দুবাইতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঈদ উৎসব



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সীমানা পেরিয়ে এবার সুদূর আরব আমিরাতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এক ঝাঁক তারকাদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঈদ পরবর্তী এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী এবং চিত্র তারকাদের নিয়ে ঈদ উৎসব করতে যাচ্ছে এসএন এন্টারটেইনমেন্টের স্বত্বাধিকারী সাচিনুর সাচি। আগামী ২১ জুন ২০২৪ তারিখে দেরা দুবাইয়ের পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে অনুষ্ঠিত হবে "দুবাই কনসার্ট-২০২৪"। এ উপলক্ষে গতকাল ৩১ মে দুবাইয়ের আল কেসিসের একটি রেঁস্তোরায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে "দুবাই কনসার্টের" আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন উদযাপন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এস এন এন্টারটেইনমেন্টের অর্গানাজার মোঃ ফখরুদ্দীন মুন্না, কো-অর্গানাজার সিরাজুল হক, উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক কাজী মোহাম্মদ আলী, সদস্য সচিব হাজী শফিক, যুগ্ম সদস্য সচিব কামাল হোসেন সুমন, নির্বাহী সদস্য (সাংস্কৃতিক) মোঃ জাহিদ পারভেজ, মোঃ সফিক, মাহাবুবা সিদ্দিকা শিপু, এস এন এন্টারটেইনমেন্ট স্থায়ী কমিটির সদস্য সামসুর রহমান সোহেল, সরোয়ার উদ্দিন রনি, সাগর দেব, মামুনুর রশিদ, শরীফ মাহমুদ, মোঃ আলম, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ ইফতেখার, আমিরাতে বসবাসরত ব্যবসায়ী শিল্পপতি ও গণমাধ্যম কর্মীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশের অনেকগুলো সংগীত শিল্পী এবং চিত্রশিল্পী একসাথে দুবাইয়ের মাটিতে পা রাখছেন। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের দর্শক উপস্থিত থাকবেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে আগত ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ বেগম, অভিনয় শিল্পী পরিমণি, কণ্ঠশিল্পী ফকির শাহাবুদ্দিন, সুমি শবনম, তশিবা, সাচিনুর সাচি, উপস্থাপক শান্তা জাহান ও লাবিব সিনহা এবং ভারতের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অর্পিতা বিশ্বাস।

এ সময় এস এন এন্টারটেইনমেন্টের দুবাই অর্গানাইজার ফখরুদ্দীন মুন্না বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পীদের সমন্বয়ে ঈদ উৎসব পালন করবে আমিরাতের প্রবাসীরা। তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, বিদেশের মাটিতেও সংগীত চর্চার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। এতে করে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও কৃষ্টি-কালচার গানের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে সোনার বাংলাকে তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ।

সংবাদ সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে প্রকৌশলী আবু জাফর দুবাই কনসার্টের ১৫ সদস্যের উদযাপন কমিটি ঘোষণা করেন।

লন্ডনে চট্টগ্রামের 'মেজ্জান', এ যেন বাঙালির মিলনমেলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

মেজবান বা মেজ্জান চট্টগ্রামের ঐতিহ্য। চট্টগ্রামের মানুষ অতিথিপরায়ণ। নানা উপলক্ষে অতিথি আপ্যায়নে মেজবানির আয়োজন এখন চট্টগ্রামের একটি সংস্কৃতির অংশ। দেশব্যাপী এ মেজবানের খ্যাতি রয়েছে। মেজবান এখন দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও বেশ জনপ্রিয়।

জাঁকজমক চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান ও মিলন মেলা হয়ে গেলো লন্ডনে । পরবাসে সাদা ভাত, ৭ গরুর মাংস আর ডালের এই ভোজ আয়োজন যে কতটা উৎসবমুখর হয়ে উঠতে পারে তারও প্রমাণ মিলল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান আয়োজনে।

স্থানীয় সময় রোববার পূর্ব লন্ডনের মেফেয়ার হলে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে মেজবানি খাবারের পাশাপাশি ছিল মন মাতানো সাংস্কৃতিক আয়োজন। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসীর প্রতিনিধিত্বকারী ও বাংলাদেশীদের অন্যতম শীর্ষ সংগঠন ‘গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’ (জিসিএ) পঞ্চমবারের মতো বিশাল এই আয়োজন করে। এই সংগঠনটি প্রথম বিলাতে তথা প্রবাসে মেজবানকে বিশাল আংগিকে ও ভিন্ন আমেজে পরিচিত করেছে।

বাংলাদেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনেক কিছুই ঠাঁই করে নিয়েছে সুদূর যুক্তরাজ্যে। পিঠা উৎসব, বৈশাখী মেলা কিংবা বাঙালির বিয়ের মতো জমজমাট আয়োজন এখন নিয়মিত দেখা যায় সেখানে। তিন হাজার মানুষ মেজবানে অংশ নেয় এবারের মেজবানে। এদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এই মিলন মেলা।


সংগঠনের ট্রেজারার মাসুদুর রহমানের উপস্হাপনায় অনুষ্ঠান শুরু হয় কোরান তেলাওয়াত, গীতা ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের বর্তমান কার্যকরী কমিচির প্রেসিডেন্ট আখতারুল আলম এবং সেক্রেটারি ওসমান মাহমুদ ফয়সাল। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী, ১০৪ বছর বয়স্ক চ্যারিটি ফান্ড রেইজার দবিরুল ইসলাম চৌধুরী, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ট্রাষ্টি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, চ্যানেল এস'র ফাউন্ডার মাহি জলিল, বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষে ইসমাঈল হোসেন, সাবেক সভাপতি ইসহাক চৌধুরী, ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন, সিপ্লাসটিভির আলমগীর অপু, কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গনী, আই অন টিভির পরিচালক আতাউল্লাহ ফারুক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকত মাহমুদ টিপু, সলিসিটর জাগির আলম প্রমুখ।

এ সময় মঞ্চে নানা পর্বের সঞ্চালনায় ছিলেন মোহাম্মদ কায়সার, মাসুদুর রহমান, শহিদুল ইসলাম সাগর, নূরুন্নবী আলী, শহিদুল ইসলাম সাগর, ডা. মিফতাহুল জান্নাত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সার্বিক ব্যবস্হাপনায় ছিলেন মীর রাশেদ আহমেদ, শওকত মাহমুদ টিপু, আরশাদ মালেক, আলী রেজা, রাজ্জাকুল হায়দার বাপ্পী, হাসান আনোয়ার, ব্যারিস্টার শওকত আলী, টিংকু চৌধুরী, অনুপম সাহা, আবু রায়হান শাকিল, লুতফুন নাহার লীনা, আসমা আলম, ফয়সাল আনোয়ার, শেখ নাছের, ইব্রাহিম জাহান, মোরশেদ, মোহাম্মদ ইসলাম, ফসি উদ্দিন প্রমুখ।


আয়োজনটি চট্টগ্রামবাসীর হলেও যুক্তরাজ্যে বসবাসরত অন্য অঞ্চলের বাংলাদেশিরাও এতে অংশ নেয়। লন্ডনের আশপাশের শহরসহ স্কটল্যান্ড, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহামের মতো দূরের শহরগুলো থেকেও চট্টগ্রামবাসী অনেকে ছুটে আসেন ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনে যোগ দিতে। আয়োজকরা বলেন, এবারের মেজবানে কয়েক হাজার লোকের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। মেফেয়ার হলে খাবার পরিবেশনের কক্ষের পেছনের দরজায় ভোজনপ্রেমীদের দীর্ঘ লাইন। এক ব্যাচ খেয়ে সামনের দরজা দিয়ে বের হচ্ছেন। আর পেছন দরজা দিয়ে ঢুকছেন আরেক ব্যাচ। মেজবানের চিরাচরিত টেবিল দখলের দৃশ্যও এখানে বাদ যায়নি। পরিবার-পরিজন নিয়ে একসঙ্গে বসতে টেবিল দখলের প্রচেষ্টাও ছিল লক্ষণীয়।

দিনব্যাপী মেজবানি খাবারের পাশাপাশি চলে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাসী আঞ্চলিক গান, নাচ ও নানা ধরনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফকির শাহাবুদ্দিন , হিমাংশু গোস্বামী , পাঞ্জাবিওয়ালা খ্যাত শিরিন জাওয়াত , আতিক হাসান , লাবণী বড়ুয়া , এম এ মোস্তফা , তাহমিনা শিপু , আই অন বাংলা স্কুল , পার্পল নাইট ব্যান্ডের জাওয়াদ, রুবেল, জয়, নাবিল , আয়ুস সাহাসহ স্থানীয় শিল্পীবরা। কৌতুক পরিবেশন করেন মিরাকাল কমেডিয়ান আরমন ।

বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী বলেন, মেজবানের খাবার বিশ্বের সেরা খাবার। তিনি চট্টগ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন বলেন, যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চট্টগ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগযোগ বৃদ্ধির জন্যই এই মেজবানের আয়োজন। চট্টগ্রামবাসীসহ অন্যান্য জেলার লোকদের মধ্যে এবারের মেজবান যে সাড়া ফেলেছে, তাতে ভিড় সামলাতে হয়তো ভবিষ্যতে খোলা কোনো মাঠে এই আয়োজন করতে হবে।

;

মালয়েশিয়ায় যৌন বিনোদনকেন্দ্রে বাংলাদেশি নারী-পুরুষ আটক



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
মালয়েশিয়ায় যৌন বিনোদনকেন্দ্রে বাংলাদেশি নারী-পুরুষ আটক

মালয়েশিয়ায় যৌন বিনোদনকেন্দ্রে বাংলাদেশি নারী-পুরুষ আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালির একটি যৌন বিনোদন কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ৭৫ জনকে আটক করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ১১ জন বাংলাদেশি নারী এবং ৮ জন বাংলাদেশি পুরুষ। বিদেশি যৌন কর্মীদের এটি একটি বড় সিন্ডিকেট বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ বলেন, গত শুক্রবার বেলা ২টায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুত্রজায়া হেডকোয়ার্টারের একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানের আগে দুই সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হয় এবং স্থানীয়দের থেকে তথ্য নেয়া হয়।

অভিযানে মোট ৫৭ জন নারীকে আটক করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ৩২ জন ইন্দোনেশিয়ান, ১১ জন বাংলাদেশি, ৮ জন ভিয়েতনামিজ এবং ৬ জন ভারতীয়।

এছাড়াও অভিযানে ১০ জন পুরুষ আটক হয়েছেন। যাদের বয়স ১৭ থেকে ৪৬ এর মধ্যে। যার মধ্যে রয়েছেন ৭ জন বাংলাদেশি, ২ জন মিয়ানমারের নাগরিক এবং একজন ইন্দোনেশিয়ান।

অভিযানে ৭ জন স্থানীয় পুরুষ এবং একজন নারীকে আটক করা হয়। যাদের বয়স ২৩ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে।

অভিযানে আটক ১৩ জন ইন্দোনেশিয়ান নারী এবং ৪ জন ভিয়েতনামিজ নারীর কাছে বৈধ পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এছাড়া ২ জন ইন্দোনেশিয়ান নারী এবং একজন ভিয়েতনামিজ নারীর ভিসার মেয়ার পূর্ণ হয়েছে।

বাকি কারো কাছেই মালয়েশিয়া থাকার বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।

অভিযানে একটি মোবাইল ফোন, ১৫টি ইন্দোনেশিয়ান পাসপোর্ট, পাঁচটি ভিয়েতনামিজ পাসপোর্ট, ১ হাজার ৭৫০ রিঙ্গিত নগদ, একটি কম্পিউটার এবং ১০টি গ্রাহক বই জব্দ করা হয়েছে।

;

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় মেলায় দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। ২-৪ জুলাই দুই দিনব্যাপী মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের মাইটেক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত 'ফুড অ্যান্ড ড্রিংকস মালয়েশিয়া বাই সিয়াল’ নামে এ মেলায় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। মেলায় বাংলাদেশসহ ২২টি দেশ অংশগ্রণ করে এবং ৩৩০টি বুথ এবং একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক লাউঞ্জে পণ্য প্রদর্শন করা হয়।

মেলার উদ্বোধন করেন মালয়েশিয়ার প্ল্যান্টেশন অ্যান্ড কমোডিটিস বিষয়ক উপমন্ত্রী দাতুক চ্যান ফুং হিন। বাংলাদেশ হাইকমিশনের তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতায় মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানি প্রাণ ফুডস লিমিটেড। ⁠মেলায় নির্ধারিত বুথের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক লাউঞ্জে অন্য ৭টি দেশের (কানাডা, ইউক্রেন, ভিয়েতনাম, ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া) সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় পণ্য প্রদর্শন করা হয়।

উদ্বোধনের দিন আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ এর বাংলাদেশ কর্নার এবং বাংলাদেশি পণ্যের বুথ পরিদর্শন করেন প্ল্যান্টেশন এবং কমোডিটিস বিষয়ক উপমন্ত্রী দাতুক চ্যান ফুং হিন এবং সাবাহ রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন মন্ত্রী দাতুক ফুং জিন ঝে।

সমাপনী দিন বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই ) মেলা এবং বাংলাদেশী স্টল পরিদর্শন করেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান।

এসময় হাইকমিশনার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে হাইকমিশন বাংলাদেশের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের জন্য বিভিন্ন বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণসহ অন্যান্য পরিকল্পনা নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ⁠রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্য বেশি করে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’ অনুসরণের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করে যাচ্ছে।

পরিদর্শনের সময় আয়োজক কোম্পানি কমেক্সপোসিয়াম এশিয়া পেসিফিক এর পরিচালক হেনরি তান, একই কোম্পানির এসিস্টেন্ট মার্কেটিং ম্যানেজার কিয়েন এনজি ও স্মৃতিকা সিভানেসসহ হাইকমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রবাসী সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

মালয়েশিয়া সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ও মাইসেব, ম্যাট্রেড, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়, পিকেএনএস, মালয়েশিয়া বিজনেস গ্রুপ, সাবাহ এমআইপিই,মালয়েশিয়া কোকো বোর্ড ও মালয়েশিয়া স্পাইস বোর্ডের সহায়তায় আয়োজিত বিশ্বের ব্র্যান্ড এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের অংশ হিসেবে এ মেলার আয়োজন করা হয়। বিশ্বব্যাপী বাজার অন্বেষণে শিল্প উদ্যোক্তা ও অর্থনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ, ব্যবসায়িক সমঝোতা, উদ্ভাবনী সমাধানে ব্যবসাকে শক্তিশালী করতে প্রতি বছর এ বাণিজ্য সম্মেলন ও মেলার আয়োজন করা হয়।

;

ব্রুনাইতে বাংলাদেশের পোশাক উৎসব



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ছবি: কোটা বাতুতে মালয় প্রযুক্তি জাদুঘরে বাংলাদেশ টেক্সটাইল প্রদর্শনী

ছবি: কোটা বাতুতে মালয় প্রযুক্তি জাদুঘরে বাংলাদেশ টেক্সটাইল প্রদর্শনী

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রুনাই দারুসসালামে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা রহমান সুমনা বলেছেন, ব্রুনাই এবং বাংলাদেশ গত চার দশকে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) কোটা বাতুতে মালয় প্রযুক্তি জাদুঘরে বাংলাদেশ টেক্সটাইল প্রদর্শনী উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ এবং ব্রুনাইয়ের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে দুটি দেশের সাংস্কৃতিক মিল এবং বোঝাপড়া প্রতিফলিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সুমনা।

ব্রুনাই দারুসসালামের সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের (এমসিওয়াইএস) স্থায়ী সচিব (ক্রীড়া) পেঙ্গিরান মোহাম্মদ আমিরিজাল বিন পেঙ্গিরান হাজী মাহমুদ, সম্মানিত অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

স্বাগত বক্তব্যে জাদুঘর বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক পেঙ্গিরান হাজী রোসলি বিন পেঙ্গিরান হাজী হালুস উভয় দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে বস্ত্র শিল্পের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘পোশাক হচ্ছে একটি দেশের জাতীয় গৌরবের উৎস এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা একটি পরিচয়।’

পেঙ্গিরান হাজী রোসলি আরও বলেন, টেক্সটাইল প্রদর্শনী বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে উপস্থাপন করছে। বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পের কারুকাজ, সৃজনশীলতা এবং সৌন্দর্যের প্রশংসা করেন তিনি। গত ৪০ বছরে বাংলাদেশ ও ব্রুনাই দারুসসালামের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করতে এই ধরনের প্রদর্শনী ভূমিকা রাখছে।

এই প্রদর্শনীর আয়োজনে জাদুঘর বিভাগ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হাইকমিশনের মধ্যে সহযোগিতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের আরও সুযোগ তৈরী হলো বলে তিনি যোগ করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালীন, বাংলাদেশ হাইকমিশন জাদুঘর বিভাগের সংগ্রহের জন্য চারটি ঐতিহ্যবাহী শাড়ি উপহার দেন। যার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা। বাংলাদেশের বাংলাদেশের সঙ্গীত পরিবেশনা করা হয়।

;