খেলছেন নাদিয়া ও সালমান

আমাকে আসলে অনেক বছর ধরেই বিয়ের জন্য জোরাজুরি করছিলো পরিবার থেকে। কিন্তু আমি বিয়ে নিয়ে বরাবরই খুব সচেতন ছিলাম। কখনোই চাইতাম না, কারও চাপে পড়ে বা মোহে পড়ে বিয়ে করে কোন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে। কিন্তু সালমান আমার ভীষণ ভালো বন্ধু হওয়ায় আমাদের বিয়ের কথা যখন দুই পরিবার থেকে আসলো তখন আমার আছে এটা কমফোর্ট জোন মনে হয়েছে। আমার বাবা মা বলছিলেন, এতোদিন অনেক বাহানা করেছে, এবার তোমার মানসিকতার সঙ্গে মেলে এমন ছেলে পেয়েছি, তাদের পরিবারও খুব ভালো, তোমরা একে অপরের কেয়ার করো, এখানেই বিয়েটা করো। সালমানকেও তার বাবা মা একই কথাই বলেছেন হয়তো। পরবর্তীতে আমরা রাজী হয়ে যাই।

বিয়ের সাজে সালমান ও নাদিয়া

আপনি অনেক বছর ধরে প্রতিষ্ঠিত একজন তারকা। আর আপনার স্বামী কেবল শোবিজে নিজের জায়গা তৈরী করার লড়াই করছেন। এ বিষয়টি কী কখনোই সম্পর্কের মধ্যে আসেনি?


আমি অভিনেত্রী বা মডেল, সেটি তো আমার পেশা। তার আগে তো আমি একজন মানুষ। তাছাড়া আমি নিজেকে কখনোই সেলিব্রেটি মনে করি না। আমি সাধারন একটি মেয়ে যে পরিবার নিয়ে থাকতে সবসময় পছন্দ করে। আমি কখনোই চাইনি আমার স্বামী বিলিয়নিয়ার হোক। মোটকথা টাকা পয়সার পেছনে আমি কখনোই ছুটিনি। নিজের স্বাধীনতা রেখে কাজ করেছি, অতোটুকুই উপার্জন করেছি যতোটুকু একটি সুন্দর জীবনের জন্য দরকার।

হোলি খেলছেন নাদিয়া ও সালমান

তাই সব সময় জীবনসঙ্গী হিসেবে একজন ভালো ও শিক্ষিত মানুষ চেয়েছি। আর চেয়েছি এমন একজনকে জীবনে পাশে চাই যার সঙ্গে বন্ধুর মতো চলতে পারবো, কোনকিছু বলতে গেলে ভাবতে হবে না যে সে কি ভাববে? কিংবা বিয়ের পর নিজেকে বদলে অন্য একটা মানুষ হয়ে যেতে হবে এমন পরিবারও আমি চাইনি।

হোলি খেলছেন নাদিয়া ও সালমান

সালমানকে এখন পর্যন্ত যতোটা দেখেছি তাতে তাকে আমার খুব ভালো মনের একজন মানুষ মনে হয়েছে। সে একজন শিক্ষত ছেলে, মাস্টার্স কমপ্লিট করেছে। শোবিজে হয়তো অল্পদিন কাজ করছে, কিন্তু এর আগে সে অন্য পেশায় দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে। এছাড়া ফরিদপুরে তাদের পারিবারিক ব্যবসায়ও সে সময় দিয়ে থাকে। তার পরিবারও ভীষণ আন্তরিক। আমার শ্বশুর শাশুড়ি খুব সংস্কৃতিমনা। তারা আমার কোন ভালো নাটক দেখলে ফোন করে জানান। আমরা একসঙ্গে ঈদে আমর নাটক দেখেছি। জীবনটা ছোট্ট, ছোট ছোট আনন্দ নিয়ে এভাবেই যাতে কেটে যায় সেটাই একমাত্র চাওয়া।

;

সোনাক্ষী-জহিরের বিয়েতে ‘ধর্ম’ কতোটা বাধা হবে?



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জাহির ইকবাল ও সোনাক্ষী সিনহা / ছবি : ইন্সটাগ্রাম

জাহির ইকবাল ও সোনাক্ষী সিনহা / ছবি : ইন্সটাগ্রাম

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউডপাড়ার গুঞ্জন সত্যি হলে রাত পোহালেই বিয়ের পীড়িতে বসবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। পাত্রও বলিউডের মানুষ, একজন উঠতি অভিনেতা। সোনাক্ষী সিনহা আর জাহির ইকবালের প্রেম নিয়ে কম লেখালেখি হয়নি গণমাধ্যমে!

একাধিক গণমাধ্যম এও বলছে, আগামীকাল রবিবার (২৩ জুন) বিয়ে করছেন তারা। এই জুটির ধর্মীয় পরিচয় আলাদা হওয়ায় শুরুতে শোনা যাচ্ছে নানা গুঞ্জন!

সোনাক্ষী সিনহা / ছবি : ইন্সটাগ্রাম

বিশেষ করে, অনেকের প্রশ্ন, মুসলিম পাত্র জাহিরকে বিয়ের পর কি সনাতনী সোনাক্ষী ধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম গ্রহণ করবেন? এসব প্রশ্নের খোলাখুলি উত্তর দিয়েছেন সোনাক্ষীর হবু শ্বশুর ইকবাল রতংশী।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জাহিরের বাবা জানিয়েছেন, সোনাক্ষী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করবেন না বিয়ের পর। একই সঙ্গে তিনি ফ্রি প্রেস জার্নালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা সোনাক্ষী জাহিরের বিয়েতে না কোনো মুসলিম আচার পালন করবেন না হিন্দু আচার। সইসাবুদ করে বিয়ে করবেন তারা।

জাহির ইকবাল / ছবি : ইন্সটাগ্রাম

তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন, ‘আমার ছেলে ধর্ম বদলাচ্ছে না এটা নিশ্চিত। এটা মনের মিলনের অনুষ্ঠান। ধর্মের এখানে কোনও কাজ নেই।’ তিনি জানিয়েছেন ঈশ্বর এক, হিন্দুরা ঠাকুর বলে আর মুসলিমরা আল্লাহ। ব্যাপারটা একই। তাই এসব নিয়ে তিনি ভাবিত নন। জানান তার আশীর্বাদ সবসময় জাহির এবং সোনাক্ষীর সঙ্গে থাকবে।

সোনাক্ষী সনাতনী অন্যদিকে বর জাহির মুসলিম- তাহলে কোন রীতিতে হবে তাদের বিয়ে? এ বিষয়ে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, জাহিরের বাড়িতে রবিবার (২৩ জুন) দুপুরে আইনি বিয়ে সারবেন তারা। ‘বিশেষ বিবাহ আইন ১৯৫৬’ অনুসারে হবে সেই বিয়ে।

সোনাক্ষী সিনহা / ছবি : ইন্সটাগ্রাম

এদিকে মেয়ের বিয়ে নিয়ে সোনাক্ষীর বাবা বর্ষিয়ান অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা টুঁ শব্দটি করেননি! তবে শেষ সময়ে এসে মেয়ের বিয়ের আয়োজনে খুব ভালোভাবেই যুক্ত হলেন। আনন্দ আয়োজনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে অংশ নিচ্ছেন শত্রুঘ্ন! এমনকি শুক্রবার মেয়ের মেহেদী অনুষ্ঠানেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।

শত্রুঘ্ন সিনহার এক ঘনিষ্ট বন্ধু শশী রঞ্জন ইটাইমসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সোনাক্ষী সিনহা যাকে ভালোবাসে তাকেই বিয়ে করতে চলেছেন। সকলেই অংশ নিচ্ছেন, শত্রুঘ্নর ভাই আসছে আমেরিকা থেকে। ওদের বিয়ের রেজিস্ট্রি জাহির ইকবালের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে। এটা আমাদের সবার জন্য দারুণ আনন্দের একটা মুহূর্ত।

সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল / ছবি : ইন্সটাগ্রাম

সাত বছর ধরে প্রেম করছেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। ২০২২ সালে ‘ডাবল এক্সএল’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন সোনাক্ষী ও জাহির। সালমান খানের এক পার্টিতে কাছাকাছি আসেন তারা। কাকতালীয়ভাবে সালমানের হাত ধরেই দুজনেই বলিউডে পা রাখেন।

;

ভক্তকে খুনের মামলায় জেলে কন্নড় সুপারস্টার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
দর্শন থুগুদিপা

দর্শন থুগুদিপা

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের কন্নড় সিনেমার সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতাদের একজন দর্শন থুগুদিপা। এক ভক্তকে নৃশংসভাবে হত্যা মামলায় এই তারকা অভিনেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত ৯ জুন বেঙ্গালুরু শহরের এক নালা থেকে রেণুকা স্বামী নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার আগের দিন কর্ণাটকের চিত্রদুর্গার বাড়ি থেকে তুলে এনে রেণুকাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ নালায় ফেলে খুনিরা। সিনেমার কাহিনিকেও হার মানানো এই হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে অভিনেতা দর্শনের নাম আসে।

ভক্তকে নৃশংসভাবে হত্যা মামলায় দর্শন থুগুদিপাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

রেণুকা এক ফার্মেসি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ৩৩ বছর বয়সী রেণুকা চিত্রনায়ক দর্শনের একজন পাঁড় ভক্ত ছিলেন।

গত ১২ জুন অভিনেতা দর্শনকে গ্রেপ্তার করে বেঙ্গালুরু পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর রীতিমতো হইচই পড়ে যায়।

দর্শনের কথিত প্রেমিকা ও কন্নড় অভিনেত্রী পবিত্র গৌড়া

অভিনেতা দর্শন কেন ভক্তকে খুন করতে গেলেন? ঘুরেফিরে এই প্রশ্নই সামনে আসছে। পুলিশের ধারণা, দর্শনের কথিত প্রেমিকা ও কন্নড় অভিনেত্রী পবিত্র গৌড়াকে ইনস্টাগ্রামে আপত্তিকর বার্তা পাঠিয়েছেন রেণুকা। এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে খুনের পরিকল্পনা করেন দর্শন!

এই হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত অভিনেতা দর্শন, অভিনেত্রী পবিত্র গৌড়াসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দর্শনসহ চারজনকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। হেফাজতের মেয়াদ শেষে আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হবে তাঁকে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হতে পারে।

দর্শন থুগুদিপা

অভিযোগের বিষয়ে দর্শন থুগুদিপার আইনজীবী রঙ্গনাথ রেড্ডি বিবিসিকে বলেন, ‘এটি একটি ভিত্তিহীন অভিযোগ। দর্শনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে কোনো প্রমাণ নেই।’

৬০টির বেশি কন্নড় সিনেমায় অভিনয় করেছেন দর্শন। প্রতি সিনেমায় ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন রুপি পারিশ্রমিক নেন তিনি। কন্নড় সিনেমার একজন বড় তারকা হওয়ায় তার প্রচুর ভক্ত রয়েছে।

দর্শনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করেছিলেন স্ত্রী বিজয়ালক্ষ্মী

এর আগে ২০১১ সালে দর্শনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করেছিলেন স্ত্রী বিজয়ালক্ষ্মী। সেই মামলায় চার সপ্তাহ কারাগারে ছিলেন দর্শন। পরে স্ত্রী মামলা তুলে নেওয়ার পর ছাড়া পেয়েছিলেন।

;

দেখুন অভিনেত্রী চমকের বিয়ের দুটি সাজ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিয়ের সাজে চমক

বিয়ের সাজে চমক

  • Font increase
  • Font Decrease

অল্প সময়ে টিভি নাটকের ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। সাবলিল অভিনয় এবং অপরূপা সুন্দরীতো তিনি বটেই! সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তার বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তা। মাঝে সহশিল্পীদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে তৈরী করেছেন বিতর্ক। সব মিলিয়ে বর্তমানে টিভি পর্দার অন্যতম চর্চিত অভিনেত্রী চমক।

অনেকেই বলে থাকেন নায়িকারা বিয়ে করে ফেললে চাহিদা কমে যায়। বিশেষ করে চমকের মতো উঠতি অভিনেত্রীর বেলায় সে কথা আরও হলফ করে বলা হয়। তবে কিছু অভিনেত্রী বিয়ের পরও ভালো কাজের মাধ্যমে নিজের অবস্থান ধরে রাখতেও সক্ষম হয়েছেন। তা ভেবেই হয়তো পুরোপুরি জ্বলে ওঠার আগেই বিয়ের পীড়িতে বসলেন চমক।

স্বামীর সঙ্গে বিয়ের সাজে চমক

চমক এখন শ্রীলংকায়। সেখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একের পর এক নতুন আপডেট দিচ্ছেন তার ব্যক্তিগত জীবনের। 

আংটি বদলের খবরটিই প্রথম প্রকাশ্যে আনেন চমক। এরপরই তিনি জানান তার শ্রীলংকা যাওয়ার খবর। সেখান থেকে নিজের গায়ে হলুদের ছবি প্রকাশ করেন। ফলে অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে চমক বোধ হয় ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করতে শ্রীলংকা গিয়েছেন। 

শ্রীলংকায় হানিমুনে গেছেন চমক

কিন্তু আজ চমক যে ছবিগুলো প্রকাশ করলেন তাতে আসল ঘটনাটি প্রকাশ হলো। মূলত এই অভিনেত্রীর বাগদান ও বিয়ে বাংলাদেশেই হয়েছে। এবং সেটি খুবই সাদামাটাভাবেই হয়েছে। জমক একটি লাল সুতি শাড়ি পরে বিয়ে করেছেন! তাও একটি মাদ্রাসায় গিয়ে।

নিকাহ অনুষ্ঠানে চমক

শুধু তাই নয়, তিনি জানিয়েছেন, মাত্র ৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে সেরেছেন এ অভিনেত্রী।

স্বামীর সঙ্গে বিয়ের সাজে চমক

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে চমক লিখেছেন, ‘আমার জন্ম তারিখ ৯, তাই সংখ্যাটি আমার লাকি নাম্বার। কাজেই আমরা মাত্র নয় টাকা দেনমোহরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, অর্থ কখনও দাম্পত্য জীবনের ভিত্তি হতে পারে না। আমরা এটাও বিশ্বাস করি, আমাদের ভালোবাসা কিংবা একসঙ্গে থাকার হিসাবটা টাকা দিয়ে কখনও পরিমাপ করা যাবে না।’

মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিয়ের খাবার সেরেছেন

ক্যাপশনে অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, ‘খুবই সাদামাটাভাবে বিয়ের আয়োজন সারা হয়েছে। কয়েকজন আন্তরিক সুখী মানুষদের নিয়েই এই আয়োজন। মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে খাবার সেরেছি। যতটা ছিমছাম রাখা যায় আরকি। আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি নিরন্তর ভালোবাসা রইলো।’

বিয়ের সাজে চমক

বিয়ে সাদামাটা করলেও হানিমুন কাটাতে বরকে নিয়ে তিনি শ্রীংলকায় অবস্থান করছেন এখন। এবং নিজের টাকাতেই এই হানিমুন করছেন বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে!

চমকের গায়ের দিন স্বামীর সঙ্গে হলুদের ছবি

জানা গেছে, চমকের বর আজমান নাসির পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। ব্যবসার পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন তিনি। চমকের সঙ্গে তার স্বামীকে দেখা গেছে ‘দ্য লাস্ট হানিমুন’ নাটকে।

চমকের গায়ে হলুদের ছবি

উল্লেখ্য, চমক ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়ে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন। লেখাপড়া শেষে ২০২০ সালে ছোট পর্দার অভিনয় শুরু করেন তিনি। কাজ করেছেন ওটিটিতেও।

;