সংবাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্ভরতা, আস্থা কম টিভিতে: জরিপ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খবর জানার জন্য ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে। আর আস্থা কমে যাচ্ছে টেলিভিশন সংবাদের ওপর। এতে করে ভুল তথ্যের মাধ্যমে নানান ধরনের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।

বুধবার (২৩ জুন) রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের (আরআইএসজে) গবেষকদের এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব এবং ফেসবুকের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম খবর জানার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়ে থাকে।দেশটিতে খবর জানার জন্য ৭৩% স্মার্টফোনের মাধ্যমে এবং মাত্র ৩% কম্পিউটার ব্যবহার করেন।

কম্পিউটারের তুলনায় স্মার্টফোনের তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যবহার করার পেছনের কারণ জরিপ অনুসারে, দেশটির ৬০০ মিলিয়ন সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে কেবলমাত্র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা হয়। জরিপের অর্ধশতাধিক উত্তরদাতা জানিয়েছেন যে তারা নিউজ সেবার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইউটিউব ব্যবহার করে থাকেন।

উত্তরদাতাদের প্রায় ৫৯%, মূলত ইংরেজিভাষী খবরের জন্য টেলিভিশন ব্যবহার করেন, তাদের মধ্যে ৮২% বলেছেন যে তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংবাদ পড়েন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংবাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে ভুল তথ্য এবং ঘৃণাত্মক বক্তব্য নিয়ে গুরুতর সমস্যাও দেখা দিয়েছে।

ফেসবুককে প্রায় সর্বত্র মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার মূল চ্যানেল হিসাবে দেখা যায়, তবে হোয়াটসঅ্যাপের মতো মেসেজিং অ্যাপকে ব্রাজিল এবং ইন্দোনেশিয়ার একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখানো হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।

যদিও টেলিভিশন সামগ্রিকভাবে সর্বাধিক জনপ্রিয় সংবাদের উৎস, তবুও প্রিন্ট পত্রিকা টেলিভিশনের চেয়ে বেশি বিশ্বাসযোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ্য করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক টেলিভিশন রেটিং পয়েন্টকে (টিআরপি) উদ্ধৃত করে, প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে যে টিভির জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও প্রিন্ট পত্রিকার চেয়ে এর ওপর আস্থা কম।