এবার শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা ও রাশিয়ার দিমিত্রি মোরাতভ। তারা দুজনই সাংবাদিক।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) নরওয়ের নোবেল কমিটি তাঁদের নাম ঘোষণা করে।

নোবেল কমিটি বলছে, সাংবাদিক মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মোরাতভ ফিলিপাইন এবং রাশিয়ায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় তাদের ‘সাহসী লড়াই’য়ের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। যা গণতন্ত্র এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পূর্বশর্ত।

কমিটি তাদের এই আদর্শের পক্ষে দাঁড়ানো সকল সাংবাদিকের প্রতিনিধি বলে অভিহিত করেছে।

এবার ৩২৯ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে তাদের নির্বাচিত করা হয়।

অন্যদের মধ্যে এই পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার ছিলেন- জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গ, মিডিয়া রাইটস গ্রুপ রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মারিয়া রেসা ফিলিপাইনভিত্তিক অনলাইন নিউজ ওয়েবসাইট র‌্যাপলারের সহপ্রতিষ্ঠাতা। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার, সহিংসতা এবং ফিলিপাইনে ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ প্রকাশ করায় প্রশংসিত হন।

দিমিত্রি মোরাতোভ রুশ সংবাদপত্র নোভায়া গেজেতার এডিটর ইন চিফ। এই সংবাদপত্রটিকে অনেকেই রাশিয়ার একমাত্র সত্যিকার সমালোচক সংবাদমাধ্যম মনে করে থাকে।

মোরাতোভ কয়েক দশক ধরে রাশিয়ায় ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে বাক স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করছেন।

করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসায় আইসোলেশনে ট্রুডো



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংস্পর্শে আসায় পাঁচদিনের জন্য আইসোলেশনে গেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) এক টুইট বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।

তিনি জানান, বুধবার তিনি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন এটা জানতে পারেন। যদিও তার র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ এসেছে। তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি ভালো অনুভব করছি এবং বাড়িতে থেকে কাজ করছি’। টুইট বার্তায় তিনি আরও যোগ করেন -‘সবাই সুস্থ থাকুন এবং ভ্যাকসিন নিন।’

তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী কীভাবে তিনি কোভিড-১৯-এর সংস্পর্শে এসেছেন সে বিষয়টি জানাননি।

এদিকে ট্রুডো আইসোলেশনে যাওয়ায় সোমবার হাউস অফ কমন্সে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকছেন না।

;

জর্ডান সেনার সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সিরিয়ার ২৭ চোরাকারবারি নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরিয়া থেকে মাদক নিয়ে জর্ডানে প্রবেশের সময় জর্ডান সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২৭ পাচারকারী নিহত হয়েছে। এ সময় আরও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী সিরিয়ায় পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত কয়েক বছরে সিরিয়া সীমান্ত দিয়ে জর্ডানে মাদক পাচারের ঘটনা বেড়েছে। ফলে কয়েকটি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করেছে জর্ডান পুলিশ। ফলে বিগত বছরে এই ধরনের বেশ কয়েকটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার ওই ঘটনার পর বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে জর্ডানের সেনাবাহিনী। সিরিয়ার ট্রাকে ভর্তি করে জর্ডানের মূল সীমান্ত ক্রসিং এর ভেতর দিয়ে এসব মাদক উপসাগরীয় অঞ্চলে নেওয়ার চেষ্টা চলছিল বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

এ মাসের শুরুর দিকে সিরীয় সীমান্তে চোরাকারবারীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জর্ডানের একজন সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। সিরিয়ার সঙ্গে জর্ডানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। যেখানে প্রায়ই চোরাকারবারীর ঘটনা ঘটে। গৃহযুদ্ধ চলাকালে সিরিয়া থেকে জর্ডানে ছয় লাখ ৫০ হাজারের বেশি শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা করেছে সিরিয়া ও জর্ডানের কর্মকর্তারা। সিরিয়ার সরকারি বাহিনী জর্ডান সীমান্ত বরাবর বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকা দখলের পর এ অলোচনা হয় দেশ দুইটির মধ্যে।

এর এক মাস পড়ে গত এক দশকের মধ্যে প্রথম বারের মতো জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে দেশ দুইটির মধ্যে প্রধান সীমান্ত বন্দরগুলো পুনরায় চালু হয়।

জর্ডানের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরান সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহ গ্রুপ এবং দক্ষিণ সিরিয়া নিয়ন্ত্রণকারী বিভিন্ন গোষ্ঠী এসব মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ।

জাতিসংঘের মাদক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে পাচার হওয়া মাদকের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে এক দশকের গৃহযুদ্ধ জর্জরিত সিরিয়া। এসব মাদক জর্ডান, ইরাক এবং ইউরোপে পাচার হয়ে থাকে বলে দাবি তাদের।

;

ফুকুশিমা বিপর্যয়: ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণের মামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফুকুশিমা পারমাণবিক প্ল্যান্টের অপারেটরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন থাইরয়েড ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানের ছয় তরুণ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ বছর আগে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিলো জাপানের পূর্ব উপকূলে, যাতে তছনছ হয়ে যায় ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এসময় পারমাণবিক বিকিরণের এক্সপোজার থেকে তারা ক্যান্সার আক্রান্ত হন।

ফুকুশিমা বিপর্যয়ের সময় ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানি ছয় তরুণের বয়স ছয় থেকে ১৬ বছরের মধ্যে ছিল।

বাদীদের আইনজীবী বলেন, তাদের থাইরয়েড গ্রন্থির অংশ বা সমস্ত অংশ অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

তবে, তারা প্রমাণ করতে চেষ্টা করছেন যে বিকিরণ থেকে তারা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণ টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির (টেপকো) কাছ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করতে চাচ্ছেন বলে তাদের আইনজীবী জানিয়েছে।

এবিষয়ে টেপকোর একজন মুখপাত্র বলেছেন, কোম্পানিটি মামলার বিষয়ে জানতে পেরেছে। তারা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জেনে এটি সমাধান করার চেষ্টা করবে।

পারমাণবিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাপানের ফুকুশিমার ওকুমা শহরে যা দেশটির পূর্ব উপকূলীয় এলাকায় তবে রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে।

২০১১ সালের ১১ মার্চ স্থানীয় সময় বেলা পৌনে তিনটায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। আঘাত হানার মূল জায়গাটি ছিলো ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র ৯৭ কিলোমিটার দূরে সেন্দাই শহরে।

ওদিকে সুনামি উপকূলে আঘাত হানার আগে সতর্ক হওয়ার জন্য মাত্র দশ মিনিট সময় পেয়েছিলো সেখানকার অধিবাসীরা। তবে ভূমিকম্প, সুনামি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনার কারণে সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছিল।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিপর্যয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ মারা না গেলেও বিস্ফোরণে কেন্দ্রটির ১৬ জন কর্মী আহতে হয়েছিলো।

;

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল টোঙ্গা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ টোঙ্গায় আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২।

চলতি মাসেই সাগরতলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর দেশটিতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। এই বিপর্যয় কাটিয়ে না উঠতেই আবারও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে দেশটি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএজিএস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) টোঙ্গার পাঙ্গাই থেকে প্রায় ২১৯ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘান হেনেছে। গভীরতা ছিল ১৪.২ কিলোমিটার। ফলে প্রাণহানি এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে ভূমিকম্প উৎপত্তিস্থল থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে জনবসতি না থাকায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

;