নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে আফসোস পরীমণির!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
পরীমণি / ছবি : ফেসবুক

পরীমণি / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপধ্যায় বাংলাদেশে এসে ঢালিউড চিত্রনায়িকা পরীমণির প্রশংসা করে গেছেন, এ কথা অনেকেই জানেন। এবার সেই প্রশংসা কিভাবে গ্রহণ করেছেন পরীমণি? তার মনে কি ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়েছে? নাকি এসবে পরীর কিছু যায় আসে না?- এতোদিন পর তা নিয়ে গণমাধ্যমে মন খুলে কথা বলেছেন পরী।

তা জানলে পরীকে নিয়ে পাঠকের নতুন এক ভাবনার জগৎ তৈরী হতে পারে। পরমব্রত’র কাছ থেকে এমন প্রশংসা শুনে নাকি মন খারাপ হয় এই নায়িকার! নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছে আফসোস!

পরীমণি ও পরমব্রত

পরীমনি বলেন, ‘আমি বুঝলাম, প্রশংসাও আমাদের খুব বুঝেশুনে করতে হয়। পরমব্রতর মতো শিল্পীর মুখ থেকে এমন কথা শোনার পর মন খারাপ হয় আমার...। ভাবলাম, আসলেই তো আমার অনেক দারুণ দারুণ সব কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু হয়নি। হয়ে ওঠেনি। সময় তো সময়ের মতো চলে যাচ্ছে। কিন্তু আর বেশি দূর যেতে দেওয়া উচিত নয়। আমাকে আমার মতো কাজ করতে হবে। করছিও আমার মতো করে। তবে তার কথাটাও আমার মাথায় থাকবে।’

পরীর স্ক্রিন প্রেজেন্স নিয়ে কথা বলেছিলেন পরমব্রত। সেই প্রসঙ্গে পরী বলেছেন, ‘এই কথার অর্থটা আমি বুঝেছি। তাই তো পরের কোনো একটা ভিডিওতে এমন দেখতে চাই, পরমব্রত’র মুখে শুনতে চাই-পরীমনির এই কাজ আমার ভালো লেগেছে। উদাহরণের জন্য হলেও অনেক চমৎকার কাজ করতে চাই। পরমব্রত বলেছেন, পরীমনির কিছু কাজ দেখেছি। তিনি কিন্তু নাম বলতে পারেননি আমার কোন কাজের। তার মানে আমার কোনো কাজ তার মনে সেভাবে দাগ কাটতে পারেনি। পরমব্রতর মনে দাগ কাটার মতো কাজ করতে চাই। তার এই কথার মান যেন আমি রাখতে পারি, এমন এমন সব কাজ করব। তার কথাগুলো আমাকে ভাবিয়েছে।’

‘আজব কারখানা’ ছবির প্রচারে ঢাকায় পরমব্রত

‘পরীমনিকে আমার মনে হয় ‘পাওয়ার হাউস অব ট্যালেন্ট’, তাকে যদি আরও একটু ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে তিনিও খুব ভালো করবেন। তার যেটুকু কাজ দেখেছি, আমার কাছে দুর্দান্ত মনে হয়েছে’ নিজের মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির (আগামী ১২ তারিখ দেশে মুক্তি পাচ্ছে পরমব্রত অভিনীত সিনেমা ‘আজব কারখানা’) প্রচারে সম্প্রতি ঢাকায় এসে ভারতীয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এমন কথা বলেছিলেন।

পরমব্রতর মুখ থেকে শোনা কথাটা ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে নজরে আসে পরীমনির। বললেন, ‘প্রথমে তো মুগ্ধ হয়ে কতক্ষণ শুনছি। দু-তিনবার টেনে টেনে শুনেছি। পরে ভেবেছি, মানুষকে নানাভাবে আমরা অপমান-অপদস্থ করতে পারি। প্রশংসা তো দূরের কথা। কিন্তু এসবের কারণে দিন শেষে মানুষটার যে চেষ্টা, এসবও একসময় ডাউন হয়ে যায়। পরমব্রত কিন্তু ভালো অভিনয় করেন। ভালো এই, ভালো সেই, দেখতে সুন্দর-এসব বলতে পারতেন। তিনি কী বলেছেন, পাওয়ার হাউস অব ট্যালেন্ট...। এই লাইনের গভীরতা হজম করতে আমার এত বেশি সময় লাগছে যে বলে বোঝাতে পারব না। তাই আমি বারবার টেনে টেনে দেখছি। মানুষকে কীভাবে প্রশংসা করতে হয়, সেটা আসলে আমরা অনেক ক্ষেত্রে শিখিইনি।’

পরীমণি

পরমব্রতর কথা শুনে পরীমনির নতুন উপলব্ধিও হয়েছে। তিনি বললেন, ‘এসব কথা বললে কেমন জানি লাগে। মনে হয়, সময় চলে যাচ্ছে, আরও ভালো ভালো কাজ করতে হবে। কিছুই তো করিনি।’

পরীমনি সম্প্রতি শেষ করেছেন ওয়েব সিরিজ ‘রঙিলা কিতাব’। সামনে নতুন কাজের পরিকল্পনাও চলছে।

আম্বানিদের বিয়েতে ক্যাটরিনার বেবিবাম্প প্রকাশ্যে!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
অনন্ত আম্বানির বিয়েতে ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশল দম্পতি

অনন্ত আম্বানির বিয়েতে ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশল দম্পতি

  • Font increase
  • Font Decrease

চলছে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানির লাক্সারিয়াস বিয়ের অনুষ্ঠান। জানা গেছে এই বিয়েতে মোট খরচ হচ্ছে ৫ হাজার কোটি টাকা!

দেশে ও বিদেশে দুটো প্রি ওয়েডিং এবং আরও বেশকটি অনুষ্ঠানের পর গতকাল মুম্বাইয়ে মূল বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় অনন্ত আর রাধিকা মার্চেন্টের। আজ রয়েছে আশির্বাদের অনুষ্ঠান। আর আগামীকাল রিসেপশন পার্টির মাধ্যমে এই বিয়ের আয়োজন শেষ হবে।

অনন্ত আম্বানির বিয়েতে ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশল দম্পতি

অনন্ত’র বিয়ের প্রতিটি অনুষ্ঠানেই হাজির ছিলেন বলিউডের বড় বড় তারকা থেকে শুরু করে হলিউড তারকারাও। এমনকি ভিকি কৌশলও হাজির ছিলেন। তবে এতোদিন দেখা যায়নি তার স্ত্রী বলিউডের সুপারস্টার অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফকে।

অবশেষে ক্যাটরিনার দেখা মিলল গতকাল মূল বিয়ের দিনেই। ফটোবুথে স্বামী ভিকি কৌশলের সঙ্গেই হাজির হন এই গ্ল্যামার গার্ল। লাল টুকটুকে শাড়ি আর ফুলহাতা ব্লাউজে ক্যাটরিনা ছিলেন ভীষণ মার্জিত।

ক্যাটরিনা কাইফের পূর্বের ফিটনেস

তবে এই ছবিতে ক্যাটরিনার সৌন্দর্য্যরে চেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার বেবিবাম্প! কারণ ক্যাটরিনা বরাবরই বলিউডের অন্যতম ফিটনেসফ্রিক নায়িকা। তার বডি শেপ সবার মুখস্ত। সেই সুন্দরীর এমন ফুলে থাকা পেট থেকে আবারও তার মা হওয়ার গুঞ্জন উসকে দিয়েছে নেটিজেনদের মনে।

এতোদিন এই তারকার মা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে ধোয়াশা থাকলেও এখন যেন চোখের সামনেই পরিষ্কার পুরোটা। সত্যিই ক্যাটরিনা মা হতে চলেছেন। তবে এ নিয় এখনো ক্যাটরিনা কিংবা ভিকি কেউই মুখ খোলেননি। যেহেতু ক্যাটরিনা এই অবস্থায় পাপারাজ্জিদের সামনে এসেছেন, তার মানে তিনি মাতৃত্বে খবর দিতে এরইমধ্যে মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়েছেন। হয়তো শিগগিরই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানাবেন এমনটাই ধারনা করছে নেটিজেনদের।

অনন্ত আম্বানির বিয়েতে ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশল দম্পতি

;

অনন্ত-রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠান যেন বলিউডের 'রিইউনিয়ন'



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিয়ের অনুষ্ঠানে আম্বানি পরিবার/ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের অনুষ্ঠানে আম্বানি পরিবার/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের ধুম যেন কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। 

ঐতিহ্যবাহী হিন্দু বৈদিক রীতিনীতি মেনে শুক্রবার (১২ জুলাই) সম্পন্ন হয়েছে আম্বানি পরিবারের ছোট ছেলের বিয়ে।

অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট/ছবি: রয়টার্স

হাজার হাজার কোটি রুপি হাওয়ায় ওড়ানো এই বিয়ের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে আজ। আম্বানি পরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়ে বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন ব্যবসা, রাজনীতি এবং শিল্প ক্ষেত্রের ভিভিআইপি-রা।

বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ও গৌরী/ছবি: রয়টার্স

এ আয়োজনে যোগ দিতে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েলিটি শো তারকা কিম কার্দাশিয়ান এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। উপস্থিত হয়েছেন বলিউডের নামি-দামি তারকারা। সবাইকে একত্রে দেখে মনে হচ্ছে, এ যেন বিয়ের অনুষ্ঠান নয়, বলিউডের 'রিইউনিয়ন'।

টাইগার সালমান/ছবি: এপি

মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুরলা সেন্টার (বিকেসি) এর জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জমকালো এ বিয়ের অনুষ্ঠান। 

গত মার্চ মাস থেকেই বিয়ে উপলক্ষে উৎসব চলছে। আজ বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। সবুজ ঘেঁষা শেরওয়ানি পরেছিলেন তিনি। আর গৌরীর পরনে ছিল সোনালী আনারকলি সালওয়ার। 

ক্যাটরিনা এসেছেন মোহনীয় লাল শাড়ি পরে। আর ভিকির পরনে শেরওয়ানি।

অন্যদিকে জমকালো স্যুটে দেখা মিলেছে ‘টাইগার’ সলমন খানের। ক্যাটরিনা এসেছেন মোহনীয় লাল শাড়ি পরে। আর ভিকির পরনে শেরওয়ানি।

রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট/ছবি: সংগৃহীত

বিয়েতে নজর কাড়লেন রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাট। রণবীর পরেছিলেন অফহোয়াইট কুর্তা। কানে চকচক করছে হীরের দুল। আলিয়া ভাটের পরনে ছিল দুধে আলতা শাড়ি, জরির কাজের পাড়। সঙ্গে মানানসই গহনা। 


সঞ্জয় দত্ত এসেছিলেন নীল কুর্তা আর পাজামা পরে। 


শনিবার (১৩ জুলাই) শুভ আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে উৎসব উদযাপন হবে। আর রোববার (১৪ জুলাই) হবে রিসেপশন পার্টি।

;

সব ধরনের গঠনমূলক কমেন্ট গ্রহণ করতে প্রস্তুত: ইমি



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের শীর্ষ র‌্যাম্প মডেল শাবনাজ সাদিয়া ইমি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। মাঝেমধ্যে নাটকে অভিনয়ও করতে দেখা গেছে তাকে। আজ শবনম ফেরদৌসী পরিচালিত ‘আজব কারখানা’ চলচ্চিত্রে কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে বড়পর্দায় অভিষেক হয়েছে ইমির। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে বার্তা২৪.কমের সঙ্গে কথা বলেছেন এই তারকা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

আজ সিনেমা হলে প্রথমবার নিজেকে দেখলেন। অনুভূতি কেমন?


এই অনুভূতি আমি ঠিক বোঝাতে পারবো না! এতো জিনিস একসঙ্গে মাথা আর মনে খেলছে যে ঠিক কোন অনুভূতির কথা বলবো সেটাই বুঝতে পারছি না। আজ আমার বাবা থাকলে হয়তো খুব খুশি হতেন। কারণ তিনি একজন মঞ্চ অভিনেতা ছিলেন। তিনি বুঝতেন একজন শিল্পীর প্রথমবার বড়পর্দায় নিজেকে দেখার অভিজ্ঞতা কেমন! আমি দীর্ঘকাল এই দিনটির জন্য অপক্ষো করেছি। আজ একটা স্বপ্ন সত্য হলো।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথমদিনে দর্শকের কেমন সাড়া পেলেন?


আজ আমার পরিচিতি-অপরিচিত অনেক দর্শকের সঙ্গে দেখা হয়েছে সিনেমা হলে। যারা দেখতে এসেছেন তারা ভালোটাই বলেছেন। তবে আমি যদি কোন ভুল করি বা আমার কোন খামতি থাকে সেটা শুনতেও প্রস্তুত। কারণ অভিষেক সিনেমাতেই শতভাগ পারফেক্ট হবো না এটা খুব ভালো করেই মাথায় আছে। ফলে সব ধরনের গঠনমূলক কমেন্টই আমি গ্রহণ করবো। যা ভবিষ্যতে আমার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে মনে করি।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

ছবিটি বেশ অল্প সংখ্যক হলে মুক্তি পেয়েছে। এর কারণ কী?


ছবিটি কতো সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছালো কিংবা সিনেমাটি কতোখানি ব্যবসা করলো সেটি আমার কাছে মূখ্য নয়। আমার কাজ ছিলো, নিজের চরিত্রটি সুচারুরূপে ফুটিয়ে তোলা। সেটি একদম না পারলে ডিরেক্টর নিশ্চয়ই শট ওকে করতেন না। আর ব্যবসার দিকটি প্রযোজক-পরিচালকের ডিপার্টমেন্ট। যদিও আমার প্রযোজক-পরিচালক এরইমধ্যে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এই ছবি একেবারে সিঙ্গেলস্ক্রিন পূর্ণ হওয়ার মতো ছবি নয়। কারণ প্রতিটি ছবি আলাদা উদ্দেশে নির্মিত হয়। এই ছবিটির উদ্দেশ্যই ছিলো আমাদের বাংলার ফোকগানের সমৃদ্ধ ভাণ্ডারকে সিনেমার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা। সেটি অনেকটাই করতে পেরেছেন নির্মাতারা। ছবিটি এরইমধ্যে ঢাকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে, প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাছাড়া নির্মাতা এও বলেছেন যে, এখনই সারাদেশের অনেক বেশি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি দিতে চান না তারা। কারণ এই কাজে যে পরিমাণ লোকবল দরকার তা আপাতত আমাদের নেই।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথম ছবি হিসেবে ‘আজব কারখানা’কে বেছে নেওয়ার কারণ কী?


যেহেতু অনেক বছর ধরে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি, তাই এরমধ্যে সিনেমার একেবারেই প্রস্তাব যে পাইনি তাতো নয়! বেশকিছু ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি নানা কারণে। কিছু ছবির গল্প, নির্মাতা কিংবা সহশিল্পী পছন্দ হয়নি বলে করিনি। একটা সময় আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাও যা ছিলো তাতে আমার মতো মানসিকতার মেয়ের ছবি করার সুযোগ ছিলো না। তাছাড়া একটা সময় নিজেকে অভিনয়ের জন্য প্রস্তুতও মনে করতাম না। কারণ আমার বাবা অভিনয়ের জন্য কি পরিমাণ ডেডিকেটেড ছিলেন সেটা নিজের চোখে দেখেছি। আমিও চাইতাম অভিনয় করতে হলে অবশ্যই একটু শিখে পড়েই আসবো। এজন্য কিছু নাটকে অভিনয় করে এবং নিজস্ব চর্চার মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করেছি। এরপর আমার কাজ ছিলো একটি ভালো গল্প, ভালো নির্মাতা ও ভালো সহশিল্পীর সঙ্গে কাজ করা। সেটি আমি ‘আজব কারখানা’তেই পেয়েছি। নির্মাতা শবনম ফেরদৌসী আমাকে আগ্রহ করে ছবিতে নিয়েছেন। সহশিল্পী হিসেবে কলকাতার পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে পাওয়াটাও কম সৌভাগ্যের কথা নয়। সব মিলিয়ে রাজী হওয়া।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথম ছবিতে অভিনয়, তাও পরমব্রত’র মতো তারকার সঙ্গে বেশিরভাগ দৃশ্য। কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো?


এক কথায় বলতে গেলে ভালো ছিলো। কারণ অভিনয়টা আরাম করে করার মতো একটি পরিবেশ পেয়েছি। নির্মাতা বেশ ধরে ধরে আমার অংশের কাজটুকু করেছেন। তাছাড়া চরিত্রটিও ছিলো আমার বাস্তব জীবনের সঙ্গে অনেকটাই মিল। এখানে আমি একজন নামকরা মডেলের চরিত্রেই অভিনয় করেছি। এজন্য কাজটি করা আমার জন্য অতো কঠিন ছিলো না। তবে যতোই চেনাজানা চরিত্র করি না কেন, পরমব্রত’র মতো পাকা অভিনেতার সঙ্গে প্রথম সিনেমায় কাজ করতে গেলে কিছুটা ভয় থেকেই যায়। সেটি আমাকে কাটিয়ে উঠতে তিনি বেশ সাহায্য করেছেন। যার ফলে তার সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যগুলো করতেও আমার খুব একটা অসুবিধা হয়নি।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

আাগামীর কাজের পরিকল্পনা কী?


‘আজব কারখানা’র শুটিং শেষ করেছিলাম কোভিডের আগেই। তখন থেকেই আমি অপেক্ষা করছিলাম এই ছবিতে আমার অভিনয় দর্শক কিভাবে নেয় সেটা দেখার। এই ছবির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই আমার আগামীর অভিনয়ক্যারিয়ার নির্ভর করবে বলে মনে হয়েছে। এজন্য এরমধ্যে আর কোন সিনেমায় কাজ করিনি। দেখা যাক দর্শক কিভাবে নেয় আমাকে। ভালোভাবে নিলে নিশ্চয়ই ভালো নির্মাতাদের ভালো ভালো ছবিতে কাজের প্রস্তাব পাবো। আর সিনেমার বাইরে মডেলিং তো চলবেই। সম্প্রতি বলিউড তারকা আর্জুন রামপালের সঙ্গে ঢাকাতেই একটা ফ্যাশন শো করলাম। তিনি আমার পছন্দের তারকাদের একজন। সেই অভিজ্ঞতাও মনে রাখার মতো।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

;

মায়ের লেখা গল্পে জনপ্রিয় সিরিজের নতুন কিস্তি নিয়ে নুহাশ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন

মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন

  • Font increase
  • Font Decrease

চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘পেট কাটা ষ’ নির্মাণ করে দারুণ সাড়া ফেলেন এ সময়ের মেধাবী নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। গ্রাম বাংলায় প্রচলিত দেশি ভূতের গল্প নিয়ে সিরিজটি নির্মাণ করেছিলেন নুহাশ। এবার সেই সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই নির্মাতা। সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিষয় হলো, সিরিজটির গল্প লিখেছেন নুহাশের মা কবি গুলতেকিন খান!

প্রথমবারের মতো ওয়েব সিরিজের গল্প লিখলেন গুলতেকিন। শৈশবে নুহাশ তারা বাবা হুমায়ূন আহমেদকে (প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক) খুব একটা কাছে পাননি, ফলে মা’ই ছিলেন তার জীবনের সবচেয়ে ভরসার জায়গা। মায়ের কাছেই বাংলা, ইংরেজি পড়ে, অঙ্ক কষে শৈশব কেটেছে তার। বহু বছর পর সেই হোমওয়ার্কের স্মৃতিকাতর দিনে ফিরেছেন মা ও ছেলে। আবারও হোমওয়ার্ক করতে বসেছেন তারা। দুজন মিলে হিসাব কষে গল্প লিখেছেন।

মায়ের সঙ্গে কিশোর নুহাশ

মা ও ছেলে মিলে ‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমের চারটি গল্পের মধ্যে তিনটি গল্প লিখেছেন। এই কাজ নয়, নুহাশের প্রতিটি চিত্রনাট্যের সঙ্গেই মিশে আছেন গুলতেকিন খান। কীভাবে? নুহাশ বললেন, ‘যখনই কোনো চিত্রনাট্য লিখি, সেটা প্রিন্ট করে মা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েন। চিত্রনাট্যের ভালো-মন্দ নিয়ে আমরা আলোচনা করি। আমার চিত্রনাট্যের সঙ্গে মা ভীষণভাবে জড়িয়ে থাকেন।’ নুহাশ আরও বলেন, ‘‘সৃজনশীল ক্ষেত্রে কাজ করলে অনেককে পরিবার বুঝতে চায় না। কিন্তু আমার পরিবার শুধু বুঝছেই না, আমার সঙ্গে কাজও করছে। এটা আমার জন্য গর্বের ব্যাপার, আমি ভীষণ সৌভাগ্যবান।’

চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি গণমাধ্যমকে জানান, ‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমের দৃশ্যধারণ শেষের পথে। এ বছরের শেষের দিকে সিরিজটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। আগের মৌসুমের তুলনায় এই মৌসুমের চিত্রনাট্য ভীষণ পরিণত। বিশেষ করে গুলতেকিন ম্যামের (খান) ইনপুট সিরিজটাকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে।

‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের প্রথম সিজনের পোস্টার

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হুলুতে মুক্তি পেয়েছে নুহাশের স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘ফরেনারস অনলি’। এ বছর ‘পেট কাটা ষ’ ছাড়াও একাধিক আন্তর্জাতিক কাজ করেছেন তিনি। নির্মাতা নুহাশকে নিয়ে গুলতেকিন খান বললেন, ‘ও যখন যেটা করে, খুব মনোযোগ আর নিষ্ঠার সঙ্গে করে। মা হিসেবে বলছি না, দর্শক হিসেবে বলছি, নুহাশের নির্মাণ আমার খুব ভালো লাগে।’

প্রথমবার কোনো সিরিজের গল্প লেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে গুলতেকিন বলেন, ‘‘এটা আমার জন্য অদ্ভুত সুন্দর একটি অভিজ্ঞতা ছিল। প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু নুহাশ যখন বলল সে পছন্দ করেছে, তখন মনে হলো, আমাকে খুশি করার জন্য ও ‘ভালো’ বলবে না। গল্পটা ভালো না হলে ও বলত, ‘এখানে একটু ভালো করতে হবে।’ দুজন মিলে গল্পটা লিখেছি।’’

মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন
;