ঢাকায় দুনিয়া কাঁপানো যোদ্ধারা!

বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সিনেমাটির একটি দৃশ্য

সিনেমাটির একটি দৃশ্য

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিকভাবে আজ (২০ ডিসেম্বর) মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘স্টার ওয়ারস: দ্য রাইজ অব স্কাইওয়াকার’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও একই দিনে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এতে অভিনয় করছেন ডেইজি রিডলি, অ্যাডাম ড্রাইভার, জন বোয়েগা, অস্কার আইজ্যাক, মার্ক হ্যামিল, ক্যারি ফিশারসহ অনেকে।

‘স্টার ওয়ারস: দ্য রাইজ অব স্কাইওয়াকার’ সিনেমার মধ্য দিয়েই শেষ হবে ৪২ বছর পুরনো ত্রয়ী কল্পকাহিনী। ২০১৫ সালে বড় পর্দায় আসে চলতি ত্রয়ী গল্পের সিনেমার প্রথম পর্ব ‘দ্য ফোর্স অ্যওয়াকেনস’। এরপর ২০১৭ সালে দ্বিতীয় পর্ব ‘স্টার ওয়ারস: দ্য লাস্ট জেডি’ মুক্তি পায়। এর কাহিনীর সূত্র ধরে এবার আসছে তৃতীয় ও শেষ পর্ব ‘স্টার ওয়ারস: দ্য রাইজ অব স্কাইওয়াকার’। ট্রেলারে দেখা যায়, রেই ও কাইলো রেন এবার চূড়ান্ত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। দ্য স্টার ওয়ারস ইউনিভার্স চলতে থাকবে। তবে প্রধান চরিত্র হিসেবে লিউক স্কাইওয়াকারের যাত্রা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আসন্ন নবম পর্বেই শেষ হচ্ছে। তাই দর্শকরা মুখিয়ে আছেন কিভাবে এই ট্রিলজির সমাপ্তি হয় দেখার জন্য।

দুনিয়া কাঁপানো একদল যোদ্ধা কখনো গ্যালাক্সি রক্ষা করতে আবার কখনো ভিনগ্রহে নিজেদের জীবন বাঁচাতে লড়াই করছে। বিচিত্র সব চরিত্র, অদ্ভুত সব স্থাপনা। এই তো ‘স্টার ওয়ারস’। চার দশকব্যাপী দর্শক হৃদয়ে দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করে চলেছে এই ফ্রাঞ্চাইজি। শুরুটা জর্জ লুকাসের হাত ধরে। ১৯৭৭ সালে প্রথম মুক্তি পায় ‘স্টার ওয়ারস এ নিউ হোপ’। শুরুতেই বাজিমাত। তারপর এলো ‘দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইকস ব্যাক’ ও ‘রিটার্ন অব দ্য জেডাই’।

এই তিনটি ছবি পরিচিত প্রথম স্টার ওয়ারস ট্রিলজি নামে। এর পর লম্বা বিরতি দিয়ে এলো প্রিক্যুয়েল ট্রিলজি ‘দি ফ্যানটম মেনাস’, ‘অ্যাট্যাক অব দ্য ক্লোনস’, ‘রিভেঞ্জ অব দ্য সিথ’, ‘দ্য ফোর্স অ্যওয়েকেনস’ এবং সবশেষ ২০১৭ সালে মুক্তি পায় ‘দ্য লাস্ট জেডি’। বেশিরভাগ ছবিই কোন না কোন বিভাগে মনোনীত হয়েছে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের জন্য। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বক্স অফিসে অর্জন ৭.৪৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ফিল্ম সিরিজ হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আয়ের তালিকায় রয়েছে। সিনেমার পাশাপাশি স্টার ওয়ারস বই, ভিডিও গেম, কমিকস, টিভি সিরিজ সব মিলিয়ে গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ২০১৫ সালে উঠে এসেছে সবচেয়ে দামী মিডিয়া ফ্রাঞ্জাইজ হিসেবে যার প্রাক্কলিত মূল্য ৪১.৯ বিলিয়ন ডলার।

আপনার মতামত লিখুন :